ইনসাইড বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে বর্জ্য অপসারণে সাড়ে ৪ হাজার কর্মী মাঠে নামিয়েছে চসিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২:২৪ পিএম, ২১ জুলাই, ২০২১


Thumbnail

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যে এবার বন্দর নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কর্মী মাঠে নামিয়েছে।

বুধবার (২১ জুলাই) ঈদের দিন সকাল থেকেই এসব কর্মীরা বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত আছেন বিভিন্ন ওয়ার্ডে। এছাড়া ৩৩০টি গাড়ি রাখা হয়েছে সার্বক্ষণিক বর্জ্য অপসারণে। কাজে নিয়োজিতদের সুরক্ষায় দেওয়া হয়েছে সুরক্ষাসামগ্রী।

চসিক জানায়, সিটি করপোরেশনের দামপাড়া নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারক করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পশুর বর্জ্য ডাম্পিং পয়েন্টে নিতে জোরেশোরে চলছে কাজ।

দ্রুত বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যে চসিকের দামপাড়া অফিসে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। যার নম্বর ৬৩০৭৩৯ ও ৬৩৩৬৪৯।

এদিকে বন্দর নগরে পশু কোরবানির জন্য ৩০৪টি স্থান নির্ধারণ করেছিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। পাশাপাশি যত্রতত্র পশুর চামড়া না ফেলার নির্দেশনা রয়েছে।

চসিক মেয়র এম রেজাউল করিম বলেন, ‘কোরবানির পশু জবাইয়ের পর ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণে সাড়ে ৪ হাজার সেবক ও ৩৩০টি গাড়ি, ওয়াকিটকি, কন্টেইনার মুভারসহ যা যা প্রয়োজন সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি শহরকে বর্জ্যমুক্ত রাখতে। আশাকরি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নগরের সব বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হবে।’

মেয়র আরও বলেন, ‘অতীতে নির্দিষ্ট সময়ে কোরবানী বর্জ্য অপসারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সুনাম রয়েছে। সেই সুনাম ধরে রাখার লক্ষ্যে এবারও সেইভাবে কাজ করা হচ্ছে।’

নগরের কোথাও ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখলে কন্ট্রোরুমের ফোন নম্বরে জানানোর আহ্বান এবং বর্জ্যমুক্ত শহর উপহার দিতে নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন মেয়র।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত সারের মজুত রয়েছে: কৃষি মন্ত্রণালয়

প্রকাশ: ১০:১০ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত সারের মজুত রয়েছে: কৃষি মন্ত্রণালয়

দেশে চাহিদার বিপরীতে সব ধরনের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি কৃত্রিমভাবে যাতে কেউ সারের সংকট তৈরি করতে না পারে এবং দাম বেশি নিতে না পারে, সে বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিবিড় তদারকি করছেন বলেও জানানো হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, বর্তমানে (১৮ আগস্ট) ইউরিয়া সারের মজুত ৬ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন, ডিএপি ৭ লাখ ৩৬ হাজার টন ও এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন। 

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সারের বর্তমান এ মজুত বেশি। গত বছরের এ সময়ে ইউরিয়া সারের মজুত ছিল ৬ লাখ ১৭ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ২ লাখ ২৭ হাজার টন ও ডিএপি ৫ লাখ ১৭ হাজার টন। 

সারের বর্তমান মজুতের বিপরীতে আগস্ট মাসে সারের চাহিদা ইউরিয়া ২ লাখ ৫১ হাজার টন, টিএসপি ৪৭ হাজার টন, ডিএপি ৮১ হাজার টন, এমওপি ৫২ হাজার টন বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। 

পর্যাপ্ত সার   মজুত   কৃষি মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আজ রাজধানীর কোথায় কখন লোডশেডিং

প্রকাশ: ০৯:৪৬ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail আজ রাজধানীর কখন কোথায় লোডশেডিং

দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি কমাতে গত ১৯ জুলাই থেকে চলছে শিডিউল করে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং। প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় লোডশেডিং কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের এ শিডিউল পরিবর্তনও হচ্ছে। তাই সরকারের পক্ষ থেকে জনগণের ভোগান্তি কমাতে কোন এলাকায় কখন লোডশেডিং হবে তার সময়সূচি আগেই জানিয়ে দেয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীতে সম্ভাব্য লোডশেডিংয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ডিপিডিসি ও ডেসকো।   

আজ কোথায়, কখন লোডশেডিং হবে, তার তালিকা দিয়েছে সংস্থা দুটি। এ প্রতিবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত ডিপিডিসি ও ডেসকোর সময়সূচি থেকে জেনে নিতে পারেন কোথায়, কখন লোডশেডিং হবে।

লোডশেডিংয়ের তালিকা:



লোডশেডিং   বিদ্যুৎ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ভারতকে বলেছি শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:৩৮ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ভারতকে বলেছি শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, নয়াদিল্লিতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে আমার দেখা হয়। আমি দেশটিতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। আজকে অনেকের বক্তব্যতে সেটাই এসেছে। শেখ হাসিনা আমাদের আদর্শ। তাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ভারতবর্ষের সরকারকে সেটা করতে অনুরোধ করেছি।

বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরীর জেএমসেন হলে জন্মাষ্টমী উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখলে আমাদের দেশ উন্নয়নের দিকে যাবে এবং সত্যিকারের সাম্প্রদায়িকতামুক্ত একটা দেশ হবে। অনেকেই আমাকে ভারতের দালাল বলেন। কারণ অনেক কিছু হয়, আমি স্ট্রং স্টেটমেন্ট দিই না। কিন্তু আমারও তো একটি কনস্টিটিউয়েন্সি আছে। সেটাকে তো আমি ইগনোর করতে পারি না। 

তিনি বলেন, আমি ভারত সরকারকে বলেছি, আমার দেশে কিছু খারাপ লোক আছে, কিছু উগ্রবাদী আছে। আমার দেশ সারা পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন না। আপনাদের দেশে যখন কিছু অসুবিধা হয়, আমরা চুপ করে থাকলেও খারাপ লোক খবর পায়। কিছুদিন আগে আপনাদের দেশের এক ভদ্রমহিলা কিছু কথা বলেছিলেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে একটি কথাও বলিনি। বিভিন্ন দেশ কথা বলেছে, আমরা বলিনি। এ ধরনের প্রটেকশন আমরা আপনাদের দিয়ে যাচ্ছি। সেটা আপনাদের মঙ্গলের জন্য, আমাদের মঙ্গলের জন্য। আমরা যদি একটু বলি, তখন আমাদের উগ্রবাদীরা আরও সোচ্চার হয়ে আরও বেশি বেশি কথা বলবে। তাতে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন হবে। আমাদের স্থিতিশীলতা বিঘ্ন হবে। সেইজন্য আমি ভারতবর্ষকে বলেছি যে, আমরা এমন ভাবে কাজ করব যাতে আমাদের কোন কারণে কোন উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডকে কখনও প্রশ্রয় দেব না। এটা যদি আমরা করতে পারি, ভারত এবং বাংলাদেশ উভয়ের মঙ্গল।

মন্ত্রী বলেন, আমি বলেছি, শেখ হাসিনা আছেন বলে ভারতের যথেষ্ট মঙ্গল হচ্ছে। এ বর্ডারে অতিরিক্ত খরচ করতে হয় না। আর আমাদের উন্নতি হচ্ছে বলে ভারতে লোক যায়। ২৮ লাখ লোক আমাদের দেশ থেকে প্রতিবছর ভারতে বেড়াতে যায়। ভারতের কয়েক লাখ লোক আমাদের দেশে কাজ করে। এটি সম্ভব হয়েছে আমাদের সোনালী অধ্যায়ের ফলে। সুতরাং আমরা কোনো ধরনের উস্কানিমূলক কাজ করব না। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি গোহাটি গিয়েছিলাম। আসামের মুখ্যমন্ত্রী আমাকে বললেন, শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের অনেক কৃতজ্ঞতা। আমি বললাম কেনো। তিনি বলেন, আমাদের এখানে রাস্তাঘাট হচ্ছে, শিল্প কারখানা আসতেছে। এগুলো সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার জন্য। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। বাংলাদেশে সন্ত্রাসের কোন জায়গা নেই। এর ফলে আসামে ও মেঘালয়ে কোন সন্ত্রাসী নেই। তিনি বলছেন এই কারণে বিভিন্ন কোম্পানি এসে এখানে শিল্প কারখানা খুলছে। 

তিনি বলেন, আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, শেখ হাসিনার স্থিতিশীলতা চাই৷ তিনি আমাদের জন্য আশীর্বাদ। 

এর আগে জন্মাষ্টমী উৎসবের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। সেখানে আরও বক্তব্য দেন বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, ঢাকা মহানগর জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক এস কে সিকদার, চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি দুলাল চন্দ্র দে ও সাধারণ সম্পাদক শংকর সেনগুপ্ত।

ভারত   শেখ হাসিনা   পররাষ্ট্রমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

লিটারে ৪০ টাকারও কম দামে ডিজেল দেবে রাশিয়া

প্রকাশ: ০৮:২৪ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail লিটারে ৪০ টাকারও কম দামে ডিজেল দেবে রাশিয়া

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিতিশীলতার কারণে সংকটে পড়েছে বাংলাদেশও। লোকসান এড়াতে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়েছে সরকার। কিন্তু এর প্রভাব পুরো বাজার ব্যবস্থাকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। ফলে তেল আমদানির বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার। এমন পরিস্থিতিতে কম দামে জ্বালানি তেল কিনতে রাশিয়ার দিকে হাত বাড়াচ্ছে সরকার। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা হয়। এ সভায় রাশিয়ার থেকে তেল আমদানি নিয়ে আলোচনা ওঠে।

কীভাবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করা যাবে, তা পর্যালোচনা করে দেখার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবেশী দেশ ভারত যদি পারে, বাংলাদেশও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে কেন পারবে না সেই প্রশ্নও করেছেন সরকারপ্রধান।

জানা গেছে, রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের নানা রকম নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। ফলে তেল কেনার গ্রাহক খুঁজছে দেশটি। গত সপ্তাহে বাংলাদেশের কাছে আবারো পরিশোধিত তেল বিক্রির প্রস্তাব পাঠায় রাশিয়ার তেল উৎপাদন ও বিপণন কোম্পানি রজনেফ্ট।

আগে তেল কেনায় আগ্রহী না হলেও এখন বাংলাদেশ বিষয়টি ভেবে দেখছে। এরই মধ্যে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিষয়ে আলোচনা করতে কমিটিও গঠন করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।

বিপিসি সূত্র বলছে, বর্তমানে প্রতি ব্যারেল (১৫৯ লিটার) ডিজেল আমদানি করতে ১২৫ ডলারের মতো খরচ পড়ছে বিপিসির। অপরিশোধিত ক্রুড অয়েল আনতে খরচ পড়ছে ৯০ ডলার। তবে প্রতি ব্যারেল ডিজেল মাত্র সাড়ে ৫৭ ডলারে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে দেবে রাশিয়ান তেল উৎপাদন ও বিপণন কোম্পানি ‘রজনেফ্ট’। সেই হিসাবে প্রতি লিটার ডিজেলে আমদানি খরচ পড়বে ৪০ টাকারও কম।

বিপিসির কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের (রাশিয়ান কোম্পানি) পক্ষ থেকে একাধিক প্রস্তাব এসেছে। এরমধ্যে একটি প্রস্তাব হলো- তারা চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টমস পয়েন্টে ডিজেল পৌঁছে দেবে। এর দাম পড়বে প্রতি টন ৪২৫ ডলার। ১৫৯ লিটারে ব্যারেল হিসাব করলে ব্যারেলপ্রতি দাম পড়বে ৫৭ দশমিক ৪৩ ডলার। এ নিয়ে কাজ করছে সরকার।

ডিজেল   রাশিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ায় রেকর্ড মূল্যস্ফীতি, খাদ্য ঘাটতি নেই বাংলাদেশে: বিশ্বব্যাংক

প্রকাশ: ১১:২২ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বহু বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ। তবে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ খাদ্য ঘাটতি অনুভব করেনি বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের প্রশংসা করে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত খাত মিলে দক্ষিণ এশিয়ায় গড় মূল্যস্ফীতি হবে সাড়ে ১৫ শতাংশ। যার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে খাদ্যখাত।

সংস্থাটি জানায়, শ্রীলঙ্কায় খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮০ শতাংশ, পাকিস্তানে ২৬ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৮ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ সরকার খাদ্য নিরাপত্তা মোকাবিলায় কৃষিনীতি সামঞ্জস্য করেছে বলে জানায় বিশ্বব্যাংক।

সংস্থাটি আরও বলছে, বাংলাদেশ সরকার চাল আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে, কৃষি খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে, ভর্তুকি বাড়িয়েছে সারে এবং রপ্তানিকারকদের একটি নগদ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।

এশিয়ার অন্য দেশগুলোর বিষয়ে সংস্থাটি জানায়, পাকিস্তানে গম ও চালের উৎপাদন কিছুটা কমেছে। এর কারণ সারের অভাব এবং তাপমাত্রা। এছাড়া উল্লেখযোগ্য খাদ্য সরবরাহের ঘাটতিতে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা।

শ্রীলঙ্কায় কৃষি উৎপাদন ৪০-৫০ শতাংশ কম হয়েছে। সারের ঘাটতি এবং খাদ্য আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রভাবে এই অবস্থা হয়েছে। সার এবং জ্বালানির ঘাটতি খাদ্য সরবরাহকে আরও সীমিত করবে বলে আশঙ্কা করেছে বিশ্বব্যাংক।

তবে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত খাদ্যে কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে বলে জানায় বিশ্বব্যাংক। ভারত ৪৪ হাজার টন ইউরিয়ার প্রথম চালান পেয়েছে। ভারতীয় চালের চাহিদা বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন টন।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন