ইনসাইড বাংলাদেশ

তারেক -ঢাবি শিক্ষক কথোপকথন ফাঁস (অডিওসহ)

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০:৩৮ পিএম, ১১ এপ্রিল, ২০১৮


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী এক শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছেন লন্ডনে পলাতক বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই কথোপকথনের অডিও প্রকাশ পেয়েছে। কথোপকথনে উঠে এসেছে ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ।

কথপোকথন হুবহু তুলে দেওয়া হলো: 

তারেক:জি, আসসালামু আলাইকুম।

শিক্ষক: ওয়ালাইকুম আসলাম।

তারেক: জি মামুন সাহেব বলছেন।

শিক্ষক: জি।

তারেক: মামুন সাহেব আমার নাম তারেক রহমান।

শিক্ষক: জি। আসসালামু আলাইকুম।

তারেক: ভালো আছেন আপনি।

শিক্ষক জি আমি ভালো আছি। আপনি ভালো আছেন। আপনার শরীর কেমন?

তারেক : শরীর আলহামদুলিল্লাহ আছে ভালো।

আমি ফোন করলাম এই যে ছেলে পেলেরা কোটা আন্দোলন বা সংস্কারের জন্য আন্দোলন করছে।  এখানে অধিকাংশ স্টুডেন্টরা যারা মেধাবী বলে …..(আওয়ামী লীগকে দোষারোপ)।

আমার মনে হয় আপনারা যারা আছেন। সাদা দলের বিশেষ করে। এটা একটু অর্গানাইজ করে এটাকে সাপোর্ট দেওয়া যায় না?

শিক্ষক: আমার ব্যক্তিগতভাবে যে সাপোর্টটা দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এখন বিভিন্ন কারণে অর্গানাইজ করাটা সম্ভব হয়নি। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হয়েছে। এখন অর্গানাইজ করার সময় হয়েছে। এবং আমি শিওর আপনি বলাতে এটা আরও স্ট্রংলি করা সম্ভব হবে।

তারেক: তাহলে আপনাদেরকে তো দায়িত্ব নিতে হবে। আপনি একটু এগিয়ে আসেন তাহলে। আপনি সবার সাথে তাহলে কথা বলুন। আপনি সবার সঙ্গে কথা বলে এইটা একটু অর্গানাইজ করুন। আপনি আমার এই নাম্বারটা সেইভ করে রাখেন। আমাকে আপডেট দিবেন। এটা আমার নাম্বার। আপনি অন্য কোনো প্রয়োজন হলেও আমার সঙ্গে আলাপ করবেন।

শিক্ষক: আমি তো বিএনপির চেয়াপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। ও জাসাস সভাপতি। বিভিন্ন প্রয়োজন আমি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবো। ….

অডিওটি শুনুন- 


Read In English: https://bit.ly/2Hs9ak4


বাংলা ইনসাইডার/এমআরএইচ/জেডএ



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এখনো ঝুঁকির মধ্যে পুরান ঢাকার চকবাজার

প্রকাশ: ০৫:০১ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail এখনো ঝুঁকির মধ্যে পুরান ঢাকার চকবাজার

সোলাইমান আলী। ২৪ টি ঘণ্টা ভয়ে ভয়ে কাটে তার। কাজে মন বসে না কিন্তু কোন উপায়ও নেই। ঢাকায় তার বয়স মাত্র ৪ দিন। ১৫ আগস্ট দেবী ঘাটের যে হোটেলে আগুন লেগেছিল সেই বরিশাল হোটেল থেকে প্রায় ৫০ গজ বামে মোড় সংলগ্নে অবস্থিত একটি প্লাস্টিক কারখানায় কাজ করে। তার প্রথম কর্ম দিবসে ঘটে এই দেবী ঘাটে অগ্নিকাণ্ড। তাই আতংক নিয়ে কাজ করে সে। মনে আতংক থাকলেও সহকর্মীরা তাকে সহযোগিতা করেন অনেক। সবাই মিলে সাহস যোগান তার।

সোলাইমানের মতোই চকবাজার এলাকায় গড়ে উঠা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কারখানার প্রত্যেক শ্রমিকের অভিজ্ঞতা। রাজধানীর চকবাজারের, দেবী ঘাট, চুড়িহাট্টার, রহমতগঞ্জসহ আশেপাশের এলাকা ঘুরে কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এই চিত্র দেখা গেছে। এসমস্ত ঘনবসতিপূর্ণ ঘিঞ্জি এলাকায় রাসায়নিকের গুদাম ও প্লাস্টিকের কারখানা যে কত বিপজ্জনক তা ইতোমধ্যে একাধিকবার প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু এতো কিছুর পরও ওই এলাকার কোন পরিবর্তন দেখা যায়নি। কয়েক দিন আগেই দেবী ঘাটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও আশেপাশের সব প্লাস্টিক কারখানাই চলছে আগের মতো করেই।

ঘিঞ্জি আর প্রতিটি সরু গলিতে ছোট ছোট কারখানার ছড়াছড়ি। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিটি কারখানাই আগের মতো করেই চলছে।



শারমিন নামের এক শ্রমিক জানান, তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে একই কারখানায় কাজ করছেন। তিনি বলেন, ঝুঁকি আছে কিন্তু আমাদের বিকল্প কিছু করার নেই। পেটের কথা চিন্তা করলে ঝুঁকির ভয়টা থাকে না। তাছাড়া এখানে কাজের পরিবেশ ভালো। এখনো কোনো সমস্যা হয়নি।

পাশের এক কারখানার কারিগর সোহেল মিয়া জানান, যখন কোনো দুর্ঘটনা ঘটে সে সময় কয়েক দিন মনের মধ্যে ভয় কাজ করে। নাহলে এই সব বিষয় আমার মাথায় থাকে না। তিনি জানান, ‘‘আমি প্রায় ১৪ বছর ধরে এ সমস্ত কাজ করছি এই এলাকায় বিভিন্ন কারখানাতে। একটু সতর্ক থাকি। তাছাড়া আগুণ লাগার ঘটনায় আমাদের কোনো অবহেলা বা দোষ থাকে না। আমরা সাবধানই কাজ করি। কিন্তু কোম্পানির মালিকদের কিছু সমস্যা থাকে।’’

এদিকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুরান ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ অন্তত ৫০০টি গুদাম-কারখানা স্থানান্তর করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
 
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শালিমা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী রাশেদুল ইসলাম বলেন, সবাইকে যদি সরানো হয় তাহলে তো আর করার কিছু নেই। আমরা সরতে বাধ্য। ঝুঁকি থাকার পরও কেন সরছেন না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা যে ব্যবসা করি এই ব্যবসাই গড়ে উঠেছে চকবাজার কেন্দ্রিক। আমি যদি ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে এখান থেকে সরে যাই তাহলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা যাবে না। যখন সবাইকে সরে যেতে বলা হবে আমিও চলে যাব।

এলাকার বাসিন্দার  রাজু আহমেদ বলেন, এলাকাবাসী বার বার সরকারের কাছে এসব ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিকের কারাখানা ও গুদাম আবাসিক এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়ে আসলেও আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই পাননি। তিনি আরও জানান, আমরা সরকারকে কতবার বলে আসছি আপনারা কেমিকেলগুলো সরান। সরকার ইচ্ছা করলে এক সপ্তাহের মধ্যে কেমিকেল কারখানাগুলো সরে যেতে বাধ্য। কিন্তু আমাদেরকে তারা শুধু আশ্বাসে ভাসিয়ে রাখে। বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ এখন পর্যন্ত কেউ নেয়নি।

ঝুঁকি   পুরান ঢাকা   চকবাজার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিদ্রূপাত্মক সমালোচনার কঠোর জবাব দিতে হবে’

প্রকাশ: ০৪:৩০ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ‘বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিদ্রূপাত্মক সমালোচনার কঠোর জবাব দিতে হবে’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিদ্রূপাত্মক সমালোচনার কঠোর জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
 
বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য একটা ভয়াবহ প্রচেষ্টা দেশের ও দেশের বাইরে চলছে। ১৯৭৫ এর প্রেক্ষাপট রচনা কিছু লোক করেছিল। সে সময় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, সরকারের বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষ্যাপিয়ে তোলা, অহেতুক বদনাম সৃষ্টি করাসহ ভয়াবহ নৈরাজ্যের একটি অবস্থা দেশের ভিতরে সৃষ্টি করেছিল কিছু মানুষ। সে মানুষরা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। সামরিক শাসকদের গৃহপালিত বিরোধী দলে নেতৃত্ব দেওয়া এসব ব্যক্তিরা এখন বঙ্গবন্ধু কন্যাকে গণতন্ত্রের ছবক দিচ্ছে। তারা রাজনীতিতে পরিত্যক্ত ও উপেক্ষিত ব্যক্তিদের নিয়ে জোট গঠন করে নানাভাবে শিষ্টাচারহীন ভাষা ব্যবহার করছে, যেটা রাজনীতির ভাষা না। এ পরিস্থিতিতে মনেপ্রাণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাস করেন যারা, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যারা বিশ্বাস করেন তাদের ঐক্যের ভিত্তি দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর করা দরকার। মনে রাখতে হবে একজন শেখ হাসিনা থাকার কারণে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আবার ফিরে এসেছে। একজন শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব না থাকলে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হতো না। একজন শেখ হাসিনা না থাকলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দর্প চূর্ণ করে তাদের বিচার করে বিচারের রায় কার্যকর করা সম্ভব হতো না। এজন্য তাঁর হাতকে শক্তিশালী করা জাতীয় শোক দিবসের প্রতিজ্ঞা হওয়া উচিত। 

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ধারাবাহিক পরিকল্পনায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের 'গো অ্যাহেড' বলে এগিয়ে যেতে বলেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার মাস্টারমাইন্ড ছিল জিয়াউর রহমান। তাই বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তদন্তে জিয়াউর রহমানের নাম আসা উচিত ছিল। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এ আইন সংসদে পাস করেছে জিয়াউর রহমান। তাই আইনগতভাবে জিয়াউর রহমানই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করতে দেয়নি।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ কণ্টকাকীর্ণ ছিল উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম আরও যোগ করেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি। সে সময় বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিচার করা হয়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যার সুবিধাভোগীদেরও বিচার করা হয়নি। এজন্য বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে খণ্ডিত বিচার, অসম্পূর্ণ বিচার। নির্দিষ্ট খুনিদের বিচার হয়েছে কিন্তু ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত অনেকেরই বিচার হয়নি। এখনও সে বিষয়টি সামনে নিয়ে আসা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু অবিনাশী সত্তা। বঙ্গবন্ধু একটি আদর্শ, একটি বিশ্বাস, একটি দর্শন, পথ চলার পাথেয়। বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য সাধনা ছিলো একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। তিনি তা দিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু যা কিছু রেখে গেছেন সেটা ধারণ করেই আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব এবং যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া, বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মো. সাঈদুর রহমান সেলিম প্রমুখ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী   শ ম রেজাউল করিম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

গার্ডার চাপায় প্রাণহানি: শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় আপত্তি নেই চীনের

প্রকাশ: ০৩:২১ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail গার্ডার চাপায় প্রাণহানির ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় আপত্তি নেই চীনের

উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ চলাকালীন ক্রেন থেকে গার্ডার পড়ে প্রাইভেটকারের ৫ যাত্রীর নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। এ সময় তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সোমবার (১৫ আগস্ট) এর ওই দুর্ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

এ সময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী একেএম মনির হোসেন পাঠান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নীলিমা আখতার, বিআরটি প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম, প্রকল্পের পরামর্শক টিমের প্রধান মি. টিগ ম্যাকরিন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, চায়না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘চায়না গেজহুবা গ্রুপ করপোরেশন (সিজিজিসি)’ এর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে কোনো আপত্তি থাকবে না।

তিনি জানান, বিআরটি প্রকল্পের সওজ অংশের নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তদন্তের জন্য চীন থেকে বাংলাদেশে পৌঁছেছে। দলের সদস্যরা তদন্ত কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

এদিকে বুধবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা, গাজীপুর, সিরাজগঞ্জ ও বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ক্রেনচালকসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১ এর সদস্যরা।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১ এর এএসপি ইমরান খান সময় সংবাদকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা, গাজীপুর, সিরাজগঞ্জ ও বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গার্ডার দুর্ঘটনার ঘাতক ক্রেনচালক, তার সহকারী এবং নিরাপত্তা জন্য নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার (১৫ আগস্ট) উত্তরার জসীম উদ্‌দীন মোড়ে আড়ংয়ের সামনে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে নিহত হন প্রাইভেট কারে থাকা ৫ জন।

গার্ডার চাপা   প্রাণহানি   শাস্তিমূলক ব্যবস্থা   চীন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সক্ষমতার চেয়ে বেশি ওজনের গার্ডার তুলছিল ফিটনেসবিহীন ক্রেনটি

প্রকাশ: ০১:৩৫ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সক্ষমতার চেয়ে বেশি ওজনের গার্ডার তুলছিল ফিটনেসবিহীন ক্রেনটি

উত্তরায় প্রাইভেটকারের ওপর বিআরটি প্রকল্পের যে ক্রেন থেকে গার্ডার পড়ে ৫ জন নিহত হয়েছেন, সেই ক্রেনটি ছিল ফিটনেসবিহীন। ক্রেনটি ছিল অনেক পুরাতন। এর ধারণক্ষমতা ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টন। আর গার্ডারের ওজন ছিল ৬০ থেকে ৭০ টন। 

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গার্ডার তোলার কাজ করার সময় দুটি ক্রেন থাকার কথা থাকলেও ছিল একটি। যে ক্রেনটি ছিল সেটিও ছিল অপেক্ষাকৃত দুর্বল। এছাড়া থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিল্ড ট্রেড ইঞ্জিনিয়ার লিমিটেড মাসিক ভাড়ার চুক্তিতে ক্রেনটি সরবরাহ করে। প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেফতার রুহুল আমিন ও মার্কেটিং ম্যানেজার গ্রেফতার তুষার ক্রেনের ভাড়া, চুক্তি, ড্রাইভার নিয়োগ ও ক্রেনের ফিটনেস যাচাইসহ অন্যান্য দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।



তিনি আরও জানান, গ্রেফতার রুহুল ২০১০ সালে এবং গ্রেফতার তুষার ২০১৫ সালে এই প্রতিষ্ঠানে যোগদান করে। তারা অতিরিক্ত লাভের জন্য অল্প পারিশ্রমিকে ভারী গাড়ি চালানোর লাইসেন্স ছাড়া অপারেটর আল আমিনকে নিয়োগ প্রদান করে। এছাড়াও এই ক্রেনের ফিটনেস যাচাই করা হয়েছিল সর্বশেষ ২০২১ সালে। কিন্তু ২০২২ সালে ক্রেনের কোনো ধরনের ফিটনেস যাচাই করা হয়নি।

খন্দকার আল মঈন বলেন, আমরা গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরেছি, ক্রেনটির ফিটনেস ছিল না। অতিরিক্ত ভার বহন করায় ক্রেনটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ ধরনের গার্ডার শিফট করতে কাউন্টার লোড ব্যবহার করা উচিত ছিল। আরেকটি ক্রেন পাশাপাশি স্ট্যান্ডবাই রাখা উচিত ছিল।

তিনি বলেন, গতকাল রাতে র‌্যাব সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‌্যাব-১, ৩, ৪, ৬ ও র‌্যাব-১২ এর যৌথ অভিযানে ক্রেন চালক মো. আল আমিন হোসেন ওরফে হৃদয় (২৫), রাকিব হোসেন (২৩), দুর্ঘটনাস্থলে নিরপাত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ফোর ব্রাদার্স গার্ড সার্ভিসের ট্রাফিক ম্যান মো. রুবেল (২৮), মো. আফরোজ মিয়া (৫০), ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সেফটি ইঞ্জিনিয়ার মো. জুলফিকার আলী শাহ (৩৯), হেভি ইকুইপমেন্ট সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত ইফসকন বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. ইফতেখার হোসেন (৩৯), হেড অব অপারেশন মো. আজহারুল ইসলাম মিঠু (৪৫), ক্রেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিল্ড ট্রেড কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজার তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তুষার (৪২), প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন মৃধা (৩৩) ও মো. মঞ্জুরুল ইসলামকে (২৯) গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডারচাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচ যাত্রী নিহত হন। আহত হন একই গাড়িতে থাকা এক নবদম্পতি।

সক্ষমতা   গার্ডার   ফিটনেসবিহীন   ক্রেন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাকা-গুয়াংজু রুটে বিমানের প্রথম ফ্লাইট উদ্বোধন

প্রকাশ: ০১:২৩ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ঢাকা-গুয়াংজু রুটে বিমানের প্রথম ফ্লাইট উদ্বোধন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-গুয়াংজু রুটের ফ্লাইট উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে এই ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশ থেকে বেলা ১১ টায় ছাড়া বিমানটি চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি গুয়াংজু বাইয়ুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। এছাড়া আজই গুয়াংজু বাইয়ুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফিরতি ফ্লাইট রয়েছে। ফিরতি ফ্লাইট বিজি ৩৬৭ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে উড্ডয়ন করে ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা-গুয়াংজু রুটে যাত্রীরা বিমানের যেকোনো সেলস সেন্টার থেকে প্রথম যাত্রীবাহী ফ্লাইটের টিকেট কিনতে পারবেন। তবে আসার ক্ষেত্রে বিমানের ওয়েবসাইট www.biman-airlines.com ও বিমান অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকেট কিনতে হবে।

গত ১৬ আগস্ট ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং এর সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. জাহিদ হোসেন সাক্ষাৎ করেন। তখন ঢাকা-গুয়াংজু রুটে বিমানের যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে উভয়ের মধ্যে আলোচনা হয়। এ ছাড়া বিমানের এমডি ও সিইও চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ঢাকা-কুনমিং রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

ঢাকা-গুয়াংজু   বিমান   ফ্লাইট   উদ্বোধন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন