ঢাকা, রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

শহিদুল আলমের জামিন নামঞ্জুর

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার, ১২:১৮ পিএম
শহিদুল আলমের জামিন নামঞ্জুর

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। আজ মঙ্গলবার রমনা থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা এ মামলায় জামিন আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল। এই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ।

গতকাল আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদন মঙ্গলবারের মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি খোন্দকার দিলুরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শহিদুল আলমের জামিন শুনানি করতে বিব্রতবোধ করেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে চলে যায়। পরে প্রধান বিচারপতি তৃতীয় একটি বেঞ্চ গঠন করে দেন।

গত ২৮ আগস্ট শহিদুল আলমের জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। এ মামলায় ৬ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শহিদুল আলমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। গত ১৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন। এরপর ১৯ আগস্ট শুনানির তারিখ এগোনোর জন্য আবেদন করা হলে তা গ্রহণ করেননি আদালত। এ অবস্থায় ২৬ আগস্ট শহিদুল আলমের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে ওই আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় তারা হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ‘উসকানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় দায়ের করা মামলায় ৬ আগস্ট শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এর আগের দিন রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে আটক করে ডিবি। সাত দিনের রিমান্ড শেষে গত ১২ আগস্ট শহিদুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন নিম্ন আদালত। ঐ দিন সাত দিনের রিমান্ড শেষে শহিদুল আলমকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আরমান আলী তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তখন থেকে তিনি কারাগারে অবস্থান করছেন।


বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ/জেডএ