কালার ইনসাইড

নির্মাতা হিসেবে অভিনেতা শিমুল খানের অভিষেক

প্রকাশ: ০৪:৪৫ পিএম, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত সুপারহিট হিট সিনেমা ‘দেহরক্ষী’ দিয়ে ২০১৩ সালে ঢাকাই চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেতা শিমুল খান। এরপর সময়ের পরিক্রমায় এই পর্যন্ত তিনি ৫০টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। যার মধ্যে ৩৫টি চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির অপেক্ষায় আছে এক ডজনেরও বেশি সিনেমা।

মাঝখানে কিংবদন্তী পাবলিকেশন থেকে তার লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ  ‘সভ্যতার ময়নাতদন্ত : Autopsy Of Civilization’ প্রকাশ হবার খবর পাওয়া গেলেও মূলত বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি চলচ্চিত্র বিষয়ক হালনাগাদ খবরের বাইরে আছেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও বেশ কিছুদিন যাবৎ তার নতুন কোনো কাজের খবর তিনি প্রকাশ করেন না বলেই চলে।

অবশেষে দীর্ঘদিন পর তিনি নতুন সংবাদ দিলেন। তবে সেই চমকপ্রদ খবরটি এলো একদম ভিন্নভাবে। হ্যাঁ, এবার চলচ্চিত্র অভিনেতা শিমুল খান অভিনয় এবং লেখালেখির বাইরে ‘সাদা মনোলিথ : The White Monolith’ শিরোনামের একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন।

সে উপলক্ষে গত ১১ জানুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘মীর শহীদ পিকচার্স’ এর সঙ্গে উক্ত চলচ্চিত্রটির লেখক এবং নির্মাতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এসময় নতুন এ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মীর শহীদ এবং সিনেমাটির নির্বাহী প্রযোজক এটিএম রাকিবুল বাসার উপস্থিত ছিলেন।

অভিনয় রেখে চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রসঙ্গে শিমুল খান বলেন, আসলে বহু আগেই লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলাম যে একদিন অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাণ করব। ভেবেছিলাম অভিনেতা হিসেবে আরও একটু সিনিয়র হবার পর চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করব। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি আর সবার মতো আমার জীবনের গতিপথও দ্রুত পাল্টে দিয়েছে। তাই সময় নষ্ট না করে শুরু করে দিলাম।

তিনি বলেন, বাঁচবোই বা কয়দিন! নিজের লেখা কিছু বাস্তবভিত্তিক গল্পে এক জীবনে কয়েকটি অমর চলচ্চিত্র নির্মাণ করে মরতে চাই। তবে চলচ্চিত্র নির্মাণ ভাবনার শুরু থেকে নির্মাতা হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হবার এই সময়কালটা আমার জন্য সত্যিই মারাত্মক চ্যালেঞ্জিং ছিল। এত সহজে সবকিছু হয়ে যায়নি। গত দুই বছর যাবৎ নিরবে আমাকে আমার যোগ্যতা, ধৈর্য্য এবং তুমুল চেষ্টা দিয়েই এই অবস্থায় এসে পৌঁছাতে হয়েছে। আমার সিনেমাটির প্রযোজক মীর শহীদ ভাই এবং নির্বাহী প্রযোজক এটিএম রাকিবুল বাসার ভাইয়ের কাছে আসলেই আমি চিরঋনী হয়ে থাকলাম। তারা আমার ওপর বিশ্বাস স্থাপন না করলে হয়তো নির্মাতা হিসেবে আমার যাত্রা আরও খানিকটা বিলম্বিত হতো। আমি অবশ্যই বাংলাদেশকে ‘সাদা মনোলিথ : The White Monolith’ শিরোনামের অমর একটি চলচ্চিত্র উপহার দিয়ে আমার প্রতি তাদের এই বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব এবং হবু চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে এটাই আমার চূড়ান্ত শপথ। চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে আমার সব অতীত ভুলত্রুটিগুলোকে দূরে ঠেলে চলচ্চিত্র নির্মাতা হবার এই মহাযাত্রায় আমি সবাইকে নিবিড়ভাবে আমার পাশে চাই।

উল্লেখ্য, নির্মাতা শিমুল খান মূলত বিশ্বের প্রথম সারির সব আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে জমা দেয়ার উদ্দেশ্যে ‘সাদা মনোলিথ : The White Monolith’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে যাচ্ছেন। ছবিটির আন্তর্জাতিক পরিবেশক হিসেবে যুক্ত থাকবেন আমেরিকার চলচ্চিত্র প্রযোজনা-পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান মাংকি ফিল্মস আইএনসি। এরপর আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল সফর শেষ হলে নির্মাতা শিমুল খান তার প্রথম চলচ্চিত্রটিকে একে একে সিনেমা হল, টেলিভিশন, ডিজিটালসহ সম্ভাব্য সব মাধ্যমে প্রদর্শন করতে চান।

সিনেমাটিতে কারা অভিনয় করবেন সে বিষয়ে নির্মাতা শিমুল খান সিনেমাটির কঠোর গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই কিছু বলতে না চাইলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন বর্তমান ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ জনপ্রিয় একজন নায়িকার সঙ্গে থিয়েটার এবং টেলিভিশনের প্রখ্যাত একজন অভিনেতার মেলবন্ধন ঘটাতে চান নিজের নির্মিত প্রথম সিনেমা ‘সাদা মনোলিথ : The White Monolith’ চলচ্চিত্রে। পরিশেষে শিমুল খান জানান, বঙ্গোপসাগরের একটি নির্জন দ্বীপে আগামী মার্চ মাসের এক তারিখ থেকে একটানা শুটিং করে একদম নিরবিচ্ছিন্নভাবে চলচ্চিত্রটির শুটিং পর্ব শেষ করা হবে।

নির্মাতা   অভিনেতা   শিমুল খান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

করোনায় আক্রান্ত নায়িকা শাবনাজ

প্রকাশ: ০৪:২৯ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নব্বই দশকে ‘চাঁদনী’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় জুটি বাঁধেন নাঈম-শাবনাজ। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়েই প্রেম ও বিয়ে করেন তারা। ঢাকাই সিনেমার অন্যতম এই নায়িকা শাবনাজ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

গত শনিবার (২২ জানুয়ারি) পরীক্ষা করা হলে তার দেহে করোনা ধরা পড়ে বলে জানিয়েছেন তার স্বামী চিত্রনায়ক নাঈম।

তিনি বলেন, ‌শাবনাজ এখন বাসাতেই আছে। গতকাল জ্বর ছিল। সন্দেহ হলে পরীক্ষা করাই৷ ফলাফল আসে করোনা পজিটিভ। বাসায় থেকেই তার চিকিৎসা চলছে। শাবনাজের জন্য দোয়া চেয়েছেন নাঈম।

নাঈম এক ফেসবুক বার্তায় সবাইকে সাবধানতা অবলম্বন করে মাস্ক ব্যবহার করার অনুরোধও জানিয়েছেন।

নাঈম   শাবনাজ   চলচ্চিত্র   করোনা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

'আমি এতিম, শিল্পী সমিতিই আমার সব'

প্রকাশ: ০৪:১৩ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আগামী ২৮ জানুয়ারি অনুসঠিত হতে যাচ্ছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এবারের  নির্বাচনে  সাধারণ সম্পাদক পদে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচন করছেন জায়েদ খান। নির্বাচনে তার বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। রোববার দুপুরে প্যানেল পরিচিতির আয়োজন করে মিশা-জায়েদ পরিষদ। এ সময় দুঃখভারাক্রান্ত মনে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন জায়েদ খান। বক্তব্যের এক পর্যায়ে এই নায়ককে কাঁদতে দেখা গেছে।

জায়েদ খান বলেন, ‘আমার একার সিদ্ধান্তে কোনো সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়নি। উপদেষ্টা মণ্ডলী ও পুরো কার্যনির্বাহী সদস্যের সিদ্ধান্তে এটা করা হয়েছে। সবাই স্বাক্ষর দিয়েছেন।’

জায়েদ খান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘কদিন আগে করোনায় মাকে হারিয়েছি। বাবার মৃত্যুর এক বছরের মাথায় মা চলে গেল। এই শিল্পী সমিতিই আমার সব। সমিতির সদস্যরা আমার পরিবার। সিনিয়র শিল্পীরা আমার বাবা-মা। রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ার আগে মা বলে গেছে, ‘তোমার বিয়ে করা লাগবে না। সমিতি নিয়েই থাক।’

মায়ের এ কথা বলার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘নিজের জন্য না ভেবে সবসময় এই সমিতি ও এখানকার মানুষদের জন্য কাজ করেছি। করোনার মধ্যে মারা যাওয়া প্রত্যেক শিল্পীর লাশ কাঁধে নিয়ে দাফন করেছি। কিছুদিন আগে মায়ের লাশ কাঁধে নিয়েছি। এখনও আমার ঘাড়ে সেই ব্যথা। কি করিনি এই সমিতির জন্য? কাজ বেশি করেছি বলে আমার দুর্নাম বেশি হচ্ছে। আমি যদি একটাও মিথ্যা কথা বলি আমার বাবা-মায়ের মৃত আত্মা যেন শাস্তি পায়।’

মায়ের এ কথা বলার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘নিজের জন্য না ভেবে সবসময় এই সমিতি ও এখানকার মানুষদের জন্য কাজ করেছি। করোনার মধ্যে মারা যাওয়া প্রত্যেক শিল্পীর লাশ কাঁধে নিয়ে দাফন করেছি। কিছুদিন আগে মায়ের লাশ কাঁধে নিয়েছি। এখনও আমার ঘাড়ে সেই ব্যথা। কি করিনি এই সমিতির জন্য? কাজ বেশি করেছি বলে আমার দুর্নাম বেশি হচ্ছে। আমি যদি একটাও মিথ্যা কথা বলি আমার বাবা-মায়ের মৃত আত্মা যেন শাস্তি পায়।’

এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে দাবি করে এই চিত্রনায়ক বলেন, ‘আমি এখন এতিম। এই শিল্পীরাই আমার পরিবার। সুচরিতা আপা আমাকে বলেছেন- ‘আমি তোর মা।’ তার মতো লিজেন্ডরা আমার পাশে আছেন বলেই আমি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। তা না হলে এবার নির্বাচন করতাম না। কথা দিচ্ছি বিপদ যখনই আসবে তখনই আমি সবসময় পাশে থাকবো।’

অনেক ভালো কাজের ভিড়ে কিছু ভুল থাকতেই পারে। বক্তব্যে ভুলগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করেন জায়েদ খান।

জায়েদ খান   চলচ্চিত্র   শিল্পী সমিতি  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

'অনেক বড় বড় নায়ক আছেন, কোথায় তারা'

প্রকাশ: ০৩:৪৪ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আগামী ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এবার নির্বাচনে লড়ছেন দুইটি প্যানেল। একটি ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল ও অন্যটি মিশা-জায়েদ প্যানেল।

এ নির্বাচন ঘিরে ঘিরে উত্তাল হাওয়া বইছে চলচ্চিত্রপাড়ায়। এক প্যানেল অন্য প্যানেলকে প্রশ্ন বানে জর্জরিত করে রেখেছে। কথার লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গান। একটি গান নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার কমতি নেই।অনেক সিনিয়র শিল্পীরাও গানটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম বলেন, এবারের নির্বাচনে আমি কষ্ট পেয়েছি। ‘নোট দিয়ে ভোট কেনার দিন শেষ’ গান দিয়ে জুনিয়র শিল্পীরা নাচানাচি করেছেন। বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগেনি। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে টাকার কথা আসবে কেন? এত বছরের অভিনয় জীবনে এসব দেখিনি। আমার কাছে মনে হয়, আমরা জোকারে পরিণত হচ্ছি। আমাদের সবার বুঝে শুনে ভোট দেয়া প্রয়োজন।

গত (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পান্থপথে মিশা-জায়েদ প্যানেল পরিচিতি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

আনোয়ারা আরও বলেন, মিশা-জায়েদ প্যানেল শিল্পীদের জন্য করোনার সময়ে যথেষ্ট কাজ করেছে। অনেক বড় বড় নায়ক আছেন, কোথায় তারা? খোঁজ তো নেয়নি। শিল্পী সমিতির কমিটিতে যারা ছিলেন তারাই খোঁজ নিয়েছেন। যাই হোক নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবে। দুই প্যানেলের জন্য শুভ কামনা রইলো।

শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে,নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন পীরজাদা হারুন। দুজন সদস্য হলেন বিএইচ নিশান ও বজলুর রাশীদ চৌধুরী। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহানকে। মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেনকে আপেল বোর্ডের সদস্য।

আনোয়ারা বেগম   অভিনেত্রী   শিল্পী সমিতি  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

নির্যাতিত নারীদের পথ দেখাতে তাশফির ‘আলো’

প্রকাশ: ০৩:৩৬ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নিজের জীবনের অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে আলো খুঁজে পেয়েছিলেন সুরের পথে। সংগীত জীবনে পরিচিতি পেলেও নিজের সৃষ্টি মৌলিক গানে এবার তিনি ফিরিয়ে আনলেন সেই বেদনার কথা।

সম্প্রতি প্রকাশিত হল নতুন প্রজন্মের সংগীতশিল্পী তাশফির একক গান ‘আলো’। 

তাশফির মতে, ‘আলো’ গানটি তার জন্য প্রথম একক- যার কথা, সুরে ও গানের চিত্রায়ণে শুধু তাকেই খুঁজে পাওয়া যাবে।

আরাফাত কাজীর কথায় তাশফির সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সংগীত পরিচালক সুদীপ্ত পাল। সম্প্রতি তাশফির ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশিত হয়েছে। গানের ভিডিওতে মডেল হয়েছেন মডেল ও উপস্থাপিকা সারাহ আলম।

ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন ইলাজার ইসলাম।

তাশফি জানান, গান তৈরির পেছনের গল্পটাও। নিজের বেদনার কথা তুলে ধরেন তিনি গীতিকার আরাফাত কাজীকে। সঙ্গে দিয়ে দেন সুদীপ্ত পালের মিউজিকে তার করা সুরটিও। তাশফির বয়ান থেকে রচিত কথায় তৈরি হয় গানটি। 

তবে, তাতেই তৃপ্ত হননি তাশফি। তার লক্ষ্য এ গানে যে মডেল হবে সে যেন আরেকজনই তাশফিই হয়ে ওঠে। বন্ধু সারাহকে সাথে নিয়েই নির্মিত হয় গান-চিত্রটি।

তাশফি বলেন, “একজন মানুষ যখন কারো দ্বারা নির্যাতন বা সহিংসতার স্বীকার হন, অবদমিত হন তখন তিনিই জানেন, তার কেমন লাগে। সে অন্ধকার থেকে অনেকেই তখন আলো খুঁজে পান না। এ গান সেইসব মানুষদের শক্তি এবং সাহস যোগাবে। তাই এর নাম ‘আলো’। আমি সারাজীবন যত গানই করি এটি আমার কাছে বিশেষ একটি গান হয়ে থাকবে।”

গানবাংলা টেলিভিশনের ‘উইন্ড অব চেঞ্জ’ এ পান্থ কানাইয়ের সঙ্গে ‘নৌকা’ গানে একসঙ্গে পারফর্ম করে আলোচনায় আসেন সংগীতশিল্পী তাশফি। প্রকাশিত হয়েছে তার বেশকিছু একক গান। গান করেছেন বেশ কিছু ওয়েব সিরিজে। 

সদ্যবিদায়ী বছরে জি সিরিজে প্রকাশিত ‘রাজকুমারী’ গানটি দারুণ শ্রোতাপ্রিয়তা ও প্রশংসা অর্জন করে। বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক শিল্পী হিসেবে চীনের ‘ইন্টারন্যাশনাল গোস্ট ফেস্টিভাল’-এ অংশ নেয়ার অর্জনও আছে তার ঝুলিতে।

সংগীতশিল্পী   তাশফির  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

গর্ভ ভাড়া করে প্রিয়াঙ্কার মা হওয়ায় সারোগেসির সমালোচনা তসলিমার!

প্রকাশ: ০৮:২৪ পিএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সন্তান ধারণের নতুন পন্থা সারোগেসি। এই প্রক্রিয়ায় অন্য কোনো নারীর গর্ভ ভাড়া করে মা হতে পারেন কেউ। সম্প্রতি সারোগেসির মাধ্যমে মা হয়েছেন আন্তর্জাতিক তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। গত শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ও তার স্বামী নিক জোনাস সুখবরটি প্রকাশ করেন।

এদিকে প্রিয়াঙ্কার মা হওয়ার বিষয়টি মানতে পারছেন না লেখিকা তসলিমা নাসরিন। কেবল প্রিয়াঙ্কা নয়, সারোগেসি বিষয়টিকেই সমর্থন দিতে নারাজ তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে এ বিষয়ে নিজের অভিমত তুলে ধরেন এই নির্বাসিত লেখিকা।

তসলিমা লিখেছেন, ‘সারোগেসি বিজ্ঞানের চমৎকার একটা আবিষ্কার বটে। তবে সারোগেসি তত দিন টিকে থাকবে, যত দিন সমাজে দারিদ্র্য টিকে থাকবে। দারিদ্র্য নেই তো সারোগেসি নেই।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘দরিদ্র মেয়েদের জরায়ু টাকার বিনিময়ে নয় মাসের জন্য ভাড়া নেয় ধনীরা। ধনী মেয়েরা কিন্তু তাদের জরায়ু কাউকে ভাড়া দেবে না। কারণ গর্ভাবস্থায় জীবনের নানা ঝুঁকি থাকে, শিশুর জন্মের সময়ও থাকে ঝুঁকি। দরিদ্র না হলে কেউ এই ঝুঁকি নেয় না।’


ওই পোস্টে তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘গৃহহীন স্বজনহীন কোনও শিশুকে দত্তক নেওয়ার চেয়ে সারোগেসির মাধ্যমে ধনী এবং ব্যস্ত সেলিব্রিটিরা নিজের জিনসমেত একখানা রেডিমেড শিশু চায়। মানুষের ভেতরে এই সেলফিস জিনটি, এই নার্সিসিস্টিক ইগোটি বেশ আছে। এ সবের ঊর্ধ্বে উঠতে কেউ যে পারে না তা নয়, অনেকে গর্ভবতী হতে, সন্তান জন্ম দিতে সক্ষম হলেও সন্তান জন্ম না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।’

গর্ভ ভাড়া করে মাওয়ার এই উপায়টি মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি শর্ত দিয়েছেন তসলিমা নাসরিন। তার ভাষ্য, ‘সারোগেসিকে তখন মেনে নেব যখন শুধু দরিদ্র নয়, ধনী মেয়েরাও সারোগেট মা হবে, টাকার বিনিময়ে নয়, সারোগেসিকে ভালোবেসে হবে। ঠিক যেমন বোরখাকে মেনে নেব, যখন পুরুষেরা ভালবেসে বোরখা পরবে। মেয়েদের পতিতালয়কে মেনে নেব, যখন পুরুষেরা নিজেদের পতিত-আলয় গড়ে তুলবে, মুখে মেকআপ করে রাস্তায় ত্রিভঙ্গ দাঁড়িয়ে কুড়ি- পঁচিশ টাকা পেতে নারী-খদ্দেরের জন্য অপেক্ষা করবে। তা না হলে সারোগেসি, বোরখা, পতিতাবৃত্তি রয়ে যাবে নারী এবং দরিদ্রকে এক্সপ্লয়টেশনের প্রতীক হিসেবে।’

প্রসঙ্গত, প্রিয়াঙ্কা ও নিক জোনাস বিয়ে করেছেন ২০১৮ সালে। সংসার জীবনের তিন বছর পার করে সন্তান গ্রহণ করলেন তারা।

তসলিমা নাসরিন   সারোগেসি   প্রিয়াঙ্কা চোপড়া   নিক জোনাস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন