কালার ইনসাইড

দেশের সংগীতের সেকাল-একাল-ক্রান্তিকাল!

প্রকাশ: ০৯:৫৭ পিএম, ২১ Jun, ২০২২


Thumbnail দেশের সংগীতের সেকাল-একাল-ক্রান্তিকাল!

বাংলাদেশের সঙ্গীতের যুগ বলতে যেই সময়টাকে বোঝায় তা এক কথায় আশি নব্বইয়ের দশক নামে পরিচিত। আধুনিক গানের পাশাপাশি অনেকগুলো উল্লেখযোগ্য ব্যান্ডেরও আবির্ভাব হয় সেই সময়টাতেই। গানের জগতে টিকে থাকার ও শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রাখার সবচেয়ে বড় একটা সময়ও ছিল সেই সময়টাই। ক্যাসেট, সিডির সেই সময়টায় ট্যাকনিকাল পরিবর্তন এসেছে খুব কমই। খুব বেশি দিবস কেন্দ্রিক চর্চাও ছিলনা। বছরে দুই ঈদ 'ডেইজ ইভেন্ট' হিসেবে স্বীকৃত হলেও সারা বছরই ইন্ডাস্ট্রি ব্যস্ত সময় পার করতো। এখনও তাই হয়, ব্যস্ততার কমতি নেই আজও। কিন্তু যাদের জন্য এই সৃষ্টিশীল কাজ, সেই শ্রোতাদের আগ্রহের ঘাটতি বেশ চোখে পড়ার মত। 

এই অনাগ্রহের কারণ কি? শ্রোতাদের অভিরুচির নেতিবাচক কোনো পরিবর্তন? একদমই না। সেই যুগে শ্রোতাদের মন জয় করে যারা শিল্পী হিসেবে সমাদৃত হয়েছিলেন, তারা আজও এক নামেই সবার কাছে পরিচিত। এক্ষেত্রে অপ্রিয় সত্যটা হলো এখনকার মৌলিক গানে এমন কিছু একটার অভাব আছে যা শুধু মাত্র সুর আর গানের কথা দিয়ে পূরণ হচ্ছে না। 

নতুন নতুন অনেক গান হচ্ছে, কিন্তু তা মনে নাড়া দেবার সামর্থ পাচ্ছে না। অনেক নতুন শিল্পীর আবির্ভাব হচ্ছে, কিন্তু লেগেসি ধরে রাখার ও শ্রোতাদের জিইয়ে রাখার মতো আবেদন সেই অর্থে কেউ তৈরি করতে পারছে না। বিভিন্ন রিয়ালিটি শো, লাইভ শো বা প্লেব্যাকের হাত ধরে শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেলেও একালে মৌলিক গানের দূরাবস্থা অত্যান্ত পীড়াদায়ক। একজন শিল্পী বেঁচে থাকে তার মৌলিক গানে। কিন্ত সেই বাস্তবতা ছাপিয়ে এখনকার দিনে শিল্পীদের মধ্যে তারকাখ্যাতি মূখ্য হয়ে উঠেছে। আবার যারা নতুন গান নিয়ে কাজ করছে, বলা চলে সংগীতবোদ্ধারা তাতে কোন ভাবেই আকৃষ্ট হচ্ছেন না, আগ্রহ হারাচ্ছেন। এখানে গানগুলির মান প্রশ্নাতীত হতে পারছে না। অথচ সৃজনশীলতার প্রশ্নে পারফেকশনই প্রথম কথা। আর এই পারফেকশনের জন্য শুধু কন্ঠ বা গায়কিই যথেষ্ট নয়। একটি গান শ্রোতাতের মনে জায়গা করে নেওয়ার জন্য, কালজয়ী হওয়ার জন্য প্রয়োজন কথা, সুর ও দর্শন-এই তিনের সমন্বয়। 

এমনতো আর নয় যে, কোন কালেই দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে প্রতিভাবান গায়ক, গীতিকার, সুরকাররা ছিলেন না। বরং একটা সময় রাজকীয় হালেই দাপট দেখিয়েছেন এদেশের সংগীতাঙ্গনের তারকারা। ফেইসবুুক, ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর চল তখন ছিলনা, প্রচার-প্রসারের সুযোগ ছিল খুবই সীমিত, যার ফলে দেশের গানগুলো বিশ্বমঞ্চ মাতানোর খুব বেশি সুযোগ হয়তো পায়নি, কিন্তু যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সে সময় বাংলাদেশের গান পার্শ্ববর্তী দেশে ভীষণভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। এদেশের শাস্ত্রীয় সংগীত থেকে শুরু করে পপ ও ব্যান্ড সংগীতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন ওপার বাংলার সঙ্গীতাঙ্গনের শিল্পী-কলাকুশলীরা। 

আশি নব্বই দশকের পরও একটা সময় নতুন কয়েকজন গুণী শিল্পীদের হাত ধরে অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গানের সৃষ্টি হয়েছিল। ফুয়াদ, হাবীব, বাপ্পা মজুমদার, বালাম, ন্যান্সি, অর্ণব, তাহসানদের তো প্রতিশ্রুতিশীল বেশ কয়েকজন গুণী শিল্পী অনেকটা নতুনভাবে নতুন একটা যুগের শুরু করেছিল এবং এফএম রেডিওর কল্যাণে গানগুলোর জনপ্রিয়তা সে সময় ছিল তুঙ্গে। এটি খুব বেশি আগের কথাও নয়। মাত্র দশ বছর আগের সেই গানগুলোর জনপ্রিতার কাছে কখনো মনেই হয়নি, দশ বছর পর মনমাতানো গানের জন্য শ্রোতাদের মনে এমন হাহাকার সৃষ্টি হবে। 

সৃষ্টিশীল মানুষগুলো এখনো তাদের কাজ নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন। মাঝে মাঝে নতুন শিল্পীদেরও আর্বিভাব হচ্ছে। তারা দু-একটা মৌলিক গান উপহার দিচ্ছেন, তবে সেই সময়ে যেমন একটি যুগ সৃষ্টি হয়েছিল সেরকম একটা যুগ সৃষ্টি হতে পারেনি। 

কিন্তু বিষয়টিকে মেনে নেওয়ারও সুযোগ নেই। সংস্কৃতিপ্রেমী কোন জাতি তাদের যুগশ্রেষ্ঠ সময়কে হাতে নিয়ে বসে নেই। বরং অনুপ্রাণিত হয়ে নতুন যুগের সুচনা করছে। তাতে আগের সময়টি ম্লান হয়ে যায়নি, বরং পূর্বসূরীদের আদর্শ মেনে সংস্কৃতির আরো বিস্তার হয়েছে। সংস্কৃতির হয় বিস্তার হবে নয়তো ম্লান হবে, এটিই সত্য। আর এই সত্যকে মেনে নিয়ে আমাদের নতুন প্রজন্মের উচিৎ হবে আরো উদার মানসিকতার সাথে, সমন্বিতভাবে এবং অহংবোধকে দূরে রেখে কার করে যাওয়া, একই সাথে ব্যক্তিত্ব ও সৃজনশীলতার উৎকর্ষতা সাধন করা। নিজেকে যেমন সৃজনশীল হতে হবে তেমনি সম্মান করতে হবে সৃষ্টিশীল মানুষদেরও। সৃষ্টিশীল কাজ প্রতিযোগীতায় চলতে পারে না, শুধুমাত্র সমঝোতা ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই চলতে পারে। 

আমাদের সঙ্গীতের জগতে অসংখ্য গুণী সুকণ্ঠী গায়ক গায়িকা আছেন। কিন্তু অভাববোধের জায়গাটা তৈরি করেছে গানের স্রষ্টারা। শিল্পীর গায়কি একটি গানে অনন্য মাত্রা যোগ করতে পারে। কিন্তু কথা, সুর ও দর্শন- এই তিনটির সমন্বিত প্রয়াস পারে একটি গানকে কালজয়ী সৃষ্টি হিসেবে উপহার দিতে। আর এই দায়িত্বটি সবার আগে নিতে হবে গীতিকার-সুুরকার তথা গানের স্রষ্টাকেই। 

এই ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের অবস্থান নিজে তৈরি করে নেওয়ার ধারণা নিতান্তই বোকামী। অবস্থান তৈরি হবে শ্রোতাদের ভালবাসায়। আর এই ভালবাসা সৃষ্টি হবে মানসম্মত ও সৃজনশীল সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে। এদিকে বিভিন্ন গানের সাথে মিউজিক ভিডিওর নামে বিদেশি অনুকরণের প্রবণতাও এখনকার দর্শক-শ্রোতাদের মনে বিরক্তির সৃষ্টি করছে। দর্শকগেলানোর ধ্যানধারণার ব্যবসায়িক প্রভাব যে স্লো পয়জনের মতো ধীরে ধীরে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকেই গিলে নিচ্ছে, বর্তমান সময়ের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির কলাকুশলীতের এই বোধটুকুও আসতে হবে। 

সৃষ্টিশীল কাজে অর্থলিপ্সা বা পেশার দৌরাত্ব নয়, নেশা থাকা চাই। একইসাথে বিদেশি অনুুকরণ থেকে দূরে থেকে দেশীয় সংস্কৃতির চর্চাকেই ধরে রাখতে হবে। তাহলেই সম্ভব হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে এনে, আমাদের বাংলা গানকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা। দেশের কোটি মানুষের মন জয় করে এদেশের গান একদিন বিশ্বমঞ্চেও জায়গা করে নেবে, বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে এই কামনা দেশের সঙ্গীতপ্রেমীদের।

বিশ্ব সঙ্গীত দিবস   বিশ্বমঞ্চ   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

হেমন্ত-লতার বিখ্যাত গান নতুন করে গাইলেন বিপ্লব-সুস্মিতা

প্রকাশ: ০৭:৩৮ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail হেমন্ত-লতার বিখ্যাত গান নতুন করে গাইলেন বিপ্লব-সুস্মিতা

উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী  হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও লতা মুঙ্গেশকরের শ্রোতাপ্রিয় গান 'দে দোল দোল'। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গানটি এবার নতুন করে গাইলেন ফ্যাশন ডিজাইনার  বিপ্লব সাহা ও সুস্মিতা সাহা। ঈদ উপলক্ষে গানটি ভিডিওচিত্রসহ প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছেন বিপ্লব সাহা। 

তিনি  বলেন,অনেকদিন পর নতুন করে গানে কণ্ঠ দিলাম। এই গানটি আমার নিজের ভিষণ পছন্দের। আমার মতো কোটি মানুষ এই গানটি পছন্দ করেন। সেই ভালোলাগা ও আবেগ থেকে গানটি কভার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গানটি আমার সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন  সুস্মিতা সাহা। খুব দারুণ গান গায় ও। আশা করি হেমন্ত-লতা জুটির গানটি আমাদের দুজনের কণ্ঠে উপভোগ করবেন শ্রোতা-দর্শক।

সুস্মিতা সাহা বলেন,বিপ্লব সাহা দাদার সবগুলো কাজ আমি দেখেছি। খুব ভালো কাজ করে দাদা। তার সঙ্গে এই প্রথম আমার কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। তাই আমার খুব ভালো লাগছে। আশা করছি দর্শক-শ্রোতারা কয়েকদিনে মধ্যে গানটি শোনতে পাবে।

গানটিতে নতুন করে সংগীতায়োজন করেছেন জিয়াউল হাসান পলাশ। স্টুডিও তানপুরাতে এই গানের রেকর্ড সম্পন্ন হয়েছে।

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়   লতা মুঙ্গেশকর   বিপ্লব সাহা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এবার ভাতিজাকে নিয়ে সাব্বিরের নতুন মিশন

প্রকাশ: ০৪:৫৭ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail এবার ভাতিজাকে নিয়ে সাব্বিরের নতুন মিশন

মডেল-অভিনেতা সাব্বির আহমেদ। ছোটপর্দায় নিয়মিত কাজ করছেন। ঈদুল আজহায় বেশ কিছু নাটকে দেখা যাবে তাকে। সেগুলোরই একটি ‘শিকড়ের টানে’।

ড. পিয়ার মোহাম্মদের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটিতে সাব্বিরের বিপরীতে আছেন চিত্রনায়িকা নিঝুম রুবিনা। এ ছাড়াও এই নাটকের মাধ্যমে প্রথমবার অভিনয় করেছেন সাব্বিরের ভাতিজা শিশুশিল্পী শেখ ফজলে তুরজাউন সামি।

এ প্রসঙ্গে সাব্বির আহমেদ বলেন, পারিবারিক গল্পে নাটকটি নির্মিত হয়েছে। প্রথমবার আমার ভাইয়ের ছেলে নাটকে অভিনয় করেছে। সব মিলিয়ে দারুণ অনুভূতি। আশাকরি দর্শকদের নাটকটি ভালো লাগবে।

নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, কাজী রাজু, সাজ্জাদ হোসেন, ফারজানা ছবিসহ আরো অনেকে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য নির্মিত এই নাটকটি শনিবার (৩ জুলাই) রাত ৯ টায় প্রচার হবে বলে জানান সাব্বির। 

মডেল   অভিনেতা   সাব্বির আহমেদ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

আসছে শুভর ‘ব্ল্যাক ওয়ার’

প্রকাশ: ০৪:৩৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail আসছে শুভর ‘ব্ল্যাক ওয়ার’

বহুল প্রতীক্ষিত ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমার দ্বিতীয় পর্ব ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ আসছে শিগগির। এরই মধ্যে সিনেমাটির প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রকাশ পেল এর ফার্স্টলুক পোস্টার। বুধবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে পোস্টারটি। যেখানে একটি দুর্দান্ত অ্যাকশনের আভাস পাওয়া গেছে। পোস্টারটি দেখে ছবিটি নিয়ে বাড়ছে দর্শকদের আগ্রহ।

পোস্টারে দেখা গেছে অরিফিন শুভ, সাদিয়া নাবিলা ও সুমিত সেনগুপ্তকে। তারা অশুভ শক্তি বিনাশে শত্রুর দিকে তাক করে আছেন বন্দুক! ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ অর্থাৎ ‘কালো যুদ্ধ’-নামের সঙ্গে মিল রেখে কালো আবহে পোস্টারটি তৈরি করা হয়েছে। এটি ডিজাইন করেছেন সাজ্জাদুল ইসলাম সায়েম।

চলতি বছর ঈদুল ফিতরে ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি চিন্তা করে এর মুক্তি পেছানো হয়। তবে এখনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে সিনেমাটির অন্যতম প্রযোজক ও পরিচালক সানী সানোয়ার বলেন, সবকিছু চিন্তা করে গত ঈদে ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ মুক্তি দিইনি। তবে এটি চলতি বছরই মুক্তি পাবে। আর ঈদুল আযহার উপহার হিসেবে দর্শকদের জন্য ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশ করলাম। আশা করছি পুরো সিনেমা দেখার জন্য দর্শকদের বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না।

‘ব্ল্যাক ওয়ার’-এ প্রথম পর্বের গল্পের সমাপ্তি ঘটবে বলে জানিয়েছেন পরিচালকদ্বয়। ‘মিশন এক্সট্রিম’র দুই পর্বেই কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন আরিফিন শুভ।

কুল নিবেদিত, মাইম মাল্টিমিডিয়া সহ-প্রযোজিত এবং ঢাকা ডিটেকটিভ ক্লাবের সহযোগিতায় নির্মিত ‘ব্ল্যাক ওয়ার’-এ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন- তাসকিন রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা, সুমিত সেনগুপ্ত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, মিশা সওদাগর, শতাব্দী ওয়াদুদ, মনোজ প্রামাণিক, ইরেশ যাকের, মাজনুন মিজান, সুদীপ বিশ্বাস, সৈয়দ আরেফ, রাশেদ খান অপু, দীপু ইমাম, এহসানুর রহমান, ইমরান শওদাগর প্রমুখ।

এর আগে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মুক্তি পায় ‘মিশন এক্সট্রিম’র প্রথম পর্ব। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বহু দেশে একযোগে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হয়।

আরেফিন শুভ   মিশন এক্সট্রিম  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শোবিজ থেকে বিদায় নিচ্ছেন ‘বাহুবলি’ অভিনেতা

প্রকাশ: ০৪:১১ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail শোবিজ থেকে বিদায় নিচ্ছেন ‘বাহুবলি’ অভিনেতা

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসের। শোবিজ অঙ্গন থেকে বিদায় নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি। এস এস রাজামৌলি পরিচালিত ‘বাহুবলি’ সিনেমায় বল্লালদেবার বাবার চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ খ্যাতি পেয়েছেন নাসের। শোনা যাচ্ছে, শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে সিনেমা জগতকে বিদায় জানাতে চাইছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, হার্টের সমস্যায় ভুগছেন নাসের। করোনা মহামারির সময় তার এই সমস্যা বেড়েছে। এ কারণে তার পক্ষে সিমোয় অভিনয় সম্ভব হচ্ছে না। তাই শোবিজ অঙ্গন থেকে বিদায় নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে সিনেমা থেকে দূরে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন এই অভিনেতা।

শোবিজে নাম লেখানোর আগে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে চাকরি করেছেন নাসের। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের ব্যাপারে আগ্রহী হন। এরপর সাউথ ইন্ডিয়ান ফিল্ম চেম্বার অব কমার্স ফিল্ম ইনস্টিটিউট এবং তামিল নাড়ু ইনস্টিটিউট অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন টেকনোলোজিস থেকে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নেন।

১৯৮৫ সালে কে. বালাচান্দের ‘কল্যাণা আগাথিগাল’ সিনেমার মাধ্যম রুপালি পর্দায় তার অভিষেক হয়। তবে তিনি প্রথম সবার নজরে আসেন মণি রত্নমের ‘নায়াকান’ সিনেমার মাধ্যমে। এতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে তামিল, তেলেগু, কন্নড়, হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই অভিনেতা।

বাহুবলি   অভিনেতা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

আসছে অটল বিহারী বাজপেয়ীর বায়োপিক

প্রকাশ: ০৩:২৮ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail আসছে অটল বিহারী বাজপেয়ীর বায়োপিক

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর জীবন নিয়ে তৈরি হচ্ছে বায়োপিক। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মোশন পোস্টার শেয়ার হয়েছে এই ছবির।এই ছবিতে উঠে আসবে অটল বিহারী বাজপেয়ীর জীবনের অন্যান্য দিকও। শুধু রাজনীতি নয়, তার কবিতা, লেখা এবং তার মানবিক দিকও উঠে আসবে ছবির গল্পে।

ছবির নাম ‘অটল’। ছবির পোস্টারে শিরোনামের সঙ্গে লেখা রয়েছে ‘ম্যায় রহু, ইয়া না রহু ইয়ে দেশ রহেনা চাহিয়ে’। এনপি মেঞ্চার লেখা বই ‘আনটোল্ড বাজপেয়ী: পলিটিশিয়ান অ্যান্ড প‍্যারাডক্স’ এর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হতে চলেছে এই ছবি। বিনোদ ভানুশালী এবং সন্দীপ সিং মিলিতভাবে ছবিটির প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন। ছবিতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর ভূমিকায় কে অভিনয় করবেন এবং কে পরিচালনা করবেন, তা অবশ্য ঠিক হয়নি।

জানা গেছে, ২০২৩ সালে বছরের শুরুর দিকে শুটিং শুরু হবে এই ছবির। ২০২৩-এর বড়দিনে অটল বিহারী বাজপেয়ীর ৯৯তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তি পাওয়ার কথা এই ছবি।

অটল বিহারী বাজপেয়ী   বায়োপিক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন