ঢাকা, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bagan Bangla Insider

‘সমস্যা তুলে আনলেই সমাধান বেরিয়ে আসবে’

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০১৯ মঙ্গলবার, ০৬:২৮ পিএম
‘সমস্যা তুলে আনলেই সমাধান বেরিয়ে আসবে’

সংসদীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত এমপি জানিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ইউনিভার্সেল হেলথ কাভারেজ ইন্ডেক্স অনুযায়ী সবশেষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। সারাবিশ্বে গড়ে ৬৪ ভাগ মানুষ এর আওতায় এলেও বাংলাদেশে মাত্র ৫০ ভাগ মানুষ এর আওতায় এসেছে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য সমস্যার জায়গাগুলো লুকিয়ে রেখে কোন লাভ নেই, সমস্যা তুলে আনলেই সমাধান বেরিয়ে আসবে। আমি সরকার দলীয় মানুষ হলেও তো বাংলাদেশের মানুষ।

আজ মঙ্গলবার মহাখালীর বিএমআরসি ভবনে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাষ্ট আয়োজিত টেকশই উন্নয়ন(এসডিজি) বাস্তবায়নে কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিভার্সেল হেলথ কাভারেজ বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যদি প্রতিবছর বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে ১% বৃদ্ধি করা হয় তবে ইউনিভার্সল স্বাস্থ্য সেবা বাস্তবায়নে সুবিধা হতো।

তিনি জানান, এ্যাম্বুলেন্স, এক্সরে মেশিন ঠিক থাকলেই যে সব ঠিক হয়ে গেল এমন নয়। সিস্টেমের কোথাও একটা ঘাটতি হলেই টোটাল সিস্টেমের উপর প্রেসার পড়বে। স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা সমাধানে বেশকিছু প্রস্তাব আগামী সংসদ অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী। তিনি জানান, দেশব্যাপী ওয়ার্ড পর্যায়ে ১৩ হাজার ৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে। সারাদেশে নদী ভাঙ্গনে ১৫০ কমিউনিটি ক্লিনিক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সেই প্রেক্ষিতে উক্তস্থানে বিকল্প ব্যবস্থায় ক্লিনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়াও ১৯৯৮ সালে যে ভবন করা হয়েছে সেই ভবনের অবস্থা বিবেচনায় ভবন পূনর্নির্মাণ করা হবে। যারা স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করছেন তাদের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি করা হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সারাদেশে ১৩ হাজার ৮২২জন সিএইচসিপি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যাদের মধ্যে ৫৪ ভাগ নারী। এছাড়াও আগামী সপ্তাহের মধ্যেই প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিক সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকের মাধ্যমে সকল ক্লিনিককে এক প্লাটফর্মের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন- এমন প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী আশাবাদ প্রকাশ করে জানান, আগস্টের মধ্যেই ফেলোশিপ প্রোগ্রাম শুরু করার ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরও জানান, খুব শীঘ্রই স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষে জনবল নিয়োগ দেওয়ায় হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকের যারা কাজ করছেন তাদের পদন্নোতির ব্যাপারও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য উপস্থাপন করেন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং অতিরিক্ত সচিব ড. মো. ইউনুস আলী প্রামাণিক।