ঢাকা, বুধবার, ২০ জানুয়ারি ২০২১, ৭ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

শর্তসাপেক্ষে ১০ শতাংশ করছাড় পেলেন ডিএসই সদস্যরা

অর্থনীতি ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর ২০১৮ সোমবার, ০১:৫৫ পিএম
শর্তসাপেক্ষে ১০ শতাংশ করছাড় পেলেন ডিএসই সদস্যরা

চীনা কনসোর্টিয়ামের (শেনঝেন-সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ) কাছে কৌশলগত শেয়ার বিক্রির মূলধনি মুনাফায় ১০ শতাংশ করছাড় পেয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে এই করছাড় পেতে হলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ছয়টি শর্ত পূরণ করতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক গেজেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গেজেটে বলা হয়েছে, ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে চীনা কনসোর্টিয়ামের (শেনঝেন-সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ) কাছে ডিএসইর ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে এর শেয়ারহোল্ডারদের (ডিএসইর সদস্য ব্রোকারেজ হাউজগুলোর) পাওয়া মূলধনি মুনাফার ওপর আরোপযোগ্য করহার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে এজন্য তাদের ছয়টি শর্ত দিয়েছে এনবিআর।

প্রথম শর্তে বলা হয়েছে, ডিএসইর শেয়ারহোল্ডার ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে অবশ্যই মূলধনি মুনাফার পুরো অর্থ দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোয় তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে।

দ্বিতীয় শর্ত হলো, এজন্য সব ব্রোকারকে একটি আলাদা ব্যাংক হিসাব ও বিও হিসাব খুলতে হবে এবং কৌশলগত শেয়ার থেকে পাওয়া পুরো অর্থ সেই ব্যাংক হিসাবে জমা রাখতে হবে।

এনবিআর’র তৃতীয় শর্তে বলা হয়েছে, ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে পুরো তহবিল পৃথক বিও হিসাবের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে।

চতুর্থ শর্ত, বিনিয়োগের তারিখ থেকে তিন বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমুদয় অর্থ দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিজে বিনিয়োগকৃত অবস্থায় থাকতে হবে।

পঞ্চম শর্তে বলা হয়েছে, পৃথক এ বিও হিসাবে সিকিউরিটিজ লেনদেন করে পাওয়া মুনাফার অর্থও একই বিও হিসাবে প্রথম শর্তে উল্লিখিত সিকিউরিটিজে চতুর্থ শর্তে উল্লিখিত সময়সীমা পর্যন্ত বিনিয়োগকৃত থাকতে হবে। তবে এ বিনিয়োগ থেকে অর্জিত লভ্যাংশ আয় বিশেষ ব্যাংক হিসাব থেকে স্থানান্তর করা যাবে।

এনবিআরের সর্বশেষ শর্তে বলা হয়েছে, নির্ধারিত তিন বছরের প্রতিবারই ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নির্দিষ্ট বিও হিসাবের বার্ষিক গ্রাহক খতিয়ানের বিস্তারিত ও নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বিবরণী সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো শর্তের যেকোন একটি পরিপালনে ব্যর্থ হলে করছাড় সুবিধা বাতিল হবে বলে জানানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে তাদের মূলধনি মুনাফার ওপর আয়কর অধ্যাদেশে বর্ণিত ১৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। এই প্রজ্ঞাপন ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ধরা হবে বলেও জানিয়েছে এনবিআর।

বাংলা ইনসাইডার/এএইচসি/জেডএ