ইনসাইড ইকোনমি

সেপ্টেম্বরে স্মরণকালের কম রেমিট্যান্স

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১:১০ এএম, ১৫ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

গত ১৬ মাসের মধ্যে, সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে সবচেয়ে কম রেমিট্যান্স এসেছে। যদিও মহামারির মধ্যে ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স আসায় অনেকেই সেটিকে অগ্রগতি হিসেবে দেখছিলেন।

এ বছরের এপ্রিলে দেশের প্রবাসী আয় রেকর্ড ২ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর রেমিট্যান্স প্রবাহ কমতে শুরু করে এবং সেপ্টেম্বরে তা নেমে আসে ১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলারে। বিশেষজ্ঞরা এর জন্য হুন্ডির মতো অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে অর্থ পাঠানোকে দায়ী করছেন ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, গত অর্থবছরের পুরোটা সময়জুড়েই আগের বছরের চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। কিন্তু চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে হঠাৎ করে রেমিট্যান্স কমে গেছে। এই ধারাবাহিকতা আগস্টেও দেখা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, জুলাই ও আগস্ট- এই দুই মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩৬৮ কোটি ১৬ লাখ ডলার। আগের বছরের একই সময়ে পাঠিয়েছিলেন ৪৫৬ কোটি ২১ লাখ ডলার। তুলনা করলে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রেমিট্যান্স কমেছে ১৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

তথ্যমতে, চলতি জুলাইয়ে দেশে ১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা জুনের চেয়ে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ডলার কম এবং আগের বছরের (২০২০ সালের জুলাই) একই সময়ের তুলনায় ২৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ কম। গত বছর জুলাইয়ে এসেছিল ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, আগস্টে এসেছে ১৮১ কোটি ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫ কোটি ডলার কম। ২০২০ সালের আগস্টে এসেছিল ১৯৬ কোটি মার্কিন ডলার।

এদিকে হঠাৎ প্রবাসী আয় কমে যাওয়াকে নানাভাবে বিশ্লেষণ করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘লকডাউন চলাকালে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল। তখন হুন্ডিও বন্ধ হয়ে যায়। প্রবাসীরা বাধ্য হয়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে উড়োজাহাজ চলতে শুরু হওয়ায় আবার হুন্ডি বেড়েছে। তবে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে অনেক দেশে এখনও লকডাউন চলছে। এতেও প্রবাসীদের আয় কমেছে।’

এর আগে এক সংলাপে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য বলেছিলেন- ‘রেমিট্যান্সের যে জাদু সেটি সম্ভবত শেষ হতে চলেছে। কারণ মানুষ বিদেশে গেছে কম, এসেছে বেশি। সরকারি প্রণোদনার কারণে হুন্ডি ছেড়ে মানুষ ব্যাংকিং খাতে টাকা পাঠিয়েছিল। এ অবস্থায় জাদু শেষ হয়ে যাচ্ছে কিনা সেটিই বোঝার বিষয়।’

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, ‘হুন্ডি বেড়ে যাওয়াতেই ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স কমেছে। আবার করোনার কারণে দেশে ফেরা প্রবাসীদের অনেকেই বিদেশে যাননি। এভাবে রেমিট্যান্স কমতে থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে হোঁচট খাওয়ার আশঙ্কা আছে।’

অর্থনীতিবিদদের অনেকেই বলছেন, গত দেড় বছরে অস্বাভাবিক রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণ ছিল সরকারের ২ শতাংশ প্রণোদনা। এ ছাড়া করোনার কারণে অনেকে চাকরি হারিয়ে যাবতীয় সঞ্চয় নিয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেও রেমিট্যান্স বেড়েছিল। এদিকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৪৮ বিলিয়ন ডলারে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালের মার্চ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪ লাখ ৮ হাজার ৪০৮ কর্মী দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। সৌদি আরব থেকেই ফিরেছেন ১ লাখ ১৯ হাজার জন। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার, কাতার থেকে ৪৯ হাজার, ওমান থেকে ২৪ হাজার ৪৫৭, মালয়েশিয়া থেকে ১৭ হাজার ১০৬, মালদ্বীপ থেকে ১৬ হাজার, কুয়েত থেকে ১৫ হাজার ২২৭, ইরাক থেকে ১০ হাজার, লেবানন থেকে আট হাজার ৭৬২, সিঙ্গাপুর থেকে আট হাজার ৪২৪ ও বাহরাইন থেকে সাড়ে চার হাজার কর্মী ফিরে এসেছেন।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

কোভিড মোকাবিলা করে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে: বিশ্বব্যাংক

প্রকাশ: ০৯:৩৮ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শ্যেফার বলেছেন, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক সাফল্য দেখিয়েছে। যার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অনেকে। বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় ভালো করছে ও কোভিড মোকাবিলা করে তাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ও বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মি.হার্টউইগ শ্যেফার বৈঠক করেন। বৈঠকে অংশ নিয়ে শ্যেফার এসব কথা বলেন।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের মাঝে একটি দ্বিপাক্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অর্থমন্ত্রী, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আলোচনায় অংশ নেন।

অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে হার্টউইগ শ্যেফার, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন, বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) যৌবিদা খেরুস আলাউয়া, সেশিলে ফ্রুমান, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংযুক্তি ও সহযোগিতা-বিষয়ক কর্মকর্তা আলোচনায় অংশ নেন।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শ্যেফার প্রকল্প ডিজাইন, প্রসেসিং, অনুমোদন ও বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে আরও গতিশীলতা আনার সুপারিশ করেন। তিনি এ লক্ষ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও বিশ্বব্যাংকের সমন্বয়ে যথাসময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে সভায় প্রস্তাব পেশ করেন।

তিনি চলমান রিকভারি অ্যান্ড রেজিলেন্সের প্রকিয়াকরণ দ্রুত সম্পন্ন করতে বলেন। এরপরে ক্লাইমেট চেঞ্জ রিলেটেড পলিসি অ্যাকশন ও রিজিওনাল ইন্টিগ্রেশন অ্যান্ড করপোরেশনের ক্ষেত্রে নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশ্বব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

কমেছে ১২ কেজি এলপিজির দাম

প্রকাশ: ০৬:৩৮ পিএম, ০২ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাড়ানোর এক মাসের মাথায় আবারও দাম কমলো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি)। ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি বিপণনকারীদের ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ৮৫ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে ১২ কেজি এলপিজির দাম দাঁড়ালো ১ হাজার ২২৮ টাকায়।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে এ ঘোষণা দেয় বিইআরসি। আগামীকাল (৩ ডিসেম্বর) থেকেই এ দাম কার্যকর হবে।

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে (ভোক্তাপর্যায়ে) মূসক ব্যতীত মূল্য প্রতি কেজি ৯৫ দশমিক ৯১ টাকা এবং মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১০২ দশমিক ৩২ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে। সে অনুযায়ী রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির মূসকসহ মূল্য ১ হাজার ২২৮ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে।

এর আগে গত ৪ নভেম্বর ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম মূসকসহ ১ হাজার ২৫৯ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩১৩ টাকা করা হয়।

গ্যাস   গ্যাসের দাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

নভেম্বরে কমেছে রেকর্ড রেমিট্যান্স প্রবাহ

প্রকাশ: ০৯:২০ এএম, ০২ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে অননুমোদিত চ্যানেলকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় গত নভেম্বর মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ রেকর্ড পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে রেমিট্যান্স আগের বছরের তুলনায় ২১ শতাংশ কমে ৮ দশমিক ৬০ বিলিয়ন হয়েছে। 

আগস্টে রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। তবে এটি এখন নিম্নগামী প্রবণতা বজায় রাখছে। গত ২৪ নভেম্বর রিজার্ভ কমে ৪৪ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়, যা ১ বছর আগের তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন, যা আগের মাসের তুলনায় ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং আগের বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ কম।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, মহামারিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে ২০২০ সালের প্রথম দিক থেকে অননুমোদিত রুট বাধার সম্মুখীন হয়। বেশিরভাগ প্রবাসী বাংলাদেশিরা যে দেশগুলোতে কাজ করে, সেগুলোসহ অনেক দেশ ভাইরাসের বিস্তার রোধে চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক চলাচল পুনরায় শুরু হওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক হুন্ডি চক্র আবারও সক্রিয় হয়ে উঠে।  


বাংলাদেশ ব্যাংক   রেমিট্যান্স   ডলার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে আমরাও ব্যবস্থা নেবো: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:২৮ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এখনো ওঠানামা করছে। আগের দিন ২০ ডলার কমে তো পরদিন ২ ডলার বাড়ে। যখন তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমে স্থিতিশীল হবে, তখন আমরাও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমছে, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেছেন প্রস্তাব দিলে বিবেচনা করতে পারেন। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী? এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিমন্ত্রী যেটা বলেছেন সেটিই আমাদের সবার বক্তব্য। এখনো এটি ফেক্সিবল স্টেজে আছে। কখনো বাড়ছে, আবার কমছে। যখন স্ট্যাবল কন্ডিশনে আসবে, আমার বিশ্বাস প্রতিমন্ত্রী যা বলেছেন আশা করি সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিদেশে টাকা পাচারকারীদের খোঁজ পেতে আপনার হাতে কি কোনো ম্যাকানিজম নেই? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংসদে কথা বলার আগ থেকে আমি বলেছিলাম, আমাকে সুস্পষ্টভাবে মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের তথ্য জানাতে। সেভাবে না পেলেও পত্রপত্রিকায় কিছু নাম পেয়েছি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট যারা আছে তারা কাজ করছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনগত প্রক্রিয়ায় যাকে যা শাস্তি দেওয়ার সে শাস্তি সে পাচ্ছে।

‘গত দু-তিন বছরে কে কত শাস্তি পেয়েছে এগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। একদিন আমি আপনাদের মন্ত্রণালয়ে নিমন্ত্রণ করবো এবং আপনাদের কাছে এগুলো তুলে ধরবো, আমরা কী ব্যবস্থা নিয়েছি এবং ব্যবস্থার প্রেক্ষিতে অগ্রগতি কতটুকু হয়েছে। আমি কিন্তু কিছু ব্যবস্থা নিতে পারবো না। ব্যবস্থা নেবে আমাদের আইন বিভাগ থেকে শুরু যারা আছে তারা।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার তো কোনো নিজস্ব মেকানিজম নেই। মেকানিজম হলো সরকারের টাকা মেকানিজম। দেশের সকল মানুষের টাকা মেকানিজম। আমার আছে আইন। আমাদের আইনের জন্য আমাদের যে ব্যবস্থা সে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। কেউ যদি দুর্নীতি করে, কেউ যদি পাচার করে, মামলা করা হয় এবং তাদের জেলে নেওয়া হয়, সাজা দেওয়া হয়। কোর্ট যা মনে করবে সেভাবে বিচার ব্যবস্থা চলছে।

ওমিক্রন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো সংক্রমিত হইনি। আগে যেভাবে করোনা দেখা দিয়েছিল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করেছি। অর্থনীতির জন্য যা যা করণীয় সাধ্যানুযায়ী দেশের সকল মানুষকে অনেক সাপোর্ট দিয়ে গেছি। আমার মনে হয় এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে ঘটবে না। সংক্রমণটা অতটা কঠোর নয়। আমরা এখনো জানি না কতে কঠোর হেবে। আমরা বিশ্বাস করবো আল্লার রহমতে আমাদের কোনো ক্ষতি করবে না। এ ধরনের কোনো বিপর্যয় আসে সরকার সব সময় প্রস্তুত এটাকে মোকাবিলা করার জন্য, দেশের জনগণকে সাহায্য করার জন্য।


অর্থমন্ত্রী   আ হ ম মুস্তফা কামাল   জ্বালানি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

অবৈধ ব্যাংকিং ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে!

প্রকাশ: ০৯:২৫ এএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

দেশের বিভিন্নস্থানে অবৈধভাবে গজিয়ে ওঠা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত অবৈধ ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ করতে সম্প্রতি ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, আদালতের আদেশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি খুব দ্রুত কাজ শুরু করবে।

জানা গেছে, এই কমিটি সবকিছু পর্যালোচনা করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেবে। কমিটি অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে পারবে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের বিভিন্নস্থানে গজিয়ে ওঠা অবৈধ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা বন্ধ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০৯ ধারা অনুযায়ী ব্যাংক ব্যবসার লাইসেন্স না নিয়ে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করলে ৭ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।  সম্প্রতি গঠিত কমিটির প্রধান করা হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গর্ভনর কাজী ছাইদুর রহমানকে এবং সদস্য করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঁচজন মহাব্যবস্থাপককে (জিএম)।

দেশের বিভিন্নস্থানে গজিয়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়াই  নামের পাশে ব্যাংক শব্দ যুক্ত করে ব্যবসা করে যাচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান জনগণের টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বাংলাদেশ ব্যাংককে কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বাংলাদেশ-ব্যাংক   ব্যাংকিং  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন