কোর্ট ইনসাইড

সব বাসস্ট্যান্ডে ভাড়ার তালিকা টাঙানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail সব বাসস্ট্যান্ডে ভাড়ার তালিকা টাঙানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

সারাদেশের সব বাস ও মিনিবাস-স্ট্যান্ডগুলোর দৃশ্যমান স্থানে গণপরিবহনের ভাড়ার তালিকা টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিআরটিএকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন আদালত। 

আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মামুনুর রহমান ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী এক মাসের মধ্যে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে আজ রিট আবেদনকারী আইনজীবী মো. আবু তালেব শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোখলেসুর রহমান ও ব্যারিস্টার মুসতাসীম তানজীর। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী মো. আবু তালেব।

মো. আবু তালেব জানান, রুলে ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’-এর ১২২ ধারা অনুযায়ী বাস, মিনিবাস তথা গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন না করতে পারার ব্যর্থতা, আইনের ৩৪ (৩) ধারার বিধান প্রতিপালনে ভাড়ার তালিকা দৃশ্যমান স্থানে না টাঙিয়ে ভাড়া আদায় করার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার ব্যর্থতা এবং আইনের ৩৪ (৪) ধারার বিধান মোতাবেক যাত্রীদের কাছ থেকে বাসমালিক, কন্ডাক্টরদের বেশি ভাড়া আদায় বন্ধ করার ব্যর্থতা কেন বেআইনি ও আইন পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

এই রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় এক মাসের মধ্যে বাস থামার প্রতিটি নির্দিষ্ট জায়গায় প্রকাশ্য ও যাত্রীরা সহজে দেখতে পান এমন জায়গায় ভাড়ার তালিকা প্রকাশ এবং ইলেকট্রনিক বিলবোর্ডের মাধ্যমে তালিকা প্রদর্শনের জন্য ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিআরটিএর প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান রিটকারী আইনজীবী।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩৪ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো গণপরিবহন সহজে দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট প্রদর্শন ব্যতীত যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না। আর ৩৪ (৪) ধারা অনুযায়ী, কোনো গণপরিবহনের মালিক, চালক, কন্ডাক্টর, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া দাবি বা আদায় করতে পারবে না। আর ১২২ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।

হাইকোর্ট   গণপরিবহন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তায় কড়াকড়ি ব্যবস্থা

প্রকাশ: ০৮:৪৮ এএম, ২৯ মে, ২০২২


Thumbnail আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তায় কড়াকড়ি ব্যবস্থা

সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের বিভিন্ন পথসহ আদালত প্রাঙ্গণে রোববার (২৯ মে) থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়াকড়ি করা হচ্ছে। ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার জের ধরে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের বিভিন্ন পথসহ সর্বোচ্চ এই আদালত প্রাঙ্গণে আজ (রোববার) থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়াকড়ি করা হচ্ছে। 

শনিবার (২৮ মে) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ তথ্য জানায়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের মূল ফটক আজ সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে বন্ধ থাকবে। তবে  সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে মাজার গেট। 

সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত থোলা থাকবে জাজেস স্পোর্টস কমপ্লেক্সসংলগ্ন মসজিদ গেট। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলসংলগ্ন গেট দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে শুধু গাড়ি বের হতে পারবে। তবে এ গেট দিয়ে কোনো গাড়ি ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। এ ছাড়া বাংলা একাডেমির বিপরীত পাশে অবস্থিত গেটটি সার্বক্ষণিক বন্ধ থাকবে।

গত বৃহস্পতিবার (২৬ মে) দুপুরে রাজধানীর দোয়েল চত্বরসহ আশপাশের এলাকায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষ হয়। তখন সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পিটিয়ে রক্তাক্ত করে ছাত্রলীগ। হামলার শিকার হন তিনজন আইনজীবীও। এর পাশাপাশি আইনজীবী তৈমুর আলম খন্দকারের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার পরপরই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন নিরাপত্তায় নিয়োজিত সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠকে বসে। নিরাপত্তা বিষয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের নিয়ে আলোচনায় বসেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। সভা শেষে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন তিনি।

এরপর শনিবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমানের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা আদালত প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। এরপর ওই কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত আসে।

সুপ্রিম কোর্ট   নিরাপত্তা   কড়াকড়ি   ব্যবস্থা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

রোববার থেকে কঠোর নিরাপত্তার বলয়ে সুপ্রিম কোর্ট

প্রকাশ: ০৭:৫২ পিএম, ২৬ মে, ২০২২


Thumbnail রোববার থেকে কঠোর নিরাপত্তার বলয়ে সুপ্রিম কোর্ট

সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ছাত্রদল-ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টা ঘটনা পর সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।  

রোববার (২৯ মে) থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) দুপুর ১২টার পর সুপ্রিম কোর্ট, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

বৈঠকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমান, পুলিশের রমনা অঞ্চলের ডিসি, আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের পর আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানান, বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী রোববার থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের গেটগুলোতে আনাগোনা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। বিচারপ্রার্থী, আইনজীবীরা যাতে সুপ্রিম কোর্টে নির্বিঘ্নে, স্বাচ্ছন্দে থাকতে পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আদালত অঙ্গনে যাতে কোনো বহিরাগত লোক ঢুকতে না পারে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার প্রতিবাদে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে সুপ্রিম কোর্টের ভেতরে আইনজীবী সমিতির ভবনের সামনে ছাত্রদল-ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, মারামারি ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।



রোববার   কঠোর   নিরাপত্তা   সুপ্রিম কোর্ট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৯ জনের ১৭ বছর করে কারাদণ্ড

প্রকাশ: ০৪:০৮ পিএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৯ জনের ১৭ বছর করে কারাদণ্ড

সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ৯ জনকে পৃথক দুই ধারায় ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সাড়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে তাদের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বুধবার (২৫ মে) ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এ রায় দেন।

আসামিরা হলেন- ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাইনুল হক, জিএম ননী গোপাল নাথ, ডিজিএম শেখ আলতাফ হোসেন ও সফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজিএম কামরুল হোসেন খান ও সাইফুল হাসান এবং প্যারাগন নিট কম্পোজিট লিমিটেডের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা ও পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের দায়ে তাদের প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৭ লাখ ৫০ হাজার ৬৮১ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ অর্থ প্রত্যেকের কাছ থেকে সমহারে রাষ্ট্রের অনুকূলে জমা দিতে হবে। 

আর প্রতারণার দায়ে প্রত্যেককে সাত বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও তিন মাস কারাভোগ করতে হবে। দুই ধারার সাজা একইসঙ্গে চলবে। সেক্ষেত্রে দণ্ডিতদের ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

রায় ঘোষণার সময় ডিএমডি মাইনুল হক, এজিএম সফিজ উদ্দিন আহমেদ, ডিজিএম শেখ আলতাফ হোসেন ও এজিএম কামরুল হোসেন খান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। অপর ৫ আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

২৭ লাখ ৫০ হাজার ৬৮১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মুজিবুর রহমান রমনা মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ২২ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।

সোনালী ব্যাংক   কারাদণ্ড  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

নাশকতার মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন

প্রকাশ: ১১:২৯ এএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail নাশকতার মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন

কুমিল্লায় নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (২৪ মে) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৫ সালের শুরুর দিকে ২০ দলীয় জোটের অবরোধ চলাকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামে দুষ্কৃতিকারীদের ছোড়া পেট্রোল বোমায় আইকন পরিবহনের একটি বাসের কয়েকজন যাত্রীর অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়। আহত হন আরও ২০ জন। সেসব ঘটনায় দুটি মামলা করা হয়।


নাশকতার   মামলায়   খালেদা   স্থায়ী   জামিন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

মানবিক বিবেচনায় সম্রাটের জামিন আবেদন

প্রকাশ: ১১:১৮ এএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail মানবিক বিবেচনায় সম্রাটের জামিন আবেদন

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় আত্মসমর্পণের আবেদন করে মানবিক বিবেচনায় জামিন আবেদন করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট।

মঙ্গলবার (২৪ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে সম্রাটের আইনজীবী সম্রাটের আইনজীবী আফরোজা শাহনাজ পারভীন হিরা এ আবেদন করেন। সম্রাটের উপস্থিতিতে এ বিষয় বেলা সাড়ে ১২টায় শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে আজ সম্রাটের জামিন বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রাখেন চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম। আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৩০ মে দিন ধার্য করা হয়েছে।

গত ১৮ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এ মামলায় সম্রাটের জামিন বাতিল করেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। একই সঙ্গে সাতদিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিন বাতিল চেয়ে গত ১৬ মে হাইকোর্টে আবেদন করেছিল দুদক। এ মামলায় গত ১১ মে সম্রাটকে জামিন দিয়েছিলেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালত।

এ মামলায় জামিন পাওয়ার আগে তার বিরুদ্ধে করা আরও তিনটি মামলায় তিনি জামিন পান। চারটি মামলার সব কটিতেই জামিন পাওয়ায় গত ১১ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএসএমইউ) প্রিজন সেল থেকে কারামুক্তি পান সম্রাট।


মানবিক   বিবেচনায়   সম্রাটের   জামিন   আবেদন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন