ঢাকা, শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bagan Bangla Insider

নিজের হাতে লাগানো লিচু গাছের নিচে এরশাদের দাফন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০১৯ মঙ্গলবার, ০৬:০৬ পিএম
নিজের হাতে লাগানো লিচু গাছের নিচে এরশাদের দাফন

যথাযথ মর্যাদায় দাফন করা হলো জাতীয় পার্টির সদ্য প্রয়াত চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মরদেহ। বিকাল ৫.৪৫ মিনিটে তাকে দাফন করা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা তার দাফনের ব্যবস্থা করেন। তারা যথাযোগ্য সামরিক মর্যাদায় তাকে দাফন করেন। প্রথমে তাকে সামরিক কৌশলে গানকারনেজে বহন করা হয়। তার কবরের পাশে লাশ রেখে জীবন বৃত্তান্ত পড়ে শোনানো হয়। জানা যায়, তাকে যে লিচু গাছের নিচে দাফন করা হয়। সেই গাছটি তিনি নিজ হাতে লাগিয়েছিলেন।

এর আগে চার কিলোমিটার হেঁটে জাতীয় পার্টির সদ্য প্রয়াত চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়ি এরশাদের স্বপ্নের বাসভবন রংপুরের পল্লী নিবাসে নিয়ে গেলেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার বাদ জোহর বেলা আড়াইটায় রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে মরদেহ বহনকারী গাড়ি আটকে দেয়া হয়। এ সময় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবি জানান।

এ অবস্থায় রংপুরের মানুষের ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পল্লী নিবাসেই সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় পার্টি। পরে কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে পল্লী নিবাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়ি ধীরে ধীরে চলতে দেখা যায়। ওই গাড়ির সঙ্গে পল্লী নিবাসের উদ্দেশ্যে হাঁটছে হাজার হাজার মানুষ। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পল্লী নিবাসে এরশাদকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা।

রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে এরশাদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় পল্লী নিবাসে। এরশাদের কফিনবাহী গাড়িতে ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান।

এর আগে জানাজা শেষে নেতাকর্মীদের দাবির মুখে এইচ এম এরশাদের দাফন রংপুরেই হবে বলে ঘোষণা দেন এরশাদের ছোট ভাই ও জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

মঙ্গলবার রংপুর শহরে এরশাদের চতুর্থ ও শেষ জানাজা শেষে স্থানীয় নেতাকর্মীদের জোরালো দাবির মুখে এ ঘোষণা দেন কাদের। এরই মধ্যে এরশাদের দাফন রংপুরে করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন স্ত্রী রওশন এরশাদ।


বাংলা ইনসাইডার/এমআরএইচ