ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

র‍্যাবের অভিযানে ভেজাল জৈব সার ও রাসায়নিক কীটনাশক জব্দ

স্থানীয় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৫ জুন ২০২০ শুক্রবার, ০৯:৫৩ এএম
র‍্যাবের অভিযানে ভেজাল জৈব সার ও রাসায়নিক কীটনাশক জব্দ

র‍্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার শিবগঞ্জ এলাকায় বৃহম্পতিবার দুপুরে এসডি এগ্রোভেট নামে একটি কোম্পানীতে অভিযান পরিচালনা করে ভেজাল জৈব সার ও রাসায়নিক কীটনাশক জব্দ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। পরে জব্দকৃত উক্ত ভেজাল জৈব সার ও রাসায়নিক কীটনাশক সরঞ্জামাদি ঘটনাস্থলে স্থানীয় উপস্থিত লোকজনের সম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

বৃহস্পতিবার র‍্যাব -৫, রাজশাহীর সিপিসি-৩, জয়পুরহাটের পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব -৫, রাজশাহীর সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল কর্তৃক কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম মোহাইমেনুর রশিদ, পিপিএম-সেবা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এসএম অনীক চৌধুরী, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয় নওগাঁর নেতৃত্বে বৃহম্পতিবার দুপুর আনুঃ সাড়ে ১২টায় নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলাধীন শিবগঞ্জ এলাকায় এসডি এগ্রোভেট কোম্পানীতে অভিযান পরিচালনা করে ভেজাল রাসায়নিক জিপসাম ১০হাজার কেজি, ভেজাল জৈব জিপসাম ৯ হাজার কেজি, লাইসেন্স বিহীন জৈব সারের কাঁচামাল ২২হাজার ৫শ কেজি, লাইসেন্স বিহীন রাসায়নিক সারের কাঁচামাল ১৮হাজার কেজি, মেয়াদ উত্তীর্ণ রাসায়নিক সারের কাঁচামাল ১৪হাজার কেজি, তরল কীটনাশ ১৮শ লিটার, কীটনাশক চক ২০হাজার পিস, বিভিন্ন অবৈধ লেবেল ১৫হাজার পিস, রাসায়নিক চক ৪হাজার ২শ কেজি পাউডার উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আলহাজ মোঃ মোতাহার হোসেন ভেজাল জৈব সার ও রাসায়নিক কীটনাশক তৈরি এবং বিক্রয় ও সরবরাহের কথা স্বীকার করে। উক্ত ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করেন।

পরবর্তীতে উক্ত প্রতিষ্ঠান হতে উদ্ধারকৃত ভেজাল জৈব সার, রাসায়নিক কীটনাশক ও অন্যান্য সকল সরঞ্জামাদি ভ্রাম্যমাণ আলাদত কর্তৃক জব্দ করা হয় এবং বেশির ভাগ জব্দকৃত সরঞ্জামাদি ঘটনাস্থলে স্থানীয় উপস্থিত লোকজনের সম্মুখে ধ্বংস করা হয় এবং কিছু কিছু সরঞ্জামাদির নমুনা বিসিএসআইআর-এ রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়।