ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

কিশোরী ধর্ষণ এবং হত্যা করে পলাতক আসামী; সাড়ে ৫ বছর পর গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ রবিবার, ০৮:৩১ পিএম
কিশোরী ধর্ষণ এবং হত্যা করে পলাতক আসামী; সাড়ে ৫ বছর পর গ্রেপ্তার

বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া মামলায় প্রধান আসামি আজাদ হোসেন ওরফে কালুকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর পর গতকাল শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) গৌরনদী মডেল থানা-পুলিশ মামলার আসামি আজাদ হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গৌরনদী পৌরসভার ওই অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন আজাদ হোসেন। তাঁর কুপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কিশোরীকে অপহরণের হুমকি দেন। একাধিকবার অপহরণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থও হন তিনি। অপহরণের চেষ্টার ঘটনায় মেয়েটির পরিবার থেকে গৌরনদী মডেল থানায় একাধিক জিডিও করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আজাদ হোসেন তাঁর সহযোগীদের নিয়ে মেয়েটি অপহরণ করেন। পরে আজাদ হোসেন তাঁর দুই সহযোগী মোর্শেদা আক্তার সোনাই ও খায়রুল সরদারের সহায়তায় মেয়েটিকে ধর্ষণের পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে লাশ ডোবায় ফেলে দেন। ২ ফেব্রুয়ারি গৌরনদী উপজেলার সুন্দরদী মহল্লার একটি ডোবা থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের পেটের সঙ্গে রশি বাঁধা ও গলায় প্লাস্টিকের সুতলি প্যাঁচানো ছিল।

এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে হয়ে আজাদ হোসেন কালুকে প্রধান আসামি করে আটজনের নামে গৌরনদী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। কয়েক দিন পর আজাদ হোসেন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে লেবাননে গিয়ে আত্মগোপন করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরিশাল গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, মামলাটি তদন্তকালে ৩৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আজাদ হোসেনসহ তিন আসামিকে অভিযুক্ত করে ও পাঁচজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। অভিযোগপত্রে আজাদ হোসেনকে পলাতক দেখানো হয়েছিল। অভিযুক্ত অপর দুজন মোর্শেদা আক্তার ও খায়রুল সরদার জামিনে আছেন।

বিষয়: বরিশাল