কালার ইনসাইড

‘হেরা ফেরি থ্রি’ নিয়ে আসছে তারা

প্রকাশ: ০৫:৪৭ পিএম, ২৬ জুন, ২০২২


Thumbnail ‘হেরা ফেরি থ্রি’ নিয়ে আসছে তারা

বলিউডে কমেডি ঘরানার সিনেমার প্রথম সারির তালিকায় রয়েছে ‘হেরা ফেরি’। ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় অভিনয় করেন বলিউডের তিন জনপ্রিয় অভিনেতা অক্ষয় কুমার, পরেশ রাওয়াল ও সুনীল শেঠি। এটি মুক্তির পরপরই ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায় সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে।

এই ফ্র্যাঞ্চাইজির দুটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। সেই দুটি সিনেমার মুক্তির দুই দশক পেরিয়ে গেছে তবু এখনও রেশ রয়ে গেছে ভক্তদের মাঝে। আর তাইতো সেই ভক্তদের জন্য এবার দারুণ খবর দিয়েছে সিনেমাটির প্রযোজক। ‘হেরা ফেরি-৩’-এর ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালা নিশ্চিত করলেন, সিনেমাটি আসছে। থাকছেন অক্ষয় কুমার, পরেশ রাওয়াল ও সুনীল শেঠি।

এ প্রসঙ্গে ফিরোজ বলেন, পুরনো গল্পের স্বাদ রেখেই নতুন গল্প তৈরি হবে। সেই কমেডি তো থাকছেই। তবে সময়টা যেহেতু বদলেছে, তাই সিনেমাটিকে এখনকার দর্শকদের মতো করে তৈরি করা হবে। আর প্রথম দুই ছবির তারকারাই থাকছেন তাতে। মূলত অক্ষয় কুমার, পরেশ রাওয়াল এবং সুনীল শেঠিকে নিয়েই তৈরি হচ্ছে এই সিনেমা।

এ ছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘হেরা ফেরি ৩’ পরিচালনা করবেন ইন্দ্র কুমার। চলতি বছরের শেষ দিকেই শুরু হবে এর শুটিং। তবে মুক্তির দিনটি এখন নিশ্চিত করতে চাই না। কিন্তু আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তি পেতে পারে এতটুকু নিশ্চিত করতে পারি।

উল্লেখ্য, বাবু রাও, রাজু ও শ্যাম তিন ব্যক্তিকে ঘিরে হেরা ফেরির গল্প আবর্তিত হয়। তাদের নানান কাণ্ড দর্শকের মুখে মুহূর্তেই হাসি ফুটিয়ে দেয়। এই সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘হেরা ফেরি’ মুক্তি পেয়েছিল ২০০০ সালে। এর ছয় বছর পর ২০০৬ সালে মুক্তি পায় ‘ফির হেরা ফেরি’। দুটি সিনেমাই বক্স অফিসে সাফল্য পেয়েছিল। কাঁপিয়ে দিয়েছিল তৎকালীন ভারতীয় বক্স অফিস।

হেরা ফেরি থ্রি   অক্ষয় কুমার   পরেশ রাওয়াল ও সুনীল শেঠি  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

আগামীকাল শিল্পকলায় দেখা যাবে ‘বন মানুষ’

প্রকাশ: ০১:১০ পিএম, ০৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail আগামীকাল শিল্পকলায় দেখা যাবে ‘বন মানুষ’

শিল্পকলা একাডেমিতে পরীক্ষণ থিয়েটার হলে মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় প্রাচ্যনাট মঞ্চস্থ করবে নাটক বনমানুষ-দ্য হেয়ারি এপ। ইউজিন ও নীলের রচনায় এটি নির্দেশনায় রয়েছেন বাকার বকুল। যা প্রাচ্যনাটের ২৭তম প্রযোজনা।

জাহাজের খোলের ভেতর দাঁড়িয়ে ইঞ্জিনের চুল্লিতে কয়লা ভরে কয়েকজন শ্রমিক। তাদেরই অন্যতম হচ্ছে ইয়াংক। দেখতে প্রায় বনমানুষের মতো। কালিকুলি মাখা অবস্থায় তাকে আরও বন্য মনে হয়। ডগলাস এ জাহাজের যাত্রী। সে জাহাজের খোলে নেমে ইয়াংককে দেখে ভয়ে চিৎকার দেয়। ইয়াংক যখন বুঝতে পারে যে তাকে উপলক্ষ করেই এই চিৎকার, তখন তীব্র একটা ঘৃণাবোধ জন্ম নেয় তার মধ্যে। ডগলাসকে কেন্দ্র করেই সারা দুনিয়ায় পুঁজিপতিদের ঘৃণা করতে থাকে সে। ভাঙতে চায় পুঁজিপতিদের প্রাসাদ। এমনই গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রযোজনাটি।

এর ধ্বনিতে থাকছেন রিফাত আহমেদ নোবেল, কোরিওগ্রাফিতে পারভিন সুলতানা কলি, মঞ্চ ও আলো এ. বি. এস জেম। প্রদর্শনীর দিন হল কাউন্টারে পাওয়া যাবে টিকিট।

নির্দেশক বাকার বকুল প্রযোজনাটি প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘ইউজিন ও’নীল জন্মগ্রহণ করেছিলেন পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে এবং ‘দ্য হেয়ারি এপ’ নাটকের মধ্য দিয়ে তিনি আঘাতও করেছিলেন পুঁজিবাদকে। নিউইয়র্ক থেকে যাত্রা করা একটি জাহাজকে কেন্দ্র করে এ নাটক। জাহাজের খোলের ভেতর দাঁড়িয়ে ইঞ্জিনের চুল্লিতে কয়লা ভরতে থাকা কয়েকজন মানুষের গল্প। নাটকটির নির্দেশনার কাজ করতে গিয়ে সব সময় আমার কাছে মনে হয়েছে এ জাহাজটা যেন জাহাজ নয়, একটি পৃথিবী। যে পৃথিবীতে শ্রেণী বৈষম্য বেড়েই চলেছে এবং এমন সিমাহীনতায় পৌঁছেছে, যেখানে দিনমজুর মানুষগুলোকে উপরতলার মানুষেরা অসভ্য জানোয়ার বলে মনে করছে। সেই সূত্র ধরে এই নাটকের মধ্য দিয়ে বিশ্বায়নের অপকৌশলটাকে আমরা অনুধাবন করতে চাই রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে ব্যক্তিগত পর্যায় পর্যন্ত।’’

আগামীকাল   শিল্পকলা   ‘বন মানুষ’  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

আটক নয় হিরো আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় ; ডিএমপি

প্রকাশ: ১২:০৬ পিএম, ০৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail আটক নয় হিরো আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় ; ডিএমপি

সম্প্রতি দেশি- বিদেশি গণমাধ্যমে  আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এতে বলা হয়েছে, হিরো আলমকে গ্রেফতার বা আটক করা হয়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, ‘আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ফেসবুক/ইউটিউব চ্যানেল তথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, কনটেন্ট শেয়ার করে থাকেন। এসব কনটেন্টের কিছু অংশে বিধি-বহির্ভূতভাবে পুলিশের পোশাক পরে আপত্তিজনকভাবে কিছু অভিনয় প্রদর্শিত হয়। যা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বিভিন্ন ধরনের গান গেয়ে তা প্রচার করেন যার বিরুদ্ধে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটে জনসাধারণ কর্তৃক আপত্তি উত্থাপিত হয়। বিকৃতভাবে পুলিশের পোশাক পরে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং বিভিন্ন প্রতিথযশা শিল্পী ও কলাকুশলীদের গান বিকৃত সুরে উপস্থাপন সম্পর্কিত তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ প্রসঙ্গে অবহিত ও জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ২৭ জুলাই তাকে ডিবি কার্যালয়ে ডাকা হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওইদিন দুপুরে হিরো আলম ডিবি কার্যালয় ত্যাগ করেন

তিনি আরও জানান, ‘বিবিসি ওয়ার্ল্ডসহ কিছু দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বা দীর্ঘসময় ডিবি কার্যালয়ে আটক করে রাখা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করেছে। বিষয়টির প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। হিরো আলমকে আটক বা গ্রেফতারের বিষয়টি আদৌ তথ্যভিত্তিক নয়। গত ২৭ জুলাই হিরো আলমকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার বা আটক করেনি বরং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল


হিরো আলম   ডিএমপি   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

অপা‌রেশ‌নের না‌মে কিডনি চু‌রি, বিচারের দাবিতে আদালতে ঘুরছেন নির্মাতা

প্রকাশ: ০৬:১৮ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail অপা‌রেশ‌নের না‌মে কিডনি চু‌রি, বিচারের দাবিতে আদালতে ঘুরছেন নির্মাতা

প্রায় চার বছর আগে চলচ্চিত্র পরিচালক রফিক শিকদারের মা রওশন আরা মারা গেছেন। চিকিৎসকের অবহেলার কারণে মায়ের মৃত্যু হয়েছে, এমনই অভিযোগ করেন তিনি। এ ছাড়াও অপা‌রেশ‌নের না‌মে কিডনি চু‌রির অভিযোগও তুলেন এই নির্মাতা।

রোববার (৭ আগস্ট) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট চত্বরে মামলার ফাইল হাতে তোলা একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন রফিক শিকদার। তিনি লিখেছেন, মা হত‌্যার বিচা‌রের দাবি‌তে এখ‌নও ঘুর‌ছি আদালত থে‌কে আদাল‌তে। অপা‌রেশ‌নের না‌মে কিডনি চু‌রির মাধ‌্যমে মা‌কে হত‌্যা করা ঘাতক ডাক্তার‌দের স‌র্বোচ্চ বিচার হ‌বে, ইনশাআল্লাহ।

রফিক শিকদার জানান, সম্প্রতি ডি‌বির তদন্ত কর্মকর্তা আদাল‌তে যে তদন্ত প্রতি‌বেদন দা‌খিল ক‌রে‌ছে তা ঘৃণাভ‌রে প্রত‌্যাখ‌্যান কর‌ছি। একজন জেলা ও দায়রা জ‌জের নেতৃ‌ত্বে হওয়া জাতীয় মানবা‌ধিকার ক‌মিশন কর্তৃক গ‌ঠিত তদন্ত ক‌মি‌টি যে তদন্ত প্রতি‌বেদন প্রকাশ ক‌রে‌ছিল তার স‌ঙ্গে পুলি‌শের অপরাধ তদন্ত বিভা‌গের ওসি মাহবুবের করা তদ‌ন্ত প্রতি‌বেদ‌নের অসঙ্গ‌তি স্পষ্ট! কো‌নো মিল নেই! মূলত ‌ডি‌বির ওসি মাহবুব মে‌ডিকেল সা‌য়েন্সের প‌রিপন্থিমূলক তদন্ত প্রতি‌বেদ‌ন আদাল‌তে দা‌খি‌লের মাধ‌্যমে অভিযুক্ত ডাক্তারদের‌কে বাঁচা‌নোর চেষ্টা ক‌রে‌ছেন। অবাক করার বিষয় হ‌চ্ছে, তদন্ত চলাকাল‌ীন সম‌য়ে এজাহারভুক্ত সা‌ক্ষী‌দের জবানবন্দ‌ি নেওয়া হয়‌নি এবং তা‌দের‌কে সাক্ষী হি‌সে‌বেও রাখা হয়‌নি দা‌খিলকৃত প্রতি‌বেদ‌নে। এখা‌নে যা‌দের‌কে সা‌ক্ষী হি‌সে‌বে রাখা হ‌য়ে‌ছে, তারা প্রত্যেকেই পেশাগত চিকিৎসক এবং তা‌দের বেশীরভাগেরই কর্মঠিকানা অভিযুক্ত অধ‌্যাপক হা‌বিবুর রহমান দুলালের নিয়ন্ত্রণাধীন বিএসএমএমইউ হাসপাতা‌ল।

নির্মাতা আরও জানান, সব‌চে‌য়ে অবাক করা বিষয় হ‌চ্ছে, প্রতি‌বেদন‌টি‌তে মা‌য়ের কিড‌নি জোড়া লাগা‌নো ছিল ব‌লে উল্লেখ করা হ‌য়ে‌ছে। অথচ অপা‌রেশ‌নের পূ‌র্বের সি‌টিস্ক‌্যান, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এমআরআই, ডি‌টি‌পিএ রে‌নোগ্রাম রি‌পো‌র্টে মায়ের দু‌টো কিডনিই আলাদা এবং দু‌টো কিড‌নিরই আকৃ‌তি, বৈ‌শিষ্ট‌্য বা ফাংশনাল অবস্থার নিখুঁতভা‌বে বর্ণনা করা আছে। হর্ষসেপ কি‌ড‌নির ক্ষে‌ত্রে মে‌ডিকেল রিপো‌র্টে লেফ্ট অ‌্যান্ড রাইট কিড‌নি কথা‌টি লেখা থ‌া‌কে না। এক্ষেত্রে উল্লেখিত স্থা‌নে লেফ্ট অ‌্যান্ড রাইট কিড‌নি লেখার বদ‌লে হর্ষসেফ কিড‌নি কথা‌টিই লেখা থা‌কে। এছাড়াও স্বাভ‌াবিক কিড‌নির চে‌য়ে এমন‌ বিরল প্রকৃ‌তির কিড‌নির আকৃ‌তি বা গঠনপ্রণালীও ভিন্ন রকম; যা সাধারণ মে‌ডিকেল পরীক্ষা‌তেই স্পষ্ট বোঝা যায়।

আমিও দেখ‌তে চাই, মোড়লের জোর কোথায়! আজ আদাল‌তে হা‌জির হ‌য়ে ডি‌বির করা তদন্ত প্রতি‌বেদন প্রত‌্যাখ‌্যান ক‌রে নারা‌জি পি‌টিশন দা‌য়ের করার অভিপ্রায় ব‌্যক্ত ক‌রে এসেছি। মাননীয় আদালত আগামী ১৭/০৮/ ২০২২ তা‌রিখে নারা‌জি পি‌টিশ‌ন শুনানির দিন ধার্য ক‌রে‌ছেন। সবার দোয়া চাই।’

রফিক শিকদারের অভিযোগ, স্বাভাবিক কিডনি ভুল করে অপসারণ করে তার মাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) চার চিকিৎসক। ২০১৮ সাল থেকে অভিযোগ করলেও দুই বছর পর মামলা নিয়েছে পুলিশ। ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ বিষয়ে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কিডনি জটিলতার কারণে ২০১৮ বিএসএমএমইউ-তে ভর্তি হন রফিক শিকদারের মা রওশন আরা। চিকিৎসকরা তাকে সুস্থ করে তুলতে তার বাম কিডনি কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিএসএমএমইউ হাসপাতালে রফিক শিকদারের মায়ের অস্ত্রোপচার করেন কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট বিভাগের প্রধান হাবিবুর রহমান দুলাল। কিন্তু বাম কিডনির সঙ্গে কেটে ফেলা হয় ডান কিডনিও।

এর কিছুদিন পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রওশন আরাকে রাজধানীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষার পর দেখা যায়, তার দুটি কিডনির একটিও নেই। এর দুই মাস পর রওশন আরার মৃত্যু হয়।

এ প্রসঙ্গে বিএসএমএমইউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ওই রোগীর জন্মগতভাবে কিডনি কমপ্লিকেশন (জটিলতা) ছিল। তাছাড়া অপারেশনে রক্তক্ষরণ ও ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ায় বাম কিডনি অপসারণ জরুরি হয়ে পড়েছিল। কিন্তু রোগীর কিডনি দুটি নিম্নমুখী ও সংযুক্ত বা জোড়া লাগানো ছিল; যাকে বলা হয় হর্ষ কিডনি। একটা ফেলতে গেলে আরেকটাও বেরিয়ে আসে। যেটা ডাক্তার দুর্ভাগ্যক্রমে ও অনিচ্ছাকৃতভাবে ফেলে দিয়েছিলেন। কারণ আলট্রাসনোগ্রাম ও সিটি স্ক্যানে বিষয়টি ধরা পড়েনি।


কিডনি   চু‌রি   নির্মাতা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

‘ম্যাকগাইভার’ অভিনেতার মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫:৩৬ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বজুড়ে আলোচিত টিভি সিরিজ ‘ম্যাকগাইভার’-এর অভিনয়শিল্পী ক্লু গুলাগার মারা গেছেন। ৫ আগস্ট ক্যালিফোর্নিয়ায় ৯৩ বছর বয়সী এই অভিনেতার মৃত্যু হয়। বার্ধক্যের কারণেই গুলাগারের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। তাঁর মৃত্যুর খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তাঁর জামাতা দিয়ানে গোল্ডনার। প্রায় সাত দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১৬৫টি টিভি সিরিজ ও সিনেমায় অভিনয় করেন গুলাগার।

বাংলাদেশ টেলিভিশনে দুইবার প্রচারের সুবাদে এ দেশের দর্শকের কাছেও আলাদা পরিচিতি পেয়েছিলেন গুলাগার। সিরিজে ‘থিন আইস’সহ বেশ কয়েকটি পর্বে ওয়াট কিরবির চরিত্রে দর্শকের সামনে হাজির হয়েছিলেন তিনি। ‘ম্যাকগাইভার’ ছাড়া ‘দ্য ভার্জিনিয়ান’ ও ‘দ্য রিটার্ন অব লিভিং ডেড’সহ বেশ কয়েকটি সিরিজ ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য আলোচিত ছিলেন তিনি।

গুলাগারের মৃত্যুতে হলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিচালক সিন বাকারসহ আরও অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। বাকার লিখেছেন, ‘তাঁর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম বলে আমি নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি। “টানজারিন” সিরিজে ও “ভি” ম্যাগাজিনের ফটোশুটে তাঁর সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম। তিনি দুর্দান্ত একজন মেধাবী, ভদ্র ও দয়ালু মানুষ। তিনি সিনেমাকে ভালোবাসতেন। আমরা আপনাকে মিস করব।’

গত শতকের পঞ্চাশের দশকে অতিথি শিল্পী হিসেবে টিভি সিরিজে অভিনয় শুরু করেছিলেন গুলাগার। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এনবিসির ‘দ্য টল ম্যান’ সিরিজের দুই সিজনে অভিনয়ের পর নিয়মিত কাজের ডাক পেতে থাকেন তিনি। পরবর্তীকালে ‘দ্য ভার্জিনিয়ান’, ‘দ্য লাস্ট পিকচার শো’সহ বেশ কয়েকটি কাজে পাওয়া গেছে তাঁকে।
আশির দশকে সিনেমায় নিয়মিত হন গুলাগার। অভিনয় করেন ‘দ্য ইনিশিয়েশন’, ‘আ নাইটমেয়ার অন ইলম স্ট্রিট ২: ফ্রেডি রিভেঞ্জ’সহ বেশ কয়েকটি সিরিজে। ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কুয়েন্টিন ট্যারান্টিনোর ‘ওয়ানস আপন আ টাইম’ সিনেমায় শেষবারের মতো দেখা গেছে গুলাগারকে।

ম্যাকগাইভার   অভিনেতা   মৃত্যু  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মান্না বলেছিলেন, ফিল্মে বন্ধুত্বের কোনো মূল্য নেই

প্রকাশ: ০৪:৫৭ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মান্না বলেছিলেন, ফিল্মে বন্ধুত্বের কোনো মূল্য নেই

মান্নার আসল নাম ছিল এ এস এম আসলাম তালুকদার। তিনি সব মিলিয়ে ২৪৫টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ‘বীর সৈনিক’ সিনেমার জন্য ২০০৬ সালে ‘সেরা অভিনেতা’ হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান নায়ক মান্না। এ ছাড়া মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারও পান তিনি। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা অবস্থায় না ফেরার দেশে পারি জমান এই নায়ক। আজও তার জনপ্রিয়তার এতটুকু ঘাটতি হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে তা বেশ বোঝা যায়। মাঝে মাঝেই চোখে পড়ে তার অভিনীত বিভিন্ন সিনেমা ও সাক্ষাৎকারের অংশবিশেষ।

আজ রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বন্ধু দিবস। জীবদ্দশায় এই নায়ক বন্ধুত্ব নিয়ে কিছু অপ্রিয় কথা বলেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, চলচ্চিত্রাঙ্গনে কেউ কারও বন্ধু না। এখানে প্রদর্শিত আন্তরিকতা বা হাসি-আনন্দ সব মেকি। টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলেছিলেন তিনি।

অপি করিমের উপস্থাপনায় সেই সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে চলচ্চিত্রাঙ্গনকে স্বার্থপর দাবি করে মান্না বলেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে স্বার্থপর জায়গা বলে যদি কিছু থাকে তবে তা চলচ্চিত্রাঙ্গন। এখানে আমরা সবাই কমার্শিয়াল। হৃদয়, প্রেম, ভালোবাসা বন্ধুত্ব সব মেকি এখানে।

এরপর বন্ধুত্ব নিয়ে এই অভিনেতা বলেন, ফিল্মে বন্ধুত্বের কোনো মূল্য নেই। আমার কোনো বন্ধু নেই এখানে। চলচ্চিত্রের কেউ যদি বুকে হাত দিয়ে বলেন, আমরা সবাই এক পরিবার তবে সেটা হবে সবচেয়ে বড় মিথ্যা। কারণ এখানে সবাই স্বার্থ নিয়ে চলেন।

তবে এই স্বার্থপরতার ভীড়েও একজন বন্ধু খুঁজে পেয়েছেন উল্লেখ করে মান্না বলেন, শোবিজে আমার একজন বন্ধু আছে। তিনি ফাইট ডিরেক্টর মোসলেম ভাই। আমার সুখে, দুঃখে, হাসি, আনন্দে পাশে থাকেন। আমাদের মধ্যে স্বার্থ বলে কিছু নেই। সেকারণেই এই মানুষটা আমার পরিবারের একজন সদস্য। 

শুধু বন্ধু দিবসে নয়, মাঝে মাঝেই মান্নার সাক্ষাৎকারের এই অংশটুকু নেট দুনিয়ায় ঘুরে বেড়ায়। তাছাড়া অভিনয়শিল্পীদের অনেকেই মান্নার এই উক্তি বিভিন্ন সময় তুলে ধরেন।

নায়ক   মান্না   বন্ধুত্ব  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন