কালার ইনসাইড

সিনে স্টার ফোরাম'র সাধারন সম্পাদক নায়িকা মৌসুমী

প্রকাশ: ০৬:০৫ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চলচ্চিত্রের তারকা শিল্পী-কুশলীদের নিয়ে  সংগঠন 'বাংলাদেশ সিনে স্টার ফোরাম'। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল দশটায় এফডিসির জহির রায়হান প্রজেকশন হলে সংগঠনটির ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ফোরামের সভাপতি বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার শফি বিক্রমপুরী এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াৎ। 

অনুষ্ঠানে নতুন করে সাধারন সম্পাদক হিসেবে চিত্রনায়িকা মৌসুমীর নাম ঘোষণা করেন সংঘঠনটির সাবেক সাধারন সম্পাদক ইলিয়াস কাঞ্চন। ফোরামের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এফডিসির জহির রায়হান প্রজেকশন হলে সকাল দশটায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করে সংগঠনের সভাপতি বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ব্যাক্তিত্ব শফি বিক্রমপুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন সিনেস্টার ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাজী হায়াৎ। এসময় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি,সাধারন সম্পাদক,পরিচালক সমিতির সাধারন সম্পাদকসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সিনেস্টার ফোরাম একটি স্মরণিকা প্রকাশ করেছে। এতে সংগঠনের সার্বিক কর্যক্রমসহ নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের কার্যক্রমের একটি ফটো অ্যালবামও এ স্মরণিকায় রয়েছে।

ফোরামের সভাপতি বিশিষ্ট চলচ্চিকার শফি বিক্রমপুরী জানান, গত ২০১৬ সালের ২৩শে জানুয়ারি মরহুম নায়করাজ রাজ্জাকের ৭৫তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্রের অতীত ও বর্তমান বিষয় নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে চলচ্চিত্রকার শফি বিক্রমপুরী একটি সংগঠন করার প্রস্তাব করেন । তার প্রস্তাবের ফলেই গঠিত হয়েছে 'সিনে স্টার ফোরাম'। শফি বিক্রমপুরী আরো জানান, ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত চলচ্চিত্রের প্রথম ২৫ বছরে যে সকল পরিচালক, প্রযোজক, সংগীত পরিচালকসহ নানান শাখায় শিল্পী-কলাকুশলীরা বেঁচে আছেন তাদের নিয়েই এই সংগঠন করার উদ্দেশ্য ছিল। এরই মধ্যে আমরা নায়করাজ রাজ্জাক, গায়ক আবদুল জব্বার, গায়িকা শাম্মী আখতার, অভিনেতা সিরাজ হায়দারসহ অনেককে হারিয়ে ফেলেছি। 

নতুন সাধারন সম্পাদক দায়ীত্বপ্রাপ্ত চিত্রনায়িকা মৌসুমী বলেন, এই ফোরামের কার্যক্রম অনেক আগে থেকেই দেখেছি। আমার অনেক ভালো লেগেছে। আমি এবার এই ফোরামের সদস্য পদ পেয়েছি ,ওমর সানীও এবার সদস্য হয়েছে এই ফোরামে। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ এই বরেণ্য মানুষদের সাথে থাকতে পেরে। প্রথমেই একটা কথা বলতে চাই এই ফোরাম থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া বা না হওয়া খুব বেশি জরুরী তানা। কিন্তু এই ফোরামের সাথে যুক্ত হওয়াটা খুব বেশি জরুরী সেটা আমার কাছে মনে হয়েছে। প্রত্যেকটা স্বপ্ন একটা মানুষ দেখে যখন সাথে সাথে সফল হয়ে যায় না। এই ফোরামের যা স্বপ্ন রয়েছে আমরা সবাই যখন যুক্ত হব কেউ না কেউ সফলতা একদিন আনবেই ইনশআল্লাহ । এটা আমার বিশ্বাস। আমরাতো শিল্পী মানুষ আমরা জানি স্বপ্ন গুলো সবসময় সুপ্ত থাকে না কখনো কখনো জেগে উঠে সেটা সফল হয়েই ছাড়ে। এই ফোরামের আর একটা সুন্দর বিষয় হচ্ছে এখানে শুধু সিনিয়রদের আড্ডাবাজীর একটা জায়গা শুধু তা না, এখানে সুন্দর বাণিজ্যের একটা ব্যাপার রয়েছে। আমি শুনছিলাম আমার খুব ভালো লেগেছে। এখানে সফল ব্যবসায়ীরা আছেন, তারা সফলতার সাক্ষর রেখেছেন স্ব স্ব জায়গা থেকে । সেসব মানুষদের সান্নিধ্যে আসতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। আমরা যারা চলচ্চিত্র শিল্পী কলাকুশলীরা আছি আমরা আমাদের কাজের মধ্য দিয়েই এই ফোরামের সাথে থেকে এই মানুষগুলোর পাশে থেকে তাদের সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারব এটাই অনেক বড় ব্যাপার।আমাদের শিল্পী সমিতি এটা শুধুই চ্যারিটি এখানে আমাদের বিশেষ কিছু করার নেই। বিশেষ কিছু করতে গেলেও পা ধরে টেনে নিয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। আমার ছোট বোন নিপুন কাজ করছে বর্তমানে সে ভালো বলতে পারবে। এখানে কাজ করতে কতটা দখল নিতে হচ্ছে এবং কতটা কঠিন।  তারপরও আমাদের করতে হবে। কারন আমরা শিল্পী। এখান থেকেই আমাদের শুরু । এখানে যারা কাজ করছেন তাদের সকলের ভালোবাসা নিয়েই আজকে আমরা এখানে এসেছি। চলচ্চিত্র থেকে অনেক কিছু পেয়েছি। তাই এখানে কিছু করা আমাদের দায়ীত্ব। যেমন ছোট বেলায় বাবা মা আমাদের লালন পালন করতেন এখন আমরা বাবা মাদের লালন পালন করব এটাই হওয়া উচিত। চলচ্চিত্রে যাদের হাত ধরে আমরা এসেছি প্রত্যেকটা মানুষদের এখানে দেখতে পাচ্ছি। আমার খুব ভালো লাগছে। 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি শফী বিক্রমপুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক কাজী হায়াৎ,সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস কাঞ্চন, চিত্রনায়িকা মৌসুমী ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন দেলোয়ার ঝাহান ঝন্টু,নাদের খান, খুরশিদ আলম,অনুপম হায়াৎ, সুচন্দা,অঞ্জনা, রিনা খান, ডিপজল, ওমর সানী, বাপ্পা রাজ, শাহিন সুমন, আনোয়ার সিরাজী,নিপুন, সায়মন সাদিক সহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের ব্যাক্তিবর্গ।
]

নায়িকা   মৌসুমী   সিনে স্টার ফোরাম  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শঙ্কামুক্ত নন অভিনেত্রী আঁখি

প্রকাশ: ০৩:৪১ পিএম, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শুটিং স্পটে দগ্ধ নাট্য অভিনেত্রী শারমিন আঁখি শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গতকাল সোমবার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন এ তথ্য জানান।

ডা. আইউব হোসেন বলেন, শারমিন আঁখির শরীরের ৩৫ শতাংশ ফ্লেম বার্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি ফিমেল হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ভর্তি আছেন। তাঁকে আমরা এখন পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত বলতে পারছি না।

গত শনিবার পল্লবীর একটি বাড়িতে শুটিং চলাকালে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে দগ্ধ হন শারমিন আঁখি। আঁখির স্বামী রাহাত কবির বলেন, সেদিন আঁখি শুটিংয়ের জন্য মেকআপ নিয়ে ওয়াশরুমে ঢোকে। কিছুক্ষণ পর একটা বিকট শব্দ হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আঁখির পা, মুখ, হাত সব ঝলসে গেছে। ওই বিল্ডিংটা নতুন করে করা হয়েছে। বাথরুমটি অনেক সাফোকেটেড ছিল। নতুন রঙেরও গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। আমাদের ধারণা, ভেতরে গ্যাসজাতীয় কিছু থাকার কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।

আঁখির জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে তাঁর শ্বাসনালি পোড়েনি, সে কথা বলতে পারছে। তার সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

অবশেষে মেয়ের মুখ দেখালেন প্রিয়াঙ্কা

প্রকাশ: ০৩:৩০ পিএম, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

গত বছরের শুরুর দিকে সারোগেসির মাধ্যমে কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তারপর এক বছর কেটে গেলেও মেয়ের মুখ দেখাননি তিনি। অবশেষে প্রিয় কন্যার মুখ দেখালেন এই দেশি গার্ল।

জোনাস ব্রাদার্সের সঙ্গে ‘হলিউড ওয়াক অব ফেম স্টার’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কার স্বামী পপ তারকা নিক জোনাসও। এ অনুষ্ঠানে মা প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে ছিলো কন্যা মালতি।

অনুষ্ঠানটির একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে দেখা যায়, মায়ের কোলে বসে এদিকওদিক উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে মালতি। কখনো প্রিয়াঙ্কার ব্যাগ নিয়ে খেলায় ব্যস্ত সে। মেয়েকে দু-হাতে আগলে রেখেছেন প্রিয়াঙ্কা। তা ছাড়া বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন প্রিয়াঙ্কা। 

মালতির মুখ প্রথমবার দেখে কমেন্ট বক্সে ভালোবাসা উজাড় করে দিয়েছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, মালতির মুখটা যেন একেবারেই নিকের মুখ।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘মালতি দেখতে খুব মিষ্টি।’ অন্যজন  লিখেছেন, ‘অবশেষে দেখতে পেলাম। পুরোটাই তো ওর বাবার মতো দেখতে। এমন অসংখ্য মন্তব্য ভরে আছে কমেন্ট বক্সে। 

২০১৭ সালে মেট গালার লাল গালিচায় একসঙ্গে হাজির হলে প্রিয়াঙ্কা ও নিক জোনাস। এরপর তাদের প্রেমের গুঞ্জন চাউর হয়। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর যোধপুরের উমেদ প্যালেসে খ্রিষ্টান মতে প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়। পরের দিন হিন্দু রীতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন এই জুটি। গত বছর এ দম্পতির সংসার আলো করে জন্ম নেয় মালতি।


প্রিয়াঙ্কা চোপড়া  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

নতুন গান নিয়ে এলেন সেই সুমি শবনম

প্রকাশ: ০২:২৮ পিএম, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

সারা বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে তুমুল জনপ্রিয় ‘ভাল্লাগে’ গানের পর ‘আইলসা লাগে’ শিরোনামের নতুন গান নিয়ে আবার মাঠ কাপাতে এলেন হালের দর্শকপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সুমি শবনম। এবারও গানটির মডেল হিসেবে থাকছেন নাট্যাভিনেতা নয়ন বাবু। তার সঙ্গী এবার মডেল-অভিনেত্রী শায়লা সাথী। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গেট টুগেদার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সৃষ্টি মাল্টিমিডিয়ার ইউটিউবে চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে সুমি শবনম বলেন, ভাল্লাগে গানটি পৃথিবী ব্যাপী বাংলা ভাষা মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর ভালো গানের অপেক্ষায় ছিলাম। ৬ মাস সময় নিয়ে সৃষ্টি মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে আমার দ্বিতীয় গানটি প্রকাশ পেয়েছে। আমি আমার দর্শকের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এ কাজটি করেছি। আশা করছি, আগের মতনই নতুন গানটি সবার ভালো লাগবে।

গানটির মডেল নয়ন বাবু বলেন, আমি মিউজিক ভিডিও কম করি। গান পছন্দ হলেই করি। সুমি আপার এ গানটি আমার কাছে মনে হয়েছে বাংলা ভাষা মানুষের আরেকটি চমক। আশা করি, কেউ নিরাশ হবে না। আগের গানে কোঁকড়া চুলের লুকে দর্শক আমাকে বেশ পছন্দ করেছে।  এবার ব্যতিক্রম আরেকটি লুকে হাজির হয়েছি। আমার বিশ্বাস এ লুকটিও সবার ভালো লাগবে। আমি একেক গানে একেকটি লুকে আসতে স্বাচ্ছন্দ্য করি।

গানটির কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক হাবিবুর রহমান বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে এ গানটি ভাল্লোগে গানের মতন সব দর্শক পছন্দ করবে। গানটি খুব যত্ন নিয়ে ৩ দিনে শুটিং করেছি। আশা রাখি, ২০২৩ সালের অন্যতম একটি কাজ হবে এ গান। 

শায়লা সাথী বলেন, এটি আমার ক্যারিয়ারের প্রথম মিউজিক ভিডিও। গানটি ভালো লাগায় কাজটি করা। এ গানে নিজেকে ব্যতিক্রম ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। গানটি প্রকাশ্যে আসতে অনেকেই প্রশংসা করেছে। আশা করছি, সব শ্রেণির দর্শকের পছন্দ করার মতো একটি কাজ ‘আইলসা লাগে’।

গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন মোহাম্মদ আকরাম হোসাইন। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সজিব দাস। কোরিওগ্রাফি ও পরিচালনা করেছেন হাবিবুর রহমান। ক্যামেরায় ছিলেন সানি খান, সম্পাদনা ও কালার বিন্যাসে এস এম তুষার ছিলেন। আর্ট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন বাদল শহীদ, মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন দিগন্ত ওয়াহিদ। 

এর আগে গত বছরের ১১ জুলাই কোঁকড়া কোঁকড়া চুল নামে সুমি শবনমের একটি গান মুক্তি পায়। গানটিতে আরো অভিনয় করেছেন আনোয়ার, বাদল শহীদ, খায়রুল আলম, বিজয় দত্ত, রাজু, সাইফুল, লতিফ খান, হেদায়েত উল্লা তুর্কি,বিজয়, আশরাফুল সহ আরো অনেকে।

সুমি শবনম  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

পাঁচ দিনে ৫০০ কোটি!

প্রকাশ: ১১:৪৬ এএম, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

যশ রাজ ফিল্মসের হাত ধরে বড় পর্দায় শাহরুখ খানের রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী বলিউড। ‘পাঠান’ বক্স অফিসে নজির গড়ছে তো বটেই, এর সাফল্য পাড়ি দিয়েছে আমেরিকাতেও। ৪ বছর পর বড় পর্দায় ফিরেছেন শাহরুখ। ‘পাঠান’-এ তার অ্যাকশন দেখতে দলে দলে হলে যাচ্ছেন অনুরাগীরা। মুক্তির পর প্রথম কয়েক দিনেই বিপুল টাকার ব্যবসা করে ফেলেছে এই ছবি। গড়ে ফেলেছে একাধিক নজির।

গত বুধবার, ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে ‘পাঠান’। রবিবার পঞ্চম দিনে ছবিটি বিশ্বজুড়ে ৫০০ কোটির বেশি রুপির ব্যবসা করে ফেলেছে। কোনও কোনও পরিসংখ্যানে দাবি, পঞ্চম দিনের শেষে ‘পাঠান’-এর আয় সাড়ে ৫০০ কোটি ভারতীয় রুপি।

মুক্তির প্রথম ৪ দিনই দেশের বাজারে হাফ সেঞ্চুরি করেছিল ‘পাঠান’। রবিবারও তার অন্যথা হয়নি। ৫০ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে এই ছবি রবিবার দেশে প্রায় ৭০ কোটি রুপির ব্যবসা করেছে। ভারতে এখনও পর্যন্ত ‘পাঠান’-এর মোট আয় ২৮২ কোটি রুপি। শনি ও রবিবার সপ্তাহান্তেই আরও বেশি করে এই ছবি দেখতে হল ভরিয়েছেন মানুষ।

চতুর্থ দিনে দেশের বক্স অফিসে শাহরুখের ছবির আয় ছিল ৫১ কোটি রুপি। সারা বিশ্বে এই ছবির মোট রোজগার শনিবার পর্যন্ত ছিল ৪২৯ কোটি রুপি। রবিবার এক লাফে ৫০০ কোটির গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে ‘পাঠান’। ভারতে বাইরে ‘পাঠান’ মোট ১০০টি দেশে মুক্তি পেয়েছে। বিদেশে ২৫০০টি পর্দায় এই ছবি দেখানো হচ্ছে। ভারতে এই ছবি চলছে সাড়ে ৫ হাজার পর্দায়।

শুধুমাত্র আমেরিকাতেই ৬৯৪টি সিনেমা হলে ‘পাঠান’ মুক্তি পেয়েছে। সেখানে রমরমিয়ে চলছে শাহরুখ, দীপিকা পাডুকোন এবং জন আব্রাহাম অভিনীত ছবিটি। আমেরিকায় নজির গড়েছে ‘পাঠান’।

উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে হিন্দি ছবি হিসাবে ‘পাঠান’-এর প্রথম দিনের আয় সর্বোচ্চ। ছবিটি মুক্তির দিন ১৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১৫ কোটি টাকা) আয় করেছে আমেরিকায়।উত্তর আমেরিকার ৬৯৪টি সিনেমা হলে সাম্প্রতিককালে মুক্তিপ্রাপ্ত যে কোনও ছবির তুলনায় ‘পাঠান’-এর গড় সবচেয়ে বেশি। আয়ের গড় হিসাবে হলিউডকেও টেক্কা দিচ্ছেন শাহরুখ। এই নিরিখে হলিউডের ৩টি ছবি কেবল ‘পাঠান’-এর সামনে রয়েছে। সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে সেরা গড়ের তালিকায় তৃতীয় কিংবা চতুর্থ স্থানে শেষ করতে পারে ‘পাঠান’।

তালিকায় ‘পাঠান’-এর আগে রয়েছে ‘অবতার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’, ‘পুস ইন দ্য বুটস: দ্য লাস্ট উইশ’ এবং ‘এ ম্যান কলড ওটো’।

ভারতীয় বাজারে ‘পাঠান’ সবচেয়ে দ্রুত আড়াইশো কোটি রোজগারের গণ্ডি পেরিয়েছে। শাহরুখের ছবির সাফল্যের রথের চাকা দেশের বাইরেও গড়াচ্ছে তরতরিয়ে। যশ রাজ ফিল্মসের স্পাই ইউনিভার্সের চতুর্থ ছবি ‘পাঠান’। এই ছবিতে র এজেন্টের ভূমিকায় দেখা গেছে শাহরুখকে। ছবির খলনায়ক জন আব্রাহাম।

অ্যাকশন প্রধান ছবিটিতে দীপিকাকেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গেছে। অ্যাকশন দৃশ্যে বাজিমাত করেছেন তিনিও। আড়াই ঘণ্টার টান টান উত্তেজনা হলে বসে উপভোগ করছেন জনতা। ভারতে অবশ্য ‘পাঠান’ শুরু থেকেই বিতর্কে জড়িয়েছিল। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে এই ছবি বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। বয়কটকারীদের মূল আপত্তি ছিল এই ছবির একটি গান নিয়ে।

শাহরুখের শেষ কিছু ছবিতে প্রত্যাশিত সাফল্য ছিল না। তাই ‘পাঠান’-এর বক্স অফিসের রোজগার নিয়েও আশঙ্কিত ছিলেন কেউ কেউ। তবে পাঁচ দিনের শেষে বক্স অফিসের পরিসংখ্যান বলছে, যাবতীয় আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছে ‘পাঠান’।

 



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

দ্বীন ইসলাম'র কণ্ঠে ট্রাফিক পুলিশের থিম গান

প্রকাশ: ১১:৩০ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

নির্মিত হলো বাংলাদেশের ট্রাফিক পুলিশের থিম গান। এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দ্বীন ইসলাম। তিনি নিজেও একজন ট্রাফিক পুলিশের সদস্য। এর আগে পুলিশের থিম গান গেয়েছিলেন তিনি। গানটি নিয়ে দ্বীন ইসলাম বলেন, ‘ট্রাফিক পুলিশের শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনে গানটি করলাম। বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। এর আগে পুলিশ থিম সং গেয়ে প্রশংসা পেয়েছিলাম। স্বাভাবিকভাবে এটি আমার সহকর্মীরা বেশ আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছেন।’

গানকে বিশ্লেষণ করে দ্বীন ইসলাম বলেন, ‘ট্রাফিক পুলিশের যে ত্যাগ রয়েছে, যে বাস্তবতার মুখোমুখি হন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালনে যেভাবে নিয়োজিত থাকেন, আর ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের হৃদয়ের যে কথা কারো পক্ষে উপলব্ধি করা সম্ভব হয় না, এই গানে ও ভিডিওতে সেটি চিত্রিত করার চেষ্টা করেছি।’

অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হাবিবুর রহমান এই গানে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন দ্বীন ইসলামকে- এমনটাই জানালেন গায়ক। ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দ্বীন ইসলাম গান করেন। দুটি অ্যালবাম, শতাধিক গান ও মিউজিক ভিডিও রয়েছে তাঁর।

বাংলাদেশে   ট্রাফিক পুলিশ   থিম গান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন