ঢাকা, রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

অনন্য রেকর্ডের সামনে শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ শুক্রবার, ০৮:৫৯ পিএম
অনন্য রেকর্ডের সামনে শেখ হাসিনা

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক অনন্য রেকর্ডের মুখোমুখি হবেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যখন তিনি ভাষণ দেবেন তখন তিনি হবেন বিশ্বে একমাত্র নির্বাচিত সরকার প্রধান যিনি সর্বাধিকবার জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন। জাতিসংঘে এ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিতি ১৭টি ভাষণ দিয়েছেন। গত বছর (৭৫ তম) সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ভাষণ দেন। অর্থাৎ জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আজকের ভাষণটি নিয়ে তার ১৮টি ভাষণ হবে। বিশ্বে আর কোন নির্বাচিত সরকার প্রধানের ১৮টি ভাষণের রেকর্ড নেই। এর আগে নির্বাচিত সরকার প্রধানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। তিনি সশরীরে উপস্থিত হয়ে মোট ১৬টি ভাষণ দিয়েছিলেন। আর এই রেকর্ডটি ভেঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক নতুন রেকর্ড স্থাপন করলেন। শুধু তাই নয় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে শেখ হাসিনা বিভিন্ন ক্ষেত্রেই অনন্য এবং অসামান্য মর্যাদার রেকর্ড তৈরি করেছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি সবচেয়ে দীর্ঘ সময় থাকা নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে উপস্থিত থেকেছেন, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কথা বলেছেন।

জাতিসংঘের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সর্বাধিক ৯টি বিভিন্ন ধরনের সম্মাননা এবং এবং স্বীকৃতি পেয়েছেন, যেটি আর কোন সরকার প্রধান পাননি। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র নেতা যিনি জলবায়ু ইস্যু নিয়ে দীর্ঘ দিন কথা বলেছেন। বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের মধ্যে শেখ হাসিনাই প্রথম যিনি একটি বিশ্ব শান্তির মডেল জাতিসংঘে উপস্থাপন করেছেন এবং জাতিসংঘে সেই মডেলটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে। জাতিসংঘে শেখ হাসিনাই একমাত্র নির্বাচিত সরকার প্রধান যার ১৮তম ভাষণের সবগুলোই বাংলা ভাষার হয়েছে। বাংলা ভাষায় সর্বাধিক ভাষণ দেওয়ার অর্জনটিও শেখ হাসিনার। শেখ হাসিনাই জাতিসংঘের একমাত্র নেতা যিনি তার দেশকে নিম্নআয়ের দেশ থেকে আস্তে আস্তে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে নিয়ে এসেছেন এবং জাতিসংঘ তার স্বীকৃতিও দিয়েছে। এ বছর এসডিজি অর্জনের স্বীকৃতি পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র সরকারপ্রধান যিনি নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা, বিশ্ব শান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং উগ্রবাদ-মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ নিয়ে জাতিসংঘে কথা বলেছেন। যেখানে জনগণের দুর্ভোগ, দুর্দশা সেখানেই শেখ হাসিনা। জাতিসংঘে তিনি উপস্থিত হন নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে। আজকের ভাষণ দেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘেই এক অনন্য উচ্চতায় নিজেকে উপস্থাপিত করবেন, বিশ্বের কোনো নেতাই যে উচ্চতায় নেই।