ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক চেয়ার প্রতিষ্ঠা শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবার বিরাট সুযোগ

অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী
প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২১ শুক্রবার, ০২:৫৯ পিএম
শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক চেয়ার প্রতিষ্ঠা শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবার বিরাট সুযোগ

গতকাল ১০ জুন কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয় হোটেল ওয়েস্টিনে টেবিল টকের মাধ্যমে। সেখানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা: শরফুদ্দিন আহমেদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা: আবদুল আজিজ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সৃজনশীল লেখক সৈয়দ বোরহান কবীরসহ অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এবং মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন শাহানা পারভীন। এই গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটি ক্লিনিক ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ডা: সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী।

অধ্যাপক ডা: সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী সভার শুরুতেই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক চেয়ার প্রতিষ্ঠার জন্য আহ্বান জানান। এরপর যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বক্তৃতা দেন তখন তিনি পরিস্কারভাবে এর যুক্তির সঙ্গে একমত পোষণ করেন এবং ওখানেই তিনি ঘোষণা করেন যে, তিনি এই ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তারপর গতকাল বিকেলেই বাংলা ইনসাইডারের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক চেয়ার প্রতিষ্ঠা করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং এর জন্য যে সব কাজ করতে হবে, সেই সব দাপ্তরিক কাজকর্ম শুরু হয়েছে।

আজ ১১ জুন। এই দিনেই অসাংবিধানিক পথে যারা এক-এগারোতে ক্ষমতায় এসে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে জেলে পুরে রেখেছিল বেআইনিভাবে এবং এই দিনে তাকে মুক্তি দেয়। আজকে পত্রপত্রিকায় এই খবরটিও প্রকাশিত হয়েছে। আমি আমার এই একটি অনুরোধ রাখার জন্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে আমার কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিটি কর্মী এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে শুধু ধন্যবাদ নয় কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। একইসাথে আমরা অত্যন্ত গর্বিত যে, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার মতো একজন নেতা আমরা পেয়েছি যার দ্বারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অংশ হিসেবে কমিউনিটি ক্লিনিক তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন। কমিউনিটি ক্লিনিকে শেখ হাসিনার যে অবদান, তাকে স্থায়ী করার জন্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক চেয়ার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা জানাবার একটা বিরাট সুযোগ পেলাম।

ভবিষ্যতে এই শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক চেয়ারের মাধ্যমে অনেকে পিএইচডি করবেন। অনেকে আরও আন্তর্জাতিক মানের অনেক অবদান রাখবেন এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের সাথে জননেত্রী শেখ হাসিনার নাম স্থায়ীভাবে দেশের প্রতিষ্ঠা লাভ করলো। এটি আমাদের জন্য বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়। আমি বাংলা ইনসাইডারের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে, তারাই এই সংবাদটি প্রথম জনসম্মুখে প্রকাশ করেছে। আমি বলতে চাই যে, আমাদের জীবন্তকালে কমিউনিটি ক্লিনিকে জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদানকে একটা স্থায়ী এবং বুদ্ধিভিত্তিক গঠন দিতে পেরে নিজেদেরকে নতুন প্রজন্মের কাছে অন্তত পক্ষে আমাদের কৃতজ্ঞতা স্থায়ী রুপে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে দিতে পারলাম। সেই জন্য নিজেদেরকে গর্বিত মনে করছি এবং কমিউনিটি ক্লিনিক ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হিসেবে আমি মনে করি এই তিন বছর তিনি আমাকে যে দায়িত্বে রেখেছেন তার ভেতরে এটি সবথেকে বড় কাজ।

আর একটি কাজের বিষয়ে আমরা চিন্তা করেছি। কমিউনিটি গ্রুপ, কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপ এবং কমিউনিটি হেল্থ ওয়ার্কার এই তিনজনকেই প্রতিবছর জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে সেপ্টেম্বর মাসে জননেত্রীর মাধ্যমে স্বর্ণপদক প্রদান করার জন্য প্রস্তাব করছি। সে প্রস্তাবও আশা করি জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রহণ করবেন এবং গ্রহণ করলে এই যে স্বর্ণপদক প্রদান করা হবে সেটি জাতীয় পর্যায়ে প্রদান করা হবে। এই ব্যাপারে আমরা নিজেদেরকে গর্বিত মনে করবো। তবে আমি বাংলা ইনসাইডারকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি বিশেষ করে এই জন্যে যে, এ বিষয়গুলি নিয়ে লেখালেখি এবং বিভিন্নভাবে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বাংলা ইনসাইডার অবদান রেখেছে। এই জন্যে এই সুযোগে বাংলা ইনসাইডারের সাথে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এবং কর্মীবাহিনী যেভাবে কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য যেভাবে অবদান রেখে চলেছে এই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বারূপ আমি ঘোষণা করতে চাই যে, বাংলা ইনসাইডারকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এরপরে প্রতি মাসে একটি করে এরকম গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবো।