ইনসাইড বাংলাদেশ

যেভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অচল হলো

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ২৮ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

আজ ২৮ অক্টোবর। ২০০৬ সালের এই দিনে রাজনৈতিক সহিংসতার এক কুৎসিত নজির স্থাপিত হয়েছিল। ওই দিন ছিল বিএনপি-জামায়াত জোটের ক্ষমতা ত্যাগের দিন। সেই দিন বিএনপি-জামায়াত চড়াও হয়েছিল আওয়ামী লীগের ওপর। আওয়ামী লীগ পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। আর এরকম সহিংসতার মধ্য দিয়ে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছিল এবং এই নারকীয় সহিংসতার মধ্যেই বিএনপি মনোনীত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান কে এম হাসান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। দেশের একটি সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হয়েছিল। আর এর মধ্যে দিয়েই নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কবর রচনা হয়েছিল। তখনই প্রমাণিত হয়েছিল যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় আর কোনো নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়।

২০০১ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট বিপুলভাবে বিজয়ী হয়। এই বিজয়ের পর বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য নানারকম পরিকল্পনা গ্রহণ করতে থাকে। আর সেই পরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবেই তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করে। বিচারপতি কে এম হাসানকে প্রধান বিচারপতি করা হয় এবং তিনি যেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হিসেবে থাকেন এ জন্যই প্রধান বিচারপতির বয়স বাড়িয়ে সংবিধান সংশোধন করা হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরাসরি জানিয়ে দেয় যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হতে হবে নিরপেক্ষ। বিচারপতি কে এম হাসান এক সময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। শুধু জড়িত নয় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকও ছিলেন এই বিচারপতি। আর সে কারণে আওয়ামী লীগ বিচারপতি কে এম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করতে অস্বীকৃতি জানায়। আর এখান থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ঘুণ ধরেছিল।

বিচারপতি কে এম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান অস্বীকার করার পর তৎকালীন সময়ে যে সংবিধানের ধারা অনুসৃত হয়নি। পরবর্তী অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের জন্য আমন্ত্রণ না জানিয়ে বেগম জিয়ার পরামর্শে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ নিজেই নিজেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হিসেবে ঘোষণা করেন। অথচ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত সাংবিধানিক আইন অনুযায়ী অনেকগুলো ধাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এবং সবগুলো ধাপ যদি অতিক্রান্ত হয়ে তবেই রাষ্ট্রপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবেন এমন বিধান ছিল। কিন্তু ইয়াজউদ্দিন আহমেদ বিএনপি স্বার্থ রক্ষার জন্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হয়েই বিএনপি-জামায়াতের পক্ষে একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে শুরু করেন ইয়াজউদ্দিন আহমেদ। এরই মধ্যে ২০০৭ সালের ২২শে জানুয়ারির নির্বাচন ঘোষণা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। বিচারপতি এম এ আজিজের নেতৃত্বে একটি ভাঁড়ামিপূর্ণ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়, যে নির্বাচন কমিশন দেড় কোটি ভুয়া ভোটার তৈরি করেছিল।

আর এরকম পরিস্থিতিতে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের সব সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে যায়। আওয়ামী লীগ নতুন করে আন্দোলন শুরু করে। আর এই আন্দোলনের চাপেই এক সময় ইয়াজউদ্দিন আহমেদ তত্ত্বাবধায়কের প্রধান থেকে সরে যান এবং ১/১১ আসে। ১/১১ এর আগমনের মধ্য দিয়ে কার্যত বাংলাদেশে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কবর রচিত হয়। নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যে অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের গ্যারান্টি দেয় না ২০০৬ সালের অক্টোবর তার একটি বড় প্রমাণ। সেকারণেই ২০০৭ সালে ১/১১ সরকার আসার পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সমালোচনা করেন স্বয়ং বেগম খালেদা জিয়া ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খানসহ অনেকেই। এখন এই ২০০৬ এর ২৮ অক্টোবর হলো সেই দিন যেদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অচল হয়েছিল।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শিশু তামিমকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ উচ্চ আদালতের


Thumbnail

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পল্লী বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে গুরুতর আহত শিশু তামিম ইকবালের (১২) চিকিৎসার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে তার পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেনো দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। শিশু তামিমের বাবা শাহাদাত হোসেনের দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (৬ ডিসেম্বর) উচ্চ আদালতের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সাথে জ্বালানি সচিব, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। সোমবার দুপুরে তামিমের বাবা শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তামিম রামগতি উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের চর টবগী গ্রামের দিনমজুর শাহাদাত হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় কাটাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

শিশু তামিমের বাবা শাহাদাত হোসেন জানান, গত ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখে শিশু তামিম গোসল করতে গিয়ে চর টবগী গ্রামের একটি বিদ্যুতের খুঁটির তারে জড়িয়ে মারাত্নক আহত হন। এতে তামিমের বাম হাত কেটে ফেলতে হয়েছে। ডান পায়ের দুটি আঙুল কেটে ফেলতে হবে। ঝলসে যাওয়া শরীরের বিভিন্ন অংশে পচন ধরেছে। মাথার আঘাতও তার গুরুতর। এ ঘটনায় পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলাকেই দায়ী করছেন তিনি। অন্যদিকে অভাব অনটেনের সংসারে তামিমের চিকিৎসা খরচ যোগাতে গিয়ে নিজের একমাত্র মুদি দোকানটিও বিক্রি করে দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, গত ৭০ দিন যাবত ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে শিশু সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছেলে তামিম পাঞ্জা লড়ছে। পরে সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘‘স্বপ্ন নিয়ে’’ এর প্রতিষ্ঠাতা আশরাফুল আলম হান্নানের সহযোগিতায় তিনি আদালতে রিট দায়ের করেন।

লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আবু তাহের বলেন, নদী ভাঙ্গনের কারনে নদীর পাড়ে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি হেলে পড়েছিলো। তবে খুঁটিতে থাকা ক্যাবল উপরে ঝুলানো ছিলো। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে কেউ তাদের জানায়নি। তাই হয়তো তারে লেগে ওই শিশুটি দুর্ঘটনার মধ্যে পড়েছিল। শিশুটির চিকিৎসার জন্য খোঁজ খবর নেয়া হয়েছে। তবে আদালতে রিটের বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি পল্লী বিদ্যুতের এ কর্মকর্তা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এক পলকে সব খবর

প্রকাশ: ০৭:১৫ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

১. লঘুচাপে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’, সারা দেশে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা।
২. মুখে কালো কাপড় বেঁধে বৃষ্টিতে ভিজেই সড়কে নিহতদের স্মরণে শোক ও সংহতি প্রকাশ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
৩. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
৪. ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় আদর্শ মেনেও মানুষ একত্রে থাকতে পারে, সেটি বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে বলে মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।
৫. তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের সাম্প্রতিক আলোচিত মন্তব্যকে ‘তার ব্যক্তিগত বিষয়’ উল্লেখ করে সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলাপ করার কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
৬. জিয়ার পরিবার নিয়ে দেওয়া তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি। একইসঙ্গে তার পদত্যাগের দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৭. বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাতনিকে নিয়ে করা আপত্তিকর মন্তব্য তা তিনি প্রত্যাহার করবেন না বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মো. মুরাদ হাসান।
৮. মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে চার বছরের সাজা ঘোষণা করেছে দেশটির সামরিক আদালত।
৯. বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও প্রসারিত ও গভীর করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১০. ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে ছাইয়ের নিচে তলিয়ে গেছে ১১ গ্রাম।
১১. ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে এখনও ঝুঁকি দেখছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফাউচি।
১২. বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ: বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল টেস্টের ৩য় দিন।
১৩. বিপিএলে দল নিতে আগ্রহী ৮ ফ্র্যাঞ্চাইজি, জানিয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন।

এক পলকে সব খবর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশ-ভারত ৫০ বছরের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৬:১৪ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ়করণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্বে বিশ্বাস করে চলেছি। এ বর্ষপূর্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং সামনের পথ চলা সম্পর্কে চিন্তা করার সুযোগ এনে দিয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী গতিশীল অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য নিজেদের পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করার জন্যও এটি একটি উপলক্ষ।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) মৈত্রী দিবস বা ফ্রেন্ডশিপ ডে উপলক্ষে বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রচারিত দুই মিনিটের ভিডিও বার্তায় এ সব কথা বলেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল বিষয় এখন জনগণের মধ্যে সংযুক্তি, বাণিজ্য, ব্যবসা ও যোগাযোগে মনোনিবেশ করা দরকার, যা উভয়পক্ষের জন্য পর্যায়ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে নয়াদিল্লিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স (আইসিডব্লিউএ)।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান ও আইসিডব্লিউএ মহাপরিচালক বিজয় ঠাকুর সিং অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের যাত্রায় এটি একটি মাইলফলক। ভারত ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তিনি বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে, দুই দেশ এবং দেশের জনগোষ্ঠী একত্রে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ধারণাকে বাস্তবতায় পরিণত করে চলবে। আজ আমাদের বিশাল অংশীদারিত্ব পরিপক্ক হয়েছে, গতিশীল, ব্যাপক ও কৌশলগত আকার নিয়েছে; সার্বভৌমত্ব, সমতা, বিশ্বাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা এবং ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং অন্যান্য অগণিত অভিন্নতার যৌথ মূল্যবোধে পরিগণিত।

শেখ হাসিনা বলেন, নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক মতবিনিময় ও আদানপ্রদান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমাদের বন্ধুত্বের বন্ধন আরও শক্তিশালী, বৈচিত্র্যময় ও প্রসারিত করেছে। কোভিড-১৯ এর কারণে আরোপিত বিধিনিষেধ সত্ত্বেও সমস্ত স্তরে সম্পর্ক স্থিতিশীল এবং শক্তিশালী রয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় আমাদের চমৎকার সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততায় এটি স্পষ্ট ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর এক ভাষণের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। সম্পর্কটি বন্ধুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্ব আমাদের হৃদয়ে রয়েছে। বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় এবং দীর্ঘস্থায়ী থাকবে।’

বাসস

প্রধানমন্ত্রী   শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘ভিন্ন ধর্মীয় আদর্শের হয়েও একসঙ্গে থাকা যায়’

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় আদর্শ মেনেও মানুষ একত্রে থাকতে পারে, সেটি বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে বলে মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মধ্য দিয়ে শুধু দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে পরিবর্তন আসেনি, একই সঙ্গে পরিবর্তন হয়েছে আদর্শের। যে কারণে (ধর্মের ভিত্তিতে) দেশভাগ হয়েছিল সেই আদর্শ কিন্তু টেকেনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে, মানুষ ভিন্ন ধর্মীয় আদর্শের হয়েও একত্রে থাকতে পারে।’ 

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন হাইকমিশনার। 

দোরাইস্বামী বলেন, ‘বাংলাদেশের হয়ে যারা যুদ্ধে অংশ নিয়েছে তাদের প্রতি যে সম্মান জানানো হয়েছে তা ব্যক্তিগতভাবে আমাকে ছুঁয়ে গেছে। এখানে বেশ কিছু বিষয় স্পষ্ট করে জানাতে চাই। কেন ভারত ৭১-এ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছিল? এটা নিয়ে অনেকে বলে থাকেন ভারত সবসময়ে পাকিস্তানকে দুই ভাগ করতে চেয়েছে। এটি সত্যি নয়। বাস্তবতা হচ্ছে, ৭১-এর মার্চে যে গণহত্যা হয়েছে তা অনেকেরই ধারণারও বাইরে ছিল। লাখ লাখ নিরস্ত্র মানুষ আমাদের সীমান্ত পার হচ্ছিল। বাংলাদেশে মানুষের কী হচ্ছিল তা এ থেকে বোঝা যায়। এ ঘটনায় ভারত ভান করতে পারে না যে দূরে কোথাও কিছু হচ্ছে।’

‘দ্বিতীয়ত, এটি যে যুদ্ধ তা পরিষ্কার ছিল। বিষয়টি এ রকম ছিল না যে, কিছু মানুষ সরকারের বিরোধিতা করছে। পুরো জাতি বঙ্গবন্ধুর ডাকে জেগে উঠেছিল। ভারত বুঝেছিল যে, এটি নিয়মিত কোনো রাজনৈতিক সংঘাতের বিষয় নয়, যা বিশ্বের অনেক স্থানে হয়ে থাকে। এটি নিয়মিত রাজনৈতিক সংঘাতের চেয়ে বহুগুণে ভয়াবহ এবং অনেক বেশি স্থানে ছড়িয়ে ছিল। ভারত কখন সহযোগিতা করেছিল তা খুঁজতে গেলে দেখা যায়, অপারেশন সার্চ লাইটের পর। বিষয়টি শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করাই নয়, সঙ্গে ১ কোটি মানুষকে নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় খুব কঠিন কাজ ছিল। তখনকার পরিস্থিতিতে ভারতের নিজেদের অবস্থাও খুব ভালো ছিল তাও কিন্তু না।’ যোগ করেন হাইকমিশনার।

সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের কার্যকরী সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ও ঢাকায় নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টশীল।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন এর চেয়ারম্যান হেমায়েৎ হুসেন

প্রকাশ: ০৫:১০ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এর বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন এর চেয়ারম্যান হিসেবে মো. হেমায়েৎ হুসেনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। একইসাথে মো. নাজমুল আহসানকে বাংলাদেশ তৈল গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দেয়া এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনাব মো. হেমায়েৎ হুসেনকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এর বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. নাজমুল আহসানকে বাংলাদেশ তৈল গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এর পরিচালকের পদ থেকে বাংলাদেশ তৈল গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন