ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২৩ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

স্মার্ট এনআইডিতে ভুলের ছড়াছড়ি ও অন্যান্য সংবাদ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ শনিবার, ০৮:৫৩ এএম
স্মার্ট এনআইডিতে ভুলের ছড়াছড়ি ও অন্যান্য সংবাদ

‘এই ঘোড়ার ডিমের কার্ড আমার কোনো কাজে আসবে না।’ ক্ষোভ ঝেড়ে এই কথাটি যিনি বলেন তাঁর নাম আলম হোসেন। চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নূরনগর কলোনির বাসিন্দা। কলোনির ভোটাররা কয়েক দিন আগেই স্মার্ট কার্ড পেয়েছে এবং অনেকের কার্ডেই ধরা পড়ছে অদ্ভূতুড়ে ভুল। আলম হোসেনের কার্ডে বাবা রবিউল ইসলামের নামের আগে এসেছে ‘মোছা.’। মায়ের নাম বরকতী খাতুনের নামের আগে লেখা আছে ‘মো.’। তিনি রেগেমেগে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাবা-মায়ের নাম আবেদনপত্রে লেখার সময় কোনো সন্তান এমন ভুল করতে পারে?’ একই ক্ষোভ কলোনির রশিদারও, ‘স্মার্ট কার্ড পাব, এই খুশিতে সকাল থেকে দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে কার্ড নিয়ে বাড়ি এসে দেখার পর নিজের মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছা করছিল। আমার স্বামী মো. রেজাউল হক আমার চেয়ে ১০ বছরের বড়। কিন্তু কার্ডে এসেছে আমার স্বামী আমার চেয়ে পাঁচ বছরের ছোট। তাঁর জন্ম তারিখ ৮ এপ্রিল ১৯৮৩, আমার ১ জানুয়ারি ১৯৭৮।’ (কালের কণ্ঠ)

অন্যান্য সংবাদ

৬০ আসনের বেশি দেবে না বিএনপি

ভোট সামনে রেখে জোটের রাজনীতিতে যত ব্যস্ততা এখন আসন ভাগাভাগির হিসাব-নিকাশে। নির্বাচন দুয়ারে। দিন যত গড়াচ্ছে ততই আলোচনার তুঙ্গে ঠাঁই নিচ্ছে বিষয়টি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এখনও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও, শরিকরা আসনের দাবি জানানো শুরু করেছে আরও আগে থেকে। আসনের ভাগ চায় `জাতীয় ঐক্য`র ব্যানারে বিএনপির সঙ্গী হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা দলগুলোও। ভোটের মাঠে অবস্থান নেই, এমন দলও পাঁচ-দশটি করে আসন দাবি করছে। বিএনপি সূত্র নিশ্চিত করেছে, চাহিদা যার যতই হোক শরিকদের জন্য ৬০টির বেশি আসন ছাড়া হবে না। (সমকাল)

আজগুবি মামলায় ভুতুড়ে আসামি

সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে একের পর এক মামলা দেয়া হচ্ছে। বেশির ভাগ মামলা দেয়া হচ্ছে আজগুবি ঘটনার ওপর ভিত্তি করে। ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ, পুলিশকে মারধর করার মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি অথচ মামলার এজাহারে এসব কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। মৃত ব্যক্তি, ৮৬ বছরের প্যারালাইসড রোগী, এমনকি হজ ও চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে থেকেও মামলার হাত থেকে রেহাই পাননি অনেকে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, ঢাকা মহানগর বিএনপি, অঙ্গসংগঠনের কমিটিসহ মহানগর, জেলা-উপজেলা এমনকি ওয়ার্ড-ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি ধরে মামলা দিচ্ছে পুলিশ। (যুগান্তর)

ক্ষমতাসীনদের দাপটে স্থানীয় প্রশাসন কাজ করতে পারছে না

ক্ষমতাসীন দলের এক শ্রেণির নেতাদের দাপটে স্থানীয় প্রশাসন ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না। অধিকাংশ সংসদীয়  আসনে নেতায় নেতায় দ্বন্দ্ব। এত দিন ছিল বিষোদ্গার ও মারামারিতে সীমাবদ্ধ, এখন শুরু হয়েছে নির্বাচনী এলাকায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ। আর এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে প্রশাসনে।  নেতাদের এমন আচরণে প্রশাসন সঠিকভাবে  আইন বাস্তবায়ন করতে পারছে না। এতে সরকারেরও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। ভেস্তে যাচ্ছে দেশের ব্যাপক উন্নয়নের সফলতা। (ইত্তেফাক)


বাংলা ইনসাইডার/এসএইচটি