ঢাকা, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৫ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

সবার দৃষ্টি অক্টোবরে ও অন্যান্য সংবাদ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার, ০৯:৪১ এএম
সবার দৃষ্টি অক্টোবরে ও অন্যান্য সংবাদ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সবার দৃষ্টি অক্টোবর মাসের দিকে। বিদ্যমান সংবিধানের সময়রেখা এবং সরকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকার গঠন এবং একাদশ সংসদ নির্বাচনের সিডিউল অক্টোবরেই ঘোষণা হওয়ার কথা। বিএনপিসহ দলটির জোটসঙ্গীদের দেয়া বার্তা অনুযায়ী দাবি আদায়ে তারাও সম্ভাব্য আন্দোলনের ছক আঁকছেন এই মাসটিকে সামনে রেখেই। যার কারণে রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের সর্বত্র এখন আলোচনার কেন্দ্রে অক্টোবর। রাজনৈতিক অঙ্গণসহ সবখানে কান পাতলেই শোনা যায়, রাজনীতির মোড় বদলের মাস হবে অক্টোবর। সামগ্রিক এই জল্পনা-কল্পনার ছায়া পড়েছে প্রশাসনেও। প্রশাসনের সদরদপ্তর সচিবালয়ে এ-দপ্তর থেকে ও-দপ্তরে যাওয়া-আসা করলে গতি শ্লথ হয়ে আসার চিত্র পরিস্কার দেখা যায়। (ইত্তেফাক)

অন্যান্য সংবাদ

‘প্রাণের বর্জ্যে’ প্রাণ যায়!

কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলতে ২০০০ সালে নাটোরের একডালায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ কার্যক্রম শুরু করে। উন্নয়নের কথা চিন্তা করে এলাকার মানুষ তখন আপত্তি তোলেনি। কিন্তু এখন ‘প্রাণের বর্জ্যে’ এলাকাবাসীর প্রাণ যায়যায়! অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, রাসায়নিক বর্জ্যরে কারণে শুধু জমির ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে না, জলাশয় ও পুকুরের মাছও মরে যাচ্ছে। ওদিকে বিপর্যয়ের বিষয়টি স্বীকার করে এলাকাবাসীকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আশ্বাস দিলেও এক বছরে তা বাস্তবায়ন করেনি প্রাণ এগ্রো লিমিটেড। তাদের আশ্বাস শুধু মুখে মুখে ঘুরপাক খাচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিষয়টি তারা জেনেছেন। ক্ষতিপূরণ আদায়সহ সাত দিনের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে। (যুগান্তর)

রাজনীতির হাওয়া গরম

আসছে ভোটের দিন। আর সেই আবহ ক্রমশ উত্তাপ বাড়াচ্ছে রাজনীতির অঙ্গনে। চলতি মাসেই নানা নির্বাচনমুখী কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মিত্র জোট সম্প্রতি আগামী জাতীয় নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতির পাশাপাশি মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে নির্বাচনের তফসিল হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। সরকারবিরোধীদের সম্ভাব্য আন্দোলন মোকাবেলার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটছে তাদের। অন্যদিকে, রাজপথের সরকারবিরোধী প্রধান দল বিএনপি এবং তার জোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে `কঠোর আন্দোলনের` হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, নিরপেক্ষ `নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার` গঠন এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক সংলাপের দাবি আদায় না হলে আগামী নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সতর্কবার্তাও দিচ্ছে তারা। এ ছাড়া নির্বাচন কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী উভয় পক্ষের জোট-মহাজোটের নানা সমীকরণ মেলানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজনীতিতে এখন বেশ গরম হাওয়াই বইতে শুরু করেছে। সামনের দিনগুলোতে যা আরও গনগনে হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন বিশ্নেষকরা। (সমকাল)

ইসির দ্বিধাদ্বন্দ্বেই ইভিএম বিতর্ক

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দ্বিধান্বিত অবস্থানই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক বাড়িয়েছে বলে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তাঁরা বলছেন, আট বছর আগে শুরু করা এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এত দিন এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিরোধিতার সুযোগ থাকত না। কে এম নুরুল হুদার বর্তমান নির্বাচন কমিশন ছাড়াও আগের কমিশনের সদস্যরা বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। বরং এর ব্যবহার নিয়ে সংশয় প্রকাশের ঘটনাও ঘটেছে। সর্বশেষ বর্তমান নির্বাচন কমিশনের একজন সদস্য মাহবুব তালুকদার এ বিষয়ে তাঁর ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এ সংশয় প্রকাশ করেন। (কালের কণ্ঠ)

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচটি