ঢাকা, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ৫ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

ডিমের দাম বাড়তি, উচ্চমূল্যে স্থির চাল ও মরিচ

অর্থনীতি ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০১৮ শুক্রবার, ১২:০৩ পিএম
ডিমের দাম বাড়তি, উচ্চমূল্যে স্থির চাল ও মরিচ

মাসের প্রায় শেষ। ব্যয়বহুল নাগরিক জীবনে আয়ের অধিকাংশ শেষের পথে। এর মধ্যে রাজধানীতে প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। এমন বৃষ্টির মাঝেও নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে বাজারে যাচ্ছেন ক্রেতারা। বৃষ্টির কারণে কাচাঁ বাজারে সব কিছুর দাম একটু চড়া থাকে। তবে এবার বাজারে গিয়ে কিছুটা ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে। ডিম ব্যতীত সপ্তাহ ব্যবধানে প্রায় সব জিনিসের দাম পূর্বমূল্যে স্থির রয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে। আগে প্রতি জজন ডিম ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হলেওে এখন তা ৯৫-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচা মরিচের দাম উচ্চমূল্যে ‍স্থির রয়েছে। বিভিন্ন বাজারে কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি ১৫০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।

মরিচের এমন দামের বিষয়ে খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী মো. রফিক বলেন, বাজারে এখন মরিচের অভাব নেই। তবে দাম একটু বেশি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, একেতো বৃষ্টি হচ্ছে, তার ওপর এখন মরিচের ঝাল বেশি। সব মরিচই বাত্তি (পরিপক্ব)।

খাদ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চালের দামও উচ্চমূল্যে ‍স্থির রয়েছে। প্রতি কেজি মোটা চাল ৪০-৪৫ টাকা, পাইজাম ৫০-৫২ টাকা, নাজির ৬৫-৭০ টাকা এবং মিনিকেট ৬৫-৬৮ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

এ সপ্তাহে তেলের দাম আগের মতোই রয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি লিটার সোয়াবিন (লুজ) ৮৫-৮৮ টাকা, প্রতি লিটার সোয়াবিন (বোতল) ১০৪-১০৮ টাকা, পাম ওয়েল ৭০-৭২ টাকা এবং সুপার পাম ওয়েল ৭৩-৭৫ টাকা।

রাজধানীর বিভিন্ন মাংস বাজার ঘুরে দেখা যায়, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৪৬০-৪৮০ টাকা, খাসি ৭০০-৮০০ টাকা, বয়লার মুরগি ১৪৫-১৫০ টাকা ও দেশি মুরগি ৪০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আগের মতোই রয়েছে। শুকনা মরিচ ১৭০-২০০ টাকা, হলুদ ১৭০-২০০ টাকা, আদা ৭০-১২০ টাকা, জিরা ৩৮০-৪৫০ টাকা, চিনি ৫৫-৬০ টাকা, ময়দা (খোলা) ৩৪-৩৮ টাকা এবং আটা (খোলা) ২৬-২৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহের মতো এখনো সস্তাই বিক্রি হচ্ছে সবজি। প্রায় সব সবজির কেজি প্রতি ৩০-৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু ২২-৩০ টাকা, পেঁয়াজ (দেশি) ৪৫-৫০ টাকায়, পেঁয়াজ (বিদেশি) ৩৫-৪০ টাকায়, রসুন ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি পটল ৪০ টাকায়, কাকরোল ৫০ টাকায়, ধুন্দল ৪০ টাকায় ও বেগুন ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ভরপুর সবজি থাকায় দাম বাড়েনি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, এখন কাকরুল, পটল, ঢেড়সের ভরা মৌসুম।ফলে বাজারে এখন সব সবজির দাম যথেষ্ট কম। বন্যা না হলে সবজির দাম খুব একটা বাড়ার আশঙ্কা নেই।

বাংলা ইনসাইডার/বিপি/জেডএ