ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৫ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

যুক্তফ্রন্ট-জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার ৯ লক্ষ্য  

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ শনিবার, ১০:০৭ পিএম
যুক্তফ্রন্ট-জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার ৯ লক্ষ্য  

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ৫ দফা দাবি ও ৯টি লক্ষ্য ঘোষণা করেছে।  

আজ শনিবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক ঐক্যের আহ্ববায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না এসব দফা ও লক্ষ্য ঘোষণা করেন। ঘোষিত লক্ষ্যগুলো হলো:

১. বাংলাদেশে স্বেচ্ছাচারী শাসন ব্যবস্থা থেকে পরিত্রাণ। এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক নির্বাহী ক্ষমতা অবসানের লক্ষ্যে সংসদ, সরকার, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করা। প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ, ন্যায়পাল নিয়োগ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকর করা। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের সংশোধন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগের জন্য সাংবিধানিক কমিশন গঠন করা।   

২. দুর্নীতি দমন কমিশনকে যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা। দুর্নীতিমুক্ত, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তুলে সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে দুর্নীতি কঠোর হাতে দমন এবং সেই সঙ্গে দুর্নীতির দায়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা।  

৩. বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি করা, বেকারত্বের অবসান ও শিক্ষিত যুব সমাজের সৃজনশীলতা ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিয়োগে মেধাকে একমাত্র যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা।

৪. কৃষক-শ্রমিক ও দরিদ্র মানুষদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ব্যবস্থা সরকারি অর্থায়নে নিশ্চিতের করা।

৫. জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় সরকারসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে দুর্নীতি ও দলীয়করনের কালো থাবা থেকে মুক্ত করা। সকল প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও সংস্কার সাধন।

৬. বাংলাদেশ ব্যাংকসহ রাষ্ট্রের সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, জাতিয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার ও সুষম বণ্টন এবং জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

৭. সন্ত্রাস, জঙ্গি ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক গঠন। প্রতিশোধ, প্রতিহিংসার রাজনীতির বিপরীতে ইতিবাচক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা।

৮. ‘সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’-এই নীতিতে জনস্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তাকে সমুন্নত রেখে পররাষ্ট্রনীতি তৈরি করা। প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সমতার ভিত্তিতে ব্যবসা বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা। 

৯. বিশ্বের সকল নিপীড়িত মানুষের অধিকার ও সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন। রোহিঙ্গা শরনার্থীদের দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক ব্যবস্থা জোড়দার করা। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সুরক্ষার লক্ষে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক , প্রযুক্তি ও সমর সম্ভারে সুসজ্জিত ও যুগোপযোগী করা।

বাংলা ইনসাইডার/আরকে/জেডএ