কোর্ট ইনসাইড

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: সংস্থাগুলোর ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যে ক্ষোভ হাইকোর্টের

প্রকাশ: ০৯:০২ এএম, ০৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে এক নারীর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। তদন্তাধীন বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার ব্রিফিং করা উচিত হয়নি বলেও মন্তব্য করেছেন আদালত। 

গতকাল মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) ধর্ষণের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে করা রিটের শুনানিতে এমন মন্তব্য করেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মুস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালত বলেছে, কক্সবাজারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত চলছে। বিষয়টি নিয়ে একেক সংস্থার একেক প্রতিবেদন কাম্য নয়। এ ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তার ব্রিফিংও কাম্য নয়। তদন্ত চলাকালে বিভিন্ন সংস্থার অসঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্য দুঃখজনক। এসবে জনগণের মধ্যে ভুল বার্তা যেতে পারে। স্পর্শকাতর এসব তদন্তাধীন বিষয়ে কে কথা বলবেন, কতটুকু বলবেন এটা নিয়ে পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে রাষ্ট্রপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। সেই সঙ্গে তদন্তাধীন বিষয়ে বক্তব্য নিয়ে হাই কোর্টের আগের রায়ের বাস্তবায়ন কত দূর সেটিও জানতে চেয়েছে আদালত।

 এর আগে জনস্বার্থে গত সোমবার রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন ভুইয়া। এতে বিবাদী করা হয় স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশপ্রধান, কক্সবাজারে র‌্যাবের সিওসহ ছয়জনকে। 

রিটকারী আইনজীবী বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থা থেকে যেসব বক্তব্য পাওয়া গেছে তা অনেকটা সাংঘর্ষিক। সেজন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর কক্সবাজারে স্বামী ও সন্তানকে জিম্মি করে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এরপর এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখ ও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ   হাইকোর্ট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

আবরার হত্যা: খালাস চেয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৭ জনের জেল আপিল

প্রকাশ: ১০:৩৭ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ জনের মধ্যে ১৭ আসামি জেল আপিল করেছেন। বুধবার তাদের জেল আপিল আবেদনের গ্রহণযোগ্যতার (অ্যাডমিশন) বিষয়ে হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে শুনানি হতে পারে। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দিরা হলেন-মেহেদী হাসান রাসেল (২৪), মো. অনিক সরকার ওরফে অপু (২২), মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্ত (২৩), ইফতি মোশাররফ সকাল (২০), মো. মনিরুজ্জামান মনির (২১), মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (২৩), মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ (২০), মো. মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ (২১), খন্দকার তাবাকারুল ইসলাম অরফে তানভির (২১), হোসেন মোহাম্মদ তোহা (২১), মো. শামীম বিল্লাহ (২১), মো. সাদাত এ এস এম  নাজমুস সাদাত (২১), মুনতাসির আল জেমী (২০), মো. মিজানুর রহমান মিজান (২২), এস এম মাহমুদ সেতু (২৪), সামসুল আরেফিন রাফাত (২১), মো. মোর্শেদ ওরফে মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম (২০) জেল আপিল করেছেন।
বাকি আসামি এহতেশামুল রাব্বি অরফে তানিম (২০), মোহাম্মদ মোর্শেদ উজ্জামান মণ্ডল প্রকাশ জিসান (২২) ও মুজতবা রাফিদ (২১) পলাতক রয়েছেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-অমিত সাহা (২১), ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না (২১), মো. আকাশ হোসেন (২১), মুহতাসিম ফুয়াদ (২৩), ও মো. মোয়াজ ওরফে মোয়াজ আবু হোরায়রা (২১)।

তবে যাবজ্জীবন দণ্ডিতরা আপিল করেছেন কিনা তা জানা যায়নি।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি এ মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড‍ দেওয়া হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। এছাড়া দণ্ডিত আসামিরা উচ্চ আদালতে ফৌজদারি আপিল এবং জেল আপিল করতে পারেন। 

গত ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দেন আদালত। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান ওই রায় ঘোষণা করেন।

আবরার হত্যা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

মিতু হত্যার দ্বিতীয় মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলো পিবিআই

প্রকাশ: ০৭:৩০ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

চট্টগ্রাম নগরের চাঞ্চল্যকর সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডে মিতুর বাবার করা দ্বিতীয় মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম আদালতে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মিতু হত্যায় দুটি মামলা দায়ের হয়। প্রথম মামলা করেছিলেন স্বামী বাবুল আক্তার। সেই মামলায় হত্যাকাণ্ডে বাদী বাবুলের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। এ মর্মে মামলাটিতে গত বছরের ১২ মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। ওইদিনই মেয়ের জামাই বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে দ্বিতীয় মামলা দায়ের করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন।

তিনি আরও বলেন, প্রথম মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাদী বাবুল আক্তার নারাজি আবেদন করেন। নারাজি আবেদনের পর আদালত শুনানি শেষে মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত একই ঘটনায় দুটি মামলা চলাটাকে টেকনিক্যাল ত্রুটি বলে উল্লেখ করেন। তাই দ্বিতীয় মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। তবে দ্বিতীয় মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রথম মামলায় একীভূত করার আবেদন করা হয় চূড়ান্ত প্রতিবেদনে। আদালতের নির্দেশনা পেলে বাকি কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তিনি পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলায় স্ত্রী হত্যাকাণ্ডে তারই সম্পৃক্ততা পায় পিবিআই। গত বছরের ১২ মে আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন। ওইদিনই মামলাটিতে বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে পিবিআই। সেই থেকে কারাগারে আছেন বাবুল।

এদিকে, প্রথম মামলায় পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৪ অক্টোবর নারাজির আবেদন করেন বাবুলের আইনজীবী। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ৩ নভেম্বর নারাজি ও পিবিআইয়ের প্রতিবেদন খারিজ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। সেই থেকে দুটি মামলাই তদন্ত করছে পিবিআই। তবে এবার দ্বিতীয় মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে প্রথম মামলা এগিয়ে নিতে চাচ্ছে পিবিআই।


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সব বাসস্ট্যান্ডে ভাড়ার তালিকা টাঙানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাদেশের সব বাস ও মিনিবাস-স্ট্যান্ডগুলোর দৃশ্যমান স্থানে গণপরিবহনের ভাড়ার তালিকা টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিআরটিএকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন আদালত। 

আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মামুনুর রহমান ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী এক মাসের মধ্যে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে আজ রিট আবেদনকারী আইনজীবী মো. আবু তালেব শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোখলেসুর রহমান ও ব্যারিস্টার মুসতাসীম তানজীর। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী মো. আবু তালেব।

মো. আবু তালেব জানান, রুলে ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’-এর ১২২ ধারা অনুযায়ী বাস, মিনিবাস তথা গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন না করতে পারার ব্যর্থতা, আইনের ৩৪ (৩) ধারার বিধান প্রতিপালনে ভাড়ার তালিকা দৃশ্যমান স্থানে না টাঙিয়ে ভাড়া আদায় করার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার ব্যর্থতা এবং আইনের ৩৪ (৪) ধারার বিধান মোতাবেক যাত্রীদের কাছ থেকে বাসমালিক, কন্ডাক্টরদের বেশি ভাড়া আদায় বন্ধ করার ব্যর্থতা কেন বেআইনি ও আইন পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

এই রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় এক মাসের মধ্যে বাস থামার প্রতিটি নির্দিষ্ট জায়গায় প্রকাশ্য ও যাত্রীরা সহজে দেখতে পান এমন জায়গায় ভাড়ার তালিকা প্রকাশ এবং ইলেকট্রনিক বিলবোর্ডের মাধ্যমে তালিকা প্রদর্শনের জন্য ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিআরটিএর প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান রিটকারী আইনজীবী।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩৪ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো গণপরিবহন সহজে দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট প্রদর্শন ব্যতীত যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না। আর ৩৪ (৪) ধারা অনুযায়ী, কোনো গণপরিবহনের মালিক, চালক, কন্ডাক্টর, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া দাবি বা আদায় করতে পারবে না। আর ১২২ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।

হাইকোর্ট   গণপরিবহন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

স্থায়ী জামিন পেলেন স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

প্রকাশ: ০৪:১৬ পিএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় স্থায়ী জামিন দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।

এদিন আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে মামলাটির চার্জশিট গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। আবুল কালাম আজাদসহ জামিনে থাকা পাঁচ আসামি আদালতে হাজিরা দেন। এসময় আবুল কালাম আজাদের পক্ষে তার আইনজীবী স্থায়ী জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

তবে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়নি। তাই আদালত চার্জশিট গ্রহণের তারিখ পিছিয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি ঠিক করেন। দুদকের কোর্ট ইন্সপেক্টরের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

আবুল কালাম আজাদ ছাড়াও এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক ডা. মো. শফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা ডা. মো. দিদারুল ইসলাম। আসামিদের মধ্যে সাহেদ কারাগারে ও বাকিরা জামিনে আছেন।

গত বছর আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়নবিহীন বন্ধ রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে তিন হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। যেখান থেকে তারা অবৈধ পারিতোষিক বাবদ রোগী প্রতি তিন হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে মোট এক কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করেন।

এছাড়া চার্জশিটে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের খাবার খরচ বরাদ্দের বিষয়ে এক কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার মাসিক চাহিদা তুলে ধরাসহ সমঝোতা স্মারকের খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বমোট তিন কোটি ৩৪ লাখ ছয় হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। সেখানে আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা হয়নি। তবে তদন্তে নাম আসায় চার্জশিটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ডিজি  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জাপানি মায়ের কাছেই ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকবে দুই সন্তান

প্রকাশ: ১০:৩১ এএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

জাপানি মা নাকানো এরিকোর কাছে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তার  দুই শিশু সন্তান জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত।  তবে এই সময়ের মধ্যে প্রতিদিন শিশুদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন তাদের বাংলাদেশি বাবা ইমরান শরীফ।

আজ রোববার (২৩ জানুয়ারি) এই আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

আদেশে বলা হয়, জাপানি মা ও তার দুই শিশু ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর বারিধারার হোটেল ইসকর্ট প্যালেসে থাকবে। তবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে যেকোনো সময় শিশুদের সঙ্গে তাদের বাংলাদেশি বাবা ইমরান শরীফ দেখা করতে পারবেন।

জাপানি মায়ের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। অন্যদিকে আদালতে বাংলাদেশি বাবা ইমরান শরীফের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল, অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার মারুফুল ইসলাম।

আপিল বিভাগ শুনানিতে বলেন, প্রধান বিচারপতি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে আমরা এই মামলা শুনব। পরে আদালত শুনানির জন্য ৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন। আদালত বলেন, ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগের আদেশ বহাল থাকবে।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি আপিল বিভাগ এক আদেশে বলেছিলেন, জাপানি দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা তাদের মা নাকানো এরিকোর সঙ্গে আগামী ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর বারিধারার হোটেল ইসকর্ট প্যালেসে থাকবে। তবে প্রতিদিন সকাল ৯ থেকে রাত ৯টার মধ্যে যেকোনো সময় শিশুদের সঙ্গে তাদের বাংলাদেশি বাবা ইমরান শরীফ দেখা করতে পারবেন।

জাপানি মা   আদালত  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন