ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

ভানুমতির খেল ও শেখ হাসিনা

সায়েদুল আরেফিন
প্রকাশিত: ০৩ আগস্ট ২০১৮ শুক্রবার, ০৭:৩৫ পিএম
ভানুমতির খেল ও শেখ হাসিনা

আকাশ সংস্কৃতির এই যুগে ভারতীয় কিছু টিভি চ্যানেল বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়। এ নিয়ে মামলা হয়েছিলো বাংলাদেশের আদালতে, তবুও তাঁর স্যাটেলাইট প্রচার আটকাতে পারেনি। এই মামলার সুবাদেআগ্রহী হয়ে আমি মাঝে মাঝে ভারতীয় টিভি চ্যানেলের ‘ক্রাইম পেট্রোল’, ‘আদালত’, ‘ভানুমতির খেল’ ইত্যাদি কিছু সিরিয়াল দেখায় অভ্যস্থ হয়ে গেছি বেশ কিছু দিন। ‘ভানুমতির খেল’ সিরিয়ালে ভানুমতি খুব ভালো ম্যাজিশিয়ান। সে প্রায় সব অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে, ম্যাজিকের মাধ্যমে। কিন্তু তাঁকে ব্যর্থ করতে বাইরের লোক তো আছেই, তাঁর পরিবারের মধ্য থেকেই করা হয় নানা ষড়যন্ত্র। সবষড়যন্ত্রের জাল ছিঁড়ে ভানুমতি বেরিয়ে আসে বর্তমান ও আগামীর শান্তি-সুখের বারতা নিয়ে। এই সাফল্যে পরিবারের অধিকাংশের মুখে হাসি ফুটলেও পরিবারের কিছু কিছু সদস্যের চেহারা কালো হয়েযায়, নানান কথায় ভানুমতির অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। 

বাসচালকের বেপরোয়ায় আজ ক্যান্টনমেন্টের রমিজউদ্দিন স্কুলের ৪ জন ছেলে মেয়ের হত্যা করা হয়েছে! এখানে হয়তো কারো কিছু করার নেই, কারণ ড্রাভারদের দলপতি সরকারী দলের একজন সাংঘাতিক বড় কাউয়া নেতা, তার কাছে দেশের পরিবহন সেক্টর জিম্মি। হয়তো নিহতের পরিবারকে মোটা অঙ্কের টাকার ক্ষতিপূরন দেওয়া হবে, তাঁর পরে নানাভাবে এই হত্যাকে  জাস্টিফাই করার চেষ্টাকরা হবে, প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বুঝানো হবে দলেবলে মিলে। তা না হলে বিএনপি’র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো বলবেন, ` আল্লার মাল আল্লায় নিছে’! কিন্তু উনারা যদি কেউ এখন একবারের জন্যেও বোরকা পরেফ্লাইওভার থেকে মাটিকাটা পর্যন্ত এসে ঘুরে যান তাহেলেই বুঝবেন জনরোষ কাকে বলে। মনে কম করে হলেও ২৫/৩০টা গাড়ি ভেঙ্গে চুরমার করেছে, সন্তান হত্যা বদলা নিতে পারবে না জেনে গাড়িরউপর দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। জনমত প্রতিফলিত হয়েছে এই আচরণে, তাতে সন্দেহ নেই। ঘাতকরুপী ড্রাইভারদের নেতা একজন মন্ত্রী, তাই তার টিকিটাও কেউ ছুঁতে পারবে না, এটা বিশ্বাসকরে ঐ ঘাতকরুপী ড্রাইভাদের, যারা এর আগেও অনেক নামী দামী লোকের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, তাদের কিছুই করা যায় নি।  

বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রায় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে চলেছিল। তাঁকে ভেঙ্গে চুরমার না করা যাক দমন করা অত্যন্ত জরুরী আমাদের উন্নয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখাতে, কিন্তু মাঝে মাঝেই এমন সব ঘটনাঘটানো হয় বা যার জন্য সরকারের বিপুল, বিশাল অর্জন ম্লান হয়ে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সোনা কেলেঙ্কারিতে সারা দেশের মানুষকে চরম উদ্বিগ্ন করেছেছে। এরা আগেও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের বৈদেশিক মূদ্রা লপাট হয়েছিলো। যে  সময় এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানহ্যাক হয়েছে, টানা পাঁচ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির সিস্টেমটি সমান্তরালভাবে হ্যাকারদেরও নিয়ন্ত্রনে থেকেছে- অথচ প্রতিষ্ঠানটি সেটি টেরই পায়নি (!) সাইবার সিকিউরিটি কোম্পানি `ফায়ার আই` এমন একটিকেস এরও তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানিটির চীফ এশিয়া প্যাসিফিক সিকিউরিটি অফিসার ব্রিচ বোলান্ড। তাঁর ভাষ্য,’বাস্তবতা হচ্ছে অধিকাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠানই সিস্টেম হ্যাক হওয়ার তথ্যপ্রকাশ করে না।

সনা কেলেংকারীর ঠিক পরেই বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কোল ইয়ার্ড থেকে বিপুল পরিমাণ কয়লা ‘উধাও’ হয়ে গেছে। ফলে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে বন্ধ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে‘পেট্রোবাংলা’র তদারকিতে ঘাটতি ছিল বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেছেন, কয়লা সরবরাহে ‘পেট্রোবাংলা’র তদারকিতে ঘাটতি ছিল। তদন্ত শুরুহয়েছে। অতীতে যারাই খনিতে দায়িত্বে ছিলেন, তারাও তদন্তের আওতায় আসবেন।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া, দৈনিক আমার দেশের কথিত ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। পরে এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া, কিন্তু হেরা যান, মামলাচলছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায়দুদক মামলা করেছিল। একই বছরের ৫ অক্টোবর মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনার মতো একই ভাবে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি নিয়ে কেউ আর মাথা ঘামায়নি, কিন্তুকেন? সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে সবার। আমাদের জালানী উপদেষ্টা, জালানী প্রতিমন্ত্রীর তো তা তদাকি করার কথা। নাকি সাভারের গার্মেন্টস ধসে পড়ার পরে আমলাদের দেওয়া ‘ঝাঁকুনি তত্ত্বের` প্রয়োগকরা হবে এটা নিয়ে! সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা   তাই বলে, কারণ কাউয়ার মাংস কাউয়া খায় না, আমলাদের তদন্তে আমলারা দোষী হয় না খুব একটা ব্যতিক্রম না হলে। স্বজাতি বলে কথা আছে না!   

মানবতাবিরোধীদের বিচারের অঙ্গীকার ২০০৮ সালের নির্বাচনে বর্তমান সরকারের জয় আনে। তাই সরকার মানবাতাবিরধীদের বিচার করে তাঁদের শাস্তি কার্যকর করে, জনআকাংখ্যা পূরণ করে কীসরকার অপরাধ করেছে? দেড় লাখ টাকার মোবাইল ফোন এখন ৫০০ বা ১০০ টাকায় পাওয়া যায়। মোবাইল ফোনের প্রতি মিনিট ১০ টাকা ইনকামিং আর ১২ টাকা আউটগোনিং চার্জ এখন কত? এটা কীসাফল্য নয়? এটা করে কী আমাদের মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের উপর চরম আঘাত করেছেন শেখ হাসিনা? ব্যংকের সুদের হার  ১ ডিজিটে নামিয়ে কী বড় অন্যায় করেছেন তিনি! উত্তরের মংগা দূরকরে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন কী খুব অন্যায় হয়েছে বলে মনে করি আমরা!   

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত নয় বছরে দেশ অবকাঠামোসহ আর্থ-সামাজিক প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে আশাতীত সাফল্য অর্জন করেছে। এ সময় মাথাপিছু আয়, রিজার্ভ, রেমিটেন্সসহ বিভিন্ন সূচকেউন্নতি হয়েছে। মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কাজও অব্যাহতভাবে এগিয়ে চলেছে। বর্তমান সরকারের সময় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫.৫৭ থেকে ৭.২৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। মাথাপিছু আয় ৮৪৩ থেকে ১হাজার ৬১০ মার্কিন ডলার, বিনিয়োগ ২৬.২৫ শতাংশ থেকে ৩০.২৭ শতাংশ, রফতানি ১৬.২৩ থেকে ৩৪.৮৫ বিলিয়ন ডলার, রেমিটেন্স ১০.৯৯ থেকে ১২.৭৭ বিলিয়ন ডলার, রিজার্ভ ১০.৭৫ থেকে ৩৩.৪১বিলিয়ন ডলার এবং এডিপি ২৮৫ বিলিয়ন টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ১০৭ বিলিয়ন টাকা হয়েছে। এটা কী শেখা হাসিনার অপরাধ?

নিজস্ব অর্থে পদ্মার ওপর ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ এখন দৃশ্যমান। এ ছাড়া মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সেপ্রেসওয়েসহ আরও কিছু বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। ফেনী জেলার মহিপালেদেশের প্রথম ৬ লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এগুলো করে কী তিনি অন্যায় করেছেন! 

এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন করছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগও চলমান। রয়েছে মহাকাশ জয়ের সাফল্যবঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে। দেশের প্রথম স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’  এখন মহাকাশে। যাতে বছরে সাশ্রয় হবে ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটা তাহলে কী অপরাধ!

কোনো রকম যুদ্ধ-সংঘাত বা বৈরিতা ছাড়াই দুই প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমারের বিপক্ষে সমুদ্র বিজয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। বঙ্গোপসাগরে এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারের বেশিটেরিটরিয়াল সমুদ্র, ২০০ নটিক্যাল মাইল এলাকায় একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকার প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপরসার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া স্বাধীনতার পর পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে স্থল সীমান্ত চুক্তি হয়েছিল তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার সমাধান করাও বাংলাদেশের বড়অর্জন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতেও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা পেয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশ ও সংস্থা এই ইস্যুতে বাংলাদেশের পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে পাশে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা পেয়েছেন ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ উপাধি। মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক খালিজ টাইমস রোহিঙ্গাদের সঙ্কট মোকাবেলায় শেখ হাসিনার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য তাকে ‘নিউ স্টার অব দ্য ইস্ট’ বা‘পূর্বের নতুন তারকা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

বৈশ্বিক রাজনীতি বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘পিপলস এ্যান্ড পলিটিকস’ বিশ্বের পাঁচজন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে চিহ্নিত করেছে, যাদের দুর্নীতি স্পর্শ করেনি, বিদেশে কোন ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নেই এবং উল্লেখকরার মতো কোন সম্পদও নেই। বিশ্বের সবচেয়ে সৎ এই পাঁচজন সরকারপ্রধানের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টাইম ম্যাগাজিনের বিবেচনায় বিশ্বের প্রভাবশালী১০ নারী নেত্রীর একজন মনোনীত হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে নানা পুরস্কারে ভূষিত করা হয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে। ২০১৪ সালে ইউনেস্কো তাকে ‘শান্তিবৃক্ষ’ ও২০১৫ সালে ওমেন ইন পার্লামেন্টস গ্রোবাল ফোরাম নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তাকে ‘রিজিওনাল লিডারশিপ পুরস্কার’ এবং ‘গ্লোবাল সাউথ সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো-২০১৪ ভিশনারি’ পুরস্কারে ভূষিতকরে। বাংলাদেশের কৃষির উন্নয়নে অব্যাহত সমর্থন, খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে অবদানের জন্য আমেরিকার কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৫ সালে শেখ হাসিনাকেসম্মাননা সনদ প্রদান করে। জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচি দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ এবং টেকসই উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য লিডারশিপ ক্যাটাগরিতে শেখ হাসিনাকেতাদের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ-২০১৫’ পুরস্কারে ভূষিত করে। 

আমাদের দেশে একটা কথা প্রচলিত আছে যে, ‘একমন দুধ নষ্ট করতে ১ ফোঁটা গো’ চনাই যথেষ্ট’। আমাদের দেশের বর্তমান সরকারের শত শত সাফল্য মুছে ফেলতে, ব্যাংকিং খাত তথা সরকারের প্রায়সব দপ্তরের দুর্নীতি, আর পরিবহন খাতের অরাজকতাই যথেষ্ট, যদি তিনি বিশ্বের অন্যতম সৎ সরকার প্রধান হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তাই জনগণ প্রত্যাশা করেন যে, ভানুমতির মত ম্যাজিকতাঁকে দেখাতে হবে এবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে আর দলে ঢুকে থাকা বর্ণচোরা কাউয়া, পরিবহন খাতের অরাজকতা দূর করতে। দেশবাসী এখন ভানুমতির খেল দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন, অধীর আগ্রহে। কারণ জনশ্রুতি আছে যে, ‘বাঘে ধরলে ছাড়ে কিন্তু শেখ হাসিনা কাউকে ধরলে ছাড়ে না‘। এখনি শুরুর সময় যা ২০০৮ সালের মত বিজয় মালা এনে দেবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গলায়। 


লেখক: উন্নয়ন কর্মী ও কলামিস্ট 
তথ্যঋণঃ বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া, ফেসবুক ও অন্যান্য