ইনসাইড বাংলাদেশ

শিক্ষা, আত্মিক ও দেশজ উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর কথাঞ্জলি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৭ জুন, ২০২১


Thumbnail

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯২০-১৯৭৫) বাঙালির জাতির অবিসংবাদিত নেতা। তিনি স্বাধীন, সার্বভৌম সুজলা-সুফলা বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা ও মহান স্থপতি। নির্ভীক, লড়াকু, ও চিরসংগ্রামী এ মানবিক নেতা নির্যাতিত, নিপীড়িত ও বঞ্চিত বাঙালির জীবনমান উন্নয়নে আমরণ চেষ্ঠা করেছেন। দীর্ঘ কারাবাস, ক্ষমতার লোভ, মৃত্যুভয় কোন কিছুই তাঁকে তাঁর লক্ষ থেকে  বিচ্যুত করতে পারেনি। আজ তিনি আমাদের মাঝে শারীরিকভাবে না থাকলেও তাঁর অমর-অক্ষয় কৃতি দ্বারা সতত বিরাজমান। জাতির যে কোন ক্রান্তিলগ্নে, দুর্যোগে, উন্নয়নে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে তাঁর লেখা, ভাষণ, নির্দেশনা আজও প্রাসঙ্গিক।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে যত আলোচনা হয় সেভাবে কী তাঁর দর্শনকে আমরা মানি? আর একাডেমিক্যালি তাকে মানুষ জানেই বা কতটুকু? প্রযুক্তির এ স্বর্নসময়ে সকলে ব্যস্ত নিজেকে নিয়ে। মানুষ চায় অল্পতে অনেক কিছু। আলোচ্য প্রবন্ধে বঙ্গবন্ধুর এমন কিছু কথাঞ্জলি এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে যেগুলো পাঠে ও অনুধাবনে দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতি, অর্থনীতি-এমনকি আত্মোন্নয়নের মাধ্যমে দেশজ উন্নয়ন সম্ভব।
বঙ্গবন্ধুর কথাঞ্জলি-

১. আমি দক্ষিণপন্থিও নই, বামপন্থিও নই। আমি দেশবাসীর স্বার্থের পক্ষে।

২. ধ্বংস নয় সৃষ্টি, যুদ্ধ নয় শান্তি।

৩. যে মানুষ মরতে রাজি তুমি তাকে মারতে পার না।

৪. সবার প্রতি বন্ধুত্ব, কারো প্রতি বিদ্বেষ নয়।

৫. আত্মসমালোচনা করুন, আত্মশুদ্ধি করুন। তাহলেই হবেন মানুষ।

৬. ছেলেদের মানুষ করতে হবে। ফেল করানোতে আপনাদের তেমন বাহাদুরি নাই, পাস করালেই বাহাদুরি আছে।

৭. Think for a positive approach, not a negative approach.

৮. I don’t care anybody in the world whether anybody is satisfied or anybody is unhappy or anybody is happy. I feel that they are fighting for their own liberty .I am with them. 

৯. দুনিয়ার নিয়মই ভালোবাসা পেতে হলে ভালোবাসতে হয়। এবং সে ভালোবাসা সিনসিয়ারলি হওয়া দরকার। তার মধ্যে যেন কোনো খুঁত না থাকে।

১০. Mobilize the people and to do good to the human being of Bangladesh. This unfortunate people have suffered long-generation after generation

১১. Let us work together, we are now one party. পার্টি মানে কি জানেন? Every party worker of mine is like my brother, is my son. I created a family when I organized আওয়ামী লীগ।

১২. Political party means a family, যার মধ্যে আছে Ideological Affinity  সে জন্য এই পার্টিতে we are one for some particular purposes , wherever we are.

১৩. মানুষকে বললে মানুষ ‘না’ বলে না। বাংলার মানুষ যদি বুঝে যে, এই কাজে তাদের উন্নতি হয়, তবে তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে।

১৪. শুধু নিজেরা ঘুষ খাওয়াই করাপশন নয়। করান্ট পিপলকে সাহায্য করাও কিন্তু করাপশন। নেপোটিজমও কিন্তু এ টাইপ অব করাপশন।

১৫. করাপশন বন্ধ কর, আল্লাহর দোহাই, করাপশন বন্ধ করার চেষ্টা কর। তোমাদের ইচ্ছে মতো দেওয়া হয়েছে। তোমরা পারবে। 

১৬. ক্ষমতার প্রত্যাশী আমি নই। তবে শক্তির প্রত্যাশী আমি বটে। কায়েমি স্বার্থসম্পন্ন অনিচ্ছুক মহলের হাত থেকে দেশবাসীর স্বার্থ ও অধিকার ছিনিয়ে আনতে শক্তি আমার চাই-ই-চাই।

১৭. নজরুলের অগ্নিমন্ত্র এক মরণজয়ী প্রেরণা।

১৮. সোনার বাংলা গড়ে তুলতে আত্মোৎসর্গ করুন।

১৯. সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পৌছার সংক্ষিপ্ত কোনো সড়ক নেই। ইন্সিত সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পৌছাতে হলে সমাজের প্রতি স্তরের মানুষকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।

২০. যে বাংলার মাটিকে আমি এত ভালোবাসি, যে বাংলার মানুষকে আমি এত ভালোবাসি,যত দূরেই যেখানেই আমি থাকি না কেন, একটি মুহূর্তের জন্য তাহাদের কথা আমি ভুলতে পারি না।

২১. প্রধানমন্ত্রিত্ব, রাষ্ট্রপতিত্ব আমার কাছে কোনো অর্থ রাখে না। আমি আমার মানুষের ¯েœহ-ভালোবাসা পেয়েছি। আমি তা-ই নিয়ে মরতে চাই, আর বেশি কিছু চাই না।

২২. আমি পূর্ব বা পশ্চিমের কোনো ব্লকের সাথে সংযুক্ত নই। নিরপেক্ষ স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাসী ।

২৩. আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। আমাকে সমালোচনা করতে আমি তাদের অনুমতি দিয়েছি। সমালোচনার ব্যাপারে আমার  কোনো আপত্তি নেই। কেননা, আমি জনগণকে ভালোবাসি, জনগণও আমাকে ভালোবাসে ।

২৪. আমি সৎ সমালোচনাকে স্বাগত জানাই। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আমি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শে বিশ্বাসী।

২৫. জাতীয়তাবাদ উগ্রতা কিংবা সংকীর্ণতায় পর্যবসিত হলে হিটলারের জার্মানি, মুসোলিনির ইতালি, ডক্টর ভেরউডের দক্ষিণ আফ্রিকা, পাঞ্জাবি খানদের পাকিস্তান বা ইসরাইলের ইহুদিবাদের মতো অতি জঘন্যরূপ ধারন করতে পারে। সে জাতীয়তাবাদ দক্ষিণপন্থি ও প্রতিক্রিয়াশীল জাতীয়বাদ। কিন্তু আমার জাতীয়তাবাদ বামপন্থি ও প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদ। 

২৬. তার সাথে ভিন্নমত হতে পারি। কিন্তু তার কাছ থেকে যে রাজনীতির শিক্ষা পেয়েছি, সেটা তো ভোলা কষ্টকর। আমার যদি কোনো ভুল হয় বা অন্যায় করে ফেলি, তা স্বীকার করতে আমার কোনোদিন কষ্ট হয় নাই। ভুল হলে সংশোধন করে নেব, ভুল তো মানুষের হয়েই থাকে।

২৭. যে ছেলেমেয়েরা তাদের বাবা-মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত তাদের মতো হতভাগা দুনিয়াতে আর কেউ নাই। আর যারা বাবা মায়ের স্নেহ আর আশীর্বাদ পায় তাদের মতো সৌভাগ্যবান কয়জন।

২৮. নদীতে বসে আব্বাস উদ্দিন সাহেবের ভাটিয়ালি গান তার নিজের গলায় না শুনলে জীবনের একটা দিক অপূর্ণ  থেকে যেত। তিনি যখন আস্তে আস্তে গান গাইতেছিলেন তখন মনে হচ্ছিল, নদীর ঢেউগুলিও যেন তার গান শুনছে।

২৯. ফাঁকি আমাকে দিতেই হবে। মন চলে গেছে বাড়িতে। কয়েক মাস পূর্বে আমার বড় ছেলে কামালের জন্ম হয়েছে ,ভালো করে দেখতেও পারি নাই ওকে। হাসিনা তো আমাকে পেলে ছাড়তেই চায় না। অনুভব করতে লাগলাম যে, আমি ছেলেমেয়ের পিতা হয়েছি।

৩০. আব্বা ও মাকে দেখতে মন চাইছে; তারা জানেন, লাহোর থেকে ফিরে নিশ্চয়ই একবার বাড়িতে আসব। রেনু তো নিশ্চয়ই পথ চেয়ে বসে আছে। সে তো নীরবে সকল কষ্ট সহ্য করে। কিন্তু কিছু বলে না। কিছু বলে না বা বলতে চায় না, সেই জন্য আমার আরও ব্যাথা লাগে।

৩১. দেশ সেবায় নেমেছি, দয়া মায়া করে লাভ কি? দেশকে ও দেশের মানুষকে ভালোবাসলে ত্যাগ  তো করতেই হবে এবং সে ত্যাগ চরম ত্যাগও হতে পারে ।

৩২. আমি মওলানা সাহেব ও সামসুল হক সাহেবের কাছে এলাম। একই রুমে আমরা থাকব। শামসুল হক সাহেবের কাছে বিছানা করলাম, কারণ আমি সিগারেট খাই। মওলানা সাহেবের সামনে সিগারেট খাই না। 

৩৩. যে দেশের বিচার ও ইনসাফ মিথ্যার উপর নির্ভরশীল সে দেশের মানুষ সত্যিকারের ইনসাফ পেতে পারে কি না সন্দেহ। 

৩৪. আমি মানুষকে মানুষ হিসেবেই দেখি। রাজনীতিতে আমার কাছে মুসলমান, হিন্দু ও খ্রিস্টান বলে কিছু নাই। সকলেই মানুষ।

৩৫. যুগ যুগ ধরে পুঁজিপতিরা তাদের শ্রেণিস্বার্থে এবং রাজনৈতিক কারণে গরিব শ্রমিকদের মধ্যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, মারামারি সৃষ্টি করে চলেছে।

৩৬. একজন মানুষ হিসেবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি। একজন বাঙালি হিসেবে যা কিছু বাঙালিদের সঙ্গে সম্পর্কিত তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। এই নিরন্তর সম্পৃক্তির উৎস ভালোবাসা, অক্ষয় ভালোবাসা, যে ভালোবাসা আমার রাজনীতি এবং অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে।

৩৭. গ্রাম থেকে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। উপরের তলার প্রতিষ্ঠান করলে চলবে না। জমিদারদের পকেট থেকে প্রতিষ্ঠান বের করতে হবে।
 
৩৮. শহীদ সাহেব ছিলেন উদার, নীচতা ছিল না, দল-মত দেখতেন না, কোটারি করতে জানতেন না, গ্রুপ করারও চেষ্টা করতেন না। উপযুক্ত হলেই তাকে পছন্দ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। কারণ তার আত্মবিশ্বাস ছিল অসীম। তার সাধুতা, নীতি, কর্মশক্তি ও দক্ষতা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে চাইতেন।

৩৯. উদারতা দরকার কিন্তু নীচ অন্তঃকরণের ব্যক্তিদের সাথে উদারতা দেখালে ভবিষ্যতে ভালোর থেকে মন্দই বেশি হয়, দেশের ও জনগণের ক্ষতি হয়।

৪০. আমাদেও বাঙালিদের মধ্য দুই দিক আছে। একটা হলো আমরা মুসলমান, আর একটা হলো আমরা বাঙালি। পরশ্রীকাতরতা এবং বিশ্বাসঘাতকতা আমাদের রক্তের মধ্যে রয়েছে।

৪১. সুজলা, সুফলা বাংলাদেশ সম্পদে ভর্তি। এমন উর্বর জমি দুনিয়াতে খুব অল্প দেশেই আছে। তবুও এরা গরিব। কারণ যুগ যুগ ধরে এরা শোষিত হয়েছে নিজের দোষে। নিজেকে এরা চেনে না। যারা যতদিন চিনবে না এবং বুঝবে না, ততদিন এদের মুক্তি আসবে না। 

৪২. আমরা ঠেলাগাড়ি আনলাম। কিন্তু ঠেলবে কে? আমি, নূরুদ্দিন ও নূরুল হুদা (এখন ডিইটির ইঞ্জিনিয়ার) এই তিনজনে ঠেলাগাড়িতে চাউল বোঝাই করে ঠেলতে শুরু করলাম। 

৪৩. এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। 

৪৪. প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তুলো এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দিবো এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো,ইনশাল্লাহ।

৪৫. যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও একজন ও যদি হয় সে, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।

৪৬. আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না। আমরা এদেশের মানুষের অধিকার চাই।

৪৭. ওরা আমাকে হত্যা করতে পারে, তোমরা হয়তো আর দেখতে পাবে না। কিন্তু আমার মানুষ মুক্তি পাবে এবং আমার আত্মা তা দেখে শান্তি পাবে। 

৪৮. বাহ্ কী চমৎকার, কী চমৎকার, চা খাবার ওই তো উপযুক্ত সময়। 

৪৯. রক্তের পরিবর্তে রক্তই দিতে হয়। একথা ভুললে ভুল হবে। মতের বা পথের মিল না হতে পারে, তার জন্য ষড়যন্ত্র করে বিরুদ্ধ দলের বা মতের লোককে হত্যা করতে হবে-এ বড় ভয়াবহ রাস্তা। এ পাপের ফল অনেককেই ভোগ করতে হয়েছে।

৫০. মানুষ যখন অমানুষ হয় তখন হিংস্র জন্তুর চেয়েও হিংস্র হয়ে থাকে।  

বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে যদি আমরা এসব কথার মর্মার্থ বুঝে কাজে লাগাতে পারি তাহলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা বাস্তবায়ন সহজ হবে। ব্যক্তিজীবনে প্রয়োগ করলে জীবন দর্শন বদলে যাবে, সমাজে পড়বে এর ইতিবাচক প্রভাব।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কাঙ্খিত সোনার বাংলা গড়ার বীজ তাঁর অমোঘ বানির মধ্যেই নিহিত। আমাদেও কাজ যথাস্থানে যথাবানীর প্রয়োগ করা।

ড. ডি.এম.ফিরোজ শাহ্
সহযোগী অধ্যাপক,সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকা



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘আইন লঙ্ঘনকারী পুলিশের সদস্যরাও কারাগারে আছেন’

প্রকাশ: ০৩:৫৭ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আইন লঙ্ঘনকারী পুলিশের সদস্যরাও কারাগারে আছেন

র‍্যাব ও পুলিশের কেউ অপরাধে জড়ালে  ছাড় পাচ্ছেন না বলে উল্ল্যেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘র‍্যাব-পুলিশ যেই হোক, শাস্তিযোগ্য অপরাধ করলে তারা কিন্তু শাস্তির বাইরে যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘জেলে গিয়ে দেখুন অনেক পুলিশ ও র‍্যাব সদস্য জেল খাটছে। আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। যুক্তরাষ্ট্র যে সংস্কারের কথা বলছে আমরা সবসময় সেটা করছি। আমরা র‍্যাব  আধুনিকায়ন করছি, যেটা প্রয়োজন সেটাই করছি।’

রোববার (২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও-এ মানবপাচার নিয়ে এক গবেষণা প্রতিবেদন উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, র‍্যাব  সংস্কারের মধ্যেই আছে। র‍্যাবের  কেউ অপরাধে যুক্ত হলে তার ক্ষেত্রেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, র‍্যাব এলিট ফোর্স, আমরা বিভিন্ন সময়ে র‍্যাবকে  বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে থাকি। তারা তাদের নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করে থাকে। আমাদের কাছে যে রিপোর্টটা এসেছে, আমরা তা স্টাডি করছি, যদি কারও ব্যক্তিগত ইনভলভমেন্ট থাকে সেগুলো আমরা দেখছি। আমরা চেক করে দেখছি, ভুলভ্রান্তি থাকলে আমরা দেখছি।

র‍্যাবের কার্যক্রমের  বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘র‍্যাব যখন তৈরি হয় তাদের ট্রেনিং দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।’

গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। জবাবদিহি ও সংস্কার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানান তিনি।

হাসের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে র‍্যাব সংস্কারের প্রশ্নই ওঠে না’ বলে মন্তব্য করেন এলিট ফোর্সটির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। শনিবার (১ অক্টোবর) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইন লঙ্ঘনকারী   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   র‍্যাব-পুলিশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ

প্রকাশ: ০২:৪৭ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিনি এ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।

রোববার (২ অক্টোবর) ড. নাহিদ রশীদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে নিজ দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।

এর আগে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের  এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (সচিব) ড. নাহিদ রশীদকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।

উল্লেখ্য, ড. নাহিদ রশীদ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১০ম ব্যাচের সদস্য।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মরণের ফাঁদ বরিশাল বানারীপাড়ায় নতুন নির্মিত ব্রিজ


Thumbnail মরণের ফাঁদ বরিশাল বানারীপাড়ায় নতুন নির্মিত ব্রিজ

বরিশাল-বানারীপাড়া-স্বরূপকাঠি সড়কের কাজলাহার বাজার সংলগ্ন নতুন নির্মিত গার্ডার ব্রিজের সংযোগ সড়ক অনেকটা মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এছাড়া ব্রিজের নির্মাণ কাজও নিম্নমানের হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

জানা গেছে,২০১৯-২০ অর্থ বছরে সড়ক ও জনপথের (সওজ) ৪ কোটি টাকার প্রাক্কলিত ব্যয়ে এ ব্রিজের নির্মাণ কাজ পায় বরিশালের মোসার্স মাহফুজ খান লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কচ্ছপ গতিতে এগুনো ব্রিজের কাজের মান নিয়ে শুরুতেই এলাকাবাসী আপত্তি তোলে। 

এ প্রসঙ্গে বরিশাল সড়ক ও জনপথের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদ মাহমুদ সুমন বলেন,পূর্বে ওই ব্রিজের সংযোগ সড়কের প্রাক্কলন ব্যয় ও দৈর্ঘ্য সীমিত পরিসরে ধরা ছিল। চলতি অর্থবছরে ব্রিজটির সংযোগ সড়ক সংস্কার করে সৃষ্ট সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এনিয়ে ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগও করা হয়। তিন/চার মাস পূর্বে ব্রিজটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। তিন মাস না যেতেই ব্রিজের ওপরের ঢালাই উঠে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে। 

এছাড়া শ্রীহীন ব্রিজটি যে কেউ দেখলেই এটি নতুন নির্মিত নয় বহু পুরনো ব্রিজ বলে মনে করবেন। সংযোগ সড়ক উঁচু হওয়ায় অনেকটা পাহাড়ের মত ব্রিজের একপাশ থেকে অপর পাশের যানবাহন ও পথচারিসহ কিছুই দেখা না যাওয়ায় যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়ে যেকোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ব্রিজের সংযোগ সড়ক কমপক্ষে ৮০/১০০ মিটার দূর থেকে ঢাল উঠিয়ে করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু মাত্র কয়েক মিটারের মধ্যে করা হয়েছে। ব্রিজের  পশ্চিম প্রান্তে কাজলাহার বাজার অংশে সংযোগ সড়ক বাঁকা ও মাত্র কয়েক মিটার দূরত্ব নিয়ে করা হয়েছে। ফলে এ ব্রিজটি এখন মরণ ফাঁদে রূপ নিয়েছে। 

এদিকে ব্রিজের ওপরের ঢালাই উঠে খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়া ও অতিরিক্ত উঁচু সংযোগ সড়কের ফলে জনভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরে সম্প্রতি স্থানীয় সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আ. জলিল ঘরামী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন কুমার সাহার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর-প্রেক্ষিতে ব্রিজের ওপরের উঠে যাওয়া ঢালাই সংস্কার করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ব্রিজটি নির্মাণকাজের সাব ঠিকাদার সেলিম আহম্মেদ বলেন,কাজের প্রাক্কলন অনুযায়ী সংযোগ সড়কসহ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে। 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে সিডনিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০১:১০ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে সিডনিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে পাকিস্তানীদের পৈশাচিক গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে সিডনিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২ অক্টোবর) সকাল এগারোটায় সিডনির প্যারাম্যাটায় টাউন হল চত্বরে এক মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

আমরা একাত্তর সংগঠনের অন্যতম সংগঠক ড. সুলতান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. আব্দুল জলিল, বিশিষ্ট সংগঠক ড. স্বপন পাল, জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ এর প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন, মাল্টিকালচারাল সোসাইটি অব ক্যাম্বেলটাউনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম, অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নোমান শামীম, একুশে একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা নিহাল বারী, সাংস্কৃতিক সংগঠন  প্রতীতির প্রতিষ্ঠাতা সিরাজুস সালেকীন, একুশে একাডেমির সাবেক সভাপতি মফিজুল হক, একুশে একাডেমির সাবেক সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অভিজিত বড়ুয়া, একুশে একাডেমির সভাপতি প্রকৌশলী আব্দুল মতিন, বিশিষ্ট গায়িকা অমিয়া মতিন, নির্মল পাল, পূরবী পারমিতা বোস, শাহানা চৌধুরি, রোশনে আলম, ফাহাদ আসমার, প্রমুখ। 

সমাবেশে বক্তারা জাতিসংঘের কাছে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে পাকিস্তানীদের পৈশাচিক গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি জানান এবং এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারকেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবার জন্য অনুরোধ জানান।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজশাহীতে এমপি আয়েন উদ্দিনকে সতর্ক করে রিটার্নিং কর্মকর্তার চিঠি

প্রকাশ: ১০:৩২ এএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail রাজশাহীতে এমপি আয়েন উদ্দিনকে সতর্ক করে রিটার্নিং কর্মকর্তার চিঠি

জেলা পরিষদ নির্বাচনে রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত সভায় অংশ নেওয়ায় এবার সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিনকে চিঠি দিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনের অনুরোধ জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

শনিবার (১ অক্টোবর) পাঠানো এক চিঠিতে এ অনুরোধের কথা জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রাজশাহী জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল।

এর আগে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় এর আগে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য মনসুর রহমানকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনকে ২৮ সেপ্টেম্বর ও সংসদ সদস্য মনসুর রহমানকে ২৯ সেপ্টেম্বর চিঠি দেওয়া হয়।

পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি প্রতীয়মান হয়েছে বলে চিঠিতে বলা হয়।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন শুক্রবার রাজশাহী নগরের ‘চৈতির বাগানে’ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। ওই সভায় জেলা পরিষদে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।

চিঠিতে বলা হয়, স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে যে, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) সংসদ সদস্য মো. আয়েন উদ্দিন রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন। জেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১৬ -এর বিধি ২(১৪) অনুসারে সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে একজন সংসদ সদস্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।

আয়েন উদ্দিন জানান, তিনি চিঠি পেয়েছেন; তাতে নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথ প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এমপি আয়েন উদ্দিন   রিটার্নিং কর্মকর্তা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন