ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৫ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

ছয় জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২০ শনিবার, ১১:১৩ এএম
ছয় জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি

কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নওগাঁ জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একইসঙ্গে সিলেট, সুনামগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নেত্রকোনা, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর ও ঢাকা জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকার কথাও জানানো হয়েছে।

উজানের ঢল এবং অতিবৃষ্টিতে গত জুন মাস থেকে সৃষ্ট বন্যায় উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়। তবে এখন শুধু নিন্মাঞ্চল নয়, উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ জেলাসহ জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, সিলেট, সুনামগঞ্জ ফরিদপুর, মাদারীপুরসহ ১৭টি জেলায় বন্যা হচ্ছে। এর ফলে এসব অঞ্চলে আউশ ধানসহ, পাট, সবজি, বাদাম, তিল ইত্যাদি ফসল ডুবে গেছে।

জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক সহায়তায় ২৭ জেলার জন্য এক হাজার ৫৫০ মেট্রিক টন চাল, ৮৭ লাখ টাকা ও ১৪ হাজার অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। টাকার মধ্যে ১৩ লাখ ত্রাণ হিসেবে বিতরণ, গো-খাদ্যের জন্য ৫৪ লাখ এবং শিশু খাদ্যের জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের অনুকূলে এ বরাদ্দ দিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ঢাকা, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, বরাদ্দ করা ত্রাণ (চাল ও নগদ টাকা) শুধু আপদকালীন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়া অন্য কোনো কাজে এ বরাদ্দ বিতরণ করা যাবে না। মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশনা অনুসরণ করে এ বরাদ্দ বিতরণ করতে হবে। নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় হিসাব সংরক্ষণ করতে হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদান ও সমন্বয় কেন্দ্রের তথ্যানুযায়ী, বন্যায় ৭ লাখ ৩১ হাজার ৯৫৮টি পরিবারের ৩০ লাখ ৪০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।