কালার ইনসাইড

ম্যারাডোনা-মেসিকে নিয়ে কটাক্ষ, তোপের মুখে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান

প্রকাশ: ০৪:৪০ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

প্রয়াত আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসিকে কটাক্ষ, অশালীন ভাষায় ফেসবুকে উপস্থাপন করায় তোপের মুখে পড়েছেন প্রখ্যাত গীতিকার মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।

অস্ট্রেলিয়া ও আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় পর্বের নক আউট ম্যাচ ছিল গত রাতে। ম্যাচ চলাকালীন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে সক্রিয় ছিলেন। একের পর এক পোস্ট দিয়ে যাচ্ছিলেন।

 একপর্যায়ে ম্যারাডোনাকে নিয়ে লেখেন, একজন ছিল 'মরদই না', সে হাত দিয়ে গোল করত। সেই হাত নাড়ার ভঙ্গি ছিল হিজড়াদের মতো। ওদের কেউ 'আর জেন্টই না'। আবার লেডিও না। তাই হিজড়াই বলতে হবে। 

বিষয়টিকে সহজভাবে নেননি অনেক সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সংগীতজ্ঞ। এটিকে ‘বর্ণবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন তাঁরা।  

ফেসবুক পোস্টটি মুছে ফেলার অনুরোধ জানিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। তিনি অনুরোধ জানিয়ে লিখেছেন, বাবা, বটবৃক্ষ, পোস্টটা আপনি মুছেই দেন প্লিজ!’ কিন্তু গীতিকার এ কথায় কর্ণপাত করেননি।   আরেকটি পোস্টে মেসিকে নিয়েও তিনি ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, ‘মাছি সারা মাঠে বন বন করে বেড়াচ্ছে। 

স্টপ রেসিজম হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে অভিনেত্রী নিশাত প্রিয়ম লিখেছেন, ওনার আর্জেন্টিনা নিয়ে এত জেলাসি কেন? কোনো দলের প্রতি মানুষের ভালো লাগা, মন্দ লাগা থাকতেই পারে; কিন্তু ওনার মতো একজন কিংবদন্তির মুখে এ ধরনের কথা মানায় না!

সংগীতশিল্পী বেলাল খান প্রতিবাদ করে মন্তব্য করেছেন, ‘ম্যারাডোনা কিংবা মেসি তাঁদের চেহারা, শারীরিক গঠন দিয়ে নয়, স্রষ্টা প্রদত্ত বিশেষ ক্রীড়ানৈপুণ্য দিয়ে পৃথিবীর মানুষের হৃদয় জয় করেছেন। আপনি বা আপনারা আরো যতই বিশ্রী ভাষা ব্যবহার করেন না কেন, তাঁদের প্রতি সাধারণ মানুষের এই ভালোবাসা, এই মুগ্ধতা একটুও কমবে না, বরং বাড়বে। পৃথিবীর মানুষ যাঁদের কিংবদন্তির মর্যাদা দিচ্ছে, তার বিপরীতে গিয়ে আপনার এমন স্ট্যাটাস আমাদেরকে মর্মাহত করে। ক্ষমা করবেন। ’

গীতিকার ও কথাসাহিত্যিক ইকবাল খন্দকার লিখেছেন,  ‘কী নোংরা ভাষা আপনার!’

গীতিকার সোমেশ্বর ওলি বিস্ময় প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন, এ কী দেখছি!’ তিনি ফেসবুক থেকেও তাঁকে আনফ্রেন্ড করেছেন। নেটিজেনরাও মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের এই পোস্ট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন।  

অবশ্য মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ও দুঃখ প্রকাশ করে আরেকটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে লিখেছেন, মানুষের সেন্স অব হিউমার এত দুর্বল এবং গাত্রদাহ এত প্রবল হলে কোনো তীক্ষ্ণ হিউমারই তো করা যাবে না।   যা-ই হোক, আমার পোস্টে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করছি। ডিলিট করে দিতে পারতাম, কিন্তু যা প্রকাশ হয়ে গেছে তা মুছে দিলে আহতদের ক্ষত তো মুছবে না। তাই ওটা ওভাবেই রয়ে যাক। 

সেই রেললাইনের ধারে মেঠোপথটার পারে দাঁড়িয়ে, বন্ধু হতে চেয়ে তোমার শত্রু বলে গণ্য হলাম, দুঃখ আমার বাসর রাতের পালঙ্ক, আমার মতো এত সুখী নয় তো কারো জীবন, ভালোবাসা যত বড় জীবন তত বড় নয়-এর মতো জনপ্রিয় গান লিখেছেন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।



ম্যারাডোনা   মেসি  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

সেলিনা হোসেন'র ‘কাকতাড়ুয়া’ অবলম্বনে চলচ্চিত্র

প্রকাশ: ০৮:২২ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন'র উপন্যাস ‘কাকতাড়ুয়া’ নিয়ে নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্র। দীর্ঘদিন যাবৎ তরুণ-তরুণীদের চাওয়া ছিলো এই উপন্যাসটি চলচ্চিত্র বা নাট্যরূপ পাক। কিন্তু এর নির্মাণকাজ ব্যাপক ও চরিত্রবহুল হওয়ায় কেউ এটির নির্মাণকাজ বেশ দুরূহ। সম্প্রতি উর্বশী ফোরাম ‘বুধা’ শিরোনামে চলচ্চিত্র শুটিং-এর কাজ শেষ করেছে। কাকতাড়ুয়া উপন্যাসটির ‘বুধা’ নামে চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন ড. মো. হারুনুর রশীদ।

কিশোর মুক্তিযোদ্ধা বুধা। কৈশোরেই কলেরা রোগে মা-বাবা পরিবারকে হারিয়ে শোকে-কষ্টে জমে পাথর হয়ে গেছে। এখন গ্রামের সকলের সহযোগী একজন সে। ১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধুর ০৭ মার্চের ভাষণ শুনে সে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত হয়। হঠাৎ একদিন তাদের গ্রামটিতে হানাদারদের আক্রমণ হয়। বাজার পুড়িয়ে লোকজনকে হত্যা করা হয়। গ্রামের লোকজন সব শরণার্থী হয়ে গ্রাম ছাড়তে শুরু করে।  কিন্তু বুধা গ্রাম ছেড়ে যায় না। গ্রামের আলী ও মিঠু’র সহায়তায় গ্রামেই গড়ে তোলে মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি। রাজাকার চেয়ারম্যান আহাদ মুন্সির বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। ওদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার শাহাবুদ্দিন গোপনে গ্রামে এসে বুধা’র সহযোগিতা নেয়। বুধা গোপনে গ্রামের আর্মি ক্যাম্পের বাংকারে শক্তিশালী মাইন পুঁতে আসে। ক্যাম্পটা পুরোটাই ধ্বংস হয়ে যায় বুধা’র কৌশলে। অবশেষে বিজয়ী বুধা’র কৌশলী মুক্তিবাহিনী। 

চলচ্চিত্রের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাজু খাদেম, কচি খন্দকার, মনিরা মিঠু, পলাশ লোহ, তাসমিতা শিমু, সুস্ময় সরকার মুগ্ধ, মালেক, সাথী, অহনা, মালিহা, রানা, দ্বীপ রাজ,  ভগবতী, গৌতম দাস বাবলু, আঞ্জুয়ারা শিখা, হীরা, হারুনুর রশীদ, সাখাওয়াত সুজন, সৃজনী, কাঞ্চন খান, নাফিজ, স্মৃতি, তারাপদ, শিউলী, রুম্মান। 

সিনেমাটির শুটিং লোকেশন দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও-এর বিভিন্ন অঞ্চল। চলচ্চিত্রটির সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ডিওপি নিয়াজ মাহবুব। শিল্প নির্দেশনায় ছিলেন সুজাত শিমুল। সহকারী পরিচালন করেছেন সারোয়ার জাহান আকাশ ও দ্বীপরাজ। চলচ্চিত্রটির সম্পাদনা করছেন প্রিন্স সজল। আনুষ্ঠানিকভাবে চলচ্চিত্রটি বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

কাকতাড়ুয়া   কথাসাহিত্যিক   সেলিনা হোসেন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাচ্ছে ‘ফারাজ’

প্রকাশ: ০৮:০২ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

ঢাকার হোলি আর্টিজানে ২০১৬ সালে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত বলিউড মুভি ‘ফারাজ’-এর মুক্তির ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিতাদেশ জারি করতে অস্বীকার করেছেন ভারতের দিল্লি হাইকোর্ট। কিন্তু আদালত শর্ত দিয়েছেন, ছবিটি পর্দায় দেখানোর সময় এই মর্মে একটি ‘ডিসক্লেইমার’ দিতে হবে যে সিনেমাটি ঢাকার জঙ্গি হামলার ঘটনার দ্বারা অনুপ্রাণিত হলেও সিনেমাতে তুলে ধরা ঘটনাগুলো ‘সম্পূর্ণ কাল্পনিক’ (পিওর ওয়ার্ক অব ফিকশন)।

বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুলের নেতৃত্বে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই সঙ্গে বলেছেন, ছবির নির্মাতা ও প্রযোজকদের এই ডিসক্লেইমারটি একেবারে ‘অক্ষরে অক্ষরে’ অনুসরণ করতে হবে।

বলিউডের সুপরিচিত পরিচালক হানসাল মেহতার নির্মিত ছবিটি আগামীকাল শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভারতের সিনেমা হলগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি পাবে বলে কথা রয়েছে।

দিল্লি হাইকোর্টের আজকের এই রায়ের পর ছবিটির মুক্তিতে আর কোনো বাধা রইল না। তবে ছবিটিতে এই ডিসক্লেইমারটি তাদের যোগ করার ব্যবস্থা করতে হবে।

একটি সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে সেলুলয়েডে কোনো ছবি বানানো হলে সেই হামলায় নিহত ভিকটিমের প্রাইভেসির অধিকার লঙ্ঘিত হয় কি না এবং ওই ভিকটিমের অবর্তমানে সেই অধিকার তার নিকটাত্মীয়দের ওপর বর্তায় কি না–এই প্রশ্নটিকে ঘিরে আলোচিত মামলাটি ভারতে এক অভূতপূর্ব আইনি বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

ঢাকার গুলশানের হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের অন্যতম অবিন্তা কবিরের মা রুবা আহমেদ অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর নিহত মেয়ের প্রাইভেসি লঙ্ঘন করে, পরিবারের কোনো সম্মতি না নিয়ে এবং ভুল তথ্য উপস্থাপন করে এই ‘ফারাজ’ ছবিটি বানানো হচ্ছে।

ছবিটির মুক্তি আটকাতে চেয়ে তিনি ভারতের আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন, কিন্তু গত বছরের অক্টোবরে দিল্লি হাইকোর্টে একক বিচারপতির বেঞ্চ ‘ফারাজ’ ছবিটির মুক্তির ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করেন।

তখন বিচারপতির যুক্তি ছিল, প্রাইভেসির অধিকার একান্তভাবেই ‘ইন পার্সোনাম’ (সেই ব্যক্তির নিজস্ব)–মৃত্যুর পর সেই অধিকার তার মা কিংবা আইনি উত্তরাধিকারীরা পাবেন বিষয়টা এমন নয়।

রুবা আহমেদ এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে তার শুনানি শুরু হয়। প্রায় তিন মাস ধরে দীর্ঘ শুনানির শেষে বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও তালওয়ান্ত সিংয়ের বেঞ্চ আজ তাদের রায় ঘোষণা করলেন।

ইতিমধ্যে তারা একাধিকবার বাদী ও বিবাদীপক্ষকে নিজেদের মধ্যে বসে আপেস-আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কিন্তু তাতে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

পরিচালক হানসাল মেহতার পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে বলেছিলেন, যেহেতু হোলি আর্টিজানের ঘটনাটি ‘পাবলিক ডোমেইনে’ বা জনসমক্ষে ঘটেছে সেখানে একজন ব্যক্তিবিশেষের গোপনীয়তা বা প্রাইভেসি রক্ষার বিষয়টিই অপ্রাসঙ্গিক ও অবান্তর।

অন্যদিকে বাদীপক্ষের প্রধান আইনজীবী অখিল সিবাল গত সপ্তাহেই সওয়াল করেন, “প্রথমত নির্মাতারা ভিকটিমের পরিবারের কোনো ‘কনসেন্ট’ বা সম্মতিই নেননি। অথচ ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা, মা-বাবা এখনো জীবিত আছেন।”

তিনি আরও বলেন, যেরকম নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তারা প্রাণ হারিয়েছেন, সেটাকে ব্যাবসায়িকভাবে কাজে লাগিয়ে মুনাফা করা হবে অথচ ভিকটিমের পরিবারের কোনো মতামতই নেওয়া হবে না–এটা গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে বিচারপতিরা আজ তাঁদের রায়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন ছবিটির বাণিজ্যিক মুক্তিকে তাঁরা কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করতে চান না–কিন্তু নিহতের পরিবারের অনুভূতিকে মর্যাদা দিয়ে তারা ছবিতে একটি নির্দিষ্ট ‘ডিসক্লেইমার’ও যোগ করতে বলেছেন।

‘ফারাজ’ ছবিটি ভারতে এখনো বাণিজ্যিক মুক্তি না পেলেও লন্ডনের একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি গত বছর দেখানো হয়েছে।

গত ২৪ জানুয়ারি সন্ধ্যাতেও দিল্লিতে প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে ছবিটির একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বাছাই করা অতিথি, সিনেমা সমালোচক ও শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ‘ফারাজ’ ছবিটি তাদের দেখানো হয়।

এই ছবিটিকে ঘিরে ভারতের সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মধ্যেও তুমুল আগ্রহ তৈরি হয়েছে। যার একটা বড় কারণ আদালতে এই ছবিটিকে নিয়ে চলা দীর্ঘ আইনি লড়াই।

ভারতীয় সিনেমার লেজেন্ড, প্রয়াত শশী কাপুরের পৌত্র জাহান কাপুরের অভিষেক হচ্ছে এই ছবিতে, তিনি ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র ফারাজ হোসেনের ভূমিকায় অভিনয় করছেন।

বলিউডের নামী অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের ছেলে আদিত্য রাওয়াল এবং রাজ বব্বরের মেয়ে জুহি বব্বরকেও এই ছবিতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে।

হোলি আর্টিজান   ফারাজ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ছেলেকে সোনার চামচে খাওয়াতে পরীর আয়োজন

প্রকাশ: ০৭:২১ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বর্তমান সময়ের ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম আলোচিত নায়িকা পরীমনি। প্রেম করে গেল বছর নায়ক অভিনেতা শরীফুল রাজকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পরে এই তারকা দম্পতির কোলজুড়ে এসেছে ফুটফুটে পুত্রসন্তান। রাজ-পরীর রাজ্যের সবকিছু এখন শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যকে ঘিরে। গত বছরের ১১ আগস্ট রাজ-পরীর কোল আলো করে জন্ম নেয় রাজ্য। সে হিসেবে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি ছয় মাস পূর্ণ হবে রাজ্যের। 

বিশেষ এই দিনটিতে ঘিরে আয়োজনে কমতি রাখছেন না রাজ-পরী। ছয়মাস পরে শিশুদের মুখে বাড়তি খাবার দেয়া হয়। ছেলের মুখেভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই তারকা দম্পতি। ছেলের মুখে সোনার চামচ দেবেন পরীমনি। তাই রাজ্যের জন্য তার বাবা এরই মধ্যে কিনেছেন সোনার চামচ ও বাটি।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) পরিমনি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্বর্ণের চামচ ও বাটির ছবি পোস্ট করেন। এর ক্যাপশনে লিখেন, বাজানের মুখে ভাতের আয়োজন। রাজ মিথ নিয়ে ফানটা খুব আরাম করেই করে। এসব ছেলের বাবার কাণ্ড। সুন্দর না?  এসবে কেউ আদিখ্যেতা মনে করলে আমার কিন্তু ভালোই লাগবে।

পরীমনি   রাজ   সন্তান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ভয়ঙ্কর পুতুল ‘মেগান’ আসছে বাংলাদেশে!

প্রকাশ: ০৭:০৯ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

ভূতের ছবির ভক্তদের নড়েচড়ে বসার সময় চলে এসেছে। নতুন বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা হলগুলোতে রীতিমত তান্ডব চালাচ্ছে পুতুলের মতো দেখতে এক ভয়ঙ্কর ভূত। এবার সেই ভূত আসছে বাংলাদেশে! গত ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পায় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীনির্ভর ভৌতিক ছবি ‘মেগান’। মুক্তির পর থেকে ছবিটি দেখার জন্য দর্শকদের বিপুল সমাগম ঘটে সিনেমা হলগুলোতে। 

১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেটের ছবি এরইমধ্যে আয় করেছে ১০৪ মিলিয়ন ডলার। প্রশংসা পেয়েছে সমালোচকদের কাছ থেকেও। যার ফলে বিশ্বজুড়ে ছবিটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বেড়ে চলেছে ক্রমাগত। শিগগিরই বাংলাদেশের দর্শকরা ছবিটি দেখার সুযোগ পাবেন। ৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে ‘মেগান’। 

ভৌতিক ছবি যারা নিয়মিত দেখেন তাদের ‘অ্যানাবেল’ ছবির কথা মনে আছে নিশ্চয়ই। ছবিতে দেখা গেছে, আদরের মেয়েটির আকস্মিক মৃত্যুর ২০ বছর পরে এক পুতুল-নির্মাতা ও তার স্ত্রী তাদের বাড়িতে এক সন্ন্যাসিনী ও কিছু অনাথ বা”চাকে জায়গা দেন। তারপরে শুরু হয় ভয়ঙ্কর সব কান্ড। ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছে অ্যানাবেল নামের পুতুলটি। কি সাংঘাতিক সব দৃশ্য! যারা দেখেছেন তারা জানেন। অ্যানাবেল এমনই আতঙ্ক তৈরি করেছে যে, এ ছবি দেখার পর নিজেদের বাড়ি থেকে অনেকেই ছোটদের খেলার সঙ্গী পুতুলকে বাড়ি থেকে ছুঁড়ে ফেলেছিলেন বলে জানা গেছে। শুধু ছোটরা নয় বাড়ির বড় সদস্যরাও ভয় পেতে শুরু করেন এমন খবরও এসেছে। ভয়ঙ্কর ভূতের ছবি দেখে অবস্থা এমনই হয়। অথচ গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। হরর ছবি ভয় তৈরি করে না, বরং ভয় প্রশমিত করে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, স্বে”ছায় হরর বিনোদন বেছে নিলে ভীতিকর পরিস্থিতি থেকে পালানোর প্রবণতা কমে। নিরাপদ পরিবেশে কৃত্রিম ভয়ম তৈরির মাধ্যমে হরর ফিকশন দর্শকদের আবেগ ও মানসিক স্থিতি নিয়ন্ত্রণ চর্চার সুযোগ করে দেয়। ফলস্বরূপ মানসিক স্থিতিশীলতা বাড়তে দেখা যায়। 

‘মেগান’-এর গল্পে দেখা যাবে, একটি খেলনা প্রস্তুতকারক কম্পানির দক্ষ রোবট বিশেষজ্ঞ জেমা (অ্যালিসন উইলিয়ামস) মেগান নামে একটি মানুষের আকারের একটি রোবট পুতুল ডিজাইন করে; এই রোবট পুতুলটি এআই (আর্টিফিশাল ইন্টেলিজেন্স) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, তার মানে মেগান মানুষের মত অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করতে পারে। মেগানকে এমন করে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে সেটি শিশুদের সার্বক্ষণিক সঙ্গী আর অভিভাবকদের সহায়ক হতে পারে। জেমার বোন ও তার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলে তাদের একমাত্র কন্যা কেডি (ভায়োলেট ম্যাকগ্রো) জেমার কাছে আশ্রয় পায়। জেমা কেডির অভিভাবক হলেও সব দায়িত্ব দেয়া হয় মেগানকে। মেগানকে নির্দেশ দেয়া হয় সে যাতে কেডির কোনও ক্ষতি না হয় তা নিশ্চিত করে। আর এই দায়িত্বটি মেগান বাড়াবাড়ি ভাবে পালন করতে শুরু করে। সহিংস হয়ে ওঠে মেগান আর একসময় সে গেমার নির্দেশ মানতেও অস্বীকৃতি জানায়। একের পর এক ভয়ংকর ঘটনা ঘটতে থাকে। 

ভূত   ছবি  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

আমাদের আহত করা হয়ত যাবে, কিন্তু ভেঙে ফেলা যাবে না: ফারুকী

প্রকাশ: ০৬:২৮ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

আপিল বোর্ডের অনুমতি পেলেও সময়মতো সেন্সর ছাড়পত্র না পাওয়ায় ‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার মুক্তির দিন পিছিয়ে গেল। বেআইনিভাবে সিনেমাটি আটকে রাখার জবাব চেয়েছেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফেসবুক স্ট্যাটাসে ফারুকী লিখেছেন, তিন তারিখ শনিবার বিকেল মুক্তি দেওয়া গেল না। কারণ, আমরা এখনও সার্টিফিকেট হাতে পাইনি। এই অত্যন্ত খারাপ কাজটার প্রতিক্রিয়ায় আমরা অধৈর্য হতে পারতাম। কিন্তু আমরা পণ করেছি, ধৈর্য ধরার। কারণ, আমরা জানি, আমাদের লক্ষ্য কি।

তিনি যোগ করেন, আমাদেরকে দেরি করিয়ে দেওয়া হয়তো যাবে, আহত করা হয়ত যাবে, কিন্তু ভেঙে ফেলা যাবে না। কারণ, আমরা উঠে এসেছি এই জাতির দগদগে বাস্তব আর লাল-নীল স্বপ্নের অনেক গভীর থেকে।

নির্মাতার ভাষ্য, ‘তিনের জায়গায় না হয় দশ হবে, কিন্তু বাংলার দামাল ছেলেদের দাবায়ে রাখতে পারবা না! আরেকটা কথা বলা দরকার, যে বা যারা আপিল কমিটি রায় দেওয়ার পরও বেআইনিভাবে সিনেমাটি এখনও আটকে রেখেছে তাদেরকে জবাব দিতে হবে, কোন কারণে আমাদের মুক্তিতে বিলম্ব ঘটানো হচ্ছে?’

শনিবার বিকেল   ফারুকী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন