কালার ইনসাইড

ইউটিউবারদের দৌরাত্ম্য: এফডিসি বিমুখ তারকারা

প্রকাশ: ০১:৪৩ পিএম, ২২ Jun, ২০২২


Thumbnail ইউটিউবারদের দৌরাত্ম্যে: এফডিসি তারকারা

জাতির জনকের হাতে গড়া এফডিসিকে যখন একদল অদম্য মেধাবীরা নিজেদের সৃষ্টি দিয়ে কোটি কোটি দর্শক তৈরি করে গেছেন, তখন সেই কোটি কোটি দর্শকদের অশ্রাব্য ভাষায় গুটি কয়েক লোক আমাদের শিল্পীসহ নানা প্রসঙ্গে অপ্রকাশযোগ্য ভাষায় টেনে কথা বলে পূর্বপুরুষদের অপমান করে নিজেদের গর্বিত ভাবছেন। আর আমরা দেখেও না দেখার ভান করছি। 

কানাডায় গেছি সেখানেও এসব নিয়ে অসংখ্যবার প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি। এতে করে দিন দিন এসব ইউটিউব বক্তারা যেমন ব্যস্ত তখন প্রকৃত শিল্পীরা একটু সম্মান পাওয়ার আশায় এফডিসি থেকে দূরে। এরা সমিতির নামধারী কিছু অসাধু। যাদের উদ্দেশ্য বেফাঁস কথা বলে ভিউ বাড়িয়ে টাকা ইনকাম করা। এই দুষ্টুদের অবশ্যই এফডিসি থেকে বের করে দিতে হবে।  ইউটিউবাদের উপর বিরক্ত হয়ে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস।

তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রযুক্তি। আর এই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ইউটিউবে অনেকেই অসত্য তথ্য প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। এর প্রভাব পড়েছে ঢালিউডের চলচ্চিত্রে। সাম্প্রতিক সময়ে চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ইস্যুতে ইউটিউবে এমন অসংখ্য অসত্য প্রকাশের অভিযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে চলচ্চিত্রের বিতর্কিত ইস্যুতে শিল্পীদের নিয়ে লাগামহীন বক্তব্যে সরব এফডিসির বেশ কয়েকজন এক্সট্রা শিল্পী।

বিএফডিসির জৌলুসের সময় গেটের কাছে ঘেঁষতেই দারোয়ানের ভয়ে তটস্থ থাকতো দর্শনার্থীদের। এখন আগের সেই জৌলুস নেই, তবে আছে কনটেন্টের উপযুক্ত বিতর্কিত সব উপাত্য। আর সেই উপাত্য সংগ্রহে অনেকেই বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ান। প্রযুক্তির কল্যাণে হাতের মুঠোয় সেল ফোনে ধারণ করে ছেড়ে দেন নিজেদের মতো করে শিরোনাম দিয়ে। 

ইউটিউবারদের সঙ্গে বিভিন্ন সমিতির লোকজনের সখ্যতার অভিযোগও পাওয়া গেছে। আর এসব কারণে দীর্ঘদিন এফডিসিপাড়ায় ঢোকেন না চলচ্চিত্র নির্মাতা দেওয়ান নজরুল, বজলুর রাশেদ চৌধুরী, এম এন ইস্পানিসহ অনেকেই। শিল্পী সমিতির কার্যকরী সদস্য ও সিনিয়র অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান, অরুণা বিশ্বাসরাও বিরক্ত এই ইউটিউবারদের দৌরাত্ম্যে।

এফডিসিতে ইউটিউবারদের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। এর আগেও শিল্পী ও কুশলীদের হেয় করেছেন কিছু কিছু ইউটিউবার। তবে এদের এফডিসিতে প্রবেশের বিষয় অধিকাংশ ক্ষেত্রে কতিপয় প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পীরাই দায়ী! অভিযোগ প্রতিপক্ষকে হেয় করতে নিজেরাই ইউটিউবারদের এফডিসিতে প্রবেশ করান।

এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দোস্ত দুশমন’খ্যাত পরিচালক দেওয়ান নজরুল। তিনি বলেন, যেখানেই যাই ইউটিউবে এফডিসিতে ভুঁইফোড় কিছু লোকজন কথা বলছে। মনে হয় তারাই ইন্ডাস্ট্রির সবকিছু। এরা যে বলে যাচ্ছে অবিরাম তাদের থামানোর কেউ নেই। কেউ থামাচ্ছে না। এর কারণ কী? তিনি বলেন, এখানে এখন কেউ কাউকে সম্মান দেন না। যেখানে সম্মান পাই না সেখানে গিয়ে অসম্মানিত হওয়ার দরকার কী?

পরিচালক বজলুর রাশেদ চৌধুরী বলেন, আমি দীর্ঘ পাঁচ মাস হয় এফডিসি যাই না। অথচ আমার জীবনের অর্ধেক সময় সেখানেই কেটেছে। এখনো সেখানকার মানুষগুলোর সঙ্গে আমার ওঠাবসা। কিন্তু যেভাবে ভিউয়ের আশায় যাচ্ছেতাই লোকজন ইউটিউবে অপ্রকাশযোগ্য কথাবার্তা বলে বেড়ান তা শুনে রুচিতে বাধে, তাই প্রয়োজন ছাড়া যাই না। এদের এখনই সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে। এ ব্যাপারে সাংবাদিক ভাইয়েরা আশা করছি উদ্যোগ নেবেন।

অপরদিকে পরিচালক এম এন ইস্পাহানি বলেন, মন চাইলেই এফডিসিতে গিয়ে আড্ডা মারতে পারি না। যেখানেই যাই ইউটিউবারদের দৌরাত্ম। গেলেই কেউ না কেউ এসে বুম ধরে বসে বিব্রতকর বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করে বসে। কোনো সেন্সর নেই। যদিও অনেকে সাক্ষাতকার দিয়ে নিজেকে বিজিত ভাবছেন। সত্যি বলতে এরা পরিচালক সমিতি, প্রযোজক, শিল্পী সমিতি সবার মধ্যে বিদ্যমান। সম্প্রতি মৌসুমী ইস্যুতে এদের কয়েকজন যে ভাষায় ইউটিউবে অশালীন কথাবার্তা ছড়িয়েছেন তাতে করে বাড়িতেও কথা শুনতে হচ্ছে আমাদের। অথচ আমাদের সমিতিগুলো নিশ্চুপ। এফডিসি কর্তৃপক্ষ চোখ বুঝে আছে। তাই খুব কাজ না থাকলে ওমুখী হই না। শুধু ইউটিউবার নয়, যারা ইউটিউবে নিম্নমানের কুরুচিপূর্ণ সাক্ষাতকার দেয় তাদেরও এফডিসিতে প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া উচিত।

সিনিয়র অভিনেত্রী অঞ্জনা বলেছেন, সত্যি বলতে আমি মহাবিরক্ত। মঙ্গলবার (২১ জুন, বিকাল চারটায়) আমাদের শিল্পী সমিতির মিটিং ছিল। যেতে পারিনি; তবে, যুগ্ম মহাসচিব সাইমন সাদিককে ফোনে বলেছি শিল্পী সমিতির তিন সদস্য (সাদিয়া মির্জা, মিজান এবং জামাল পাটোয়ারী) ইন্ডাস্ট্রিকে সমাজে জঘন্যভাবে হেয় করেছে। একজন শিল্পী হিসেবে আমিও অপমানিত হয়েছি। রাস্তাঘাটে কথা শুনতে হয়। এদের ব্যাপারে সমিতি যেন কঠোর অবস্থান নেয়। শিল্পী সমিতি কেন এসব জঘন্যদের আশ্রয় দিয়ে বিতর্কিত হবে?

ইউটিউবাদের উপর বিরক্ত পরিচালক এস এ হক অলিকও। তিনি বলেন, সম্প্রতি চিত্রনায়িকা মৌসুমী প্রসঙ্গে বেশ কয়েক জনকে দেখলাম ইউটিউবে কথা বলতে। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে তারা চলচ্চিত্রের কারা? চাইলেই কি একজন মৌসুমীকে নিয়ে যাচ্ছেতাই বলা সম্ভব? তাদের এত সাহস দেয় কে? বলার আগে চিন্তা করা দরকার আমি কে, আমার ওজন কতটুকু। সত্যি এটি খুবই দুঃখজনক। সময় থাকতে এদের থামানো উচিত। না হলে ভবিষ্যতে অবস্থা আরও ভয়াবহ হবে।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকেই আলোচনায় বিএফডিসি। বেশ কয়েকটি ইস্যুতে কাঠগড়ায় শিল্পীরা। এ প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া বলেন, সবকিছুর আগে আমাদের কাজ হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি বেশি বেশি সিনেমা নির্মাণ ও কাজ করি তাহলে ভবিষ্যতে এসব বিষয়ে মনে হয় আর কখনোই প্রশ্ন আসবে না। নায়িকার ভাষায়, কাজ নেই বলেই এমনটি হচ্ছে।

চলচ্চিত্রের এ ধরনের অপ্রীতিকার ঘটনা ঘটলেই কিছু অসাধু লোক এসব নিয়ে সিনেমার মানুষদের চরিত্র হননে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তারা ফেসবুক লাইভ বা ইউটিউবে তুচ্ছ বিষয়গুলো নিয়ে নিজের মতো করে শিল্পীদের চরিত্র নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করেন। তাদের বেফাঁস মন্তব্যে পুরো শিল্পী সমাজ তো বটেই চলচ্চিত্রের বদনাম হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী।গত শনিবার (১৮ জুন) রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি শিল্পী সমিতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

চলচ্চিত্রের চলমান তর্ক-বিতর্কে কতিপয় ফেসবুক কিংবা ইউটিউবার নানা ধরনের কুরুচিপূর্ণ ভিডিও অডিও ইডিট করে তা আপলোড দেয়। এতে মূল ঘটনা থেকে সরে গিয়ে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনায় ওমর সানী কিংবা মৌসুমীর বদনাম হতে থাকে। এবার সেই সব মানসিকতা নিয়ে মানুষদের একহাত নিলেন ওমর সানী। মঙ্গলবার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি ছবিসহ একটি পোস্ট দেন।

সেই পোস্টে তিনি লেখেন, কতগুলো অথর্ব কানা বেয়াদব, ছাগল-পাগল যা ইচ্ছা বলছে ইউটিউবে, শুধু কয়েকটা ডলারের লোভে। সবাই নয় (শিল্পী ছাড়া আর কোনো সাবজেক্ট নেই)। সবাইকে ইতিবাচক হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। 

ওমর সানী   চলচ্চিত্র   ইউটিউবার   অঞ্জনা   অরুণা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

হেমন্ত-লতার বিখ্যাত গান নতুন করে গাইলেন বিপ্লব-সুস্মিতা

প্রকাশ: ০৭:৩৮ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail হেমন্ত-লতার বিখ্যাত গান নতুন করে গাইলেন বিপ্লব-সুস্মিতা

উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী  হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও লতা মুঙ্গেশকরের শ্রোতাপ্রিয় গান 'দে দোল দোল'। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গানটি এবার নতুন করে গাইলেন ফ্যাশন ডিজাইনার  বিপ্লব সাহা ও সুস্মিতা সাহা। ঈদ উপলক্ষে গানটি ভিডিওচিত্রসহ প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছেন বিপ্লব সাহা। 

তিনি  বলেন,অনেকদিন পর নতুন করে গানে কণ্ঠ দিলাম। এই গানটি আমার নিজের ভিষণ পছন্দের। আমার মতো কোটি মানুষ এই গানটি পছন্দ করেন। সেই ভালোলাগা ও আবেগ থেকে গানটি কভার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গানটি আমার সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন  সুস্মিতা সাহা। খুব দারুণ গান গায় ও। আশা করি হেমন্ত-লতা জুটির গানটি আমাদের দুজনের কণ্ঠে উপভোগ করবেন শ্রোতা-দর্শক।

সুস্মিতা সাহা বলেন,বিপ্লব সাহা দাদার সবগুলো কাজ আমি দেখেছি। খুব ভালো কাজ করে দাদা। তার সঙ্গে এই প্রথম আমার কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। তাই আমার খুব ভালো লাগছে। আশা করছি দর্শক-শ্রোতারা কয়েকদিনে মধ্যে গানটি শোনতে পাবে।

গানটিতে নতুন করে সংগীতায়োজন করেছেন জিয়াউল হাসান পলাশ। স্টুডিও তানপুরাতে এই গানের রেকর্ড সম্পন্ন হয়েছে।

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়   লতা মুঙ্গেশকর   বিপ্লব সাহা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এবার ভাতিজাকে নিয়ে সাব্বিরের নতুন মিশন

প্রকাশ: ০৪:৫৭ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail এবার ভাতিজাকে নিয়ে সাব্বিরের নতুন মিশন

মডেল-অভিনেতা সাব্বির আহমেদ। ছোটপর্দায় নিয়মিত কাজ করছেন। ঈদুল আজহায় বেশ কিছু নাটকে দেখা যাবে তাকে। সেগুলোরই একটি ‘শিকড়ের টানে’।

ড. পিয়ার মোহাম্মদের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটিতে সাব্বিরের বিপরীতে আছেন চিত্রনায়িকা নিঝুম রুবিনা। এ ছাড়াও এই নাটকের মাধ্যমে প্রথমবার অভিনয় করেছেন সাব্বিরের ভাতিজা শিশুশিল্পী শেখ ফজলে তুরজাউন সামি।

এ প্রসঙ্গে সাব্বির আহমেদ বলেন, পারিবারিক গল্পে নাটকটি নির্মিত হয়েছে। প্রথমবার আমার ভাইয়ের ছেলে নাটকে অভিনয় করেছে। সব মিলিয়ে দারুণ অনুভূতি। আশাকরি দর্শকদের নাটকটি ভালো লাগবে।

নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, কাজী রাজু, সাজ্জাদ হোসেন, ফারজানা ছবিসহ আরো অনেকে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য নির্মিত এই নাটকটি শনিবার (৩ জুলাই) রাত ৯ টায় প্রচার হবে বলে জানান সাব্বির। 

মডেল   অভিনেতা   সাব্বির আহমেদ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

আসছে শুভর ‘ব্ল্যাক ওয়ার’

প্রকাশ: ০৪:৩৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail আসছে শুভর ‘ব্ল্যাক ওয়ার’

বহুল প্রতীক্ষিত ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমার দ্বিতীয় পর্ব ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ আসছে শিগগির। এরই মধ্যে সিনেমাটির প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রকাশ পেল এর ফার্স্টলুক পোস্টার। বুধবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে পোস্টারটি। যেখানে একটি দুর্দান্ত অ্যাকশনের আভাস পাওয়া গেছে। পোস্টারটি দেখে ছবিটি নিয়ে বাড়ছে দর্শকদের আগ্রহ।

পোস্টারে দেখা গেছে অরিফিন শুভ, সাদিয়া নাবিলা ও সুমিত সেনগুপ্তকে। তারা অশুভ শক্তি বিনাশে শত্রুর দিকে তাক করে আছেন বন্দুক! ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ অর্থাৎ ‘কালো যুদ্ধ’-নামের সঙ্গে মিল রেখে কালো আবহে পোস্টারটি তৈরি করা হয়েছে। এটি ডিজাইন করেছেন সাজ্জাদুল ইসলাম সায়েম।

চলতি বছর ঈদুল ফিতরে ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি চিন্তা করে এর মুক্তি পেছানো হয়। তবে এখনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে সিনেমাটির অন্যতম প্রযোজক ও পরিচালক সানী সানোয়ার বলেন, সবকিছু চিন্তা করে গত ঈদে ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ মুক্তি দিইনি। তবে এটি চলতি বছরই মুক্তি পাবে। আর ঈদুল আযহার উপহার হিসেবে দর্শকদের জন্য ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশ করলাম। আশা করছি পুরো সিনেমা দেখার জন্য দর্শকদের বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না।

‘ব্ল্যাক ওয়ার’-এ প্রথম পর্বের গল্পের সমাপ্তি ঘটবে বলে জানিয়েছেন পরিচালকদ্বয়। ‘মিশন এক্সট্রিম’র দুই পর্বেই কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন আরিফিন শুভ।

কুল নিবেদিত, মাইম মাল্টিমিডিয়া সহ-প্রযোজিত এবং ঢাকা ডিটেকটিভ ক্লাবের সহযোগিতায় নির্মিত ‘ব্ল্যাক ওয়ার’-এ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন- তাসকিন রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা, সুমিত সেনগুপ্ত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, মিশা সওদাগর, শতাব্দী ওয়াদুদ, মনোজ প্রামাণিক, ইরেশ যাকের, মাজনুন মিজান, সুদীপ বিশ্বাস, সৈয়দ আরেফ, রাশেদ খান অপু, দীপু ইমাম, এহসানুর রহমান, ইমরান শওদাগর প্রমুখ।

এর আগে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মুক্তি পায় ‘মিশন এক্সট্রিম’র প্রথম পর্ব। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বহু দেশে একযোগে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হয়।

আরেফিন শুভ   মিশন এক্সট্রিম  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শোবিজ থেকে বিদায় নিচ্ছেন ‘বাহুবলি’ অভিনেতা

প্রকাশ: ০৪:১১ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail শোবিজ থেকে বিদায় নিচ্ছেন ‘বাহুবলি’ অভিনেতা

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসের। শোবিজ অঙ্গন থেকে বিদায় নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি। এস এস রাজামৌলি পরিচালিত ‘বাহুবলি’ সিনেমায় বল্লালদেবার বাবার চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ খ্যাতি পেয়েছেন নাসের। শোনা যাচ্ছে, শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে সিনেমা জগতকে বিদায় জানাতে চাইছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, হার্টের সমস্যায় ভুগছেন নাসের। করোনা মহামারির সময় তার এই সমস্যা বেড়েছে। এ কারণে তার পক্ষে সিমোয় অভিনয় সম্ভব হচ্ছে না। তাই শোবিজ অঙ্গন থেকে বিদায় নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে সিনেমা থেকে দূরে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন এই অভিনেতা।

শোবিজে নাম লেখানোর আগে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে চাকরি করেছেন নাসের। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের ব্যাপারে আগ্রহী হন। এরপর সাউথ ইন্ডিয়ান ফিল্ম চেম্বার অব কমার্স ফিল্ম ইনস্টিটিউট এবং তামিল নাড়ু ইনস্টিটিউট অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন টেকনোলোজিস থেকে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নেন।

১৯৮৫ সালে কে. বালাচান্দের ‘কল্যাণা আগাথিগাল’ সিনেমার মাধ্যম রুপালি পর্দায় তার অভিষেক হয়। তবে তিনি প্রথম সবার নজরে আসেন মণি রত্নমের ‘নায়াকান’ সিনেমার মাধ্যমে। এতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে তামিল, তেলেগু, কন্নড়, হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই অভিনেতা।

বাহুবলি   অভিনেতা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

আসছে অটল বিহারী বাজপেয়ীর বায়োপিক

প্রকাশ: ০৩:২৮ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail আসছে অটল বিহারী বাজপেয়ীর বায়োপিক

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর জীবন নিয়ে তৈরি হচ্ছে বায়োপিক। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মোশন পোস্টার শেয়ার হয়েছে এই ছবির।এই ছবিতে উঠে আসবে অটল বিহারী বাজপেয়ীর জীবনের অন্যান্য দিকও। শুধু রাজনীতি নয়, তার কবিতা, লেখা এবং তার মানবিক দিকও উঠে আসবে ছবির গল্পে।

ছবির নাম ‘অটল’। ছবির পোস্টারে শিরোনামের সঙ্গে লেখা রয়েছে ‘ম্যায় রহু, ইয়া না রহু ইয়ে দেশ রহেনা চাহিয়ে’। এনপি মেঞ্চার লেখা বই ‘আনটোল্ড বাজপেয়ী: পলিটিশিয়ান অ্যান্ড প‍্যারাডক্স’ এর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হতে চলেছে এই ছবি। বিনোদ ভানুশালী এবং সন্দীপ সিং মিলিতভাবে ছবিটির প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন। ছবিতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর ভূমিকায় কে অভিনয় করবেন এবং কে পরিচালনা করবেন, তা অবশ্য ঠিক হয়নি।

জানা গেছে, ২০২৩ সালে বছরের শুরুর দিকে শুটিং শুরু হবে এই ছবির। ২০২৩-এর বড়দিনে অটল বিহারী বাজপেয়ীর ৯৯তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তি পাওয়ার কথা এই ছবি।

অটল বিহারী বাজপেয়ী   বায়োপিক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন