ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা মিঠুর আবেদন গ্রহণ করেনি দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯ জুলাই ২০২০ বৃহস্পতিবার, ০৩:২৫ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে থাকা মিঠুর আবেদন গ্রহণ করেনি দুদক

দেশের স্বাস্থ্যখাতের বিতর্কিত ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করায় দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি। তবে দুদকে পাঠানো এক লিখিত বক্তব্যে তিনি মাস্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেছেন। একইসঙ্গে করোনাকালে স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী কেনায় কোনো প্রকার দুর্নীতি হলে তার সুষ্ঠু তদন্তও দাবি করেছেন।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) সকালে মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর পক্ষে তার দুইজন আইনজীবী দুদকে এসে এই লিখিত বক্তব্য জমা দেন। যদিও দুদক মিঠুর এই আবেদনপত্র গ্রহণ করেনি।

ওই চিঠিতে বলা হয়, মাস্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে মোতাজ্জেরুলের প্রতিষ্ঠান লেক্সিকোন মার্চেন্ডাইজ ও টেকনোক্র্যাট লিমিটেড কোনোভাবেই জড়িত নয়। তিনি একটি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে করোনার আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং শয্যাশায়ী রয়েছেন। প্লেন চলাচল স্বাভাবিক এবং হাঁটা-চলা করতে পারলে তিনি দুদকের কাছে নিজে হাজির হয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।

মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালেরও চেয়ারম্যান।

এদিকে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেডিটেক ইমেজিং লিমিটেডের পরিচালক মো. হুমায়ুন কবির দুদকে হাজির হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়।

দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল জিজ্ঞাসাবাদ করছে। দলের অন্যান্য সদস্য হলেন, দুদকের উপ-পরিচালক নুরুল হুদা, সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ও আতাউর রহমান।

বুধবার (০৮ জুলাই) করোনার স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী কেনায় দুর্নীতির অভিযোগে জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং তমা কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কোং লিমিটেডের সমন্বয়কারী (মেডিক্যাল টিম) মো. মতিউর রহমানক জিজ্ঞাসাবাদ করে সংস্থাটি।

তবে তলব করলেও ‘করোনা আক্রান্ত’ হওয়ার কারণ দেখিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি এলান করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন।

এর আগে গত ০১ জুলাই স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ওই পাঁচ ঠিকাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তলব করা হয়। তাদের নির্ধারিত দিনে দুদকে হাজির হয়ে রেকর্ডপত্রসহ বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে ব্যর্থ হলে বর্ণিত অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করা হবে।