ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

চালকরা ধর্মঘটে ও অন্যান্য সংবাদ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর ২০১৮ সোমবার, ০৮:৫৪ এএম
চালকরা ধর্মঘটে ও অন্যান্য সংবাদ

গতকাল রবিবার সকাল থেকে পণ্যবাহী ট্রাকচালকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। সদ্য পাস হওয়া সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনসহ ৭ দফা দাবিতে বাংলাদেশ পণ্য পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বানে ঢাকা বিভাগে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। অনেক স্থানে ট্রাকচালকদের কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন গণপরিবহনের শ্রমিকরাও। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন রুটে গণপরিবহনের সংখ্যাও ছিল কম। এদিকে কর্মবিরতি পালনকারী শ্রমিকরা রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, মোহাম্মদপুর ও গাজীপুরের টঙ্গীসহ কয়েকটি এলাকায় সড়ক অবরোধ করে যানবাহন ভাঙচুর করেন। কোথাও কোথাও তারা যানবাহন থামিয়ে চালকদের লাইসেন্স পরীক্ষা করেন। এসময় যেসব চালকের লাইসেন্স ছিল না তাদের নাকে-মুখে পোড়া মবিল লাগিয়ে দেওয়া হয়। (ইত্তেফাক)

অন্যান্য সংবাদ

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা আপাতত আগের ব্যবস্থাপত্রেই

নতুন করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত আগের ব্যবস্থাপত্রেই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখে বোর্ড এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএসএমএমইউ’র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল হারুন রোববার সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন। (যুগান্তর)

বিএনপির সঙ্গে এক মঞ্চে যুক্তফ্রন্ট-ঐক্যপ্রক্রিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, সুষ্ঠু নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে অভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আন্দোলন করতে একমত হয়েছে বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া। এখন থেকে তারা এক মঞ্চে থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিগগিরই বৃহত্তর ঐক্যের একটি নতুন নামকরণও করবে তারা। এ ছাড়া বিএনপির ১২ দফা এবং যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার ৯ দফা একত্রিত করে দাবিও ঠিক করা হবে। গতকাল রবিবার রাতে গুলশানে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বাসায় বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়ার বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। (কালের কণ্ঠ)

পরিকল্পিত নাশকতার কথা স্বীকার করেনি একজনও

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে নজিরবিহীন তাণ্ডবের ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। যদিও পুলিশের বিশেষ অপরাধ বিভাগ (সিআইডি) ঘটনার রাতে পুড়িয়ে ফেলা ভিসির বাসার সিসিটিভির প্যানেল ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা করে কোনো ফুটেজ পায়নি। এদিকে নীতিনির্ধারণী মহলের `সবুজ সংকেত` ছাড়া এ মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে কি-না, তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এখন পর্যন্ত এ মামলায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থী আর চারজন বহিরাগত। তিন শিক্ষার্থীর প্রত্যেকেই দাবি করেছেন, ঘটনার রাতে তারা উপাচার্যের বাসায় প্রবেশ করেননি। তবে পুলিশ দাবি করেছে, উপাচার্যের বাসভবনের আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজে তাদের প্রধান গেট ভাংচুর করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, বহিরাগতরা পরিকল্পিতভাবে এ তাণ্ডবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেননি। (সমকাল)

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচটি