ক্লাব ইনসাইড

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০৪:৫৩ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের জন্য দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘প্রিপারেশন অ্যান্ড প্রসেস অব পাবলিশিং রিসার্চ আর্টিকেলস্ ইন ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল’ শিরোনামে কর্মশালাটি সকাল ৯.৪৫ মিনিটে উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন। কর্মশালায় রিসোর্স পারসন ছিলেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহজাহান খান। 

সোমবার ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মীর খালেদ ইকবাল চৌধুরী। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক ড. শেখ রাসেল আল-আহম্মেদ এবং ড. মো. নূর আলম। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন বলেন, কোনো বিষয় সম্পর্কে ভালো ধারণা নিতে হলে, বেশি বেশি চর্চা করতে হবে। চর্চার মাধ্যমে অন্তর্নিহিত বিষয়গুলো সামনে চলে আসবে। জ্ঞান-বিজ্ঞান কখনো শেষ হয়না। এটি চলমান প্রক্রিয়া এবং চলতে থাকে। গুণগত শিক্ষাকে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমাদের শিক্ষকরা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গবেষণায় ভালো করছেন। স্বল্প সম্পদকে সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আমাদের গবেষণায় এগিয়ে যেতে হবে। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল-এর উদ্যোগে দুটি ব্যাচে ১৪৩ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। 

প্রথম ব্যাচে সকাল ৯.৪৫ মিনিট হতে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭৫জন অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও প্রভাষক এবং দ্বিতীয় ব্যাচে দুপুর দুইটা হতে বিকাল চারটা পর্যন্ত ৬৮জন সহকারী অধ্যাপক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবনের গ্যালারী ২ এ অনুষ্ঠিত হয়। সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা সানজিদা শারমিন।

কর্মশালা  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

বেরোবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষ

প্রকাশ: ১০:০৫ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ এক পর্যায়ে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ সময় পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

বেরোবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে ক্যাম্পাসে পিঠা উৎসব হয়। ওই সময় স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে এক শিক্ষার্থীর কথাকাটি হয়। এরই জের ধরে সন্ধ্যায় এক শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে নেয়ার চেষ্টা করে বহিরাগতরা। পরে বেগম রোকেয়া বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় বের হলে দু'পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় বেশ কয়েকিটি দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়।

মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আমরা অবস্থান করছি। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 



মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

চবি উপাচার্যের কার্যালয় ভাঙ্কচুর তদন্তে কমিটি গঠন

প্রকাশ: ০৩:৩২ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত  থাকা এক প্রার্থীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ না দেয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) উপাচার্যের কার্যালয় ভাংচুর করেছে দলটির অনুসারীরা। এ ঘটনায় পরদিন তিন সদস্যের এক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মাহবুব হারুন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। নোটিশে তদন্ত কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত পূর্বক সুপারিশসহ প্রতিবেদন পেশ করার জন্য অনুরোধ করা হয়। 

নোটিশে বলা হয়, গত ৩০-০১-২০২৩ তারিখ মাননীয় উপাচার্য দপ্তরে কতিপয় উশৃংখল ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে তদন্ত পূর্বক সুপারিশসহ প্রতিবেদন পেশ করার জন্য মাননীয় উপাচার্য নিম্নরূপ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। 

তদন্ত কমিটির তিন সদস্যের মধ্যে সিন্ডিকেট সদস্য ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খাইরুল ইসলামকে আহ্বায়ক, আইন বিভাগের অধ্যাপক নির্মল কুমার সাহাকে সদস্য ও আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর হাসান মোহাম্মদ রোমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে চবি উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাংচুর করে ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক উপগ্রুপ একাকারের অনুসারীরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়কে অচল করতে চবির প্রধান পরিবহন শাটল ট্রেনও বন্ধ করে দেয় তারা।  

জানা গেছে, রাইয়ান আহমেদ নামে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের একজন সদস্য শিক্ষক নিয়োগ প্রার্থী ছিলেন। তবে তিনি মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় বাদ পড়েছেন। নিয়োগ বোর্ডে সুপারিশপ্রাপ্তদের বিষয়টি গোপন থাকায় সিন্ডিকেট সভার অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিলেন ছাত্রলীগের অনুসারীরা।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪১তম সিন্ডিকেট সভায় রাজনীতি বিজ্ঞান, ইসলামিক স্টাডিজ, মেরিন সায়েন্সেস এবং ফিশারিজসহ বিভিন্ন বিভাগের সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগ অনুমোদন করা হয়। সভা শেষে উপাচার্যের কার্যালয়ের বাইরে ভাংচুর করা হয়।

চবি   ভাঙ্কচুর  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

বিচারক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ইবি’র শাম্মী আক্তার


Thumbnail

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাম্মী আক্তার। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) ১৫শ পরীক্ষায় সহকারী জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি। এবার বিজেএসসি পরীক্ষায় সারাদেশে মোট ১০৩জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। যার মধ্যে শাম্মীর অবস্থান ৬৩তম। তার সফলতার গল্প শুনাচ্ছেন বাংলা ইনসাইডার’র ইবি প্রতিনিধি মুতাছিম বিল্লাহ রিয়াদ।

শাম্মী আক্তারের জন্মস্থান রাজশাহী জেলার তানোরের গংগারামপুরে। তার বাবার নাম মৃত কোরবান আলী ও মাতার নাম রেনুফা বেগম। ৯ভাই বোনের মধ্যে অষ্টম তিনি। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ার প্রতি আমার তীব্র আগ্রহ ছিল। স্কুল-কলেজ এমনকি ভার্সিটিতে এসেও সবসময়ই ভাল কিছু করার চেষ্টা করতাম। বিচারক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে আমি নিয়মিত ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা পড়ালেখা করার চেষ্টা করেছি। প্রত্যেক দিনই পড়তাম। অযথা সময় নষ্ট করার প্রবণতা আমার কমই ছিল।

বাবার ইচ্ছাতেই বিচারক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন শাম্মী আক্তার। তিনি জানান, সর্বদাই আমি পরিবারের সমর্থন পেয়েছি, এজন্য বিচারক হওয়ার পেছনে যে বাঁধাগুলো ছিল আমার জন্য সবকিছু সহজ হয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর বাবা চাইতেন আমি যেন বিচারক হই। তাই বাবার স্বপ্ন পূরণে আমি বিচারক হওয়ার লক্ষ্য স্থির করি। এটাই আমাকে বিচারক হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। আজ বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি, কিন্তু স্বপ্নদ্রষ্টা বাবা পাশে নেই। এটাই দুঃখজনক, যা আমার জন্য মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর।

প্রথমবার ভাইভাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন শাম্মী আক্তার। তবে বিচারক হওয়ার স্বপ্নে শক্ত মনোবল ধরে রেখেছিলেন তিনি। তিনি বলেন, আমি প্রথমবার পরীক্ষায় ভাইভা পর্যন্ত গিয়েছিলাম। দ্বিতীয়বারে সফলতার দেখা পেয়েছি। যখন প্রথমবার ভাইবা থেকে বাদ পড়ি, তখন একেবারেই ভেঙে পড়েছিলাম। পরবর্তীতে আমার বড় ভাই আমাকে বুঝিয়ে মনোবল শক্ত করেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও সহপাঠীরা আমাকে সাহস দিয়েছেন। বলা চলে তাদের পরামর্শেই আমার মনোবল শক্ত হয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শুকরিয়া জানাই, রবের অপার মহিমার কারণেই আজকে আমার বিচার হওয়ার স্বপ্নটা পূরণ হয়েছে। যারা বিভিন্নভাবে আমাকে পরামর্শ দিয়ে পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

যেসব শিক্ষার্থী বিচারক হতে ইচ্ছুক তাদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন শাম্মী আক্তার। তিনি বলেন, যারা বিচারক হওয়ার স্বপ্ন দেখছে তাদের জন্য আমার উপদেশ থাকবে প্রথমেই নিজেকে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে স্থির রাখতে হবে। প্রত্যেকদিন অন্ততপক্ষে ৭ ঘণ্টা আইন বিষয়ে পড়ালেখা করার চেষ্টা করতে হবে। ব্যর্থতা আসলেও ভেঙে না পড়ে বারবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

নিজেকে সর্বদা জনমানুষের সেবায় নিয়োজিত রাখতে চান শাম্মী আক্তার। তিনি বলেন, মানুষের প্রতিকার প্রার্থনার শেষ আশ্রয়স্থল হলো বিচার বিভাগ। আমার নিজের অর্জিত আইনের দক্ষতাকে দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত করতে চাই। দেশ ও বিচার বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখায় অবদান রাখতে চাই। নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও সুবিচার নিশ্চিতে কাজ করে যেতে চাই।


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

প্রকাশ: ০৬:২২ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগে শিক্ষা সফর নিয়ে একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে কথা-কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজের অনুসারীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে তিনজন আহত হয়েছেন।

কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মনির উদ্দিন বলেন, শিক্ষা সফরের একটি বৈঠক নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন।

চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর কাদের গণমাধ্যমকে বলেন, একটি বিভাগের শিক্ষা সফর নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। কলেজে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কলেজ   ছাত্রলীগ   সংঘর্ষ  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ইবিতে সিওয়াইবি'র নবীন বরণ


Thumbnail

খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও ভোক্তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করা তরুণ ভোক্তাদের সংগঠন কনজুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর আড়াই টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামের সামনে এই আয়োজন করে সংগঠনটি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক মিরাজ। পরে নবীন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এসময় কয়েকজন নবীন সদস্য তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

সংগঠনটির অর্থ সম্পাদক গোলাম রাব্বানির সঞ্চালনায় ভোক্তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি আল আমিন হোসেন, অভিযোগের পদ্ধতি ও প্রতিকার সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান এবং ভোক্তা অধিকার আইন সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন আইন সম্পাদক নওরীন নুসরাত স্নিগ্ধ। সমাপনী বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সভাপতি শাহেদুল ইসলাম। পরে মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

নবীন বরণ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন