ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ৯ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

‘গ্রেনেড হামলায় জিয়া পরিবার জড়িত’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০১৮ মঙ্গলবার, ০২:১৭ পিএম
‘গ্রেনেড হামলায় জিয়া পরিবার জড়িত’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে সন্ত্রাসবিরোধী কর্মসূচিতে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যার ঘটনায় যে জিয়া পরিবার জড়িত ছিল, সে বিষয়ে তাঁর কোনো সন্দেহ নেই।

আজ মঙ্গলবার সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনাস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক স্মরণ অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে বিএনপি-জামাত জোট ওই গ্রেনেড হামলা চালায়। এই হত্যাকাণ্ডের যে চেষ্টা; এর সঙ্গে বিএনপি যে একেবারে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, খালেদা জিয়া, তার ছেলেরা যে জড়িত তাতে কোনো সন্দেহ নাই।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে ২০০৪ এর ২১ আগস্ট এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে সমাবেশের মঞ্চে বক্তৃতা শেষে নিচে নেমে আসতে শুরু করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ঠিক সে সময়ই মঞ্চ লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা শুরু হয়। মাত্র দেড় মিনিটের মধ্যে ১১টি শক্তিশালী গ্রেনেডের বিস্ফোরণে পুরো এলাকা পরিণত হয় মৃত্যুপুরীতে। এই হামলায় নিহত হন ২৪ জন। অনেকে চিরতরে পঙ্গু হন, ঘটে অঙ্গহানি। সেদিন বেঁচে গেলেও স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার শুরুতে ওই সমাবেশের অনুমতি না দিলেও পরে ২০ অগাস্ট রাত সাড়ে ১১টায় সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছিল। জানতাম না, এর পেছনে একটা ষড়যন্ত্র আছে।

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, নিয়মমাফিক ভাবে র‌্যালি-সমাবেশের আগে বিভিন্ন ভবনের ছাদে আওয়ামী লীগের ভলান্টিয়াররা নিয়োজিত থাকলেও সেদিন তাদের কাউকে ছাদে উঠতে দেওয়া হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার এটা মনে হয়, আল্লাহর কোনো একটা ইশারা ছিল। নইলে আমরা যেখানে ট্রাক দাঁড়া করাই সেখানে যদি থাকত, তাহলে কিন্তু ওই গ্রেনেডটা আমাদের ট্রাকের ভেতরে এসে পড়ত।

শেখ হাসিনা বলেন, একটি হামলার পর আলামত সংগ্রহ করার নিয়ম থাকলেও তখনকার সরকার আর পুলিশ লিপ্ত হয়েছিল আলামত নষ্ট করার কাজে। হামলায় আহতদের সাহায্য করতে আওয়ামী লীগের অন্য নেতাকর্মীরা যখন ছুটে গেলেন, তখন পুলিশ তাদের ওপর টিয়ার শেল ছোড়ে।

বাংলা ইনসাইডার/জেডএ