কালার ইনসাইড

বাবার জন্য অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন ফারিন, দিলেন লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা

প্রকাশ: ০৫:০৯ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিনের সঙ্গে শুক্রবার রাজধানীর কুড়িলের শপিং মলের চলন্ত সিঁড়িতে ঘটে যায় দুর্ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে এক দিন পরে কথা বলেছেন অভিনেত্রী।র্ঘটনার সময় তাঁর সঙ্গে বাবা ও ভাই না থাকলে তিনি হয়তো প্রাণে বাঁচতেন না বলে জানান তিনি। 

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ফারিন ফেসবুকে লিখলেন, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার আশেপাশে যমুনা ফিউচার পার্কের প্রথম ফ্লোর থেকে গ্রাউন্ড ফ্লোরে নামার সময় গেট দিয়ে ঢুকেই যে মেইন অ্যাস্কেলেটরটা, সেখানটায় আমার দুর্ঘটনা ঘটে।

সিঁড়ির নিচে যে অ্যালুমিনিয়ামের নাকি স্টিলের সেটা জানি না, সে পাত খুলে বের হয়ে ধারালো কোনা আমার পায়ে আঘাত করে। বাবা ধাক্কা না দিলে দুজনই মারা যেতে পারতেন জানিয়ে তাসনিয়া ফারিন বলেন, আমি সিঁড়ির ডান পাশে ছিলাম। আর ওটা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। আমার পরনের প্যান্ট ছিঁড়ে যায় অনেকটুকু আর পায়ের বিভিন্ন স্থানে ছিলে যায় ও ডিপ কাট হয়, যেটা পরবর্তী সময়ে টের পাই। কিন্তু ওই মুহূর্তে শুধু একটা ইমেজ আমার মাথায় ঘুরেফিরে বারবার আসছে, তা হলো- কিছু বোঝার আগে সবাই গগনবিদারি চিৎকার করে উঠল আর আমি দেখলাম ডান পা স্ক্র্যাচ করে পায়ের পাশ দিয়ে মাঝখান হয়ে বাঁ পায়ের ওপরের দিকে একটা পাত ঢুকে যাচ্ছে আর চলন্ত সিঁড়িটিও আমাকে আরো সেদিকেই ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে! যদি গতকাল কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আমাকে আমার ভাই পেছন থেকে টান দিয়ে না সরাত বা আমার বাবা যদি আমাদের দুইজনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে না দিতেন, আমি জানি না আজকে এই স্ট্যাটাস লেখার জন্য আমি বেঁচে থাকতাম কি না। 

ফারিন বলেন, মজার ব্যাপার হলো, আমার এই ঘটনাকে আমি অ্যাকসিডেন্ট মানতে নারাজ। কারণ আমার এই ঘটনা ঘটার কমপক্ষে পনেরো মিনিট আগে আরেক ব্যক্তির সঙ্গে একই ঘটনা ঘটে। তার পায়ের মাংস ভেদ করে ওই পাতের কোনা ঢুকে যায়। উনি নিজে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে লোকজনকে নাকি সাবধান করছিলেন এবং দায়িত্ববান কাউকে খুঁজছিলেন। শেষে কাউকে না পেয়ে হেল্প ডেস্কে যান এবং এর মধ্যে আমার এই ঘটনা ঘটে, সাথে আরো একজন ভুক্তভোগী খুঁজে পাই। আমার চিৎকার-চেঁচামেচিতে ফাইনালি একজন স্টাফ আসে এবং অনেকবার বলার পর ম্যানেজার কল করে। ততক্ষণে প্রচুর মানুষ জড়ো হয়ে যাচ্ছে আর ব্যথার চেয়ে বেশি ফিল হচ্ছিল হিউমিলিয়েশন। 

অভিনেত্রী বলেন, ওখানে কোনো সিনক্রিয়েট করার চেয়ে আমার মনে হয়েছে ঠাণ্ডা মাথায় এটার সমাধান করা দরকার। তাই আমি বলার পর দুজন কর্মচারী আমাদের তিনজন আহত ব্যক্তি ও তাদের সঙ্গে যারা ছিল, সবাইকে বেজমেন্ট ১-এ নিয়ে যায়। আমাদের ধারণা ছিল, নিশ্চয়ই দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। আশ্চর্য বিষয় হলো, এত বড় মলে কোনো অ্যাম্বুল্যান্স অথবা ফাস্ট রেসপন্ডার তো দূরে থাক, একটা ফাস্ট এইড বক্স-ও নেই! পনেেরা-বিশ মিনিট তারা শুধু এই ফার্মেসি-সেই ফার্মেসি ফোন করল। কেউ নাকি দোকান ছেড়ে আসতে পারবে না। অবশেষে আধা ঘণ্টা পর একজন আসে আর ওই দুই ব্যক্তির চিকিৎসা করে। 

‘কারাগার’খ্যাত অভিনেত্রী বলেন, ফিমেল ডক্টর ছাড়া আমার চিকিৎসা সম্ভব ছিল না। এর মধ্যে আমার ভাইকে পাঠালাম একটা ট্রাউজার কিনে আনার জন্য। যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষের মতে, এই দুর্ঘটনা নাকি বেশি লোক ওঠার কারণে হয়েছে! তার মানে কি আপনারা আগে থেকেই জানতেন? নাকি ধারণক্ষমতার বেশি লোড নিয়ে আগে থেকেই এই অবস্থায় ছিল তা আপনারা টেরই পাননি? আর একজনের সাথে এটা হওয়ার পরও কেন কোনো অ্যাকশন নেননি আপনারা? এস্কেলেটরের দায়িত্বে থাকা কাউকে ডাকতে বললে বলে সে আসেনি। আর আমার এই পরিস্থিতিতে তারা আমাকে চা-কফি অফার করে, যেখানে আমার বসার মতো পরিস্থিতিও নেই। 


ফারিন খান   দুর্ঘটনা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বর্তমান শিল্পী সমিতির করুণ অবস্থা নিয়ে যা বললেন বাপ্পারাজ

প্রকাশ: ০৭:১৮ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

শাহরুখ অভিনীত বলিউডের আলোচিত-সমালোচিত ‘পাঠান’ সিনেমা মুক্তির ব্যাপারে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। দেশীয় হলগুলোতে সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে মুক্তি দিতে চেয়েছিল ‘অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যে এই বিষয়ে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে। খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই শোবিজ তারকাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সম্প্রতি ছবিটি মুক্তির বিষয়ে একটি বৈঠকও হয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়ে। তবে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি যে, বাংলাদেশে আদৌ ‘পাঠান’ মুক্তি দেওয়া হবে কি না।

এ প্রসঙ্গে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়িকা নিপুণ বলেন, বাংলাদেশে বলিউডের ছবি 'পাঠান' আসুক। তবে, যারা ছবিটি আনবেন তাদের লাভের ১০ শতাংশ শিল্পী সমিতির ফান্ডে দিতে হবে। আর এই অর্থ শিল্পীদের স্বার্থে তাদের প্রয়োজনে ব্যয় করা হবে।

হিন্দি ছবি আমদানি করে ১০ পারসেন্ট নিয়ে শিল্পী সমিতি কী করবে? তাদের এতোই করুন অবস্থা যে হিন্দি সিনেমার লাভ নিয়ে চলতে হবে? সম্প্রতি হিন্দি সিনেমার আমদানি বিষয়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দাবি প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও পরিচালক বাপ্পারাজ।

তিনি বলছেন, হিন্দি ছবি আমদানি করলে চলচ্চিত্রের নেতা, নেত্রীরা লাভবান হবে, তাছাড়া তো আর কাউকে লাভবান হওয়া দেখছি না।

ভারতে বাংলাদেশের সিনেমা যাচ্ছে না কেন? এমন প্রশ্ন রেখে বাপ্পারাজ বলেন, আমরা ছোট ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করি। আমাদের একটা ছোট ইন্ডাস্ট্রি, আমাদের ওভারসিজ মার্কেট নেই। ভারতের তো ১০০ ওভারসিজ মার্কেট রয়েছে, তারপরেও তারা বাংলাদেশে সিনেমা চালাতে চাচ্ছে। ঠিক আছে চালাক। কিন্তু আমাদের সিনেমা ওদের দেশে চালানোর সুযোগ দিক, ওরা কেন আমাদের সিনেমাকে আটকাচ্ছে?

সাফটা চুক্তির বিনিময়ে যে সকল সিনেমা এবং যে পদ্ধতি ভারতে বাংলাদেশের সিনেমা চালানো হয় তা মোটেও পছন্দ নয়  জজ ব্যারিস্টার খ্যাত এই অভিনেতার। তিনি বলেন,বারবার সাফটা চুক্তির কথা বলা হচ্ছে, সাফটা চুক্তি দিয়ে একটা বিগ বাজেটের সিনেমা নিয়ে আসলেন, কিন্তু শর্ত অনুযায়ী আমাদের একটা পুরানো আমলের কোনোরকম একটা সিনেমা নিয়ে গ্রামের হল যেখানে কেউ সেখানে চালিয়ে দিয়ে যদি বলে হ্যাঁ সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের সিনেমা চালালাম, তাহলে তো হলো না। সাফটা চুক্তির আওতায় আমাদের ভালো ভালো সিনেমা, হাওয়া, পরাণ ভারতের ভালো ভালো মাল্টিপ্লেক্সে দেন, তাহলে বুঝবো চুক্তি ঠিক আছে।

হিন্দি সিনেমা আমদানি যারা করতে চান, তাদের প্রতি প্রশ্ন রেখে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমাদের দেশে এক শ্রেণীর আতেল আছে,বোদ্ধা আছে। তারা বলছে হিন্দি সিনেমা আসুক, তারা এটা বলছে না কেন ওখানেও বাংলা সিনেমা চলুক? তারা কেন প্রোটেক্ট করে রাখছে বাংলা সিনেমা বাংলাদেশি টেলিভিশন চ্যানেল? তারা তো নিজেদের সিনেমার ব্যবসা করছে- আবার তাদের আলাদা আলাদা ইন্ডাস্ট্রিও আছে। সেখানেও তাদের সিনেমা চলছে। আমাদের তো কোনো ওভারসিজ মার্কেট নেই, এমনকী চট্টগ্রাম বরিশালেও ইন্ডাস্ট্রি নেই। আমাদের সিনেমা তাহলে চলবে কোথায়?’

শিল্পী সমিতির ১০ পারসেন্ট মুনাফা চাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করে বাপ্পারাজ বলেন,  তারা কেন ১০ পার্সেন্ট চায়? এই টাকা তারা কোথায় খরচ করবে? সেটা তো স্পষ্ট করে বলেনি। এই কমিশন চাওয়াটা শিল্পী সমিতির করুন অবস্থাকেই বোঝায়।  হিন্দি ছবি আমদানি করলে আসলে দেশের ইন্ডাস্ট্রি লাভবান হবে না, লাভবান এইসব চলচ্চিত্রের নেতা-নেত্রীরা।

কলকাতার শিল্পীরাও হিন্দি ছবি চালাতে চায় না, এমন উদাহরণ টেনে এই অভিনেতা বলেন,  আমরা হিন্দি সিনেমা আমদানির যেন উঠেপড়ে লেগেছি, অথচ আপনি কলকাতার ইন্ডাস্ট্রির শিল্পীদের দেখেন তারা কিন্তু মুম্বাইয়ের সিনেমাই পশ্চিমবঙ্গের সিনেমা চালাতে দিতে চায় না। তারা তাদের ভাষার সিনেমার জন্য নিবেদিতপ্রাণ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলিও পশ্চিমবঙ্গে হিন্দি সিনেমা চালানোর বিপক্ষে কথা বলেন। তিনি বলেন, ভারতের দক্ষিণে হিন্দি সিনেমা ঢুকতেই দেবে না, তারা হিন্দি বলতে কিছু বোঝেই না। মহারাষ্ট্র পারবে মারাঠি সিনেমাকে নামিয়ে দিয়ে হিন্দি সিনেমা চালাতে? পশ্চিমবঙ্গের সিনেমা হলে বাংলা সিনেমা চালানো চালানোকে রীতিমতো অবমাননা হিসেবে অভিহিত করেছেন এই অভিনেতা।

কৌশিক গাঙ্গুলি আরো বলেন, পশ্চিমবঙ্গের অ্যাম্বাসেডর শাহরুখ খান। তার সঙ্গে আমার যদি যোগাযোগ থাকতো তাহলে আমি বলতাম তোমার এই রাজ্যের ভাষার ছবিকে বাঁচাতে তুমি তোমার অঞ্চলে ফিফটি পারসেন্ট ছেড়ে দাও।

বাপ্পারজ কৌশিক গাঙ্গুলি ও প্রসেনজিতের বক্তব্যের সঙ্গে সমর্থন জানিয়ে বলেন, তারা তাদের ভাষার জন্য কতটা নিবেদিতপ্রাণ অথচ আমরা হিন্দি সিনেমা আনতে চাচ্ছি, কিন্তু আমাদের সিনেমা সেখানে যাবে কি না সেটা বলছি না।

হিন্দি সিনেমা আমদানির বিপক্ষে বাপ্পারাজ। তাহলে সিনেমা হল বাঁচানোর বিষয়ে পরিত্রাণ কী? দেশে নির্মিত সিনেমা দিয়েই বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে দাঁড় করান্মো সম্ভব বলে মনে করেন অভিনেতা। বাপ্পারাজ বলেন, এক সময় কলকাতার চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি বসে গিয়েছিল, একেবারে ধ্বংস্তুপে পরিণত্ হয়েছিল। তারা কিন্তু হিন্দি সিনেমাদিয়ে হল দাঁড়া করায়নি। তারা নিজেরা নতুনভাবে সিনেমা বানানো শুরু করে বাংলাদেশে সে সময় চলচ্চিত্রের রমরমা অবস্থা, বাংলাদেশের হিট সিনেমার কপিরাইট নিয়ে সেটাকে রিমেক করে বানিয়েছে। এক সময় তারা সফল হয়েছে। এখন কলকাতার ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়িয়ে গেছে। আমরাও সেভাবে দাঁড়াবো।


শিল্পী সমিতি   সাফটা চুক্তি   পাঠান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

সেক্স ও শাহরুখ খান, এই দুটোই শুধু বিক্রি হয় : নেহা ধুপিয়া

প্রকাশ: ০৬:২৮ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

সেক্স ও শাহরুখ খান, এই দুটোই শুধু বিক্রি হয়! ২০ বছর আগে এমন বিস্ফোরক এক মন্তব্য করেছিলেন বলিউড গ্ল্যামার গার্ল নেহা ধুপিয়া। সম্প্রতি পাঠান দেখে ২০০৪ সালে নিজের করা মন্তব্যটি পুনরায় স্মরণ করলেন অভিনেত্রী। ২০০৪ সালে ‘জুলি’ চলচ্চিত্রের প্রচারের সময় একথা বলেছিলেন নেহা। 

‘জুলি’ সিনেমায় খোলামেলা চরিত্রে অভিনয় করে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন নেহা ধুপিয়া। সিনেমাটির একটি ‘অন্তরঙ্গ দৃশ্য’ সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে নেহা বলেছিলেন, “যেহেতু জুলি’তে  শাহরুখ খান নেই, তাই সিনেমাটিতে প্রেম ও যৌন দৃশ্য থাকতে হবে। এখন শুধু দুটি জিনিস বিক্রি হয়। এক সেক্স, আর দুই শাহরুখ খান।” জুলি’তে নেহা একজন যৌনকর্মীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। 

প্রায় দুই দশক পরে নেহা শাহরুখ সম্পর্কে তার পুরনো বক্তব্য স্মরণ করেছেন। সম্প্রতি প্রজাতন্ত্র দিবসে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পাঠান’ দেখে শাহরুখের প্রশংসা করে টুইট করেছেন নেহা ধুপিয়া। ২০ বছর আগের নিজের সেই বক্তব্যটির উদ্ধৃতি দিয়ে নেহা লিখেছেন, ২০ বছর আগে আমার বক্তব্যটি সত্য প্রমাণিত হলো। এটি কোনো অভিনেতার ক্যারিয়ার নয়, এটি এক রাজার রাজত্ব!

এর আগে, বৃহস্পতিবার নেহা টুইটারে ‘পাঠান’-এর সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শাহরুখ খানের পাশাপাশি দীপিকা পাড়ুকোন এবং জন আব্রাহামের একাধিক প্রশংসা করেন। শাহরুখের একটি ছবি শেয়ার করে নেহা লিখেছেন, শাহরুখ, আপনার জন্য আমাদের যে ভালবাসা তা ব্যাখ্যা করা কঠিন।

এরপর দীপিকা পাড়ুকোনের অভিনয় ও গ্ল্যামারের প্রশংসাও করেন নেহা। সেই সঙ্গে সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করা জন আব্রাহামের ও পাঠানে দুর্দান্ত ক্যামিও দেওয়া সালমান খানের প্রশংসাও করেন নেহা। পাঠানের ঐতিহাসিক সাফল্যও কামনা করেন অভিনেত্রী।

শাহরুখ খান   নেহা ধুপিয়া  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ

প্রকাশ: ০৫:৩৬ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চলচ্চিত্র শিল্পে বিশেষ অবদান রাখায় ২০২১ সালের নির্বাচিত সিনেমা থেকে এ বছর ২৭ ক্যাটাগরিতে ৩৪টি পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২১ সালের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে চলচ্চিত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় যৌথভাবে এবার আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন অভিনেত্রী ডলি জহুর ও অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।  

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র যৌথভাবে হয়েছে মাতিয়া বানু শুকু (লাল মোরগের ঝুঁটি) ও রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য)।  

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা যৌথভাবে মো. সিয়াম আহমেদ (মৃধা বনাম মৃধা) ও মীর সাব্বির মাহমুদ (রাতজাগা ফুল), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী যৌথভাবে আজমেরী হক বাঁধন (রেহানা মরিয়ম নূর) ও তাসনোভা তামান্না (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে এম ফজলুর রহমান বাবু (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে শম্পা রেজা (পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা খল চরিত্রে মো. আবদুল মান্নান জয়রাজ (লাল মোরগের ঝুঁটি)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা কৌতুক চরিত্রে প্রভাষ কুমার ভট্টাচার্য্য মিলন (মৃধা বনাম মৃধা), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী আফিয়া তাবাসসুম (রেহানা মরিয়ম নূর), শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার জান্নাতুল মাওয়া ঝিলিক (যা হারিয়ে যায়)।

শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম (যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ গায়ক কে. এম. আবদুল্লাহ-আল-মুর্তজা মুহিন (শোনাতে এসেছি আজ-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা চন্দনা মজুমদার (দেখলে ছবি পাগল হবি-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গীতিকার প্রয়াত গাজী মাজহারুল আনোয়ার (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ সুরকার সুজেয় শ্যাম (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন)।

শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার নূরুল আলম আতিক (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা তৌকীর আহমেদ (স্ফুলিঙ্গ)।

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক সামির আহমেদ (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক শিহাব নূরুন নবী (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক দলগত-সৈয়দ কাশেফ শাহবাজি, সুমন কুমার সরকার, মাজহারুল ইসলাম রাজু (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক শৈব তালুকদার (রেহানা মরিয়ম নূর), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা ইদিলা কাছরিন ফরিদ (নোনাজলের কাব্য)। শ্রেষ্ঠ মেক-আপম্যান দলগত- মো. ফারুখ, মো. ফরহাদ রেজা মিলন (লাল মোরগের ঝুঁটি)।

শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আকা রেজা গালিব (ধর), শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র কাওসার চৌধুরী (বধ্যভূমিতে একদিন)।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদানের জন্য গত ১৬ আগস্ট তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১৩ সদস্যের জুরি বোর্ড গঠন করে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য ২০২১ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত ২১টি পূর্ণদের্ঘ্য, ১৭টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ৭টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্রসহ মোট ৪৫টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল

পুরস্কার হিসেবে নির্বাচিত প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেট মানের ১৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণ দিয়ে তৈরি একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও এককালীন নির্ধারিত পরিমাণ সম্মানী ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হবে। আজীবন সম্মাননার জন্য ৩ লাখ, শ্রেষ্ঠ পূর্ণদের্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালকের জন্য ২ লাখ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ১ লাখ টাকা দেওয়া হবে।


জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মা হারালেন রাখি সাওয়ান্ত

প্রকাশ: ০৪:৫৫ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বলিউড অভিনেত্রী ও রিয়ালিটি শো স্টার রাখি সাওয়ান্তের মা মারা গেছেন। কয়েক মাস ধরেই ব্রেন টিউমার এবং ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রীর মা। ভর্তি ছিলেন মুম্বাইয়ে টাটা ক্যানসার হাসপাতালের আইসিইউতে। শনিবার সেখানেই মৃত্যু হয় তার। বেশ কয়েক দিন ধরেই হাসপাতাল থেকে অসুস্থ মায়ের ভিডিও শেয়ার করে অনুরাগীদের প্রার্থনা করতে বলছিলেন রাখি, তবে শেষরক্ষা হলো না।

জানা গেছে, গত তিন বছর ধরেই ক্যানসারের সঙ্গে অক্লান্ত লড়াই চালাচ্ছিলেন জয়া দেবী। নিয়মিত মায়ের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদকর্মীদের আপটেড দিতেন রাখি। অসুস্থ মায়ের চিকিৎসায় সালমান খান ও সোহেল খান শুরু থেকেই পাশে ছিলেন রাখির। সে কথা অনেকবার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি শার্লিন চোপড়ার অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ আটক করেছিল রাখিকে। দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর মুক্তি মেলে রাখির। সোজা হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন বিগ বস মারাঠির এ প্রতিযোগী। রাখি সেইসময়ই জানান, ‘যে কোনো সময় যা কিছু ঘটে যেতে পারে, সকলে প্রার্থনা করুন। মা ভালো নেই’।

রাখির ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনায় ছিল সবসময়। গত মাসেই রাখি ঘোষণা করেন প্রেমিক আদিল খান দুরানির সঙ্গে গত মে মাসেই বিয়ের পর্ব সেরে ফেলেছেন তিনি। ইসলাম ধর্মও গ্রহণ করেছেন অভিনেত্রী। শুরুতে রাখির সঙ্গে সম্পর্ক  চাননি আদিল। পরে স্ত্রী হিসাবে রাখিকে গ্রহণ করেন আদিল। মায়ের অসুস্থতায় সারাক্ষণ রাখির পাশে ছিল আদিলও।

বলিউড   অভিনেত্রী   রাখি সাওয়ান্ত  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ফের নতুন সিনেমায় আফরান নিশো

প্রকাশ: ০৪:৩৮ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

ভার্সেটাইল অভিনেতা আফরান নিশো। বিভিন্ন সময় তাকে দর্শক বিচিত্র সব চরিত্রে দেখেছেন। ছোটপর্দায় ব্যাপক জনপ্রিয় এই অভিনেতা। তার নাটক মানেই ইউটিউবে মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ। শুধু ছোট পর্দায় নয় বর্তমানে ওটিটি মাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। এবার ছোট পর্দা, ওটিটির গণ্ডি ছাড়িয়ে অবশেষে সিনেমায় নেমেছেন আফরান নিশো। গত বছরের নভেম্বরে তিনি ‘সুড়ঙ্গ’ নামের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন। রায়হান রাফীর নির্মাণে সে ছবিতে তার নায়িকা তমা মির্জা। আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে ছবিটির শুটিং হবে। 

এরই মধ্যে পাওয়া গেলো আরেকটি সিনেমার খবর। এবারের প্রজেক্ট ‘কালপুরুষ’। নির্মাণ করবেন সঞ্জয় সমদ্দার। যিনি বর্তমানে ব্যস্ত আছেন কলকাতার সুপারস্টার জিতকে নিয়ে ‘মানুষ’ সিনেমার কাজে।



নিশোর সঙ্গে ছবিটির ব্যাপারে জানতে চাইলে বিস্তারিত কিছু বলেননি সঞ্জয়। তবে এতটুকু স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, তারা ছবিটি করছেন।

এদিকে আফরান নিশো গণমাধ্যমকে জানান, তার ভাবনা এখন সিনেমা ঘিরেই। সেজন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে নিয়মিত ঘাম ঝরাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘সিনেমার জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। গত ছয় মাসে ১৩ কেজি ওজন কমিয়েছি। আরও কিছুটা কমিয়ে পুরোদস্তুর ফিট হয়ে তবেই সিনে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবো।’

জানা গেছে, ‘কালপুরুষ’ সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন টপি খান। বর্তমানে ছবিটির চিত্রনাট্য ঘষামাজা চলছে। সেই সঙ্গে শিল্পী নির্বাচনও চলমান। তবে আফরান নিশোর সঙ্গে ইতোমধ্যেই চুক্তি সম্পন্ন হয়ে গেছে।

সঞ্জয় সমদ্দার কলকাতায় যে ‘মানুষ’ নির্মাণ করছেন, সেটির প্রযোজকও জিৎ। এতে নায়িকা হিসেবে আছেন ঢাকার বিদ্যা সিনহা মিম। ছবিটির সিংহভাগ শুটিং শেষ। বাকিটা সেরে দেশে ফিরেই ‘কালপুরুষ’ নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন তরুণ এ নির্মাতা।

আফরান নিশো   কালপুরুষ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন