কালার ইনসাইড

আমি কখনো বিসিএস দেইনি: তাহসান

প্রকাশ: ০৯:০৭ এএম, ১১ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার প্রেক্ষাপটে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান বলেছেন, তিনি কখনো বিসিএস পরীক্ষা দেননি। আর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আলোচিত সৈয়দ আবেদ আলী কখনো তাঁর মা জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগমের গাড়িচালক ছিলেন না।

অধ্যাপক জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম ২০০২ সালের মে মাস থেকে ২০০৭ সালের মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ছিলেন। আর সৈয়দ আবেদ আলী ১৯৯৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পিএসসির গাড়িচালক ছিলেন।

৫ জুলাই অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আবেদ আলীসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পিএসসির দুজন উপপরিচালক ও একজন সহকারী পরিচালকসহ পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আবেদ আলীর স্বীকারোক্তিতে ২০০৫ সাল থেকে পিএসসির অধীনে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন আবেদ আলী। এই অপকর্মের মাধ্যমে তিনি ঢাকায় দুটি বাড়ি, তিনটি ফ্ল্যাট, দামি গাড়িসহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরে বলা হয়, সৈয়দ আবেদ আলী পিএসসির একজন সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক ছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সৈয়দ আবেদ আলী তাঁর গাড়িচালক ছিলেন না। তিনি পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদানের আগেই আবেদ আলী চাকরিচ্যুত হন। আবেদ আলীকে তিনি কখনো দেখেননি।

এর মধ্যে একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সৈয়দ আবেদ আলী পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগমের গাড়িচালক ছিলেন। এর সঙ্গে আরেকটি বিষয়ও আলোচনায় আসে যে জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম পিএসসির চেয়ারম্যান থাকাকালে তাঁর ছেলে বর্তমান সংগীতশিল্পী তাহসান ২৪তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হয়েছিলেন। পরে ওই পরীক্ষা বাতিল হলে নতুন করে নেওয়া মৌখিক পরীক্ষায় তিনি অকৃতকার্য হন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে লেখালেখি করেন।

বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তাহসানের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তাহসান বলেছেন, তিনি কোনো দিন বিসিএস পরীক্ষাই দেননি।

তাহসান এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। বাংলাদেশ সময় আজ বুধবার রাত নয়টায় তিনি বলেন, ‘মানুষ বুঝে এসব ভুয়া খবর। এরই মধ্যে মানুষজন এর প্রতিবাদও করছে। নানানজন নানানভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে। আরেকটা কথা, আমি কিন্তু কোনো দিন বিসিএস দিইনি। আর যেই গাড়িচালকের (সৈয়দ আবেদ আলী) কথা বলা হচ্ছে, তিনি কোনো দিন আমার আম্মার গাড়িচালক ছিলেন না।’

সৈয়দ আবেদ আলী প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার ঘটনায় ২০১৪ সালে পিএসসি থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, আবেদ আলী যত দিন পিএসসির চাকরিতে ছিলেন, তত দিন তিনি সংস্থাটির কোনো চেয়ারম্যানের গাড়িচালক ছিলেন না। তিনি একজন যুগ্ম সচিবের গাড়িচালক ছিলেন।

তাহসান ও তাঁর মাকে নিয়ে আলোচনার মধ্যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ। তিনি তাহসানের নাম জড়িয়ে বিভিন্ন কথা প্রচার করার কারণে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। প্রিন্স মাহমুদ ফেসবুকে লিখেছেন, ‘তাহসানের পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশ হবার খবরটি সত্য নয়। তাহসানের নামে ছড়ানো খবরটি একেবারেই মিথ্যা, সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

সাধারণ মানুষের নজর অন্য দিকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য এসব ‘ভুয়া’ খবর সামনে আনা হয় মন্তব্য করে প্রিন্স মাহমুদ লিখেছেন, ‘তাহসানের বাবা–মা দুজনেই অত্যন্ত সৎ মানুষ। ছোটবেলা থেকে দেখেছি। সাধারণ সরকারি কর্মকর্তাদের বাচ্চাদের মতো বড় হয়েছে তাহসান। কোনোরকম বিলাসিতা দেখিনি। যা তাহসানের অর্জন, সমস্তটা গানের জন্যই। প্রকৃত অসৎদের ধামাচাপা দেয়ার জন্য এগুলো ছড়ানো হচ্ছে। তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’


তাহসান   প্রশ্নফাঁস   বিসিএস   সৈয়দ আবেদ আলী  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

থামছেই না ‘কল্কি’ ঝড়, ২০ দিনে আয় কত?

প্রকাশ: ০৫:২৫ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

গত ২৭ জুন মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই নাগ অশ্বিন পরিচালিত ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তুলেছে। ছবিটি মুক্তির ২০ দিন পেরিয়েছে এবং এরই মধ্যে আয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছে।

বক্স অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০ দিনে সিনেমাটি ভারত থেকে ৫৮৯ কোটি রুপি আয় করেছে। ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ প্রথম দিনেই ভারতীয় বক্স অফিসে ৯৫ কোটি রুপি আয় করে। এর মধ্যে কেবল তেলেগু সংস্করণ থেকেই আয় হয়েছে ৬৪ কোটি ৫০ লাখ রুপি, আর হিন্দি সংস্করণে ২৪ কোটি রুপি আয় হয়েছে।

মুক্তির প্রথম সপ্তাহে ছবিটি মোট ৪১৪ কোটি ৮৫ লাখ রুপি আয় করেছে। এই সফল ছবিটি পরিচালনা করেছেন নাগ অশ্বিন এবং এতে অভিনয় করেছেন প্রভাস, দীপিকা পাড়ুকোন, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান, দিশা পাটানি প্রমুখ। এছাড়াও ম্রুণাল ঠাকুর, দুলকার সালমান, বিজয় দেবেরাকোন্ডা, এস এস রাজামৌলি এবং রাম গোপাল ভার্মাকে অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে।


কল্কি   রেকর্ড   প্রভাস   দীপিকা পাড়ুকোন   অমিতাভ বচ্চন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

পতাকা হচ্ছে রক্তাক্ত, পুরো জাতি কি আজ অবুঝ : আফরান নিশো

প্রকাশ: ০৫:১০ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কারের আন্দোলনে উত্তাল সারা দেশ। তারকারাও এই আন্দোলনে সক্রিয় সমর্থন জানাচ্ছেন। আন্দোলনকারীদের পক্ষে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিচ্ছেন। এর মধ্যে অভিনয়শিল্পী আফরান নিশো কিছুটা নিরব ছিলেন, যা নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপে আলোচনা ও সমালোচনা চলছিল। অবশেষে, আজ সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি কবিতা পোস্ট করে নিশো নিজের মত প্রকাশ করেছেন।

কবিতার নিচে লেখা ছিল "আ/নি," যা থেকে ধারণা করা যায় যে কবিতাটি নিশোরই লেখা। কবিতায় তিনি প্রশ্ন তুলেছেন লাল-সবুজের পতাকায় কেন আজ এত লাল রঙ দেখা যাচ্ছে।

তিনি লেখেন: "আমার সোনার বাংলা,
আমাদের প্রাণ,
লাল-সবুজের পতাকা,
সবুজের মাঝে লাল...
বাবা মুক্তিযোদ্ধা,
চেতনা-
লড়ব যদি যাক প্রাণ...
লাল-সবুজের পতাকা...
তাদেরই প্রতিদান,
তাদের আত্মত্যাগের ঘ্রাণ...
তবে আজ...
কেন এত... লাল???"

তিনি আরও লেখেন: "সবুজে লাল খুঁজি...
লালে নয় সবুজ
পতাকা হচ্ছে রক্তাক্ত...
পুরো জাতি কি আজ অবুঝ?
বলেন না?
মা বলেন ...আর চাই না লাল...
ফিরিয়ে দাও... আমার সবুজ।
লাল-সবুজের পতাকায় আজ কেন এত লাল?
শান্তি চাই
হোক সংস্কার
অপমান চাই না
রক্তাক্ত রাজপথ চাই না
হোক সমাধান
লাল-সবুজের পতাকায় আর তো লাল চাই না..."

উল্লেখ্য, আফরান নিশোর বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার লাশ দাফন করা হয়।

কোটা আন্দোলন   আফরান নিশো   পোস্ট  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

৭৬তম এমি অ্যাওয়ার্ডস এর মনোনয়ন ঘোষণা

প্রকাশ: ০৪:৫১ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

টেলিভিশনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার এমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনীতদের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (১৮ জুলাই) সকালে ঘোষণা করা হয় ৭৬তম এমি অ্যাওয়ার্ডের নমিনেশন। এবারের নমিনেশনে ২৫টি মনোনয়ন নিয়ে শীর্ষে রয়েছে এফএক্স-এর জনপ্রিয় সিরিজ ‘শোগুন’। সেরা ড্রামা, সেরা অভিনেতাসহ বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে এই সিরিজটি মনোনীত হয়েছে। এছাড়া, এফএক্স-এর আরেকটি সিরিজ ‘দ্য বিয়ার’ ২৩টি মনোনয়ন পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, যা কমেডি সিরিজ হিসেবে রেকর্ডসংখ্যক মনোনয়ন।

হুলুর ‘অনলি মার্ডারস ইন দ্য বিল্ডিং’ ২১টি মনোনয়ন পেয়েছে, এইচবিও/ম্যাক্সের ‘ট্রু ডিটেকটিভ: নাইট কান্ট্রি’ ১৯টি, এবং নেটফ্লিক্সের ‘দ্য ক্রাউন’ ১৮টি মনোনয়ন পেয়ে সেরা পাঁচে স্থান পেয়েছে।

সেরা অভিনেতার মনোনয়নে আছেন ইদ্রিস এলবা (হইজ্যাক), ডোনাল্ড গ্লোভার (মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ), ওয়ালটন গগিন্স (ফলআউট), গ্যারি ওল্ডম্যান (স্লো হর্সেস), হিরোয়ুকি সানাদা (শোগুন), এবং ডমিনিক ওয়েস্ট (দ্য ক্রাউন)।

অন্যদিকে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন ক্রিস্টিন বারানস্কি (দ্য গিল্ডেড এজ), নিকোল বেহারি (দ্য মর্নিং শো), এলিজাবেথ ডেবিকি (দ্য ক্রাউন), গ্রেটা লি (দ্য মর্নিং শো), লেসলি ম্যানভিল (দ্য ক্রাউন), কারেন পিটম্যান (দ্য মর্নিং শো) এবং হল্যান্ড টেলর (দ্য মর্নিং শো)।

সেরা ড্রামা সিরিজের জন্য লড়বে ‘দ্য ক্রাউন’ (নেটফ্লিক্স), ‘ফলআউট’ (প্রাইম ভিডিও), ‘দ্য গিল্ডেড এজ’ (এইচবিও), ‘দ্য মর্নিং শো’ (অ্যাপল টিভি+), ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ (প্রাইম ভিডিও), ‘শোগুন’ (এফএক্স), ‘স্লো হর্সেস’ (অ্যাপল টিভি+), এবং ‘থ্রি বডি প্রবলেম’ (নেটফ্লিক্স)।

এবারের নমিনেশনে নেটফ্লিক্স সর্বোচ্চ মনোনয়ন পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। মোট ৩৫টি প্রোগ্রাম মিলিয়ে নেটফ্লিক্স পেয়েছে ১০৭টি মনোনয়ন, এফএক্স ৯৩টি, এইচবিও ৯১টি এবং অ্যাপল টিভি ৭২টি মনোনয়ন পেয়েছে।

বুধবার এল ক্যাপিটান থিয়েটারে একটি অনুষ্ঠানে টনি হেল, শেরিল লি রাল্ফ এবং টেলিভিশন একাডেমির চেয়ার ক্রিস অ্যাব্রেগো এবারের মনোনীতদের নাম ঘোষণা করেছেন। ৭৬তম এমি অ্যাওয়ার্ড ১৫ সেপ্টেম্বর লস অ্যাঞ্জেলেসের পিকক থিয়েটার থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে।


এমি অ্যাওয়ার্ড   মনোনয়ন   শোগুন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

কোটা আন্দোলন নিয়ে যে বার্তা দিলেন স্বস্তিকা

প্রকাশ: ০৪:৩৩ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমেছে শিক্ষার্থীরা। দেশজুড়ে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা যেকোনো মূল্যেই কোটা সংস্কার চান এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না বলে জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যখন সারাদেশ উত্তাল, তখন শোবিজ তারকারাও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। সাধারণ জনগণের পাশাপাশি তারকারাও সরব এই ইস্যুতে। এবার কোটা আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন ওপার বাংলার অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। তিনি জানান, তার ভীষণ অস্থির লাগছে।

স্বস্তিকা নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্টে লেখেন, "প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলে না। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো।"

বাংলাদেশের স্মৃতিচারণ করে তিনি লিখেন, "এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলায় যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয় না, মা'ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশে, কিন্তু নিয়ে যাওয়া হয়নি। আজ একটি ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠগোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। মেঘগুলোও এক রকম। আজ ওখানে বারুদের গন্ধ। এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না। সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখব? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এটি সম্ভবত মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটি জাতির পক্ষেই সম্ভব।"

অভিনেত্রী জানান, "আজ ভীষণ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করব বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো—সেই আমাদের আলো...আলো হোক...ভাল হোক সকলের।"

কোটা আন্দোলন   স্বস্তিকা মুখার্জি   অভিনেত্রী  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

করজোড়ে মিনতি করছি, হানাহানি বন্ধ করুন : কবীর সুমন

প্রকাশ: ০৪:১৭ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কলকাতার বরেণ্য সংগীতশিল্পী কবীর সুমন দেশের চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিষয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংসতা বন্ধের জন্য সব পক্ষকে আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সব পক্ষকে করজোড়ে মিনতি করছি, অনুগ্রহ করে হিংসা-হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি- বাংলা ভাষার কসম, শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন।’

পোস্টে কবীর সুমন আরও বলেন, ‘আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। তার বিষয়-আশয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আমি ভুলতে পারি না। কেনই বা ভুলব?’

ওপার বাংলার এই গায়ক বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছবি দেখছি। ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করছেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা যাচ্ছে কাজী নজরুল ইসলামের “কারার ঐ লৌহকপাট” গানটি। মনে হচ্ছে গানটি এডিট করে ভিডিওর সঙ্গে বসানো হয়েছে। সঠিক কাজই হয়েছে। বহুবার দেখেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আমার গানের লাইন লিখেছেন দেওয়ালে। পশ্চিমবঙ্গে সে তুলনায় কিছুই দেখিনি। মনে মনে আমি বাংলাদেশেরও নাগরিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার জীবনসায়াহ্ন কাটছে মাভাষায় খেয়াল রচনা করে, গেয়ে, শিখিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের সরকার আমার বাংলা খেয়ালকে স্বীকৃতি দিয়েছেন, যদিও তাদের কিছু শিল্পী আমার এবং বাংলা খেয়াল নিয়ে বিদ্রূপ করেছেন।’

দীর্ঘ পোস্টে কবীর সুমন আরও লিখেছেন, ‘আমার জীবনের সেরা কাজ বাংলা খেয়াল বাংলাদেশে চর্চা করা। মরহুম আজাদ রহমান বেশ কিছু বাংলা খেয়াল রচনা করে গিয়েছেন। বাংলা ভাষা আর বাংলা খেয়ালের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আমার ভালোবাসার বন্ধন। ঢাকায় গানের অনুষ্ঠান করতে গিয়ে যে সম্মান ও ভালোবাসা পেয়েছি, তা ভারতে ক’বার পেয়েছি?’

কোটা আন্দোলনে সহিংসতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে থাকতে পারি না। আমি জানি না ঠিক কী কারণে এমন হচ্ছে, কারা জড়িত। তবুও করজোড়ে মিনতি করছি: অনুগ্রহ করে হিংসা-হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি: শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন। আমি ঢাকায় যেতে পারছি না। পারলে যেতাম, রাস্তায় বসে সবাইকে শান্তির আহ্বান জানাতাম।’

শেষে একটি স্বরচিত কবিতা জুড়ে দিয়েছেন সুমন। কবিতাটি হলো- 

হানাহানি বন্ধ হোক।
বন্ধ হোক উল্টোপাল্টা কথা বলে দেওয়া।
বাঁচুক বাংলাদেশ।
বাঁচুন বাংলাদেশের সকলে।
জয় বাংলাদেশ
জয় মুক্তিযুদ্ধ
জয় অসংখ্য বাংলাদেশির শাহাদাত ও অপূরণীয় ক্ষতিস্বীকার
জয় বীরাঙ্গনারা
জয় বাংলা ভাষা!


কোটা আন্দোলন   কবীর সুমন   পোস্ট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন