কালার ইনসাইড

বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝেই সানিয়ার বিশেষ পরামর্শ

প্রকাশ: ০৯:৩৯ এএম, ২৬ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সম্প্রতি শোনা গেছে পাকিস্তানের ক্রিকেটার শোয়েব মালিক ও ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জন। এই নিয়ে তারা গণমাধ্যমেও হয়েছেন সংবাদের শিরোনাম। এমন খবরে শোরগোল পড়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে এরই মাঝে একটি পোস্ট করে অনুরাগীদের দ্বন্দ্বে ফেলেন সানিয়া।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট স্টোরিতে সানিয়ার পরামর্শ, ‘নিজেকে একটু বিরতি দিন। আপনি মানুষ। ভাল-মন্দ দিয়ে গড়া। নিজেকে ভালোবাসুন। মন ভারাক্রান্ত থাকলে নিজেকে বিরতি দিতে শিখুন’।

তবে কি বর্তমান পরিস্থিতি থেকে সাময়িক বিরতি নিতে চাইছেন সানিয়া? নাকি বিরতি নিয়ে একা থাকার পরিকল্পনা, নিজের মতো করে বাঁচার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন তিনি!

২০১০ সালে পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটার শোয়েবের সঙ্গে বিয়ে হয় সানিয়ার। তারপর থেকে ক্রীড়াজগতের অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তারা। ২০১৮ সালে তাদের প্রথম সন্তান ইজহানের জন্ম হয়। তবে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়ে তারকা জুটির সম্পর্কে চিড় ধরার খবর।

শোনা যায়, ২০২১ সালে একটি ফটোশুটে অংশ নিয়েছিলেন শোয়েব। পাকিস্তানি অভিনেত্রী আয়েশা ওমরের সঙ্গে ওই ফটোশুট করতে গিয়েই নাকি ঘনিষ্ঠতা বাড়ে পাক ক্রিকেটারের। তার জেরেই সানিয়ার সংসারে ভাঙন ধরেছে। দম্পতির ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, ডিভোর্সের সমস্ত প্রক্রিয়াও সেরে ফেলেছেন শোয়েব-সানিয়া। আলাদাভাবেই আপাতত থাকছেন। ছেলে ইজহানের দায়িত্বও নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন।

তবে ব্যক্তিগত জীবনে আলাদা হয়ে গেলেও পেশাদারিত্বের কারণে জুটি বাঁধতে অস্বীকার করেননি তারা। দু’জনে মিলে একটি টক শো সঞ্চালনা করবেন বলে জানা যায় সম্প্রতি। পাকিস্তানের একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এই শো দেখা যাবে।


সানিয়া মির্জা   শোয়েব মালিক  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

নিপুণের আবদারে ক্ষুব্ধ রুবেল, পাল্টা প্রশ্ন অরুণার

প্রকাশ: ১০:০৬ এএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

গোটা বিশ্বজুড়ে বইছে ‘পাঠান’ ঝড়। দীর্ঘ চার বছর পর প্রেক্ষাগৃহে বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের নতুন সিনেমা। ‘পাঠান’ সিনেমা বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দেশীয় একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাফটা চুক্তির মাধ্যমে সিনেমাটি দেশে আনার চেষ্টা করছে। 

বাংলাদেশে ‘পাঠান’ মুক্তির বিষয়ে অনেকেই পক্ষে-বিপক্ষে মত দিচ্ছেন। শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক (মামলা চলমান) নিপুণ আক্তারও চাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাক শাহরুখ খানের আলোচিত সিনেমাটি। নিপুণের মতে, বলিউডের সিনেমাতে আপত্তি নেই, তবে লাভের ১০ শতাংশ দিতে হবে শিল্পী সমিতিকে।

জনপ্রিয় নায়ক ও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি মাসুম পারভেজ রুবেল নাখোশ নিপুণের এ আবদারে। এরই মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। ক্ষুব্ধ রুবেল বলেন, এটা সমিতির রক্ষণাবেক্ষণ করার বিষয় নয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে জেনারেল মিটিং করতে হবে। আমাদের শিল্পীরা কী চায়? তাদের মতের গুরুত্ব দিতে হবে। 

এ বিষয় নিয়ে ক্যাবিনেট মিটিং হয়েছে কি না আমি জানি না। আর মিটিং হলে আমার কাছে চিঠি আসার কথা। তা আসেনি। আমি যতদূর জানি ডিপজলের কাছেও চিঠি যায়নি। তাহলে সিদ্ধান্ত হলো কাদের নিয়ে? নিজেরা নিজেরা যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে এর সকল দায় দায়িত্ব তাদেরকেই নিতে হবে। -যোগ করেন রুবেল।

নিপুণের এমন সিদ্ধান্তের কথা শুনে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়েছেন শিল্পী সমিতির কার্যনিবার্হী পরিষদের সদস্য অরুণা বিশ্বাস। তিনি বলেন, সে কে? আমি এ ধরনের কোনো কথা শুনিনি। আর শিল্পী সমিতি তো শিল্পী সংশ্লিষ্ট কথা বলবেন। এত বড় একটা বিষয়ে কথা বলার জন্য আমাদের মন্ত্রী মহোদয় আছেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আছে। অবশ্যই আমরা আমাদের মতামত দেব। এখানে শুধু শিল্পী সমিতি একা সিদ্ধান্ত দেবে কেন? এর সঙ্গে জড়িত পরিচালক-প্রযোজক-ক্যামেরা থেকে শুরু করে সবার স্বার্থ। ফলে সবার সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

চলচ্চিত্রের সিনিয়র শিল্পীদের কথা উল্লেখ করে অরুণা বলেন, আমাদের পারভেজ ভাই, আলমগীর ভাই, ববিতা আপা, রোজিনা আপাসহ সিনিয়র যারা আছেন তাদের সঙ্গে পরবর্তী জেনারেশন আমরা যারা আছি। আমাদের সঙ্গে বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত বলে মনে করছি। কারো একার সিদ্ধান্তে এটা হয় না, হতে পারে না, আর কখনও হয়ওনি। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি একা কি করতে পারে আমি জানি না।

সম্প্রতি শিল্পী সমিতির কোনো কেবিনেট মিটিং হয়নি উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী বলেন, আমাদের কেবিনেট মিটিং হয়নি। তাছাড়া এখন অনেক কিছুই হচ্ছে। কাঞ্চন ভাইয়ের মতো মানুষ, এত বড় একজন অভিনেতা, আমাদের সবার শ্রদ্ধার পাত্র, তার নিজের একটা জায়গা দিন দিন নষ্ট করে ফেলছে। শিল্পীরাও যে মেরুদণ্ডহীন হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন এটা হাস্যকর লাগছে। আমাদের আত্মসম্মানবোধ থাকা প্রয়োজন।


বিতর্ক ও সমালোচনার পাহাড় ডিঙিয়ে দীর্ঘ ৪ বছরের বিরতি পেরিয়ে বাদশাহি মেজাজেই প্রেক্ষাগৃহে ফিরলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। বিশ্বজুড়ে মোট ৮০০০টি পর্দায় একযোগে চলছে তার অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘পাঠান’।


সিনেমাটি দেখতে দর্শক উপচে পড়ছে, এমন খবরই দিচ্ছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম। চলচ্চিত্র সমালোচকরাও সিনেমাটি দেখে দিচ্ছেন ইতিবাচক সাড়া। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত যশরাজ ফিল্মের এই সিনেমাতে শাহরুখের বিপরীতে অভিনয় করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। এছাড়াও আছেন জন আব্রাহামসহ আরও অনেকে।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বিদেশি সিনেমা মুক্তি পেলে রাজপথে নামার হুঙ্কার দিলেন সিদ্দিক

প্রকাশ: ০৫:৪৬ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

গোটা বিশ্বজুড়ে বইছে ‘পাঠান’ ঝড়। দীর্ঘ চার বছর পর প্রেক্ষাগৃহে বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের নতুন সিনেমা। মুক্তির আগে সিনেমাটি ঘিরে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও শাহরুখ খানের অসংখ্য ভক্ত। সিনেমাটি ঘিরে বাংলাদেশের দর্শকদেরও রয়েছে তুমুল আগ্রহ।

‘পাঠান’ সিনেমা বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দেশীয় একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাফটা চুক্তির মাধ্যমে সিনেমাটি দেশে আনার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশে ‘পাঠান’ মুক্তির বিষয়ে অনেকেই পক্ষে-বিপক্ষে মত দিচ্ছেন। শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তারও চাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাক শাহরুখ খানের আলোচিত সিনেমা ‘পাঠান’। নিপুণের মতে, বলিউডের সিনেমাতে আপত্তি নেই, তবে লাভের ১০ শতাংশ দিতে হবে শিল্পী সমিতিকে।

নায়িকার এমন মন্তব্য ঘিরে নেট দুনিয়ায় তুমুল চর্চা হচ্ছে। বলিউড সিনেমা বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দিলে শিল্পীদের নিয়ে রাজপথে নামবেন বলে হুঙ্কার দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি মনে করেন দেশে বিদেশি সিনেমা মুক্তি পেলে বাংলা সিনেমার অবস্থা আরও শোচনীয় হবে।

বলিউড সিনেমার আমদানি প্রসঙ্গে সিদ্দিক বলেন, আমি সবসময় বিদেশি সিনেমার বিপক্ষে। কারণ, আমার দেশের সিনেমারই অবস্থা ভালো নয়। বিদেশি সিনেমা দেশে আনার মতো যোগ্যতা এখনো আমাদের হয়নি। একটা সুস্থ মানুষের সঙ্গে কখনোই একটি অসুস্থ মানুষ দৌড়ে পারবে না। তেমনই আমাদের সিনেমা পুরোপুরি সুস্থ নয়। বিদেশি সিনেমার সঙ্গে দেশের সিনেমা কখনোই প্রতিযোগিতায় টিকে নাই।

বিদেশি সিনেমা দেশে মুক্তি দেওয়া হলে প্রয়োজনে শিল্পীদের নিয়ে আমি রাজপথে নামব। এর আগে একবার শিল্পীরা কাফনের কাপড় পড়ে রাজপথে নেমেছিল। তখন আমাকে বলেছিল কিন্তু সেসময় আমি আসিনি। তবে এবার আর বসে থাকব না। সংগঠন বা শিল্পীরা উদ্যোগ নিলে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়ব। তারা যদি উদ্যোগ না-ও নেয় তাহলে শিল্প সংস্কৃতির কথা চিন্তা করে নিজেই উদ্যোগ নেব। তবুও বিদেশি সিনেমা আমদানি ঠেকাতে হবে। আমি শুধু একা নই, সবাইকে নিয়ে প্রতিবাদে শামিল হবো। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সবাইকে জানিয়ে মাঠে নামব। বাংলা সিনেমা, নাটক ও সংস্কৃতিকে যারা ভালোবাসে সেদিন তারাও রাজপথে নামবে। -যোগ করেন ‘সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ’ সিদ্দিক।

বাংলা সিনেমার অবস্থা ভালো নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আগে সিনেমার অবস্থা ভালো করতে হবে তারপর বিদেশি সিনেমা আনার বিষয়ে ভাবতে হবে। এমন অবস্থায় বিদেশি সিনেমা আসলে আমাদের জন্যই ক্ষতি হবে। বিদেশি সিনেমা আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রতিযোগিতায় যাওয়ার মতো এখনো বাংলাদেশের সিনেমা যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। এই মুহূর্তে বিদেশি সিনেমা আনার চিন্তা মানে বোকামি ছাড়া কিছুই নয়। এরকম চিন্তা থেকে সরে আসতে হবে। এ ব্যাপারে তথ্য মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে কঠোর হওয়ার অনুরোধ করব।

‘কারসাজি’ এই অভিনেতা বলেন, আমাদের সিনেমার স্পিড শক্তিশালী নয়। আগে নিজেদের জায়গা পোক্ত করতে হবে তারপর অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে হবে। বিদেশি সিনেমা আসলে লাভের চেয়ে আমাদের ক্ষতিই বেশি হবে। এমনিতেই দর্শক প্রেক্ষাগৃহে দেশি সিনেমা দেখতে যায় না। বিদেশি সিনেমা আসলে আরও বেশি দেশি সিনেমা থেকে দর্শক মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাছাড়া বিদেশি সিনেমা চালানোর মতো আমাদের সেরকম মানসম্মত সিঙ্গেল স্কিন নেই। সিনেপ্লেক্সে বিদেশি সিনেমা চালালে প্রেক্ষাগৃহ মালিকদের লাভ নেই। তাতে সিনেপ্লেক্স লাভবান হবে। বাংলা সিনেমা মুমুর্ষু অবস্থায় আছে। যারা বিদেশি সিনেমা আনার জন্য ভাবছেন তারা না বুঝেই এসব করছেন। আশা করি, আপনারা সুস্থ মাথায় বিষয়টি চিন্তা করবেন। একজন শিল্পী হিসেবে বিদেশি সিনেমা আমদানির পক্ষে আমি নই।

‘বলিউডের সিনেমাতে আপত্তি নেই, তবে লাভের ১০ শতাংশ চায় শিল্পী সমিতি’-নিপুণ আক্তারের এমন বক্তব্য টেনে সিদ্দিক বলেন, তিনি যে কথা বলেছেন তার জন্য আমাদের দেশে এখনো সে জায়গা তৈরি হয়নি। এটা বলার জন্য বলা। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালাম কিছু বলতে হবে তাই বলে দিলাম। যারা এসব ধরনের কথা বলে তাদের আগে মিশন ও ভীষণ চিন্তা করতে হবে। কথা বলার আগে নিজের এডুকেশন চিন্তা করে বলতে হবে। শিল্পীদের অনেক চিন্তা-ভাবনা করে মন্তব্য করতে হয়। তাই কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলতে হবে। বিতর্কিত কথা বলে আলোচনায় থাকতে ভিউ বাড়ানোর চিন্তা করবেন না। বিতর্কিত কথা বলে বেঁচে থাকার মূল্য নেই।

বিতর্ক ও সমালোচনার পাহাড় ডিঙিয়ে দীর্ঘ ৪ বছরের বিরতি পেরিয়ে বাদশাহি মেজাজেই প্রেক্ষাগৃহে ফিরলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। বিশ্বজুড়ে মোট ৮০০০টি পর্দায় একযোগে চলছে তার অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘পাঠান’।

সিনেমাটি দেখতে দর্শক উপচে পড়ছে, এমন খবরই দিচ্ছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম। চলচ্চিত্র সমালোচকরাও সিনেমাটি দেখে দিচ্ছেন ইতিবাচক সাড়া। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত যশরাজ ফিল্মের এই সিনেমাতে শাহরুখের বিপরীতে অভিনয় করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। এছাড়াও আছেন জন আব্রাহামসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে হিন্দি সিনেমা প্রদর্শনের প্রতিবাদে এর আগে ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি কাফনের কাপড় পরে রাজপথে নেমেছিলেন ঢালিউড তারকারা। সেসময় ব্যানার হাতে নিয়ে স্লোগান দিয়েছিলেন ঢালিউড শীর্ষ নায়ক শাকিব খান, জায়েদ খান, রুবেল, অমিত হাসান, আহমেদ শরীফ, পরীমণিসহ সেলিব্রেটি তারকারা। সঙ্গে ছিলেন সোহানুর রহমান সোহান, মুশফিকুর রহমান গুলজার, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মোস্তাফিজুর রহমান মানিকসহ নামি-দামি পরিচালকরাও।

পাঠান   সিদ্দিক   অভিনেতা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করতাম : অপু বিশ্বাস

প্রকাশ: ০৫:৩৩ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

আজ (২৬ জানুয়ারি) হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা। সনাতন ধর্মমতে, জ্ঞান ও বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতী ভক্তদের মানবীয় চেতনায় উদ্দীপ্ত করতে প্রতি বছর ধরাধামে আবির্ভূত হন। আর তাই দেবী সরস্বতীর আরাধনা করছে মর্ত্যের ভক্তকুল। ঢাক-ঢোল-কাঁসর-শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ। ভক্ত ও শুভাকাঙ্খীদের সরস্বতী পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস।



সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, সবাইকে সরস্বতী পূজার প্রীতি ও শুভেচ্ছা।

স্মৃতিচারণ করে নায়িকা বলেন, স্কুলে পড়াকালীন সময়ে সরস্বতী পূজায় খুব আনন্দ করতাম। এই দিনটির জন্য আমরা অপেক্ষা করতাম। তবে ঢাকায় চলে আসার পর ঘটা করে সরস্বতী পূজায় অংশ নেওয়া হয় না।

অপু বিশ্বাস   চলচ্চিত্র   নায়িকা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মুক্তি পাচ্ছে কেয়া-জামশেদ’র ‘কথা দিলাম’

প্রকাশ: ০৪:২৮ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে আসছে সামাজিক ও পারিবারিক গল্পের সিনেমা ‘কথা দিলাম’। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাবরিনা সুলতানা কেয়া ও জামশেদ শামীম। বিডি২৯মাল্টিমিডিয়া নিবেদিত জসিম উদ্দিন আকাশ প্রযোজিত সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন রকিবুল আলম রাকিব। সিনেমার সংলাপ লিখেছেন আবদুল্লাহ জহির বাবু। এ সিনেমার মাধ্যমে এবারই প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করেছেন কেয়া ও জামশেদ।

নতুন বছরে মুক্তির দিক দিয়ে এটিই হতে যাচ্ছে কেয়ার প্রথম সিনেমা। তিনি বলেন, আমার চরিত্রটি বেশ বৈশিষ্ট্যমন্ডিত এবং চরিত্রটির প্রাণ প্রতিষ্ঠায় যথেষ্ট শ্রম দিতে হয়েছে। গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত এটি ভিন্ন স্বাদের একটি গল্প। দর্শকদের পছন্দ হবে।

নির্মাতা রাকিব বলেন, একসময় বাংলাদেশে গ্রামীণ পটভূমির চলচ্চিত্র ছিল বেশ জনপ্রিয়। নব্বই দশকেও এ ধরনের চলচ্চিত্রের প্রতি দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ ছিল। তবে বর্তমানে এ ধরনের সিনেমা তেমন একটা নির্মিত হচ্ছে না। কিন্তু আমি নতুন জুটি নিয়ে গ্রামীণ গল্পে সিনেমাটি নির্মাণ করেছি। আশা করছি, সবার ভালো লাগবে।

জামশেদ শামীম বলেন, গল্পের প্রয়োজনে দর্শক সিনেমাটি দেখবে। সিনেমার ভেতর ধারা বুঝি না। ভালো গল্প ও নির্মাণ হলেই দর্শক সিনেমাটি উপভোগ করবে। অভিনেতা হিসেবে বুঝি গল্প ও চরিত্র। এটি তেমনই। গল্পটি চমৎকার, গানগুলো ভালো লাগার মতো। সবাইকে সিনেমাটি দেখার অনুরোধ করব।

জসিম উদ্দিন আকাশ বলেন, এটি আমার প্রযোজিত প্রথম সিনেমা। এর আগে দর্শক আমার লেখা অসংখ্য গান দেখেছে। প্রথম সিনেমা হলেও আশা করছি, দর্শক নিরাশ হবে না। সামাজিক ও পারিবারিক গল্পে সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। সবাইকে প্রেক্ষাগৃহে এসে সিনেমাটি দেখার অনুরোধ রইল।

সংবাদ সম্মেলন কেয়া-জামশেদ জুটিকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিইও মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ খোকন, অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান, কণ্ঠশিল্পী কাজী শুভ, মোহাম্মদ মিলন, অয়ন অয়ন চাকলাদার ও সিনেমা সংশ্লিষ্টরা।

সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন সমু চৌধুরী, জ্যাকি আলমগীর, পরাগ বিশ্বাস, কাজল, শেখ স্বপ্না, শাইলা, হাসিমন, সুচনা শিকদার, জাহিদ ইসলাম, তাহমিনা মনা প্রমুখ।

সিনেমায় পাঁচটি গান রয়েছে। সবগুলো গানই লিখেছেন জসিম উদ্দিন আকাশ। গেয়েছেন এস এই টুটুল, আকাশ সেন, সালমা, এস কে শানু ও হৈমন্তি করসিত দাস।


কথা দিলাম   নায়িকা   জামশেদ   কেয়া  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

পদ্মশ্রী পুরস্কার পেলেন রাভিনা ট্যান্ডন

প্রকাশ: ০৩:২২ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

ভারতের সম্মানজনক পদ্ম পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বলিউড অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডন, ‘ট্রিপল আর’ সিনেমার সুরকার এমএম কেরাবানি, গায়ক সুমন কল্যাণপুর, বানী জয়রামের নাম এ তালিকায় রয়েছে। শিল্পকলায় অবদানের জন্য তারা সবাই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। 

পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ, পদ্মশ্রী— এই তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হয় পদ্ম পুরস্কার। সংস্কৃতি, শিল্প, সামাজিক কর্মকাণ্ড, জন কল্যাণ, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, খেলাধুলাসহ অন্যান্য শাখায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য প্রতি বছর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

রাভিনা ট্যান্ডন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, আমি সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ। আমার অবদান, আমার জীবন, চাওয়া-উদ্দেশ্য, সিনেমা ও শিল্পকলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ।

আগামী এপ্রিল কিংবা মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। 

১৯৭২ সালের ২৬ অক্টোবর মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন রাভিনা ট্যান্ডন। ১৯৯১ সালে হিন্দি ভাষার ‘পাথর কে ফুল’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করেন। এ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

নব্বই দশকে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্র উপহার দেন রাভিনা। যার মধ্যে রয়েছে ‘দিলওয়ালে’ (১৯৯৪), ‘মোহরা’ (১৯৯৪), ‘খিলাড়িয়োঁ কা খিলাড়ি’ (১৯৯৬), ‘জিদ্দি’ (১৯৯৭) প্রভৃতি।

পদ্মশ্রী   পুরস্কার   রাভিনা ট্যান্ডন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন