ইনসাইড ট্রেড

এবার বাবুনগরীকে বাদ দিয়ে আসছে হেফাজতের নতুন কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:৫৯ পিএম, ১৮ জুন, ২০২১


Thumbnail

কমিটি বিতর্ক যেন থামছেই না হেফাজতের। আহমদ শফীর মৃত্যুর পর জুনায়েদ বাবুনগরী হেফাজতের কর্তৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কর্তৃত্ব গ্রহণ করে তিনি শফী পন্থীদের হেফাজত থেকে বের করে দিয়েছিলেন, পুরো কর্তৃত্ব নিয়ে ছিলেন হেফাজতের। এরপর তিনি সম্মেলনের মাধ্যমে একটি নতুন কমিটি গঠন করেন যে কমিটিতে তিনি নিজেকে হেফাজতের আমির হিসেবে ঘোষণা করেন। ওই কমিটিতে হেফাজতের উগ্রবাদীদের স্থান ছিল বেশি। বিশেষ করে ২০ দলীয় জোট, জামায়াত এবং উগ্র মৌলবাদী দলের নেতৃবৃন্দকে হেফাজতের কমিটিতে ঢুকানো হয়েছিল। আর এই কমিটি গঠিত হবার পর থেকেই তারা সরকারবিরোধী একটি অবস্থান গ্রহণ করেন যার নেতৃত্বে ছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী। জুনায়েদ বাবুনগরীর উস্কানিতে এবং হুমকিতে সেই সময় ভাস্কর্য ইস্যু তৈরি করা হয় এবং বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বিরোধিতা করে হেফাজত মাঠে নামে। সেই ভাস্কর্য ইস্যু আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে স্তিমিত হলেও হেফাজত আবার নতুন ইস্যু তৈরি করে সরকারকে চাপে ফেলার জন্য।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশে আসেন। সেই আগমনকে কেন্দ্র করে হেফাজতের তাণ্ডব সৃষ্টির চেষ্টা করে। এখানেও সরকার সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে চেয়েছিলেন কিন্তু বিএনপি-জামায়াত এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের শক্তিশালী অংশ হেফাজতকে সেই সমঝোতায় যেতে দেয়নি। বরং তারা ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিনে ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং চট্টগ্রামে তাণ্ডব চালায়। এরপর সরকার আস্তে আস্তে কঠোর অবস্থানে যায় এবং হেফাজতের উগ্রবাদী নেতা মামুনুল হক, আজিজুলসহ বিভিন্ন দুর্বৃত্তকে গ্রেপ্তার করে। এরপর হেফাজত পিছু হটে এবং হেফাজত তাদের কমিটি পুনর্বিন্যাস করার স্বার্থে জুনায়েদ বাবুনগরী কমিটি বিলুপ্ত করে দেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, হেফাজতের এই সমস্ত অপকর্মের মূল হোতা জুনায়েদ বাবুনগরী। আর নিজে বাঁচার জন্যই তিনি সেসময় কমিটি বিলুপ্ত করেছিলেন। কিন্তু এই কমিটি বাতিল বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করা হলেও সেই কমিটিও হেফাজতের অধিকাংশ নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। ১১ সদস্যের এই কমিটি গঠন করার পরপরই হেফাজতের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এমনকি কমিটির অনেক সদস্য এই কমিটি থেকে নিজেদেরকে গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন। ফলে জুনায়েদ বাবুনগরী নতুন সংকটে পড়েন।

হেফাজতের নতুন কমিটি গঠিত হওয়ার পর কমিটি নিয়ে এখন চলছে তোলপাড়। এই কমিটির অন্তত ৮ জন সদস্য নিজেকে হেফাজতের কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন বলে জানিয়েছেন এবং তাদেরকে না জানিয়েই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যদিও জুনায়েদ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, নতুন কমিটিতে বিতর্কিত কাউকে রাখা হয়নি এবং রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তাদেরকে রাখা হয়নি। কিন্তু এই কমিটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, রাজনৈতিক ব্যক্তি বিশেষ করে জামাত পন্থী, খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন সহ বিভিন্ন উগ্রবাদী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ হেফাজতের কমিটিতে আছেন।

আর সবচেয়ে বড় কথা হল যে আহমদ শফী পন্থীদের এখনো কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আহমদ শফীর পুত্র আনাস মাদানী আলোচনায় এসেছেন এবং তিনি হেফাজতকে পুনঃসংগঠিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। বিভক্ত হেফাজতের ঐক্যের জন্য চেষ্টা করছেন জিহাদী সহ কয়েকজন নেতা। আর এই প্রেক্ষিতে হেফাজতের নতুন কমিটির উদ্যোগে গঠন করা হয়েছে। জানা গেছে গত কয়েকদিনে হেফাজতের কিছু নেতৃবৃন্দ আলাদাভাবে বসেছেন এবং তারা জুনায়েদ বাবুনগরীকে বাদ দিয়ে জিহাদী এবং অন্যান্য অবিতর্কিত সকল পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এই প্রক্রিয়া হলে হেফাজতের বর্তমান কমিটিও বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং জুনায়েদ বাবুনগরীর অধ্যায়ের সমাপ্তি হবে। তবে বাবুনগরী পন্থীরা বলছেন এরকম সিদ্ধান্ত না হলে শেষ পর্যন্ত ভাঙ্গনের মুখে পড়বে হেফাজত।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

সাপ্লাই কম, দাম চড়া

প্রকাশ: ১২:১৪ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সাপ্লাই কম, দাম চড়া

কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বাজারের সবজির দামে। শীত কড়া নাড়লেও বাজারে শীতকালীন সবজির সাপ্লাই এখনও তুলনামূলক কম। তাই বাড়তি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে মুরগিরও দাম বেড়েছে। অপরিবর্তিত আছে অন্য সব পণ্যের দাম।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।  

বাজারে সবজির কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। বাজারে শিমের কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ৮০ টাকা, চাল কুমড়া প্রতিটি ৬০ টাকা, প্রতিটি লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বরবটির কেজি ৮০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৬০ টাকা।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচের প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। এছাড়া কাঁচাকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।  

শান্তিনগর বাজারের শেখ আবদুল্লাহ বলেন, সাপ্লাই কম থাকায় সবজির দাম বেড়েছে। এছাড়াও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় কৃষকদের উৎপাদন ব্যায় বেড়েছে। তাই বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে সবজি। শীতকাল আসছে তখন বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লে আবার দাম কমে যাবে।  

বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায়।  

বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। আগে খোলা চিনির কেজি ছিল ৯০ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। আগে প্যাকেট চিনি কেজি ছিল ৯৫ টাকায়। এছাড়াও লাল চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়।  

এসব বাজারে দেশি মশুর ডালের কেজি ১৪০ টাকা। ভারতীয় মশুরের কেজি ১০০ টাকা। লবনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়।  

এসব বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম। ফার্মের মুরগির লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা।  

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৬০ থেকে ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকায়।

মুরগি বিক্রেতা রুবেল বলেন, মুরগির উৎপাদন থাকলেও খাবারের অজুহাতে দাম বাড়তি। পোল্ট্রি ফার্মের মালিকরা দাম কমালেই কমবে মুরগির দাম।

সাপ্লাই কম   দাম চড়া   সবজি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

এক ইলিশের দাম ৭ হাজার টাকা!

প্রকাশ: ১১:০১ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail এক ইলিশের দাম ৭ হাজার টাকা!

বরগুনায় একটি ইলিশ ৭ হাজার ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন হয়েছিল। 

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরগুনা মাছ বাজারে ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের এই ইলিশ নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার বিষখালী নদীতে জাল ফেলে সদরের পরীরখাল গ্রামের জেলে অলি আহম্মেদ। দুপুরের দিকে জাল তুললে তিনি দেখতে পান বিশাল সাইজের একটি ইলিশ ধরা পড়েছে। এরপর ইলিশটি বিকেলে বরগুনা মাছ বাজারের ইদ্রিস মিয়ার আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটি নিলামের মাধ্যমে ৭ হাজার ৩৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।

এ বিষয়ে বরগুনার মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, সচরাচর এত বড় ইলিশ জালে ধরা পড়ে না। এখন মাঝে-মধ্যেই বড় বড় ইলিশ পাওয়ার খবর পাচ্ছি। জেলেরা নিষেধাজ্ঞার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে, তাই সুবিধাও ভোগ করছে। নিষেধাজ্ঞা মানায় সাগর ও নদীর ইলিশগুলো বড় হতে পারছে।

ইলিশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

কমছে না সবজির দাম, মাছ-মাংস, ডিমেও অস্বস্তি

প্রকাশ: ১২:৫৮ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সবজির বাজারে কমছে না দাম, মাছ,মাংস,ডিমেও অস্বস্তি

নিত্যপন্যের দাম কমার ইঙ্গিত থাকলেও কমছে না সবজি সহ অন্যান্য পন্যের দাম। বাজার ঘুরে দেখা যায় ৬০ টাকার নিচে কোন সবজি নেই। বাজারে পর্যাপ্ত সবজির সরবরাহ থাকলেও দাম কমছেনা সবজির। অপরদিকে মাছ, মাংস সহ দাম বেড়েছে অন্যান্য নিত্যপন্যেরো।

রাজধানীর বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা যায়, শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। বাজারে সিমের কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা  ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৬০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৮০ টাকা, ধুন্দলের কেজি ৬০ টাকা।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচের প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। এছাড়া আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। এছাড়া রসুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা আর আদা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ সবজির দামই বেড়েছে। কাঁচা মরিচের ঝাঁজ কমলেও কমেনি গাজর ও টমেটোর দাম।  সবজির বাজারে ক্রেতাদের মুখে অসন্তোষ স্পষ্ট। বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম বাড়ার স্পষ্ট কারণ জানা নেই। অধিকাংশ সবজির দামই গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। 

সবজি বিক্রেতা সেলিম মিয়া বলেন, বেগুন গত সপ্তাহে কিনেছি ৬৫ টাকায়। আজ তা কিনতে হয়েছে ৭৫ টাকায়। বিক্রি তো ৮০ টাকার নিচে করা যাচ্ছে না। গোল বেগুন ৯০, লম্বা বেগুন ৮০ টাকায় বেচতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেও ঢেড়স ছিল ৫০ টাকা, আজ তা ৭০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। কাকরোলে কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। গত সপ্তাহেও যা ছিল ৫০ টাকা, আজ ৭০, শশা ৭০ টাকা কেজি। 

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকা আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা দরে। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। এছাড়া লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা কেজি এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বেড়েছে ডিমের দামও।ফার্মের মুরগির লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা। ডিমের বাড়তি দাম সম্পর্কে জানতে চাইলে আব্দুল আলেম নামের এক দোকানি জানান, ডিমের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ টাকা বেড়েছে। দাম বাড়ায় বিক্রিও কিছুটা কমেছে।

শাক-সবজির মত মাছের দামও বাড়তি বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ২৫০ টাকা, পাঙাস ১৬০ টাকা, সিলভার কার্প ১৪০ টাকা, শিং মাছ আকার ভেদে ৫০০-৭৫০ টাকা এবং চিংড়ি মাছ ৬০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের খুচরা বাজারে আটাশ চালের কেজি ৬০ টাকা, মিনিকেট ৭০-৭৫ টাকা, গুটি স্বর্ণা ৫৫ টাকা, স্বর্ণ ৫০ টাকা, নাজিরশাইল ৮০ টাকা কেজি। মোটা ডাল কেজি ১১০ টাকা, চিকন ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। 

এদিকে বেড়েছে চিনির দাম। বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। আগে খোলা চিনির কেজি ছিল ৯০ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। লালা চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়।  

এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ টাকা। ইন্ডিয়ান মুশুরের ডালের কেজি ১০০ টাকায়। লবনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে দামে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়।  

সবজি   দাম   ঊর্ধ্বমুখী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

৪৪ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা প্রতিযোগিতা কমিশনের

প্রকাশ: ১০:৪৯ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ৪৪ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা প্রতিযোগিতা কমিশনের

অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে ৪৪ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করেছে প্রতিযোগিতা কমিশন। পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে বাজার ‘অস্থিতিশীল’ করার অভিযোগ তোলা হয় কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে।

চাল, তেল, সাবান, আটা, ডিম ও মুরগি উৎপাদন ও সরবরাহ খাতের এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে দাম বাড়ানোসহ আরও কিছু অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে কমিশনেই পৃথকভাবে এসব মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম মামলা করার কথা জানিয়ে বলেন, এখন নিয়ম অনুযায়ী শুনানি শেষে এসব মামলা নিষ্পত্তি করা হবে।

কমিশন বিভিন্ন অবস্থা ও পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে এসব মামলা করেছে, যোগ করেন তিনি।

প্রতিযোগিতা আইন অনুযায়ী, উৎপাদন, সরবরাহ, খুচরা ও ভোক্তা যে কোনো পর্যায় থেকে কমিশনে মামলা করার সুযোগ রয়েছে। আবার কমিশন নিজেও মামলা দায়ের করতে পারে।

এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কমিশন নিজেই মামলা করেছে। তবে কমিশনের কর্মকর্তারা কোম্পানিগুলোর নাম প্রকাশ করতে চাননি। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বেশ কিছু কোম্পানির মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। পর্যায়ক্রমে বাকি মামলার শুনানি হবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কোভিড মহামারীর পর বিশ্ব বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, ইউক্রেইন যুদ্ধ, ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং পণ্য পরিবহনে জাহাজের ভাড়া বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে গত কয়েক মাস ধরে দেশের নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত নিত্যপণ্যসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম।

এরমধ্যে চাল, সয়াবিন তেল, চিনি, প্রসাধনী সামগ্রী, ডিম, মুরগিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম ৪০ শতাংশ থেকে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। বাজারে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে সরবকারের বিভিন্ন সংস্থা অভিযানে নামে।

এরমধ্যে বিভিন্ন খাতে উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে অভিযানকালে বেশ কিছু অনিয়ম চিহ্নিত করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের ডেকে বৈঠক করে সংস্থাটি।

নিত্যপণ্যের মূল্য অযৌক্তিকভাবে বাড়াতে ভোক্তা অধিকারের চিহ্নিত অনিয়ম এবং বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আসা দাম নিয়ে কারসাজির তথ্য যাচাই বাছাই করে এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার তথ্য পেয়ে প্রতিযোগিতা কমিশন মামলায় যায়।

কমিশনের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, বেশি মামলা করা হয়েছে চাল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে। এ খাতের ১১টি বড় প্রতিষ্ঠান ও ৮টি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

এছাড়া আটা ময়দা উৎপাদন ও সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ৮টি, ডিম উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ৬টি, ব্রয়লার মুরগি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত ৬টি, সাবান ও ডিটারজেন্ট উৎপাদন ও বিপণনে যুক্ত ৬টি কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতা কমিশন   মামলা   কোম্পানি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

চিনি ও পাম তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার

প্রকাশ: ০৯:০৯ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail চিনি ও পাম তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার

চিনি ও পাম তেলের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এখন থেকে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি সর্বোচ্চ ৮৯ টাকা, খোলা চিনি ৮৪ টাকা এবং পাম তেলের লিটার ১৩৩ টাকায় বিক্রি হবে।  

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ দাম ঘোষণা করে।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পাম তেল ও চিনির দাম নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মিলগেট, পরিবেশক ও খুচরা পর্যায়ের জন্য আলাদা দাম ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার পাম সুপার খোলা তেল মিলগেট থেকে ১২৮ টাকায় কিনে পরিবেশকরা ১৩০ টাকায় বিক্রি করবেন। আর খুচরা পর্যায়ে তা বিক্রি হবে ১৩৩ টাকায়।

প্রতি কেজি খোলা চিনি মিলগেটে ৭৯ টাকায় কিনে পরিবেশক পর্যায়ে ৮১ টাকা এবং খুচরা বিক্রি হবে ৮৪ টাকা।

আর প্যাকেটজাত চিনি মিলগেটে ৮২ টাকায় কিনে পরিবেশকরা বিক্রি করবে ৮৪ টাকা। ভোক্তাদের কাছে চিনি বিক্রি হবে ৮৯ টাকায়।

এতদিন খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার পাম সুপার খোলা তেল ১৪৫ টাকা ও খোলা চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। সে হিসাবে পাম তেলের দাম কমেছে ১২ টাকা আর চিনিতে দাম কমলো ৬ টাকা।

চিনি   পাম তেল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন