ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ৩ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

এখনো উদঘাটন হলো না সেই গাড়ির রহস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ মে ২০২১ শনিবার, ০৫:৪৬ পিএম
এখনো উদঘাটন হলো না সেই গাড়ির রহস্য

এখনো উদঘাটন হলো না সেই গাড়ার রহস্য। মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহানের চরা (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৭১১০) বিলাশবহুল সেই গাড়ির মালিকের সন্ধানও মেলেনি এখনো। কোরিয়ান ব্যক্তির ওই গাড়িটি কে বা কারা ক্রয় করেছিলেন? তারপরে বিআরটিএ-তে রেজিস্ট্রেশন (নাম পরিবর্তন) ছাড়াই কারা সেই গাড়ি ব্যবহার করছেন তাও বের হয়নি। 

একাধিক তদন্তকারী সংস্থা খতিয়ে দেখছে মুনিয়ার বোন নুসরাতের ব্যবহার করা সেই গাড়ির আসল মালিক কে? মুনিয়ার আত্মহত্যার সঙ্গে ওই গাড়ির মালিকের সম্পৃক্ততা এবং নুসরাতের সঙ্গে তার সম্পর্ক কি? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি অন্ধকারাচ্ছন্ন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

নুসরাতকে যৌথ সেলে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে গাড়িসহ সকল প্রশ্নের উত্তর মিলবে বলে একাধিক মহল মনে করছেন। এছাড়া মুনিয়ার বোন নুসরাত এবং তার স্বামীর ব্যাংকের হিসাব-নিকাশ খতিয়ে দেখা দরকার। কেননা সেই গাড়িটির মতোই তাদের সকল কার্যক্রম রহস্যময়।     
      
উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল মোসারাত জাহান মুনিয়ার আত্মহত্যার ঘটনায় একটি বিলাশবহুল গাড়িকে ঘিরে তৈরি হয় রহস্য। মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান ওই দিন ঘটনাস্থলে আসেন একটি দামী গাড়িতে। সেই রাতে এই গাড়ির অস্বাভাবিক আনাগোনা ভাবিয়ে তোলে কর্মকর্তাদের। হঠাৎ কিভাবে এই দামী গাড়ি পেলেন মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান। পরে ওই দিন থেকেই ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৭১১০ নম্বরের ওই বিলাশবহুল গাড়িটির মালিককে খোঁজা হচ্ছে।  

বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে, ১৭ জানুয়ারি ২০০৬ সালে এই গাড়িটি কোরিয়ান মালিকানাধীন বায়িং হাউজ গিলকো ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড- এর নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। কোম্পানীর মালিকের নাম এইচ কে কিম। ঠিকানা দেওয়া ছিল বাসা নম্বর ১৩, রোড নম্বর ২৮, বনানী ঢাকা। কিন্ত এই কোম্পানীর কার্যক্রম ২০০৯ সালে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে তাদের এই গাড়ি কে ব্যবহার করছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিআরটিএ জানিয়েছে, ৩৫০০ সিসি’র হুন্দাই কোম্পানীর এই জীপ গাড়ির ট্যাক্সও বকেয়া রয়েছে। কাগজপত্র আপডেট তথা নাম পরিবর্তন করতে বিআরটিএ তে আসেননি কেউ।