ইনসাইড বাংলাদেশ

সরকারে সর্বোচ্চ সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:০৯ এএম, ২৫ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তার অসুস্থতাকে একপ্রকার পুঁজি করেই রাজনৈতিক ফায়দা আদায়ের চেষ্টা করছে বিএনপি। যার ফলশ্রুতিতে দেশে একপ্রকার অরাজকতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা আশঙ্কা করছে কয়েক লাখ লোক জড়ো করে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঢাকার রাজপথ দখলে রাখতে পারে এবং সহিংসতা মূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর প্রস্তুতি চলছে।

বিএনপি বেগম জিয়ার অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে দলের নেতা কর্মীরা সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নেতান্ডকর্মীদের ঢাকায় জড়ো করার পরিকল্পনা করেছে দলটি।

বিষয়টি নিয়ে নাম প্রকাশ করে দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে মনিটর করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিক সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিবেদন দিয়ে কিছু সুপারিশও করেছে। সেই সুপারিশের আলোকে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দফতরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সব দফতরকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকাসহ সারা দেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রতিবেদনে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন, বিদেশ পাঠানোর বিষয়ে বিচার-বিশ্লেষণে স্বনামধন্য আইনজীবীদের সমন্বয়ে বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন, বিএনপির ঢাকাসহ দেশের সব কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং রাজধানীতে প্রবেশে কড়াকড়ি ও আবাসিক হোটেল-মেসে পুলিশি রেইড চালানোসহ এক ডজন সুপারিশ করা হয়েছে।

এদিকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ যাতে গুজব ছড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সে জন্য ইতিমধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পুলিশকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে। ঢাকায় কর্মরত যেসব পুলিশ কর্মকর্তা ছুটিসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকার বাইরে ছিলেন, কর্মস্থলে তাদের যোগ দিতে বলা হয়েছে বলে পুলিশ সদর দফতর সূত্র নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনের ১২ দফা সুপারিশ : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে ২১ নভেম্বর দেওয়া গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আটটি পর্যবেক্ষণ দিয়ে ১২টি সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে চারটি সুপারিশই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা-সংক্রান্ত। এগুলো হলো- খালেদা জিয়াকে আইনানুগভাবে চিকিৎসার প্রয়োজনে দেশের বাইরে পাঠানোর কোনো সুযোগ রয়েছে কি না তা বিচার-বিশ্লেষণ করতে দেশের স্বনামধন্য আইনজীবীদের সমন্বয়ে বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা যেতে পারে। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিতকল্পে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে। এমনকি বিশেষ প্রয়োজনে দেশের বাইরে থেকে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এ ছাড়া খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশের বাইরে পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যাপারে সরকারের আন্তরিকতা, গৃহীত পদক্ষেপ এবং আইনি ব্যাখ্যা ও বাধ্যবাধকতা সবার মধ্যে প্রচারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

বাকি সুপারিশগুলো হলো- খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি-সংক্রান্ত। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো- খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে বিএনপি যে কোনো ধরনের নাশকতা চালাতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর সব ধরনের অপচেষ্টা রোধ করতে হবে। রাজধানীসহ দেশের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াতে হবে, যাতে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার অজুহাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকা মহানগরীতে উচ্ছৃঙ্খল জনতার আগমন ও সমাবেশ ঘটতে না পারে। বাইরে থেকে ঢাকামুখী যানবাহনগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকেন্দ্রিক আন্দোলনে বাইরের জেলাগুলো থেকে লোকজন ঢাকামুখী হতে না পারে। পুলিশের টহল, চেকপোস্ট ও তল্লাশি বাড়াতে হবে। এ ছাড়া সন্দিগ্ধ ব্যক্তি ও মোটরসাইকেলসহ সন্দেহজনক যানবাহনে তল্লাশি জোরদার করতে হবে। রাজধানীর আবাসিক হোটেল, কমিউনিটি সেন্টার, নির্মাণাধীন ভবনসহ বিভিন্ন মেসে যাতে ঢাকার বাইরে থেকে আসা নেতান্ডকর্মীরা অবস্থান করতে না পারে, সে জন্য পুলিশি রেইড চালানো যেতে পারে। ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সব বিএনপির কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। কর্তব্য পালনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। আগাম গোয়েন্দাতথ্য সংগ্রহ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে, যাতে যে কোনো ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি রোধ করা যায়।

পর্যবেক্ষণে যা বলা হয়েছে : খালেদা জিয়া বর্তমানে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। তিনি সরকারে দেওয়া শর্তাধীন জামিনে থেকে চিকিৎসার সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। কিন্তু তার অসুস্থতাকে পুঁজি করে বিএনপি রাজনৈতিক ফায়দা আদায়ের চেষ্টা করছে। তার অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে দলের নেতান্ডকর্মীরা সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় নেতান্ডকর্মীরা সেটিকে ইস্যু করে সরকারবিরোধী আন্দোলনের ষড়যন্ত্র করছেন। তার অসুস্থতাকে কাজে লাগিয়ে সরকারবিরোধী বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে বিএনপি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নেতান্ডকর্মীদের রাজধানীতে জড়ো করার পরিকল্পনা করেছে বলে জানা গেছে। লক্ষাধিক নেতান্ডকর্মীকে জড়ো করে ঢাকার রাজপথে অবস্থান নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য রাজপথ দখল করে রাখা এবং সহিংসতা ঘটানোর আশঙ্কা রয়েছে। খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপি নেতা তারেক রহমান বিদেশে অবস্থান করে তার মায়ের অসুস্থতাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছেন এবং সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

খালেদা জিয়ার মৃত্যু-পরবর্তী পরিস্থিতি তুলে ধরে পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, তাঁর মৃত্যু, জানাজা ও দাফন ইত্যাদি কর্মকান্ডকে ঘিরে দলের বিশেষ রাজনৈতিক পরিকল্পনার ছক রয়েছে বলে তথ্য আছে। জানাজা শেষে নেতান্ডকর্মীরা রাজপথে বসে পড়তে পারেন এবং তা সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খালেদা জিয়া মারা গেলে তার কবর চন্দ্রিমা উদ্যানে তার প্রয়াত স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দেওয়া হবে বলে জানা যায়। ফলে বিএনপি কর্তৃক চন্দ্রিমা উদ্যানকে দলীয় মাজার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে সার্বক্ষণিক ব্যাপক লোকসমাগম ঘটানোর এবং সেটিকে সরকারবিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাৎক্ষণিকভাবে সারা দেশে ব্যাপক মিছিল, শোভাযাত্রা, ভাঙচুরসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া বিএনপি নেতান্ডকর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশের বাইরে পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যাপারে আইনি বিধি-বিধানের অপব্যাখ্যা করে সাধারণ মানুষের সুহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছেন। খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণে বিদেশে যেতে ব্যক্তিগতভাবে ইচ্ছুক নয় মর্মে ইতিমধ্যে একাধিকবার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও বিএনপির নেতান্ডকর্মীরা শুধু সরকার-বিরোধিতার স্বার্থে তার অসুস্থতাকে ব্যবহার করছে বলে পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শিশু তামিমকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ উচ্চ আদালতের


Thumbnail

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পল্লী বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে গুরুতর আহত শিশু তামিম ইকবালের (১২) চিকিৎসার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে তার পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেনো দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। শিশু তামিমের বাবা শাহাদাত হোসেনের দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (৬ ডিসেম্বর) উচ্চ আদালতের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সাথে জ্বালানি সচিব, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। সোমবার দুপুরে তামিমের বাবা শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তামিম রামগতি উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের চর টবগী গ্রামের দিনমজুর শাহাদাত হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় কাটাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

শিশু তামিমের বাবা শাহাদাত হোসেন জানান, গত ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখে শিশু তামিম গোসল করতে গিয়ে চর টবগী গ্রামের একটি বিদ্যুতের খুঁটির তারে জড়িয়ে মারাত্নক আহত হন। এতে তামিমের বাম হাত কেটে ফেলতে হয়েছে। ডান পায়ের দুটি আঙুল কেটে ফেলতে হবে। ঝলসে যাওয়া শরীরের বিভিন্ন অংশে পচন ধরেছে। মাথার আঘাতও তার গুরুতর। এ ঘটনায় পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলাকেই দায়ী করছেন তিনি। অন্যদিকে অভাব অনটেনের সংসারে তামিমের চিকিৎসা খরচ যোগাতে গিয়ে নিজের একমাত্র মুদি দোকানটিও বিক্রি করে দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, গত ৭০ দিন যাবত ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে শিশু সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছেলে তামিম পাঞ্জা লড়ছে। পরে সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘‘স্বপ্ন নিয়ে’’ এর প্রতিষ্ঠাতা আশরাফুল আলম হান্নানের সহযোগিতায় তিনি আদালতে রিট দায়ের করেন।

লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আবু তাহের বলেন, নদী ভাঙ্গনের কারনে নদীর পাড়ে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি হেলে পড়েছিলো। তবে খুঁটিতে থাকা ক্যাবল উপরে ঝুলানো ছিলো। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে কেউ তাদের জানায়নি। তাই হয়তো তারে লেগে ওই শিশুটি দুর্ঘটনার মধ্যে পড়েছিল। শিশুটির চিকিৎসার জন্য খোঁজ খবর নেয়া হয়েছে। তবে আদালতে রিটের বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি পল্লী বিদ্যুতের এ কর্মকর্তা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এক পলকে সব খবর

প্রকাশ: ০৭:১৫ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

১. লঘুচাপে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’, সারা দেশে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা।
২. মুখে কালো কাপড় বেঁধে বৃষ্টিতে ভিজেই সড়কে নিহতদের স্মরণে শোক ও সংহতি প্রকাশ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
৩. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
৪. ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় আদর্শ মেনেও মানুষ একত্রে থাকতে পারে, সেটি বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে বলে মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।
৫. তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের সাম্প্রতিক আলোচিত মন্তব্যকে ‘তার ব্যক্তিগত বিষয়’ উল্লেখ করে সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলাপ করার কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
৬. জিয়ার পরিবার নিয়ে দেওয়া তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি। একইসঙ্গে তার পদত্যাগের দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৭. বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাতনিকে নিয়ে করা আপত্তিকর মন্তব্য তা তিনি প্রত্যাহার করবেন না বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মো. মুরাদ হাসান।
৮. মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে চার বছরের সাজা ঘোষণা করেছে দেশটির সামরিক আদালত।
৯. বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও প্রসারিত ও গভীর করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১০. ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে ছাইয়ের নিচে তলিয়ে গেছে ১১ গ্রাম।
১১. ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে এখনও ঝুঁকি দেখছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফাউচি।
১২. বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ: বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল টেস্টের ৩য় দিন।
১৩. বিপিএলে দল নিতে আগ্রহী ৮ ফ্র্যাঞ্চাইজি, জানিয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন।

এক পলকে সব খবর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশ-ভারত ৫০ বছরের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৬:১৪ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ়করণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্বে বিশ্বাস করে চলেছি। এ বর্ষপূর্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং সামনের পথ চলা সম্পর্কে চিন্তা করার সুযোগ এনে দিয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী গতিশীল অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য নিজেদের পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করার জন্যও এটি একটি উপলক্ষ।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) মৈত্রী দিবস বা ফ্রেন্ডশিপ ডে উপলক্ষে বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রচারিত দুই মিনিটের ভিডিও বার্তায় এ সব কথা বলেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল বিষয় এখন জনগণের মধ্যে সংযুক্তি, বাণিজ্য, ব্যবসা ও যোগাযোগে মনোনিবেশ করা দরকার, যা উভয়পক্ষের জন্য পর্যায়ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে নয়াদিল্লিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স (আইসিডব্লিউএ)।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান ও আইসিডব্লিউএ মহাপরিচালক বিজয় ঠাকুর সিং অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের যাত্রায় এটি একটি মাইলফলক। ভারত ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তিনি বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে, দুই দেশ এবং দেশের জনগোষ্ঠী একত্রে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ধারণাকে বাস্তবতায় পরিণত করে চলবে। আজ আমাদের বিশাল অংশীদারিত্ব পরিপক্ক হয়েছে, গতিশীল, ব্যাপক ও কৌশলগত আকার নিয়েছে; সার্বভৌমত্ব, সমতা, বিশ্বাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা এবং ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং অন্যান্য অগণিত অভিন্নতার যৌথ মূল্যবোধে পরিগণিত।

শেখ হাসিনা বলেন, নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক মতবিনিময় ও আদানপ্রদান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমাদের বন্ধুত্বের বন্ধন আরও শক্তিশালী, বৈচিত্র্যময় ও প্রসারিত করেছে। কোভিড-১৯ এর কারণে আরোপিত বিধিনিষেধ সত্ত্বেও সমস্ত স্তরে সম্পর্ক স্থিতিশীল এবং শক্তিশালী রয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় আমাদের চমৎকার সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততায় এটি স্পষ্ট ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর এক ভাষণের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। সম্পর্কটি বন্ধুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্ব আমাদের হৃদয়ে রয়েছে। বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় এবং দীর্ঘস্থায়ী থাকবে।’

বাসস

প্রধানমন্ত্রী   শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘ভিন্ন ধর্মীয় আদর্শের হয়েও একসঙ্গে থাকা যায়’

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় আদর্শ মেনেও মানুষ একত্রে থাকতে পারে, সেটি বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে বলে মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মধ্য দিয়ে শুধু দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে পরিবর্তন আসেনি, একই সঙ্গে পরিবর্তন হয়েছে আদর্শের। যে কারণে (ধর্মের ভিত্তিতে) দেশভাগ হয়েছিল সেই আদর্শ কিন্তু টেকেনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে, মানুষ ভিন্ন ধর্মীয় আদর্শের হয়েও একত্রে থাকতে পারে।’ 

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন হাইকমিশনার। 

দোরাইস্বামী বলেন, ‘বাংলাদেশের হয়ে যারা যুদ্ধে অংশ নিয়েছে তাদের প্রতি যে সম্মান জানানো হয়েছে তা ব্যক্তিগতভাবে আমাকে ছুঁয়ে গেছে। এখানে বেশ কিছু বিষয় স্পষ্ট করে জানাতে চাই। কেন ভারত ৭১-এ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছিল? এটা নিয়ে অনেকে বলে থাকেন ভারত সবসময়ে পাকিস্তানকে দুই ভাগ করতে চেয়েছে। এটি সত্যি নয়। বাস্তবতা হচ্ছে, ৭১-এর মার্চে যে গণহত্যা হয়েছে তা অনেকেরই ধারণারও বাইরে ছিল। লাখ লাখ নিরস্ত্র মানুষ আমাদের সীমান্ত পার হচ্ছিল। বাংলাদেশে মানুষের কী হচ্ছিল তা এ থেকে বোঝা যায়। এ ঘটনায় ভারত ভান করতে পারে না যে দূরে কোথাও কিছু হচ্ছে।’

‘দ্বিতীয়ত, এটি যে যুদ্ধ তা পরিষ্কার ছিল। বিষয়টি এ রকম ছিল না যে, কিছু মানুষ সরকারের বিরোধিতা করছে। পুরো জাতি বঙ্গবন্ধুর ডাকে জেগে উঠেছিল। ভারত বুঝেছিল যে, এটি নিয়মিত কোনো রাজনৈতিক সংঘাতের বিষয় নয়, যা বিশ্বের অনেক স্থানে হয়ে থাকে। এটি নিয়মিত রাজনৈতিক সংঘাতের চেয়ে বহুগুণে ভয়াবহ এবং অনেক বেশি স্থানে ছড়িয়ে ছিল। ভারত কখন সহযোগিতা করেছিল তা খুঁজতে গেলে দেখা যায়, অপারেশন সার্চ লাইটের পর। বিষয়টি শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করাই নয়, সঙ্গে ১ কোটি মানুষকে নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় খুব কঠিন কাজ ছিল। তখনকার পরিস্থিতিতে ভারতের নিজেদের অবস্থাও খুব ভালো ছিল তাও কিন্তু না।’ যোগ করেন হাইকমিশনার।

সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের কার্যকরী সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ও ঢাকায় নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টশীল।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন এর চেয়ারম্যান হেমায়েৎ হুসেন

প্রকাশ: ০৫:১০ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এর বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন এর চেয়ারম্যান হিসেবে মো. হেমায়েৎ হুসেনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। একইসাথে মো. নাজমুল আহসানকে বাংলাদেশ তৈল গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দেয়া এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনাব মো. হেমায়েৎ হুসেনকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এর বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. নাজমুল আহসানকে বাংলাদেশ তৈল গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এর পরিচালকের পদ থেকে বাংলাদেশ তৈল গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন