ক্লাব ইনসাইড

উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস

প্রকাশ: ০৬:৫২ পিএম, ০১ জুলাই, ২০২২


Thumbnail উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস

উৎসবমুখর পরিবেশে ১০১ বছর পূর্তি ও ১০২তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে উদযাপিত হয়েছে। ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। দিবসটি উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়ানো, কেক কাটা ও আলোচনা সভা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন : ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’।

শুক্রবার (১ জুলাই) সকালে জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, পরে পায়রা উড়ানো, বেলুন উড্ডয়ন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০২তম জন্মদিনে ১০২ পাউন্ড ওজনের কেক কেটে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শোভাযাত্রা সহকারে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আসে হলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকতা-কর্মচারীরা। সংগীত বিভাগের আয়োজনে পরিবেশিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের থিম সং। এরপর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন।

বেলা ১১টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন : ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ।

এসময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী প্রমুখসহ বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান গবেষণা ও উদ্ভাবনে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এক্ষেত্রে সরকার, একাডেমিয়া, ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যালামনাইদের একযোগে কাজ করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সে সব দেশের অনেক খ্যাতিমান অধ্যাপক শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন।

তিনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক জ্ঞান বৃদ্ধি ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিল্প প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম চালুর জন্য উপাচার্য শিল্প মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

মূল প্রবন্ধে ড. কাজী খলীকুজ্জমান বলেন, শিক্ষক-গবেষক এবং শিল্পখাতের যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম গ্রহণ করা হলে উভয়পক্ষ তথা দেশ উপকৃত হবে। প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন লোকবল তৈরি এবং শিল্পখাতে নানা উৎপাদন প্রক্রিয়ার উন্নতি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ইতিমধ্যে একটি শিল্পখাত-একাডেমিয়া সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের জন্য বাস্তবতার মূল্যায়ন করে নির্দিষ্ট করণীয়সমূহ চিহ্নিত করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে সরকার বাস্তবতাভিত্তিক যথাযথ নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন করতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

রাত ১০টার মধ্যে শাবিপ্রবি ছাত্রীদের হলে ফেরার নির্দেশ

প্রকাশ: ০৯:৩৭ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রাত ১০টার মধ্যে শাবিপ্রবি ছাত্রীদের হলে ফেরার নির্দেশ

রাত ১০টার মধ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক ছাত্রীদের নিজ নিজ হলে প্রবেশের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

রোববার (৭ আগস্ট) বিকালে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট (ভারপ্রাপ্ত) জোবেদা কনক খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হল, বাইরের ফজল কমপ্লেক্স ও সামাদ হাউজে অবস্থানরত সব ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আগের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী রাত ১০টার মধ্যে হলে প্রবেশ করতে হবে।’

‌‘রাত ১০টার পর হল’এ প্রবেশ করতে হলে নিজ নিজ হল, বাইরের হলগুলোর দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রভোস্ট অথবা সুপারদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে খাতায় ছাত্রীদের নাম, বিভাগ, রুম নম্বর ও মোবাইল নম্বর সঠিকভাবে লিখতে হবে’,- বলা হয় এতে। 

শাবিপ্রবি   ছাত্রী  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি: শাহবাগে অবরোধ ও মশাল মিছিল

প্রকাশ: ০৯:১৮ পিএম, ০৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি: শাহবাগে অবরোধ ও মশাল মিছিল

জ্বালানি তেলের রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল ও মশাল মিছিল করে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন। 

শনিবার (৬ আগস্ট) বিকালে সাড়ে ৬টার দিকে ‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে’ন ব্যানারে রাজধানীর শাহবাগ মোড় আটকিয়ে প্রতিবাদ জানায় জানায় শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও জাতীয় যাদুঘরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পরবর্তীতে মোটরবাইক নিয়ে মশাল মিছিল করে ছাত্র ফেডারেশন। একই সময়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। 

এর আগে, বিকাল ৫টার দিকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ খাতে ‘লুটপাট’ ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করে ছাত্র ফেডারেশন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ডের সভাপতিত্বে গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদ ও বাংলাদেশ কৃষক মজুর সমিতির সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফসহ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ শাখার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

পরে মোটরবাইক সহযোগে একটি মশাল মিছিল করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। মিছিলটি কাঁটাবন হয়ে হাতিরপুলে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোর দাবি জানিয়ে স্লোগান দেওয়া হয়।

এদিকে, শুক্রবার রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানায় ছাত্র অধিকার পরিষদ। সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মশাল মিছিল করে। এতে ছাত্রলীগের বাধার অভিযোগ পাওয়া গেলে তেমন কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

পুরো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একা লড়াই করে জিতেছি: সামিয়া রহমান

প্রকাশ: ০৮:৪৯ পিএম, ০৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail পুরো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একা লড়াই করে জিতেছি: সামিয়া রহমান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন জোর করে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। যে প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমি জড়িত ছিলাম না সেখানে এককভাবে আমাকে নিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আমার কোনো আস্থা ছিল না। কিন্তু আমি জানতাম হাইকোর্ট আমার পক্ষে রায় দেবেন। কারণ, হাইকোর্ট প্রমাণ দেখবেন। সব প্রমাণ আমার পক্ষে ছিল। পুরো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একা লড়াই করে আমি জিতেছি।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) হাইকোর্টের রায়ের পর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে এসব কথা বলেন তিনি।
 
এর আগে, সকালে সামিয়া রহমানের পদাবনতির আদেশ অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে তাকে সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়ারও নির্দেশ দেন আদালত।

সামিয়া রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন ব্যক্তি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে আমাকে এ শাস্তির মুখোমুখি করেছে। আমি একা শক্ত হয়ে লড়াই চালিয়ে গেছি। অবশেষে আল্লাহর রহমতে আমি জয়ী হয়েছি। আমার বড় ছেলের অসুস্থতাজনিত কারণে বিনা বেতনে ছুটি চেয়েছি, সেটিও আমাকে দেওয়া হয়নি। মানবিক কারণে হলেও ছুটি দিতে পারত। যেটি আমার বিভাগের অনেক শিক্ষক পেয়ে থাকেন। আমাকে সবকিছু থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

‘আমি ভেবেছিলাম, আল্লাহ কোনো কারণে আমার ওপর নাখোশ। কিন্তু না, আল্লাহ আমার সঙ্গেই ছিলেন। কিছু মানুষ আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন। বিশেষ করে আমার স্বামী ও আইনজীবী (ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম)। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

ঢাবির সাংবাদিকতা বিভাগের এ শিক্ষক আরও বলেন, আমি তৎকালীন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, তৎকালীন উপ-উপাচার্য, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানসহ প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছি। আমি বলেছি, লেখার আইডিয়া আমার। কিন্তু পরে তা জার্নালে ছাপা থেকে কোনো প্রক্রিয়ায় আমি যুক্ত ছিলাম না। প্রতিটি বিষয়ের প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট আমি জমা দিয়েছি। কিন্তু প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে আমাকে শাস্তি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

‘এ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আমার সাবেক আইনজীবীও জড়িত। কিন্তু অনেক পরে আমি এটা বুঝেছি। তিনি আমাকে প্রতিনিয়ত মিসগাইড করেছেন। আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে মুভমেন্ট করতে চেয়েছি, তখনই তিনি বলেছেন, তদন্তাধীন বিষয়ে কথা বলা যাবে না। আমি একটি পত্রিকায় বিষয়টি নিয়ে লিখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি তা করতে দেননি। অভিযোগ, তদন্ত… এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নানা হুমকি-ধামকি আমাকে শুনতে হয়েছে।’

পরবর্তী করণীয় কী — জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাইকোর্ট আমাকে সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেবে সেটি বিশ্ববিদ্যালয় জানে। বর্তমানে আমি ছেলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছি।
 
সামিয়া রহমান ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান। পরে তিনি সহকারী অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। তার বিরুদ্ধে গবেষণায় ‘চৌর্যবৃত্তির’ অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় তাকে এক ধাপ পদাবনতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করা হয়। ওই বছরের ৩১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সামিয়া রহমান।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্ট্যাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়। এটি ১৯৮২ সালের শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’-তে প্রকাশিত ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোর ‘দ্য সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধ থেকে প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল বলে অভিযোগ ওঠে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ চুরির কথা জানিয়েছিল ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

শুধু মিশেল ফুকোই নন, বুদ্ধিজীবী এডওয়ার্ড সাঈদের ‘কালচার অ্যান্ড ইমপেরিয়ালিজম’ গ্রন্থের পাতার পর পাতাও সামিয়া ও মারজান হুবহু নকল করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের একাডেমিক অপরাধের শাস্তির সুপারিশ করতে আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে শাস্তির বিষয়ে সুপারিশ জমা দিলে সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

গুচ্ছের 'ক' ইউনিটের ফল প্রকাশ

প্রকাশ: ০৫:৫২ পিএম, ০৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail গুচ্ছের 'ক' ইউনিটের ফল প্রকাশ

গুচ্ছভুক্ত ২২টি সাধারণ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ক ইউনিট- বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

গত শনিবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত দেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অধীন ৫৭টি উপকেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়।

গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ১৩ আগস্ট মানবিক বিভাগের এবং ২০ আগস্ট বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো—জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে লগইন করে পরীক্ষার ফল দেখতে হবে।


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

চবির হলে তালা দিল ছাত্রীরা

প্রকাশ: ০৪:৩৭ পিএম, ০৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail চবির হলে তালা দিল ছাত্রীরা

 সাত দফা দাবিতে জননেত্রী শেখ হাসিনা হলের প্রাধ্যক্ষের কক্ষে তালা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের  ওই হলের ছাত্রীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় তালা দেওয়া হয়। হলের অব্যবস্থাপনাই এর মূল কারণ।

 

 ছাত্রীদের দাবিগুলো হলো১. দুই কর্মদিবসের মধ্যে বর্ধিত অংশ খুলে দেওয়া, ২. পর্যাপ্ত লোকবল দেওয়া, ৩. পাঠাগার চালু করা, ৪. শৌচাগার নিয়মিত পরিষ্কার করার জন্য কর্মচারীদের নির্দেশ দেওয়া, ৫. খাবারের মান বাড়ানো, রাতে ডাইনিং চালু করা ও চুলার সংখ্যা বাড়ানো, ৬. সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার পাশাপাশি নিয়মিত পানির ট্যাংকি পরিষ্কার করা ও ৭. কর্মচারীদের আলাদা পোশাক পরতে বাধ্য করা।

জননেত্রী শেখ হাসিনা হলের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল ২০১৬ সালের অক্টোবরে। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কয়েক দফা মেয়াদ বাড়ানোর পর কাজ শেষ হয় ২০২১ সালে ডিসেম্বরে, কিন্তু এখনো এ বর্ধিত অংশ চালু হয়নি।

 

শিক্ষার্থীরা বলেন , এই হলে গণরুম থাকার কথা ছিল না, এখন গণরুমের নাম দিয়ে একটা কক্ষে গাদাগাদি করে ৫৬ জন শিক্ষার্থী থাকছেন। অথচ একটি ভবনের নির্মাণকাজ শেষ করার পরও ছাত্রী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। আবার পাঠাগার খোলা হয় না, এতে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন। শৌচাগার ১৫ দিন পরপর পরিষ্কার করা হয়। পুরো হলের অবস্থা অস্বাস্থ্যকর। কর্মচারীদের বললে তাঁরা উল্টো খারাপ ব্যবহার করেন। এ ব্যাপারে হল কর্তৃপক্ষকে বারবার বললেও তারা ব্যবস্থা নেয়নি।

 

 ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান জানিয়েছেন, লোকবল সংকটের কারণে বর্ধিত অংশে ছাত্রী  ভর্তির কাজ শুরু করা যায়নি। শিগগির তা চালু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়   শেখা হাসিনা হল   তালা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন