ঢাকা, রোববার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে প্রাইভেট গাড়ির চাপ কমাতে হবে’

মেরিনা মিতু
প্রকাশিত: ১৭ নভেম্বর ২০১৯ রবিবার, ০৫:৫৩ পিএম
‘ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে প্রাইভেট গাড়ির চাপ কমাতে হবে’

ট্রাফিক জ্যাম। নগরবাসীর জন্য এখন নিত্যদিনের ঘটনা এটি। যেন গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য আলাদা করে কমপক্ষে এক ঘন্টা সময় হাতে রেখে দিতে হবে। তবে এর সুরাহা কি? কেউ কেউ মনে করেন, ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মতো স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ (ট্রাফিক) উপ-পুলিশ কমিশনার জয়দেব চৌধুরী স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল পদ্ধতি চালুর ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরে বলেন, ‘বিশ্বের উন্নত অনেক শহরে কখন গাড়ি চলাচলে হ্রাস হবে কখন বাড়বে তা নির্ধারিত থাকে। ঢাকায় সব সময় গাড়ি চাপ বেশি থাকে। সময় সময় তা মাত্রা ছাড়ায়। তাই কোন সিগন্যাল কত সময় চালু বা বন্ধ রাখতে হবে তা অনুমান করা কষ্টকর।‘

তবে উন্নত শহরের আদলে ঢাকাকে গড়ে তুলতে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা চালুর বিকল্প নেই বলেও মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ভিআইপি প্রটোকল থাকলে পুরো সড়কে সৃষ্টি হওয়া যানজট নিরসন করতে অনেক সময় লাগে। তবে মেট্রো রেল চালু হলে আধুনিক সিগন্যাল পদ্ধতি চালু করা অনেকটাই সম্ভব হবে। এখন যানজট সহনীয় রাখতে আমরা চেষ্টা করছি মেয়াদোত্তীর্ণ খারাপ বাসগুলো বন্ধ করে এসি বা নতুন নতুন আধুনিক বাস নামাতে। এতে প্রাইভেটকারের ব্যবহার কমতে পারে। প্রাইভেট গাড়ির ব্যবহার কমলে চলমান সমস্যার অনেকটাই সুফল মিলবে।

বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুল বাস চালুর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীর জন্য একটি প্রাইভেটকার ব্যবহার করা হচ্ছে। অথচ একটি বাসে অন্তত ১০০ শিক্ষার্থী পরিবহন সম্ভব। এই নিয়ম চালু করা গেলে সড়কে গাড়ির চাপ কমে আসবে।

তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের আদলে আমরা ঢাকা শহরের সড়কগুলোতে ঢেলে সাজাতে চাই। এজন্য নতুন নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। আস্তে আস্তে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি একটা সময় এনালগ পদ্ধতি থেকে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বেরিয়ে এসে ডিজিটালে রূপ নেবে।