ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bagan Bangla Insider

ভোটের রোডম্যাপ চূড়ান্তের পথে ও অন্যান্য সংবাদ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার, ০৮:৪০ এএম
ভোটের রোডম্যাপ চূড়ান্তের পথে ও অন্যান্য সংবাদ

আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল এবং ডিসেম্বরের শেষদিকে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়। ওই সময়সীমা অনুযায়ী ভোটের রোডম্যাপ (প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা) চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে ইসি। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো গোপনীয়তার সঙ্গে আলাদাভাবে নিজ দফতরের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে। এতে নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজ কখন ও কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। এরপর তা একীভূত করে অনুমোদন করবে কমিশন। সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ভোটের কর্মপরিকল্পনা দ্রুত শেষ করতে ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ডেকে নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। ইসির হিসাব অনুযায়ী, আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে একাদশ সংসদ নির্বাচনের ক্ষণগননা শুরু হচ্ছে। ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। (যুগান্তর)

অন্যান্য সংবাদ

নির্বাচনী কর্মকর্তাদের আমলনামা যাচাই-বাছাই হচ্ছে

জামায়াত বা জঙ্গি সংশ্লিষ্ট কাউকে নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া হবে না। এ জন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আমলনামা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের একাধিক সংস্থা এ উদ্দেশ্যে মাঠ পর্যায় থেকে নাম ঠিকানা সংগ্রহের কাজ শুরু করে দিয়েছে বলে জানা যায়। অবশ্য অতীতেও এমন যাচাই বাছাই করার নজির রয়েছে বলে বলা হচ্ছে। (ইত্তেফাক)

ঐক্যের চাপে বিএনপি

সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে `বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য` গড়ে তুলতে চাপের মুখে পড়েছে বিএনপি। শনিবার জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নাগরিক সমাবেশের মাধ্যমে এর সূচনা হওয়ার পর এটিকে `চূড়ান্ত রূপ` দিতে দলটিকে ভেবেচিন্তে এগোতে হচ্ছে। বিএনপিকে এখন তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। এগুলো হলো- সংসদ নির্বাচনে আসন বণ্টন করা, রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা এবং জামায়াতে ইসলামী-সংক্রান্ত জটিলতার ইতিবাচক সমাধান করা, যাতে জাতীয় ঐক্যের ক্ষতি না হয়। অবশ্য ঐক্য গড়ার অভিপ্রায়ে বড় ধরনের `ছাড়` দিয়ে হলেও সংকট সমাধানের চেষ্টা করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। এ লক্ষ্যে দফায় দফায় বৈঠকও করছেন তারা। (সমকাল)

ওএমএসের জব্দ পণ্য হয়ে গেল রেশনের!

ভর্তুকি সুবিধায় স্বল্পমূল্যে ট্রাকে করে খোলাবাজারে বিক্রির (ওএমএস) জন্য খাদ্যসামগ্রী কালোবাজারে বিক্রির ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে কালোবাজারি চক্র। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকার ভর্তুকি দিয়ে এসব খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করে ডিলারদের মাধ্যমে। সম্প্রতি র‌্যাব প্রকাশ্যে অভিযান চালিয়ে যেসব খাদ্যসামগ্রী জব্দ করেছে, সেগুলো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রেশনের সামগ্রী বলে প্রমাণ করার পাঁয়তারা চলছে। একই সঙ্গে খাদ্য অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটি এবং তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাদেরও ম্যানেজ করার চেষ্টা চলছে। র‌্যাবের অভিযানে জব্দ করা ২১৫ টন চাল, গম ও আটার মধ্যে রেশনের কিছু গম আছে বলে দাবি করছে একটি পক্ষ। (কালের কণ্ঠ)

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচটি