কালার ইনসাইড

প্রথম আলোর জন্য ভিন্ন আইন?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail প্রথম আলোর জন্য ভিন্ন আইন?

চলচ্চিত্র সমাজের দর্পণ। একটি সিনেমার মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি থাকে শিক্ষণীয় বিষয়ও। যার কারণে যে কোন চলচ্চিত্র মুক্তির আগে তা সেন্সর বোর্ডে প্রদর্শন করা হয়। যেখানে সিনেমার নানা দিক যাচাই-বাছাই করে মুক্তির অনুমতি দেয়া হয়। তবে সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। দেশের একটি দৈনিক পত্রিকার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ওটিটি মাধ্যম  চরকিতে একের পর এক মুক্তি দেয়া হচ্ছে নানা চলচ্চিত্র। যা নিয়ে প্রায় সময়ই দেখা যাচ্ছে নানা বিতর্ক।

চরকিতে শুরু থেকেই একের পর এক বিতর্কিত সিনেমা মুক্তি দেয়া হচ্ছে। যেই সিনেমাগুলোতে রয়েছে অশ্লীল গালিগালাজ, মাদকের সমাহার। যেন মাদক ও গালিগালাজ ছাড়া তাদের সিনেমা চলেই না।

চরকিতে মুক্তি পাওয়া টান, শাটিকাপ, মরীচিকা, ফ্লোর নাম্বার সেভেন সহ বেশ কিছু কনটেন্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সমালোচনা তৈরি হয়েছে। 'টান' ওয়েব ফিল্মটিতে পুরোটি জুড়ে মাদক এবং মাদককে প্রমোট করা হয়েছে, খুন-সন্ত্রাসকে উপজীব্য করা হয়েছে। এই চলচ্চিত্রটি পরিবারের সবার একসঙ্গে বসে দেখার মতো অবস্থা নেই। সেখানে সিয়ামকে দেখানো হয়েছে একজন মাদকাসক্ত, যিনি স্ত্রীর টাকা চুরি করেন।

অন্যদিকে এর আগে শাটিকাপ নামের একটি ওয়েব সিরিজে যে ভাষা ব্যবহার করেছে তা কখনো টেলিভিশন বা চলচ্চিত্রের ভাষা হতে পারে কি না, তা নিয়ে বোদ্ধাগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। অশ্লীল-অশ্রাব্য এবং উচ্চারণ অযোগ্য গালাগালির মধ্যদিয়ে এই ওয়েব সিরিজটি এগিয়ে গেছে। পুরো ওয়েব সিরিজের মধ্যে একটি শুদ্ধ এবং ভালো বাক্য নেই।

সর্বশেষ চরকিতে মুক্তি দেয়া হয় সাহস নামের চলচ্চিত্র। 'সাহস' চলচ্চিত্রটি বড় পর্দায় মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা ছিলো নির্মাতার কিন্তু ছবিটিতে মাদক ও অশ্লীল সংলাপের কারণে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড তা মুক্তিতে বাধা দেন। পরবর্তীতে তা চরকিতে মুক্তি দেয়া হয়।

সমালোচনার পরেও দিব্যি একের পর এক ছবি মুক্তি দিচ্ছে চরকি। অন্যদিকে বছর খানেক আগে নির্মাতা অনন্য মামুনের ‘নবাব এলএলবি’ ছবিতে দৃশ্যে পুলিশকে হেয় করার অভিযোগে ‘পর্নোগ্রাফির মামলায়’ এই নির্মাতাকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু চরকির ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। সরকারের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়েই তারা তাদের চলচ্চিত্র নির্মাণ ও মুক্তি দিয়ে যাচ্ছে।


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ঈদে শিপনকে নিয়ে তানিন সুবাহ'র ‘ভালোবাসার রং তামাশা’

প্রকাশ: ০২:৩৫ পিএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail ঈদে শিপনকে নিয়ে তানিন সুবাহ'র ‘ভালোবাসার রং তামাশা’

ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী তানিন সুবাহ। শোবিজে কাজের পাশাপাশি নিজের ব্যবসা নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় যাচ্ছে তাঁর। সব কিছুর মাঝেও সম্প্রতি এই অভিনেত্রী কা জ করলেন ‘ভালোবাসার রং তামাশা’ নামে একটি নাটকে। ঈদের জন্য নির্মিত এই নাটকটি রচনা করেছেন মীর্জা রাকিব। পরিচালনা করেছেন সাদেক সিদ্দিকী।

সম্প্রতি রূপগঞ্জের তিনশ ফিট এলাকায় নাটকটির শুটিং হয়েছে। এখানে তানিন সুবাহর বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক শিপন মিত্র। ‘ভালোবাসার রং তামাশা’ এ জুটির প্রথম কাজ। নাটকটিতে তানিন সুবাহর চরিত্রটির নাম রুবি। শিপন মিত্র রয়েছেন বাবু চরিত্রে।

চিত্রনায়িকা তানিন সুবাহ বলেন, নাটকটিতে কাজ করে অনেক ভালো লেগেছে। ভালোবাসা, রোমান্টিকতা, রসিকতা সবই আছে এখানে। নাটকের গল্প আর চরিত্র সম্পর্কে এখনই বলতে চাই না। শুধু বলব, এমন চরিত্রে আগে কাজ করিনি। আশা করি, নাটকটি দেখলে দর্শক নিরাশ হবেন না।

এই অভিনেত্রী আরও জানান, আসছে কোরবানির ঈদে তার ‘ভালোবাসার রং তামাশা’ নাটকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বৈশাখী টিভিতে প্রচার করা হবে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে হাতে আরও বেশ কিছু কাজ রয়েছে বলে জানান ‘জমজ’ নাটক দিয়ে আলোচনায় আসা তানিন সুবাহ।

নাটক   শিপন মিত্র   তানিন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বাবা-মা হচ্ছেন নওশীন-হিল্লোল

প্রকাশ: ০১:৩৯ পিএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail বাবা-মা হচ্ছেন নওশীন-হিল্লোল

পরিচিত মুখ ও জনপ্রিয় তারকা জুটি অভিনেত্রী-উপস্থাপিকা নওশীন নাহরিন মৌ ও অভিনেতা-ইউটিউবার আদনান ফারুক হিল্লোলের ঘরে আসতে চলছে তাঁদের প্রথম সন্তান। বাবা-মা হতে চলেছেন এই জনপ্রিয় দম্পতি। বিয়ের ৯ বছর পর তারা এই প্রথম সন্তান গ্রহণ করছেন।

বিষয়টি নওশীন নিজেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিশ্চিত করেছেন । এ সময় তিনি নিজের ও অনাগত সন্তানের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।  

জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার (২৫ জুন) নিউ ইয়র্কে আয়োজন করা হয় নওশীনের বেবি সাওয়ার। যেখানে অংশ নেন রিচি সোলায়মান, কাজী মারুফ, মোনালিসা, তমালিকা কর্মকার, কল্যাণ কোরাইয়া ও রোমানাসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি তারকা।  

নওশীন আমেরিকায় একটি মেডিকেল সেন্টারে বর্তমানে চাকরিরত আছেন। হিল্লোল ব্যস্ত তার ফুড ভ্লগিং নিয়ে। চলতি বছর হিল্লোল বাংলাদেশে এলেও তখন নওশীন আসেননি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন তারা।

নওশীন-হিল্লোল   বাবা-মা   হচ্ছেন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

দশ বছর বয়সেই প্রেমে পড়েছিলেন অরিজিৎ, কে সেই প্রেমিকা!

প্রকাশ: ১২:৫০ পিএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail দশ বছর বয়সেই প্রেমে পড়েছিলেন অরিজিৎ, কে সেই প্রেমিকা ?

অনেকটাই ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবির গল্পের কথা মনে করিয়ে দেয়। কিন্তু এটি ছবি নয়, বাস্তব। ছবির সঙ্গে তফাত, ছাত্র বয়সে অনেকটাই ছোট, শিক্ষিকা বড়। অরিজিৎ সিংহের প্রেমকাহিনি। তখন তিনি স্কুলে। আট থেকে আশি যাঁর প্রেমে পাগল, তিনি প্রেমে পড়েছিলেন মাত্র ১০ বছর বয়সে। তা-ও আবার তাঁর থেকে বয়সে অনেক বড় শিক্ষিকার। 

মুম্বইয়ের সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, প্রথম প্রেম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে লজ্জায় লাল অরিজিৎ।

সবে তখন ক্লাস ফাইভ। অরিজিৎ সিংহ প্রেমে পড়লেন শিক্ষিকার। পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখেন, পাহারায় সেই শিক্ষিকা। লেখা ভুলে তাঁর উদ্দেশে গাইলেন প্রেমের গান। ‘ভুল ভেঙে যাবে যে দিন/ তুমি আমারই হবে/ তুমি আমারই হবে সে দিন’।

গান শুনে কী করেছিলেন ওই শিক্ষিকা? পরীক্ষায় কত নম্বর দিয়েছিলেন, জানা না গেলেও, এখনও দেখা হলে প্রথম ভাল লাগার কথা ‘ম্যাম’-কে মনে করিয়ে দিতে ভোলেন না ‘আশিকি-২’-এর গায়ক। ওই গানই তাঁর সব থেকে প্রিয় গান। মাঝেমাঝেই গুনগুন করেন আর তখনই মনে পড়ে ছোটবেলার প্রথম প্রেমের কথা। মঞ্চে গিটার হাতে দাঁড়ালেই শ্রোতারা পাগল, যখন গান গাইতে শুরু করেন বাঁধ ভেঙে যায় প্রেক্ষাগৃহের। তাঁকে একটু ছুঁতে চাওয়ার জন্য হুডোহুড়ি পড়ে যায় অনুরাগীদের। ২০১১ থেকে বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি কখনও।

গুঞ্জন, এই ‘প্লে-ব্যাক’ কিং-এর গায়কির মতো মসৃণ ছিল না তাঁর প্রেমকাহিনি। বার বার প্রেমে পড়েছেন অরিজিৎ। ভেঙেছে সম্পর্ক। এর মধ্যে রূপরেখা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুঞ্জন ছিল সব থেকে বেশি। রূপরেখার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নাকি বিয়ের পিঁড়ি অবধিও গড়িয়েছিল। যদিও রূপরেখা এই খবর মিথ্যে বলে জানিয়েছিলেন।

ছোটবেলার বন্ধু কোয়েলকে বিয়ে করে এখন সুখের দাম্পত্য কাটাচ্ছেন অরিজিৎ। কিন্তু ভুলতে পারেননি তাঁর প্রথম প্রেম। তবে জানিয়েছেন, কোয়েলের সারল্যের মধ্যেই নাকি খুঁজে পেয়েছেন ছোটবেলার প্রেমের অপাপবিদ্ধতাকে।

অরিজিৎ   গায়ক  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এবার কলকাতার উঠতি মডেলের আত্মহত্যার চেষ্টা

প্রকাশ: ০৮:৩১ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail এবার কলকাতার উঠতি মডেলের আত্মহত্যার চেষ্টা

সম্প্রতি কলকাতায় বেশ কয়েকজন মডেল-অভিনেত্রী আত্মহত্যা করেছেন। তাদের আত্মহত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই খবর এলো কলকাতার এক উঠতি মডেলের আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

এই মডেলের নাম দেবলীনা দে। ২৭ বছর বয়সী এই তরুণী বিভিন্ন সিরিয়াল ও মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেন। শুক্রবার (২৪ জুন) রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বেশ কয়েকটি ঘুমের ওষুধ খান তিনি। তবে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচেন ওই তরুণী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শুক্রবার রাতে একটি ফেসবুক পোস্টে দেবলীনা লেখেন, ‘আমি বেঁচে থাকার জন্য অনেক লড়াই করেছি। আমার পরিবার সব কিছুর জন্য দায়ী… এখন আমি শান্তি চাই। বিদায়।’

মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টটি নজরে আসে তার বন্ধু-বান্ধবদের। নজরে আসে পুলিশেরও। তড়িঘড়ি করে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ গিয়ে দেখে, ঘরে অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তিনি। তাকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি পাশের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, দেবলীনা দে আদতে কালনার বাসিন্দা। তবে কর্মসূত্রে যাদবপুরের আবাসনে থাকতেন। শুক্রবার কালনার বাড়িতে গিয়েছিলেন উঠতি মডেল। সেই সময় পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তর্কাতর্কিও হয় তার। ফিরে আসেন যাদবপুরের আবাসনে। ফিরে রাতেই চূড়ান্ত অবসাদে ভরা ফেসবুক পোস্ট করেন ওই উঠতি মডেল। তবে কী কারণে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তর্কাতর্কি হলো তার, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

জানা যায়, আত্মহত্যার চেষ্টা করার আগে নিজের ডায়েরির পাতায় একটি নোট লিখেছিলেন দেবলীনা। যেটি অভিনেত্রী ফেসবুকে পোস্টও করেছিলেন। পরে অবশ্য সেই পোস্টটি মুছে দেন তিনি। 


আত্মহত্যা   মডেল   অভিনেত্রী  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

‘দিন : দ্য ডে’-‘পরাণ’ পারবে কী দর্শকদের হলমুখী করতে?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail

প্রতি বছর দর্শক মুখিয়ে থাকেন ঈদের সিনেমার অপেক্ষায়। কোভিড মহামারিতে ঢালিউডে স্থবিরতা বিরাজ করলেও ছোট ছোট পদক্ষেপে আবারও সিনেমা পথচলা শুরু করেছে। আসছে ঈদুল আযহায় মুক্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বেশকিছু চলচ্চিত্র, যার মাঝে উল্লেখযোগ্য ‘দিন: দ্য ডে’, ‘পরাণ’ ও ‘সাইকো’।

গেল রোজার ঈদে মুক্তি পেয়েছিলো শাকিব খানের ‘গলুই’ ও ‘বিদ্রোহী’, সিয়াম আহমেদের ‘শান’ এবং নতুন নায়িকা সুলতানা রোজ নিপার ‘বড্ড ভালোবাসি’। করোনার কারণে বেশ অনেকদিন মুক্তি আটকে ছিলো ছবি গুলোর। ঈদে মুক্তির পর ছবিগুলো দিয়ে নির্মাতা ও প্রযোজকরা আশার আলো দেখলেও তেমন ভাবে ছবিগুলো দর্শক মহলে সাড়া ফেলেনি। মোট কথা তেমন ভাবে ব্যবসা সফল হয়নি।



এদিকে আসছে ঈদুল আযহায় অভিনেতা ও প্রযোজক অনন্ত জলিল দীর্ঘদিন পর ‘দিন: দ্য ডে’ ছবি দিয়ে বড় পর্দায় আসতে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে বেশ আদাজল খেয়েই প্রচারণার জন্য মাঠে নেমেছেন তিনি। বিভিন্ন হলে গিয়ে হল মালিকদের সাথে আলোচনা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ট্রেলার দেখানো থেকে সারা শহরে পোষ্টার লাগানোর কাজও শুরু করেছেন।

ইরানের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটির বাংলাদেশের অংশ প্রযোজক অনন্ত জলিল; প্রযোজনার পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন তিনি। বাংলাদেশ, তুরস্ক, আফগানিস্তান, ইরানে সিনেমার শুটিং হয়েছে। বিগ বাজেটের এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন ইরানি নির্মাতা মুর্তজা অতাশ জমজম।



এদিকে নির্মাতা রায়হান রাফির ‘পরাণ’ ছবিটিও ঈদে সম্ভাব্য মুক্তির তালিকায় আছে। ২০১৯ সালেই সিনেমাটির কাজ সম্পন্ন হয়েছিল। এরপর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের ভালোবাসা দিবসে। সে লক্ষ্যে টিজারও প্রকাশ করা হয়। যেটা দেখে দর্শক মনে সিনেমাটি ঘিরে দারুণ আগ্রহ তৈরি হয়। কিন্তু মহামারি করোনায় সব ভেস্তে যায়। দুই বছর পিছিয়ে অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে ‘পরাণ’।

‘পরাণ’ সিনেমার টিজার প্রকাশ হওয়ার পর অনেকেরই ধারণা, এটি নির্মিত হয়েছে বরগুনার বহুল আলোচিত ‘রিফাত-মিন্নি’র ঘটনা নিয়ে। ২০১৯ সালের জুন মাসে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে স্ত্রী মিন্নির সামনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় তার স্বামী রিফাত শরিফকে। হত্যার মূলে ছিলেন মিন্নির প্রাক্তন প্রেমিক নয়ন বন্ড। সেই ঘটনায় পুরো দেশে হৈচৈ পড়ে যায়।

যদিও নির্মাতা রাফি কিংবা এর সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি স্পষ্ট করেননি। তাদের মতে, এটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত সিনেমা। এখানে আশেপাশের ঘটনার মিল পাওয়া যাবে। তবে মূল গল্প পুরো সিনেমা দেখলেই বুঝতে পারবেন দর্শক।

অন্যদিকে আসছে ঈদে নির্মাতা অনন্য মামুন ঘোষণা দিয়েছেন তাঁর পরিচালিত ‘সাইকো’ ছবিটি মুক্তি দেয়া হবে। এই ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন পূজা। এই ছবিতে পূজার বিপরীতে অভিনয় করেছেন নায়ক রোশান। ‘সাইকো’ ছবিটি প্রযোজনা করছে সেলেব্রিটি প্রোডাকশন ও আরবিএস এন্টারটেইনমেন্ট।

সবকিছু মিলিয়ে বিগ বাজেট ও মিডিয়াম বাজেটের মোট তিনটি ছবি সম্ভাব্য মুক্তির তালিকায় রয়েছে আসছে ঈদে। তবে সবকিছুর পরেও রয়ে যাচ্ছে শঙ্কা। কেননা দেশে অনেক হারেই কমে গেছে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা। উৎসবকে কেন্দ্র করে কিছু হল খোলা হলেও সেগুলো তেমন ভাবে দর্শক দেখা যায়না। শুধু তাই নয় ছবির গল্প নিয়েও রয়েছে অনেকের অভিযোগ। নকল গল্প ও সেই একই প্রেম-ভালোবাসার গল্প নিয়েই ছবি নির্মাণ হয় বলে দর্শক তেমন ভাবে আর আগের মত সিনেমা দেখে না। তবে এবার ঈদে তিনটি ছবির গল্প ভিন্ন। ইতোমধ্যে প্রচারণাও বেশ চলছে। এখন দেখার অপেক্ষায়। এই সিনেমা গুলো দিয়ে দর্শক কতটা হল মুখী হন! পাশাপাশি ব্যবসায়িক ভাবেই বা কতটা লাভবান হন চলচ্চিত্রগুলোর প্রযোজকরা।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন