ঢাকা, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ৯ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

১১৬ উপজেলায় নৌকা ও অন্যান্য প্রতীকে চেয়ারম্যান হলেন যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০১৯ মঙ্গলবার, ০১:০৯ এএম
১১৬ উপজেলায় নৌকা ও অন্যান্য প্রতীকে চেয়ারম্যান হলেন যারা

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো গতকাল সোমবার। ১৬টি জেলার মোট ১১৬টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনে ১১৬টি উপজেলায় সাত হাজার ৩৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে।নানা অনিয়মের কারণে মোট সাতটি ভোটকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এর ভেতরে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে তিনটি, রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে একটি ও বরকলে একটি, কক্সবাজারের চকরিয়ায় একটি এবং দিনাজপুরের পাবর্তীপুরের একটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। আর বাকি সাত হাজার ৩২টি কেন্দ্রে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের ৫৯ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে ২৭ জন নির্বাচিত হয়েছেন। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে দুই জন জয়লাভ করেছেন। নির্বাচন বর্জন করা বিএনপির এক বহিষ্কৃত নেতাও হয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান।

আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান হলেন যারা:

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় ফজলে রাব্বী সুইট, পীরগঞ্জে আখতারুল ইসলাম ও হরিপুরে অধ্যক্ষ জিয়াউল হাসান মুকুল, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় অরুনাংশু দত্ত টিটো, তারাগঞ্জে আনিছুর রহমান লিটন ও পীরগঞ্জে নুর মোহাম্মদ মন্ডল নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে কাউনিয়া ও গঙ্গাচড়া উপজেলায় যথাক্রমে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল ইসলাম মায়া ও রুহুল আমিন।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ, ফুলছড়িতে জিএম পারভেজ সেলিম ও সাদুল্যাপুরে শাহরিয়ার খান বিপ্লব।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে আমিনুল ইসলাম, বিরলে একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, নবাবগঞ্জে আতাউর রহমান ও ফুলবাড়ীতে আতাউর রহমান মিল্টন নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে এই জেলার পার্বতীপুরে আওয়ামী লীগের হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক, হাকিমপুরে হারুনুর রশীদ ও ঘোড়াঘাট রাফে খন্দকার শাহেনশাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

বগুড়া সদরে আবু সুফিয়ান শফিক, সারিয়াকান্দিতে মুনজিল সরকার, সোনাতলায় অ্যাডভোকেট মিনহাদুজ্জামান লিটন, ধুনটে আব্দুল হাই খোকন, শাহজাহানপুরে প্রভাষক সোহরাব হোসেন ছান্নু, নন্দীগ্রামে রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, গাবতলীতে রফি নেওয়াজ খান রবিন, শেরপুরে মজিবর রহমান মজনু (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) ও আদমদিঘীতে সিরাজুল ইসলাম খান রাজু (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) জয়ী হয়েছেন।

নওগাঁর আত্রাইয়ে মো. নিয়ামতপুরে মো. ফরিদ আহম্মেদ,এবাদুর রহমান প্রামাণিক, ধামইরহাটে মো. আজাহার আলী, মহাদেবপুরে মো. আহসান হাবিব ভোদন, মান্দায় স. ম. জসিম উদ্দীন ও পত্নীতলায় মো. আব্দুল গাফফার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে নুরুজ্জামান বিশ্বাস, ভাঙ্গুড়ায় মো. বাকিবিল্লাহ, বেড়ায় মো. আব্দুল কাদের, সাঁথিয়ায় আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দোলোয়ার ও সুজানগরে শাহিনুজ্জামান শাহিন (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), সদরে আলহাজ মোশারফ হোসেন (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) নির্বাচিত হয়েছেন।

সিলেট সদরে আশফাক আহমদ, দক্ষিণ সুরমায় আবু জাহিদ, বিশ্বনাথে মো. নুনু মিয়া, বালাগঞ্জে মোস্তাকুর রহমান, গোলাপগঞ্জে ইকবাল আহমদ চৌধুরী, কানাইঘাটে আব্দুল মোমিন চৌধুরী ও জকিগঞ্জে লোকমান উদ্দিন চৌধুরী জয়ী হয়েছেন।

মৌলভীবাজার সদরে কামাল হোসেন (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), কমলগঞ্জে অধ্যাপক রফিকুর রহমান ও শ্রীমঙ্গলে রনধীর কুমার দেব নির্বাচিত হয়েছেন।

বান্দরবান সদর উপজেলায় এ কে এম জাহাঙ্গীর, নাইক্ষ্যংছড়িতে মো. শফিউল্লাহ, রোয়াংছড়িতে চহাইমং মারমা, থানচিতে থোয়াই হ্লা মং, রুমায় উহ্লাচিং মারমা ও লামায় মোস্তাফা জামাল (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এসএম আল মামুন, সন্দ্বীপে মো. শাহজাহান বিএ, রাঙ্গুনিয়ায় খলিলুর রহমান চৌধুরী, হাটহাজারীতে এসএম রাশেদুল আলম, রাউজানে একেএম এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল ও মীরসরাইয়ে মো. জসিম উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন।

আওয়ামী লীগের ২৭ জন বিদ্রোহী জয়ী:

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কাহারোলে আবদুল মালেক সরকার ও চিরিরবন্দরে তরিকুল ইসলাম তারিক; বগুড়ার শিবগঞ্জে ফিরোজ আহম্মেদ রিজু, কাহালুতে হাসিবুল হাসান কবিরাজ সুরজ ও দুপঁচাচিয়ায় আলহাজ ফজলুল হক। নওগাঁর সাঁপাহারে মো. শাহজাহান হোসেন, পোরশায় মো. মঞ্জুর মোরশেদ, বদলগাছীতে মো. সামসুল আলম খান ও রাণীনগরে মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল, গাইবান্ধা সদরে শাহ সারোয়ার কবীর ও সাঘাটায় জাহাঙ্গীর কবীর; ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় আলী আসলাম জুয়েল, দিনাজপুরের খানসামায় আবু হাতেম,

কোম্পানীগঞ্জে শামীম আহমদ শামীম, চাটমোহরে আব্দুল হামিদ মাস্টার ও ফরিদপুর উপজেলায় গোলাম হোসেন গোলাপ, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে মো. নুরুল ইসলাম, বিয়ানীবাজারে আবুল কাশেম পল্লব, মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সুয়েব আহমদ, জুড়ীতে এম এ মুহিদ ফারুক, কুলাউড়ায় অধ্যক্ষ এ কে এম শফি আহমদ সলমান ও রাজনগরে শাহাজান খান, চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে তৈয়ব আলী ও কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় ফজলুল করিম সাঈদী, জৈন্তাপুরে কামাল আহমদ ও গোয়াইনঘাটে মোহাম্মদ ফারুক আহমদ, পাবনার আটঘরিয়ায় মো. তানভীর ইসলাম,  চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

জাতীয় পার্টির তিনজন জয়ী:

দিনাজপুরের বেচাগঞ্জে জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট জুলফিকার হোসেন ও রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবুর রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

বিএনপির ১ জন বহিষ্কৃত নেতা জয়ী:

বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আবুল কালাম বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন।


বাংলা ইনসাইডার/এমআরএইচ