ঢাকা, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ২ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

‘নৌকাই জনগণের মুক্তির প্রতীক’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০১৮ শনিবার, ০১:৪০ পিএম
‘নৌকাই জনগণের মুক্তির প্রতীক’

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নৌকা হলো মানুষের মুক্তির প্রতীক। নূহ (আ.) এর নৌকা মানবতাকে মুক্তি দিয়েছিল। একই ভাবে বাংলাদেশে নৌকাই শুধু দেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে। নৌকাতেই মুক্তি পাবে দেশের জনগণ।

আজ শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের বর্ধিত সভার ভাষণে আওয়ামী লীগ সভাপতি এ কথা বলেন। বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে প্রধানামন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শুরু করেন।

দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিটি গ্রামে আমরা শহরের সব সুযোগ সুবিধা দিতে চাই। প্রতিটি গ্রামই হবে এক-একটি উন্নত শহর, যা ছিল জাতির পিতার স্বপ্ন।

আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের কথা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু ৬ দফা দিলেন, তখন অনেক উচ্চ পর্যায়ের নেতা ৮ দফাও দেন। কিন্তু তৃণমূল বঙ্গবন্ধুর ওপরই আস্থা রাখে। উচ্চপর্যায়ের নেতারা মাঝেমধ্যে ভুল করে, তৃণমূল করে না।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা তাঁর প্রতি কতোটা নিবেদিত এই প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সবার আগে আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সবাই মিলে প্রতিবাদ করেছিল। মাত্র ১৫ দিনে ঢাকা শহরের মধ্যে ২৫ লাখ স্বাক্ষর গ্রহণ করে জমা দিয়েছিল। 

এর আগে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের বর্ধিত সভার ভাষণে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিহতের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৭৫ এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সপরিবারে হত্যার ঘটনা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে ফিরে যখন সারি সারি কবর দেখলাম। যাদের দেখে গেছি প্রাণবন্ত, এসে পেলাম জীবনহীন কবর। আমি সবাইকে হারিয়েছি। কিন্তু পেয়েছি বিশাল এক পরিবার- বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী অঙ্গসংগঠন। 

বক্তব্যের শুরুতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং সেখানে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যা পেয়েছে, রক্ত দিয়ে অর্জন করতে হয়েছে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের আজ গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন । তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে তৃণমূল নেতারা আজ গণভবনে এসেছেন।

গ্রামের মানুষ কাকে ভোট দেবে, কেন দেবে এ বিষয়ে এসব তৃণমূল নেতারাই দায়িত্ব পালন করে থাকেন। জাতীয় নির্বাচনে এসব উপজেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা, ওয়ার্ড নেতারা একটা বিরাট ভূমিকা থাকে। সে কারণেই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের নির্বাচনী দিক নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি গ্রামগঞ্জের নেতাদের কথাও শুনবেন।

বাংলা ইনসাইডার/জেডএ