ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনা বিশ্বে অনন্য

সুব্রত মণ্ডল
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ রবিবার, ০৭:০০ পিএম
উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনা বিশ্বে অনন্য

বুদ্ধিজীবীরা দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা যা কল্পনাও করেননি সেসব পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে অনন্য নাম। বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ তনয়া শেখ হাসিনা এসব দূরদর্শী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ আজ উন্নত বিশ্বের দোয়ারে  নাম লেখাতে পেরেছেন। এই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশী বিদেশী নানান ষড়যন্ত্র থাকলেও তিনি তা দক্ষ হাতে দমন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দেশী বিদেশী নানান ষড়যন্ত্রের কথা মনে পড়লেই চোখের সামনে আসে বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্নের পদ্মাসেতু। তবে মনে রাখা দরকার জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নের স্বার্থে অনেক ষড়যন্ত্রের কথা প্রকাশই করেন না। এখানেই তাঁর নেতৃত্বের গুণের ব্যতিক্রমী ধারা। যে জাতি সারা জীবন ফ্লাইওভার উপর দিয়ে গাড়ি চলার স্বপ্ন দেখত। সেই জাতিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার পানির নিচ দিয়ে কার/ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। বিষয় খুব সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনার চেষ্টা করা যাক।

জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয় লাভ করার দেশের উন্নয়নে বুদ্ধিজীবীদের কাছে অকল্পনীয় কিছু প্রকল্প হাতে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করে সারাবিশ্বে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তবে শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ধাপে ধাপে বাধা বিপত্তি এসেছে। এসেছে মানবিকতার জাগ্রতবোধের চেতনার উন্মেষ। মূলত জাতির পিতার যোগ্য কন্যার হবার কারণে এসব বাধা তিনি খুব দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করে সফল হয়েছেন। ক্ষমতা গ্রহণের পর নানান মানবিক বিপর্যয়ও তাকে মোকাবেলা করতে হয়েছে। এক একটি বিপর্যয়কে শেখ হাসিনা মানবিকতা দিয়ে মোকাবেলা করে নজীর স্থাপন করেছেন।

২০১০ সালের ৩রা জুন পুরাতন ঢাকার নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২৭ জনের মৃত্যুর পর এবং পরবর্তীতে নির্বাচনী সহিংসতা ও দেশের বিভিন্ন কলকারখানায় অগ্নিকাণ্ডজনিত দুর্ঘটনাজনিত কারণে বার্ন ইউনিটের গুরুত্ব জোরালো হয়। ২০১৩ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের শয্যা সংখ্যা ৩০০-এ উন্নীতকরণ করা হয়। অনেকে হতো ভেবেছিলেন এখানে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা শেষ প্রকল্প। কিন্তু শেখের বেটে সবাইকে অবাক করে দিয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনোত্তর বিএনপি জামাতের আগুন সন্ত্রাস সংকট আসলে শেখ হাসিনা এই বার্ন ইন্সটিটিউট নির্মাণের কাজ দ্রুত করার অনুভব করেন। এর ধারাবাহিকতায় চানখারপুলের টিবি হাসপাতালকে মহাখালী বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সাথে সংযুক্ত করে ওই জমিতে ৫০০ শয্যার এই ইন্সটিটিউট গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আয়োজিত প্লাস্টিক সার্জারি বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক মানের একটি বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট স্থাপনের ঘোষণা দেন। যা ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে একনেকের সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ৬ই এপ্রিল ঢাকার চাঁনখারপুলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় এবং একই বছরের ২৭শে এপ্রিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর নির্মাণ কাজ শুরু করে। ২০১৮ সালের ২৪শে অক্টোবরে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা চালু হয় ৪ঠা জুলাই ২০১৯ থেকে।

কর্ণফুলী নদীর ওপর যখন পিলার সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তখন সে সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তৎকালীন মেয়র প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি দাবি তুলেছিলেন কর্ণফুলীর তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মাণের। উন্নত বিশ্বের টানেলের বাস্তবতা যা আমাদের কাছে কেবলই স্বপ্নের, যেন শুধুই ছবি মাত্র। সে কারণে তখন মহিউদ্দিন চৌধুরী সেই দাবি অনেকটা অলীক, অবাস্তব বলে মনে হয়েছিল অনেকের কাছে।তবে সে অলীক অবাস্তব পরিকল্পনাও শেখ হাসিনা হাতে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করছেন। ২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচনের আগে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে এই টানেল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসার পর এই টানেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কর্ণফুলী নদীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান চাক্তাইখালের উজানে পিলার সেতু নির্মিত হলে নদী ভরাট হওয়ার আশঙ্কা থেকে মহিউদ্দিন চৌধুরী পিলার সেতুর পরিবর্তে ঝুলন্ত সেতু বা টানেলের দাবি তুলেছিলেন।সেই দাবিই বাস্তবায়ন করেন শেখ হাসিনা। মাত্র দুই দশকের ব্যবধানে সেদিনের সে অলীক স্বপ্ন যা আজ নিখাদ বাস্তবতা। স্বপ্নময় এই প্রকল্পের ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে ইতোমধ্যে। করোনাকালে কাজের গতি সামান্য থমকে গেলেও এখন পুরোদমে এগিয়ে চলছে।

চীনের সাংহাই সিটির আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ মডেলকে সামনে রেখে চীনা সহযোগিতায় টানেলটি নির্মাণ করা হচ্ছে। টানেলটির নামকরণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু টানেল। টানেলের কাজ শেষ হলে বদলে যাবে চিরচেনা চট্টগ্রাম, পাবে এক নতুন রূপ। নদীর ওপারে গড়ে উঠবে আরেক চট্টগ্রাম।

দেশে প্রথমবারের মতো নির্মাণাধীন এই টানেলের চট্টগ্রাম নগর প্রান্ত শুরু হয়েছে পতেঙ্গার নেভাল একাডেমির পাশ থেকে। এই প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া প্রথম টিউবের খননকাজ গত বছরের ২ আগস্ট শেষ হয়েছে। নদীর আনোয়ারা প্রান্ত থেকে টিউবের খননকাজ শুরু হয়েছে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর। টানেল নগর প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে কাফকো ও সিইউএফএল সীমানার মাঝখান দিয়ে উঠে কর্ণফুলী-আনোয়ারা প্রান্তে সংযোগ ঘটাবে। টানেলের মাধ্যমে চীনের সাংহাইয়ের আদলে চট্টগ্রামে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

দেশে প্রথমবারের মতো কোনো নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন এই টানেলের নামকরণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। এতে ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। টানেল নির্মিত হলে দেশের জিডিপি শূন্য দশমিক ১৬৬ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এর মধ্যে টানেলের প্রতিটি টিউবের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার এবং ব্যাস ১০ দশমিক ৮০ মিটার। প্রতিটি টিউবে দুটি করে মোট চারটি লেন থাকবে। মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযুক্ত সড়ক থাকবে। আর রয়েছে ৭২৭ মিটার দীর্ঘ ওভারব্রিজ।

কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল, গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। এসব কর্মযজ্ঞ চলছে টানেলকে ঘিরে। এই টানেলের বহুমুখী সুবিধা নেওয়ার অপেক্ষায় এখন সবাই। আর টানেলকে ঘিরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটবে।

টানেলে যান চলাচল শুরু হলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা কক্সবাজার ও দক্ষিণ চট্টগ্রামগামী গাড়িগুলোকে আর নগরে প্রবেশ করতে হবে না। চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড হয়ে টানেলের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এর ফলে চট্টগ্রাম নগরেও যানবাহনের চাপ কমে যাবে।

 মাত্র এক দশক আগেও ঢাকা শহরের মেট্রোরেল ভাবনা যেন কল্পনার ও দিবাস্বপ্নের মত । সেই কল্পনাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। এই মেট্রোরেল একমাত্র শেখ হাসিনার উন্নয়ন পরিকল্পনা থেকেই এসেছে। সেই পরিকল্পনা এখন বাস্তবায়নের পথে। প্রধানমন্ত্রী শেখ  হাসিনার নির্দেশে  ২০১৩ সালে অতি জনবহুল ঢাকা মহানগরীর ক্রমবর্ধমান যানবাহন সমস্যা ও পথের দুঃসহ যানজট কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। যার অধীনে প্রথমবারের মত ঢাকায় মেট্রো রেল স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে প্রণীত সংশোধিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা অনুসারে ঢাকায় নির্মিতব্য মেট্রো রেলের লাইনের সংখ্যা ৩টি থেকে বাড়িয়ে ৫টি করা হয়। প্রথম পর্যায়ে নির্মাণের জন্য উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০.১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন ৬ (MRT Line-6) কে নির্বাচন করা হয়। ২০১৬ সালের ২৬ জুন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এমআরটি লাইন-৬ এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। চলতি বছর ২৯ আগস্ট  সেই মেট্রোরেলের  ডিপোতে সবুজ পতাকা উড়িয়ে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করা হয়।                

এসব প্রকল্পের বাইরের পদ্মাসেতুর কথা সবার জানা। পদ্মাসেতুর অর্থায়ন বন্ধে দেশী বিদেশী নানান ষড়যন্ত্রকারীদের মুখে ছাই দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজ অর্থায়নেই পদ্মাসেতু নির্মাণ  কাজ প্রায় শেষের পথে।

এক যুগ আগেও বাংলাদেশের মানুষ বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে বেশ বেকায়দায় ছিল। বিদ্যুতের অভাবে কলকারখানা বন্ধ হবার উপক্রম হয়। সেই দুর্বিষহ অবস্থা থেকে বাংলাদেশ আজ শতভাগ বিদ্যুতায়নে এসে পড়েছে। বিদ্যুতের সংযোগ দেবার জন্য শেখ হাসিনার সরকার  গ্রাহকদের মাইকিং করে খুঁজতে হয়।

বাংলাদেশের সমুদ্রসম্পদ রক্ষায় কখনো সাবমেরিন ব্যবহার করার কথা শেখ হাসিনা ব্যতীত কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। শেখ  হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ সাবমেরিন যুগে প্রবেশ করেছে। শুধু সমুদ্র জয়ে শেখ হাসিনার  উন্নয়ন পরিকল্পনা থেমে নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমুদ্র জয়ের পর আকাশ জয়ও করলেন। আকাশে উৎক্ষেপণ করলেন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। পনের বছর মেয়াদী এ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরপরই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কথা সংসদে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনার নানানমুখী উন্নয়নের কথা লেখতে হলে দীর্ঘ সময়ের দরকার। এসব উন্নয়ন প্রকল্পের সুযোগ ‍সুবিধা বাংলাদেশবাসী ভোগ করছে। সারা বিশ্ববাসী শেখ হাসিনার উন্নয়নমুখী নেতৃত্বকে প্রশংসা করেছেন। জাতিসংঘ ৭৬ তম সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সভার সভাপতি জাতিসংঘ মহাসচিব এন্থেনিও গুতারেস বিশ্ব দরবারে শেখ হাসিনার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সারাবিশ্বের মানুষ শেখ হাসিনাকে সম্পর্কে এসব ইতিবাচক মন্তব্য শুনে এখন আর অবাক হন। জননেত্রী শেখ হাসিনা বিগত বার বছর ক্ষমতায় থেকে বিশ্ববাসীকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার যে ছবি বাস্তবে দেখিয়েছেন সেখানে তারা অবাক হন কী করে? বিশ্বের ইতিবাচক চিন্তার লোকেরা প্রতিদিনই বাংলাদেশের উন্নয়ন খবর দেখতে পান। বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে বারবার ভোট দিয়ে বিশ্বের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য ব্যাকুল থাকেন। তাই তারা নানান বাধা বিপত্তি আগুন সন্ত্রাস উপেক্ষা করে শেখ হাসিনাকে টানা তিনবার প্রধানমন্ত্রী গদিতে আসীন করেছেন। বুদ্ধিজীবীদের কাছে অকল্পনীয় অথচ শেখ হাসিনার কাছে সেসব অকল্পনীয় চিন্তাকে পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়ন করার কারণে বাংলার মানুষ শেখ হাসিনাকে যুগ যুগ ধরে সরকার প্রধান হিসেবে পেতে চায়।

লেখক পরিচিত: সাবেক সভাপতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।