ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে নেই খালেদা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ রবিবার, ০২:৪৭ পিএম
মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে নেই খালেদা

কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর প্রতিবেদন দাখিল করেছে ৫ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড। আজ রোববার বেলা পৌনে ১২টার দিকে মেডিকেল বোর্ডের প্রধান মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এম এ জলিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুনের হাতে এ প্রতিবেদন তুলে দেন।

এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে নেই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে এমনটাই জানিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।

প্রতিবেদনের বিষয়ে বিএসএমএমইউর মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এম এ জলিল বলেন, ‘আমরা গতকাল (শনিবার) খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছি। আজ সকাল ১০টা থেকে বোর্ডে ৫ সদস্য বসে দেড় ঘণ্টা পর্যালোচনা করে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছি।’

এম এ জলিল বলেন আরও বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় কী কী করণীয় তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর চিকিৎসায় অনেক কিছুই করণীয় আছে। সেইসঙ্গে কোথায় চিকিৎসা হওয়া দরকার সে বিষয়ে পরামর্শের পাশাপাশি রোগের বর্ণনাও রয়েছে।

এ বিষয়ে বিএসএমএমইউর পরিচালক ব্রি. জে. আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, ‘বোর্ডের চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার চিকিৎসার প্রতিবেদন সঠিক সময়ে আমার হাতে দিয়েছেন। প্রতিবেদনটি আজই কারা অধিদফতরে পাঠিয়ে দেবো।’

খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডে রয়েছেন,  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল জলিল চৌধুরী (ইন্টারনাল মেডিসিন), অধ্যাপক হারিসুল হক (কার্ডিওলজি), অধ্যাপক আবু জাফর চৌধুরী (অর্থোপেডিক সার্জারি), সহযোগী অধ্যাপক তারেক রেজা আলী (চক্ষু) ও সহযোগী অধ্যাপক বদরুন্নেসা আহমেদ (ফিজিক্যাল মেডিসিন)।

গত ৯ সেপ্টেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে দেখা করে খালেদা জিয়ার পছন্দ অনুযায়ী রাজধানীর কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর অনুরোধ জানায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসনের জন্য পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে সরকার।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। ওই দিনই পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরানো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয় বেগম জিয়াকে। এরপর থেকে গত প্রায় আট মাস ধরে কারাগারে আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। একই মামলায় বেগম জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়াসহ পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

বাংলা ইনসাইডার/বিকে/জেডএ