কোর্ট ইনসাইড

৩০ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন

প্রকাশ: ১১:৫৯ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail ৩০ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় অবিলম্বে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩০ দিনের জন্য বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

আজ বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ইউনুছ আলী আকন্দ এ বিষয়ে আবেদন করেন।

তিনি জানান, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।

গত ১০ জানুয়ারি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ইস্যুতে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, "দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ জানুয়ারি থেকে এ বিধিনিষেধ কার্যকর হচ্ছে"। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ১১ দফা মেনে চলতে হবে।

নির্দেশনাগুলো হলো- 

১. দোকান, শপিং মল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলক সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। 

২. অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে। 

৩. রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ এবং আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই করোনার টিকা সনদ দেখাতে হবে। 

৪. ১২ বছরের বেশি বয়সী সব শিক্ষার্থীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত তারিখের পরে টিকা সনদ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

৫. স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরে স্ক্রিনিংয়ের সংখ্যা বাড়াতে হবে। পোর্টগুলোতে ক্রুদের জাহাজের বাইরে আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে হবে। স্থলবন্দরগুলোতেও আগত ট্রাকের সঙ্গে শুধু ড্রাইভার থাকতে পারবে। কোনও সহকারী আসতে পারবে না। বিদেশগামীদের সঙ্গে আসা দর্শনার্থীদের বিমানবন্দরে প্রবেশ বন্ধ করতে হবে।

৬. ট্রেন, বাস এবং লঞ্চে সক্ষমতার অর্ধেক সংখ্যক যাত্রী নেওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকারিতার তারিখসহ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে। সব ধরনের যানের চালক ও সহকারীদের আবশ্যিকভাবে কোভিড-১৯ টিকা সনদধারী হতে হবে।

৭. বিদেশ থেকে আসা যাত্রীসহ সবাইকে বাধ্যতামূলক কোভিড-১৯ টিকা সনদ প্রদর্শন করতে হবে।

৮. স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরার বিষয়ে সব মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

৯. সর্বসাধারণের করোনার টিকা এবং বুস্টার ডোজ গ্রহণ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রচার এবং উদ্যোগ গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে তারা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহায়তা গ্রহণ করবে।

১০. উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে।

১১. কোনো এলাকার ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

হাইকোর্ট   শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

পি কে হালদারকে দেশে আনতে রুলের শুনানি ১২ জুন

প্রকাশ: ১১:৪৫ এএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail পি কে হালদারকে দেশে আনতে রুলের শুনানি ১২ জুন

পি কে হালদার কোন দেশে কত টাকা রেখেছেন তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট একই সঙ্গে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সংক্রান্ত রুলের শুনানির জন্য আগামী ১২ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে। মামলা তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা জানাতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ মঙ্গলবার (১৭ মে) এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

এর আগে সোমবার (১৬ মে) এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারকে ভারতে গ্রেফতারের তথ্য আদালতকে জানায় রাষ্ট্রপক্ষ।

পি কে হালদারকে গ্রেফতার ও দেশে ফিরিয়ে আনা প্রশ্নে দেড় বছর আগে স্বপ্রণোদিত রুল দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এ রুলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। এর মধ্যেই গত শনিবার (১৪ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হন পি কে হালদার। বাংলাদেশে আর্থিক খাতে আলোচিত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।

২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর ‘পি কে হালদারকে ধরতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাইবে দুদক’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রতিবেদনে ছাপা হয়। প্রতিবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে ওই বছরের ১৯ নভেম্বর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত রুলসহ আদেশ দেন।

গত শনিবার (১৪ মে) ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) পশ্চিমবঙ্গ থেকে পলাতক পিকে হালদারকে গ্রেফতার করে।

ইডির বরাত দিয়ে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়, পি কে হালদার রেশন কার্ড, ভারতের জাতীয় পরিচয়পত্র, আয়কর দপ্তরের পরিচয়পত্র পি এ এন (প্যান) ও আধার কার্ডের মতো ভারতীয় বিভিন্ন সরকারি পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগরে অবস্থান করছিলেন। সেখানে তিনি শিব শংকর হালদার নাম নিয়েছিলেন। যদিও সরকার জানিয়েছে, পি কে হালদারের গ্রেফতারের বিষয়টি ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।



পি কে হালদার   শুনানি   ১২ জুন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে রুলের শুনানি আজ

প্রকাশ: ০৮:১৮ এএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে রুলের শুনানি আজ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে) হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনা সংক্রান্ত রুলের শুনানির উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

সোমবার (১৬ মে) এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারকে ভারতে গ্রেফতার হওয়ার তথ্য আদালতকে জানান রাষ্ট্রপক্ষ।

এদিন সকালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করেন। এসময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খানও ছিলেন।

এক পর্যায়ে আদালত বলেন, ‘আমাদের মেসেজ ক্লিয়ার। দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, সে যে–ই হোক। আমরা এ ব্যাপারে সিরিয়াস।’

এর আগে ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর এ বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ। সেটির বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (১৭ মে) শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

পি কে হালদারকে গ্রেফতার ও দেশে ফিরিয়ে আনা প্রশ্নে দেড় বছর আগে স্বপ্রণোদিত রুল দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এ রুলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। এর মধ্যেই গত শনিবার (১৪ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হন পি কে হালদার। বাংলাদেশে আর্থিক খাতে আলোচিত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।

২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর ‘পি কে হালদারকে ধরতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাইবে দুদক’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রতিবেদনে ছাপা হয়। প্রতিবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে ওই বছরের ১৯ নভেম্বর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত রুলসহ আদেশ দেন।

রুলে পি কে হালদারকে গ্রেফতার ও দেশে ফিরিয়ে আনতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা-ব্যর্থতা কেন বেআইনি হবে না এবং এ ক্ষেত্রে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। এ রুল এখন হাইকোর্টে চূড়ান্ত শুনানির জন্য উঠছে।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন বলেন, পি কে হালদারকে গ্রেফতার ও দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে হাইকোর্টের স্বপ্রণোদিত রুল ছিল। সেই রুলের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতারের বিষয়ে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করা ছিল।

‘ইতিমধ্যে মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, পি কে হালদার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন। বিষয়টি আদালতের নলেজে এনেছি। রুল শুনানির জন্য মেনশন করেছি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) বিষয়টি কার্যতালিকায় আসবে।’

উল্লেখ্য, ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোক নগরের একটি বাড়ি থেকে পি কে হালদার ও তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। তাকে গ্রেপ্তারের পর এক বিবৃতিতে ইডি বলেছে, হাজার কোটি টাকা পাচারকারী পি কে হালদার নাম পাল্টে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে বসবাস করতেন। প্রদেশের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোক নগরের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।


হালদারকে   দেশে   আনতে   শুনানি  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ইভ্যালির রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রকাশ: ০৭:৩৯ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail ইভ্যালির রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ঢাকার ধামরাইয়ের গ্রাহকের করা চেক ডিজওনারের মামলায় দেশের আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির রাসেল দম্পতিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (১৬ মে) দুপুরের দিকে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কাজী আশরাফুজ্জামান এ আদেশ দেন বলে জানান  বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল ওয়ারেজ।

মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও এডমিন মো. হাসান।

ভুক্তভোগী গ্রাহক বলেন, ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেল এর স্বাক্ষরিত ১৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকার দুটি চেক পান তিনি। চেক দুটি নগদায়নের জন্য ধামরাই উপজেলার কালামপুর শাখার ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লিঃ এ উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্ট ক্লোজ/ব্লক উল্লেখ করে চেক দুটি ডিজঅনার স্লিপসহ ফেরত দেন।

এ ঘটনায় ৩০ দিনের মধ্যে নগদ টাকা চেয়ে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেল, চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও এডমিন মো. হাসানের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। এতে কোনো উত্তর না পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি। এ মামলায় তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

তিনি বলেন, আমি ঋণ নিয়ে ইভ্যালি থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেল ক্রয় করি ১৪ লাখ টাকা দিয়ে। সেই মোটরসাইকেলের মূল্য ১৪ লাখ টাকা পরিশোধের ৪৫ দিনের মধ্যে আমাকে পাঁচটি মোটরসাইকেল দেয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়নি। পরে মোটরসাইকেল নেই বলে পাঁচটি মোটরসাইকেল মূল্যের ২৫ লাখ টাকার চেক দেয় ইভ্যালি।

এ বিষয়ে জজকোর্টের আইনজীবী আব্দুল ওয়ারেজ বলেন, আসামিদের টাকা পরিশোধ করার জন্য লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল। কিন্তু ওই নোটিশের কোনো উত্তর তারা দেননি এবং টাকা পরিশোধের কোনো পদক্ষেপও নেননি। পরে মামলা হলে আদালত বিচার বিবেচনা করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এদিকে গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর সাভারের বলিয়াপুর ইভ্যালির ওয়ার হাউজ থেকে পণ্য বের করে কর্মচারীরা তা বিক্রি করছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন ইভ্যালির এই গ্রাহক।


ইভ্যালির   দম্পতির   বিরুদ্ধে   গ্রেপ্তারি   পরোয়ানা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সম্রাটের জামিন স্থগিত ও বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে দুদকের আবেদন

প্রকাশ: ০১:৫২ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail সম্রাটের জামিন স্থগিত ও বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে দুদকের আবেদন

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন স্থগিত ও বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৬ মে) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজহারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন করা হয়। মঙ্গলবার (১৭ মে) এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

গত ১১ মে সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর মুক্তি পান ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। ওইদিন বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান তাকে জামিন দেন।

২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ১১ মে এই মামলায় সম্রাটের তিন শর্তে ও ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় ৯ জুন পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

শর্তগুলো হচ্ছে- আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ত্যাগ করতে পারবেন না সম্রাট, পাসপোর্ট জমা দিতে হবে এবং স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার প্রতিবেদন আগামী ধার্য তারিখে জমা দিতে হবে।

সম্রাট   জামিন   হাইকোর্ট   দুদক   আবেদন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জাপানি দুই শিশুর বাবার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail জাপানি দুই শিশুর বাবার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন

জাপানি দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনার বাবা বাংলাদেশি নাগরিক ইমরান শরীফের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় আদালত অবমাননার আবেদন করেছেন শিশু দুটির মা জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকো।

সোমবার (১৬ মে) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে এ আবেদন করা হয়েছে। আদালত আবেদনটি শুনানির জন্য আগামী সোমবার দিন ধার্য করেছেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, আপিল বিভাগের নির্দেশনা রয়েছে দুই শিশু মায়ের সঙ্গে বারিধারায় থাকবেন। বাবা শিশুদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এ নির্দেশনা অমান্য করে ইমরান শরীফ জোর করে মাঝে মাঝেই শিশুদের নিয়ে বাইরে যান। এ কারণে আমরা আদালত অবমাননার আবেদন করেছি।

এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা তাদের মা নাকানো এরিকোর কাছে থাকবে বলে রায় দেন আপিল বিভাগ। পাশাপাশি এ বিষয়ে দেওয়া হাইকোর্টের রায় বাতিল করা হয়।

এই সময়ে নাকানো এরিকো শিশুদের নিয়ে দেশত্যাগ করতে পারবেন না। বাবা ইমরান শরীফ শিশুদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন বলে রায়ে বলা হয়।

হাইকোর্টের রায় বাতিল করে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে তিন মাসের মধ্যে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতকে দুই শিশুর জিম্মা সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করতে বলেন আদালত।

আদালতে নাকানো এরিকোর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও মোহাম্মদ শিশির মনির। ইমরান শরীফের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।

গত বছরের ২১ নভেম্বর হাইকোর্ট রায় দিয়েছিলেন, জেসমিন ও লাইলা বাংলাদেশে তাদের বাবা ইমরান শরীফের কাছে থাকবে। রায়ে বলা হয়, তবে জাপান থেকে এসে মা বছরে তিনবার ১০ দিন করে দুই সন্তানের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে পারবেন। জাপানি মায়ের আসা-যাওয়া ও থাকা-খাওয়ার সব খরচ বাবা ইমরান শরীফকে বহন করতে হবে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

জাপানি   দুই শিশু   আদালত   অবমাননা   আবেদন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন