কালার ইনসাইড

‘লা মানো এস্থেটিকস অ্যান্ড লেজার সেন্টার’র ফটোশুটে মিথিলা

প্রকাশ: ০৬:০৪ পিএম, ২৯ জুন, ২০২২


Thumbnail ‘লা মানো এস্থেটিকস অ্যান্ড লেজার সেন্টার’র ফটোশুটে মিথিলা

বাংলাদেশি মডেল ও ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০’-এ বিজয়ী তানজিয়া জামান মিথিলা। মডেলিং ও ফটোশুট নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। গতকাল ২৮ জুন ‘লা মানো এস্থেটিকস অ্যান্ড লেজার সেন্টার’ এর ফটোশুটে অংশ নেন মিথিলা। গৌতম সাহার কোরিওগ্রাফিতে এতে আরো অংশ নেন জনপ্রিয় মডেল তৃণ, লিন্ডা এবং তানভির। ক্যামেরায় ছিলেন মোস্তফা তারিক হাদি।

মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ তানজিয়া জামান মিথিলা বলেন, ‘লা মানো এস্থেটিকস অ্যান্ড লেজার সেন্টারে বেশ কয়েকটি লেজার থেরাপি  নিলাম। খুবই ভালো। আশা করছি এখানকার থেরাপিতে সবাই উপকৃত হবে।’

লা মানো এস্থেটিকস অ্যান্ড লেজার সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান বাবু বলেন, ‘বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত লা মানো। ঈদে সবাই নিজেকে পরিপাটি রাখতে চান। তাই আসছে ঈদকে সামনে রেখে আমাদের বিশেষ ছাড় রয়েছে।’

অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা লা মানো এস্থেটিকস অ্যান্ড লেজার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা. নুসরাত জাহান। তিনি বলেন, বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত লা মানো এস্থেটিকস অ্যান্ড লেজার সেন্টার। এফডিএ অ্যাপ্রোভ বিশ্বখ্যাত জার্মান প্রযুক্তির আলমা অ্যাকসেন্ট প্রাইম লেজার ব্যথাহীন, নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য, কার্যকরী ট্রিটমেন্টের জন্য নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান লা মানো এস্থেটিকস অ্যান্ড লেজার সেন্টার।

তিনি আরো বলেন, বয়স আর হবে না সৌন্দর্যের পথে বাধা। আমাদের বোটক্স সার্ভিসটি ইউএস-এফডিএ অনুমোদিত নিরাপদ পদ্ধতি, যা আপনার ত্বকের নমনীয়তা পুনরুদ্ধার করে আপনার সৌন্দর্যকে ধরে রাখবে দীর্ঘ সময়। ঠোঁট আমাদের মুখমণ্ডলে সৌন্দর্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আদ্রতা হারালে ঠোঁট বিবর্ণ ও কালো হয়ে যায়। তাছাড়া সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মির প্রভাবেও ঠোঁট কালো হতে পারে। এছাড়াও অতিরিক্ত চা-কফি বা অতিরিক্ত ধূমপানের অভ্যাসের কারণেও ঠোঁট কালো বা বিবর্ণ হতে পারে। আধুনিক চিকিৎসায় খুব সহজেই আমরা আমাদের ঠোঁটের হারানো গোলাপী রঙ ফিরিয়ে আনতে পারি। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে সবচেয়ে নিরাপদ, ব্যথাহীন ও স্থায়ী সমাধানে ব্যবহার ব্যবহার করা হয় কিউ-সুইচড লেজার। লা মানো ডার্মা অ্যান্ড এস্থেটিক অ্যান্ড লেজার সেন্টারে এফডিএ অনুমোদিত জার্মানের তৈরি কিউ-সুইচড লেজারের মাধ্যমে ‘ডার্ক লিপ’ এর চিকিৎসা করা হয়। এছাড়াও ত্বকের নানা সমস্যার উপযুক্ত লেজার থেরাপি মিলবে 

মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ   তানজিয়া জামান মিথিলা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

অপা‌রেশ‌নের না‌মে কিডনি চু‌রি, বিচারের দাবিতে আদালতে ঘুরছেন নির্মাতা

প্রকাশ: ০৬:১৮ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail অপা‌রেশ‌নের না‌মে কিডনি চু‌রি, বিচারের দাবিতে আদালতে ঘুরছেন নির্মাতা

প্রায় চার বছর আগে চলচ্চিত্র পরিচালক রফিক শিকদারের মা রওশন আরা মারা গেছেন। চিকিৎসকের অবহেলার কারণে মায়ের মৃত্যু হয়েছে, এমনই অভিযোগ করেন তিনি। এ ছাড়াও অপা‌রেশ‌নের না‌মে কিডনি চু‌রির অভিযোগও তুলেন এই নির্মাতা।

রোববার (৭ আগস্ট) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট চত্বরে মামলার ফাইল হাতে তোলা একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন রফিক শিকদার। তিনি লিখেছেন, মা হত‌্যার বিচা‌রের দাবি‌তে এখ‌নও ঘুর‌ছি আদালত থে‌কে আদাল‌তে। অপা‌রেশ‌নের না‌মে কিডনি চু‌রির মাধ‌্যমে মা‌কে হত‌্যা করা ঘাতক ডাক্তার‌দের স‌র্বোচ্চ বিচার হ‌বে, ইনশাআল্লাহ।

রফিক শিকদার জানান, সম্প্রতি ডি‌বির তদন্ত কর্মকর্তা আদাল‌তে যে তদন্ত প্রতি‌বেদন দা‌খিল ক‌রে‌ছে তা ঘৃণাভ‌রে প্রত‌্যাখ‌্যান কর‌ছি। একজন জেলা ও দায়রা জ‌জের নেতৃ‌ত্বে হওয়া জাতীয় মানবা‌ধিকার ক‌মিশন কর্তৃক গ‌ঠিত তদন্ত ক‌মি‌টি যে তদন্ত প্রতি‌বেদন প্রকাশ ক‌রে‌ছিল তার স‌ঙ্গে পুলি‌শের অপরাধ তদন্ত বিভা‌গের ওসি মাহবুবের করা তদ‌ন্ত প্রতি‌বেদ‌নের অসঙ্গ‌তি স্পষ্ট! কো‌নো মিল নেই! মূলত ‌ডি‌বির ওসি মাহবুব মে‌ডিকেল সা‌য়েন্সের প‌রিপন্থিমূলক তদন্ত প্রতি‌বেদ‌ন আদাল‌তে দা‌খি‌লের মাধ‌্যমে অভিযুক্ত ডাক্তারদের‌কে বাঁচা‌নোর চেষ্টা ক‌রে‌ছেন। অবাক করার বিষয় হ‌চ্ছে, তদন্ত চলাকাল‌ীন সম‌য়ে এজাহারভুক্ত সা‌ক্ষী‌দের জবানবন্দ‌ি নেওয়া হয়‌নি এবং তা‌দের‌কে সাক্ষী হি‌সে‌বেও রাখা হয়‌নি দা‌খিলকৃত প্রতি‌বেদ‌নে। এখা‌নে যা‌দের‌কে সা‌ক্ষী হি‌সে‌বে রাখা হ‌য়ে‌ছে, তারা প্রত্যেকেই পেশাগত চিকিৎসক এবং তা‌দের বেশীরভাগেরই কর্মঠিকানা অভিযুক্ত অধ‌্যাপক হা‌বিবুর রহমান দুলালের নিয়ন্ত্রণাধীন বিএসএমএমইউ হাসপাতা‌ল।

নির্মাতা আরও জানান, সব‌চে‌য়ে অবাক করা বিষয় হ‌চ্ছে, প্রতি‌বেদন‌টি‌তে মা‌য়ের কিড‌নি জোড়া লাগা‌নো ছিল ব‌লে উল্লেখ করা হ‌য়ে‌ছে। অথচ অপা‌রেশ‌নের পূ‌র্বের সি‌টিস্ক‌্যান, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এমআরআই, ডি‌টি‌পিএ রে‌নোগ্রাম রি‌পো‌র্টে মায়ের দু‌টো কিডনিই আলাদা এবং দু‌টো কিড‌নিরই আকৃ‌তি, বৈ‌শিষ্ট‌্য বা ফাংশনাল অবস্থার নিখুঁতভা‌বে বর্ণনা করা আছে। হর্ষসেপ কি‌ড‌নির ক্ষে‌ত্রে মে‌ডিকেল রিপো‌র্টে লেফ্ট অ‌্যান্ড রাইট কিড‌নি কথা‌টি লেখা থ‌া‌কে না। এক্ষেত্রে উল্লেখিত স্থা‌নে লেফ্ট অ‌্যান্ড রাইট কিড‌নি লেখার বদ‌লে হর্ষসেফ কিড‌নি কথা‌টিই লেখা থা‌কে। এছাড়াও স্বাভ‌াবিক কিড‌নির চে‌য়ে এমন‌ বিরল প্রকৃ‌তির কিড‌নির আকৃ‌তি বা গঠনপ্রণালীও ভিন্ন রকম; যা সাধারণ মে‌ডিকেল পরীক্ষা‌তেই স্পষ্ট বোঝা যায়।

আমিও দেখ‌তে চাই, মোড়লের জোর কোথায়! আজ আদাল‌তে হা‌জির হ‌য়ে ডি‌বির করা তদন্ত প্রতি‌বেদন প্রত‌্যাখ‌্যান ক‌রে নারা‌জি পি‌টিশন দা‌য়ের করার অভিপ্রায় ব‌্যক্ত ক‌রে এসেছি। মাননীয় আদালত আগামী ১৭/০৮/ ২০২২ তা‌রিখে নারা‌জি পি‌টিশ‌ন শুনানির দিন ধার্য ক‌রে‌ছেন। সবার দোয়া চাই।’

রফিক শিকদারের অভিযোগ, স্বাভাবিক কিডনি ভুল করে অপসারণ করে তার মাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) চার চিকিৎসক। ২০১৮ সাল থেকে অভিযোগ করলেও দুই বছর পর মামলা নিয়েছে পুলিশ। ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ বিষয়ে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কিডনি জটিলতার কারণে ২০১৮ বিএসএমএমইউ-তে ভর্তি হন রফিক শিকদারের মা রওশন আরা। চিকিৎসকরা তাকে সুস্থ করে তুলতে তার বাম কিডনি কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিএসএমএমইউ হাসপাতালে রফিক শিকদারের মায়ের অস্ত্রোপচার করেন কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট বিভাগের প্রধান হাবিবুর রহমান দুলাল। কিন্তু বাম কিডনির সঙ্গে কেটে ফেলা হয় ডান কিডনিও।

এর কিছুদিন পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রওশন আরাকে রাজধানীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষার পর দেখা যায়, তার দুটি কিডনির একটিও নেই। এর দুই মাস পর রওশন আরার মৃত্যু হয়।

এ প্রসঙ্গে বিএসএমএমইউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ওই রোগীর জন্মগতভাবে কিডনি কমপ্লিকেশন (জটিলতা) ছিল। তাছাড়া অপারেশনে রক্তক্ষরণ ও ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ায় বাম কিডনি অপসারণ জরুরি হয়ে পড়েছিল। কিন্তু রোগীর কিডনি দুটি নিম্নমুখী ও সংযুক্ত বা জোড়া লাগানো ছিল; যাকে বলা হয় হর্ষ কিডনি। একটা ফেলতে গেলে আরেকটাও বেরিয়ে আসে। যেটা ডাক্তার দুর্ভাগ্যক্রমে ও অনিচ্ছাকৃতভাবে ফেলে দিয়েছিলেন। কারণ আলট্রাসনোগ্রাম ও সিটি স্ক্যানে বিষয়টি ধরা পড়েনি।


কিডনি   চু‌রি   নির্মাতা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

‘ম্যাকগাইভার’ অভিনেতার মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫:৩৬ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বজুড়ে আলোচিত টিভি সিরিজ ‘ম্যাকগাইভার’-এর অভিনয়শিল্পী ক্লু গুলাগার মারা গেছেন। ৫ আগস্ট ক্যালিফোর্নিয়ায় ৯৩ বছর বয়সী এই অভিনেতার মৃত্যু হয়। বার্ধক্যের কারণেই গুলাগারের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। তাঁর মৃত্যুর খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তাঁর জামাতা দিয়ানে গোল্ডনার। প্রায় সাত দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১৬৫টি টিভি সিরিজ ও সিনেমায় অভিনয় করেন গুলাগার।

বাংলাদেশ টেলিভিশনে দুইবার প্রচারের সুবাদে এ দেশের দর্শকের কাছেও আলাদা পরিচিতি পেয়েছিলেন গুলাগার। সিরিজে ‘থিন আইস’সহ বেশ কয়েকটি পর্বে ওয়াট কিরবির চরিত্রে দর্শকের সামনে হাজির হয়েছিলেন তিনি। ‘ম্যাকগাইভার’ ছাড়া ‘দ্য ভার্জিনিয়ান’ ও ‘দ্য রিটার্ন অব লিভিং ডেড’সহ বেশ কয়েকটি সিরিজ ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য আলোচিত ছিলেন তিনি।

গুলাগারের মৃত্যুতে হলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিচালক সিন বাকারসহ আরও অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। বাকার লিখেছেন, ‘তাঁর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম বলে আমি নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি। “টানজারিন” সিরিজে ও “ভি” ম্যাগাজিনের ফটোশুটে তাঁর সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম। তিনি দুর্দান্ত একজন মেধাবী, ভদ্র ও দয়ালু মানুষ। তিনি সিনেমাকে ভালোবাসতেন। আমরা আপনাকে মিস করব।’

গত শতকের পঞ্চাশের দশকে অতিথি শিল্পী হিসেবে টিভি সিরিজে অভিনয় শুরু করেছিলেন গুলাগার। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এনবিসির ‘দ্য টল ম্যান’ সিরিজের দুই সিজনে অভিনয়ের পর নিয়মিত কাজের ডাক পেতে থাকেন তিনি। পরবর্তীকালে ‘দ্য ভার্জিনিয়ান’, ‘দ্য লাস্ট পিকচার শো’সহ বেশ কয়েকটি কাজে পাওয়া গেছে তাঁকে।
আশির দশকে সিনেমায় নিয়মিত হন গুলাগার। অভিনয় করেন ‘দ্য ইনিশিয়েশন’, ‘আ নাইটমেয়ার অন ইলম স্ট্রিট ২: ফ্রেডি রিভেঞ্জ’সহ বেশ কয়েকটি সিরিজে। ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কুয়েন্টিন ট্যারান্টিনোর ‘ওয়ানস আপন আ টাইম’ সিনেমায় শেষবারের মতো দেখা গেছে গুলাগারকে।

ম্যাকগাইভার   অভিনেতা   মৃত্যু  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মান্না বলেছিলেন, ফিল্মে বন্ধুত্বের কোনো মূল্য নেই

প্রকাশ: ০৪:৫৭ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মান্না বলেছিলেন, ফিল্মে বন্ধুত্বের কোনো মূল্য নেই

মান্নার আসল নাম ছিল এ এস এম আসলাম তালুকদার। তিনি সব মিলিয়ে ২৪৫টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ‘বীর সৈনিক’ সিনেমার জন্য ২০০৬ সালে ‘সেরা অভিনেতা’ হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান নায়ক মান্না। এ ছাড়া মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারও পান তিনি। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা অবস্থায় না ফেরার দেশে পারি জমান এই নায়ক। আজও তার জনপ্রিয়তার এতটুকু ঘাটতি হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে তা বেশ বোঝা যায়। মাঝে মাঝেই চোখে পড়ে তার অভিনীত বিভিন্ন সিনেমা ও সাক্ষাৎকারের অংশবিশেষ।

আজ রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বন্ধু দিবস। জীবদ্দশায় এই নায়ক বন্ধুত্ব নিয়ে কিছু অপ্রিয় কথা বলেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, চলচ্চিত্রাঙ্গনে কেউ কারও বন্ধু না। এখানে প্রদর্শিত আন্তরিকতা বা হাসি-আনন্দ সব মেকি। টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলেছিলেন তিনি।

অপি করিমের উপস্থাপনায় সেই সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে চলচ্চিত্রাঙ্গনকে স্বার্থপর দাবি করে মান্না বলেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে স্বার্থপর জায়গা বলে যদি কিছু থাকে তবে তা চলচ্চিত্রাঙ্গন। এখানে আমরা সবাই কমার্শিয়াল। হৃদয়, প্রেম, ভালোবাসা বন্ধুত্ব সব মেকি এখানে।

এরপর বন্ধুত্ব নিয়ে এই অভিনেতা বলেন, ফিল্মে বন্ধুত্বের কোনো মূল্য নেই। আমার কোনো বন্ধু নেই এখানে। চলচ্চিত্রের কেউ যদি বুকে হাত দিয়ে বলেন, আমরা সবাই এক পরিবার তবে সেটা হবে সবচেয়ে বড় মিথ্যা। কারণ এখানে সবাই স্বার্থ নিয়ে চলেন।

তবে এই স্বার্থপরতার ভীড়েও একজন বন্ধু খুঁজে পেয়েছেন উল্লেখ করে মান্না বলেন, শোবিজে আমার একজন বন্ধু আছে। তিনি ফাইট ডিরেক্টর মোসলেম ভাই। আমার সুখে, দুঃখে, হাসি, আনন্দে পাশে থাকেন। আমাদের মধ্যে স্বার্থ বলে কিছু নেই। সেকারণেই এই মানুষটা আমার পরিবারের একজন সদস্য। 

শুধু বন্ধু দিবসে নয়, মাঝে মাঝেই মান্নার সাক্ষাৎকারের এই অংশটুকু নেট দুনিয়ায় ঘুরে বেড়ায়। তাছাড়া অভিনয়শিল্পীদের অনেকেই মান্নার এই উক্তি বিভিন্ন সময় তুলে ধরেন।

নায়ক   মান্না   বন্ধুত্ব  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

সাড়ে ৩ বছর আটকে আছে ‘শনিবার বিকেল’, যা বললেন ফারুকী

প্রকাশ: ০৪:৩৬ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সাড়ে ৩ বছর আটকে আছে ‘শনিবার বিকেল’, যা বললেন ফারুকী

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেশকিছু চলচ্চিত্র উৎসবে দারুণ প্রশংসিত মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সিনেমা ‘শনিবার বিকেল’। অনেকগুলো পুরস্কারও রয়েছে এর ঝুলিতে। কিন্তু নির্মাণের সাড়ে তিন বছরেও সিনেমাটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দিতে পারছেন না তিনি। ২০১৯ সালে ‘শনিবার বিকেল’ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডে জমা দেওয়ার পর ‘অদৃশ্য’ কারণে সিনেমাটি ব্যান করা হয়। আর এ নিয়ে ক্ষোভের কথা প্রকাশ করেছেন ‘ডুব’খ্যাত নির্মাতা।

রোববার (০৭ আগস্ট) সকালে দুই বছর আগে ইস্টার্নকিকে প্রকাশিত ‘শনিবার বিকেল’র রিভিউর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ক্ষোভ ঝাড়েন তিনি। ফেসবুকে ফারুকী লেখেন, আজকে সকাল সকাল মনটা খারাপ হয়ে গেল! এরকম কত সকাল যে আমার গেছে। আমি একটা ছবি বানিয়েছি ‘শনিবার বিকেল’ নামে। যেটা সেন্সর বোর্ড সদস্যরা দেখে বিভিন্ন পত্রিকায় ইন্টারভিউ দিয়ে বললেন, ‘আমরা দ্রুতই সেন্সর সার্টিফিকেট দিয়ে দিচ্ছি’। তারপর এক অদৃশ্য ইশারায় ছবিটার দ্বিতীয় শো করে তারা। এবং তারপর বলে দিল, ‘ছবি ব্যান’। আমরা আপিল করলাম। আজকে সাড়ে তিন বছর হলো আপিলের। কোনো উত্তর নাই। এবং আমাদেরও বুঝি কিছু বলার নাই। কারণ তারাপদ রায়ের কবিতার মতো আমাদের কখন সর্বনাশ হয়ে গেছে আমরা টেরও পাইনি। 

রিভিউটি প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, আজকে ‘শনিবার বিকেল’র উপর ইস্টার্নকিকের রিভিউটা হঠাৎ সাজেস্ট করলো আমাকে অ্যালগোরিদম। এটা আমি আগে পড়ি নাই। পড়ে মনে হইলো আমরা ফুল, পাখি, লতা, পাতা নিয়া ছবি বানাইলে ‘ঠিক আছে’! এমন কিছু বানানো যাবে না, যেখানে আমাদের চেহারা দেখা যায়। কিন্তু আমি তো চিরকাল সেইসব গল্পই বলে আসছি, যেখানে আমাদের চেহারা দেখা যায়, সেটা প্রেমের গল্পই হোক আর রাজনীতির গল্পই হোক। আমি তো অন্য কিছু পারি না। তাহলে পাখি সব যে রব করবে, সেটা কি নতুন সুরে করতে হবে? নতুন সুর শিখতে হবে?

‘শনিবার বিকেল’র ইংরেজি নাম ‘স্যাটারডে আফটারনুন’। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন বিভিন্ন দেশের শিল্পী ও কলাকুশলীরা। এতে রয়েছেন বাংলাদেশের জাহিদ হাসান, নুসরাত ইমরোজ তিশা, মামুনুর রশিদ, ইরেশ যাকের, ইন্তেখাব দিনার, গাউসুল আলম শাওন, নাদের চৌধুরী, ভারতের পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, প্যালেস্টাইনের ইয়াদ হুরানিসহ অনেকে।

শনিবার বিকেল   ফারুকী  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বিয়ে করছেন ঋত্বিকের প্রাক্তন স্ত্রী সুজান

প্রকাশ: ০৩:১৪ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বিয়ে করছেন ঋত্বিকের প্রাক্তন স্ত্রী সুজান

বলিউড তারকা ঋত্বিক রোশনের সঙ্গে ২০১৪ সালে বিচ্ছেদ হয়েছে সুজান খানের। কয়েক বছর একা থাকার পর আরসালান গোনির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় তার। ডিভোর্সের প্রায় ৬ বছর পর এবার সেই প্রেমিককেই বিয়ে করতে যাচ্ছেন ঋত্বিকের প্রাক্তন স্ত্রী! 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, সুজানের ঘনিষ্ঠ এক সূত্রের খবর, সুজান দ্বিতীয় বিয়ের জন্য প্রস্তুত। আরসালানও তার সঙ্গে সারাজীবন থাকতে চান। তবে বিয়েটা খুব সাধারণভাবেই করার ইচ্ছে রয়েছে তাদের। অনাড়ম্বর আয়োজনে তারা বিয়ে করবেন। এখন শুধু তারিখ ঠিক হওয়া বাকি।

এদিকে ঋত্বিক রোশন ও তার প্রেমিকা সাবা আজাদের বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল সম্প্রতি। কিন্তু তারা বিয়ের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছে তাদের ঘনিষ্ঠজন।

অভিনেতা ফিরোজ খানের মেয়ে সুজানের সঙ্গে ঋত্বিকের প্রেম ছিল বাল্যকাল থেকেই। সেই প্রেম ২০০০ সালে পরিণতি পায় বিয়েতে। এরপর ২০১৪ সালে এসে ভেঙে যায় তাদের সংসার। বিবাহ বিচ্ছেদের পরও তারা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ধরে রাখেন সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে। তাদের দুই সন্তান- ঋদান ও ঋহান। ছাড়াছাড়ির পরও তাদের মধ্যকার এমন সম্পর্ক দেখে অনেকেই ধারনা করেছিল- ফের বিয়ে করতে পারেন ঋত্বিক-সুজান। কিন্তু তা আর সম্ভাবনা নেই। দুইজনের গন্তব্য একেবারেই আলাদা।

বিয়ে   ঋত্বিক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন