কোর্ট ইনসাইড

আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তায় কড়াকড়ি ব্যবস্থা

প্রকাশ: ০৮:৪৮ এএম, ২৯ মে, ২০২২


Thumbnail আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তায় কড়াকড়ি ব্যবস্থা

সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের বিভিন্ন পথসহ আদালত প্রাঙ্গণে রোববার (২৯ মে) থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়াকড়ি করা হচ্ছে। ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার জের ধরে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের বিভিন্ন পথসহ সর্বোচ্চ এই আদালত প্রাঙ্গণে আজ (রোববার) থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়াকড়ি করা হচ্ছে। 

শনিবার (২৮ মে) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ তথ্য জানায়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের মূল ফটক আজ সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে বন্ধ থাকবে। তবে  সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে মাজার গেট। 

সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত থোলা থাকবে জাজেস স্পোর্টস কমপ্লেক্সসংলগ্ন মসজিদ গেট। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলসংলগ্ন গেট দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে শুধু গাড়ি বের হতে পারবে। তবে এ গেট দিয়ে কোনো গাড়ি ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। এ ছাড়া বাংলা একাডেমির বিপরীত পাশে অবস্থিত গেটটি সার্বক্ষণিক বন্ধ থাকবে।

গত বৃহস্পতিবার (২৬ মে) দুপুরে রাজধানীর দোয়েল চত্বরসহ আশপাশের এলাকায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষ হয়। তখন সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পিটিয়ে রক্তাক্ত করে ছাত্রলীগ। হামলার শিকার হন তিনজন আইনজীবীও। এর পাশাপাশি আইনজীবী তৈমুর আলম খন্দকারের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার পরপরই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন নিরাপত্তায় নিয়োজিত সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠকে বসে। নিরাপত্তা বিষয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের নিয়ে আলোচনায় বসেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। সভা শেষে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন তিনি।

এরপর শনিবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমানের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা আদালত প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। এরপর ওই কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত আসে।

সুপ্রিম কোর্ট   নিরাপত্তা   কড়াকড়ি   ব্যবস্থা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

কুড়িগ্রামে ৬ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ০৪:৫৮ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail কুড়িগ্রামে ৬ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

কুড়িগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে হত্যা মামলায় ছয়জন জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল মান্নান এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এস এম আব্রাহাম লিংকন এবং আসামি পক্ষে লিগ্যাল এইড নিয়োজিত অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবীর।

মামলার ৭ আসামির মধ্যে ৫ আসামি রাজীব গান্ধী, রিয়াজুল ইসলাম ওরফে মেহেদী, ফিরোজ হাসান ওরফে মোখলেছ, মাহাবুব হাসান মিলন ও আবু নাছির ওরফে রুবেলকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।

এ ছাড়া আসামি গোলাম রব্বানী পলাতক রয়েছেন এবং মামলা চলাকালীন আর এক আসামি সাদ্দাম হোসেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে ‘বন্দুক যুদ্ধে’ নিহত হওয়ায় মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের ২২ মার্চ সকাল ৭টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলা শহরের গড়ের পাড় এলাকায় প্রাত ভ্রমণে বের হয়েছিলেন মুসলিম থেকে খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী। ওত পেতে থাকা জঙ্গিরা এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। পরে জঙ্গিরা ভিতিকর অবস্থা তৈরি করতে বিভিন্ন স্থানে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ওই দিনই নিহতের ছেলে রাহুল আমিন আজাদ বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন। একই বছরের ৫ নভেম্বর মামলাগুলোর অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। এরপর ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবর আদালতে মামলাগুলোর অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলার মোট ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এস এম আব্রাহাম লিংকন বলেন, এই হত্যা মামলা প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষ, পুলিশ ও প্রসিকিউসনের সমর্থন পেয়েছি। এই খুনি চক্র ধর্মের অপব্যাখ্যা করে বিভ্রান্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে তারা এমন নৃশংস খুন করে রাষ্ট্র এবং সরকারকে বিপর্যস্ত করতে চেয়েছিল।

জেএমবি   মৃত্যুদণ্ড  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ওয়াসা এমডির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

প্রকাশ: ০৩:৪৯ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail ওয়াসা এমডির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেছে ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পক্ষে আবেদন করেন সমিতি।  করা হয়েছে। আবেদনে ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনে অজ্ঞাতনামাদেরও আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পক্ষে আবেদন করেন সমিতির সম্পাদক মো. শাহাব উদ্দিন সরকার। আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে পরে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন।

মামলার বাদী শাহাব উদ্দিন সরকার গণমাধ্যমে  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী শারমিন হক আমীর, সাবেক রাজস্ব পরিদর্শক মিঞা মো. মিজানুর রহমান, প্রকৌশলী মো. আখতারুজ্জামান, রাজস্ব পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন, প্রকৌশলী মো. বদরুল আলম, জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম শ্যামল বিশ্বাস, উপ-সচিব শেখ এনায়েত উল্লাহ ও উপ-প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. সালেকুর রহমান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি ১৬ জুলাই ২০১৭ থেকে ৩০ জুন ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৯৯ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ১৭৩ টাকা ঢাকা ওয়াসা থেকে রাজস্ব আদায় কাজ বাবদ পায়। আর ২০১৮ সাল থেকে ২০১৯ অর্থবছরে একই কাজ বাবদ সমিতি আয় করে ৩৪ কোটি ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯০ টাকা।

এর মধ্যে ২০১৭ থেকে ২০১৮ অর্থবছরে সমিতির হিসাবে জমা হয় ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৩ টাকা। অবশিষ্ট ১৩২ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৬০ টাকা ৬টি ব্যাংক থেকে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে আসামি তাকসিম এ খানের প্রত্যক্ষ মদদে ও নির্দেশে অপর আসামিরা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। আসামিদের এই আত্মসাতের বিষয়টি সমবায় অধিদপ্তরের অডিট রিপোর্টে প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া সমিতির গাড়িসহ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সমিতির হেফাজত থেকে স্থানান্তর করে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সমমূল্যের সম্পদ চুরি করে আসামিরা।

আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বিশ্বাসভঙ্গ করে আত্মসাৎ ও চুরির অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩৮০/৪২০/৪০৬/৫০৬/১০৯ ধারায় অভিযোগ আনেন বাদী। মামলাটি আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি অথবা পিবিআইকে তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বাদী শাহাব উদ্দিন সরকার।

ওয়াসা এমডি  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ফখরুলসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৮ আগস্ট

প্রকাশ: ০৪:০৪ পিএম, ২১ Jun, ২০২২


Thumbnail ফখরুলসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৮ আগস্ট

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২৮ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পল্টন থানায় এসব মামলা দায়ের করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৫ ফাতেমা ফেরদৌস এ দিন ধার্য করেন। মির্জা ফখরুল হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত হন। মামলার এক আসামি মারা যাওয়ায় তার প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় বিচারক অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ২০১৮ সালে রাজধানীর পল্টন থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ৬ (১) ১৪। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৯, ৩৫৩, ৩৪১, ৩৩২, ৩০৭, ৪৩৫, ৪২৭, ১০৯, ১১৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।

একই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের ৩/৬ ধারাতেও অভিযোগ আনা হয়েছে। এরপর ৫১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

ফখরুল   শুনানি  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

তারেক রহমান পলাতক কি না, রায় ২৬ জুন

প্রকাশ: ০১:৫৩ পিএম, ১৯ Jun, ২০২২


Thumbnail তারেক রহমান পলাতক কি না, রায় ২৬ জুন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাজা প্রাপ্ত হয়ে লন্ডনে অবস্থান করায় পলাতক কি না সে বিষয়ে আগামী ২৬ জুন রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তিনি আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবেন কি না সে বিষয়েও হাইকোর্ট রায় দিবেন সেদিন।

রোববার (১৯ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন।

আদালতে তারেক-জোবায়দার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। 

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ও পুত্রবধু ডা. জোবায়দা রহমানের রিট মামলার রুল শুনানি শুরু হয়। রুল শুনানির এক পর্যায়ে তারেক রহমান আইনের দৃষ্টিতে পলাতক কি-না এ বিষয়ে প্রশ্ন ওঠে।
 
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় এ মামলা করা হয়।  

মামলায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।

পরে একই বছরে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী পৃথক রিট আবেদন করেন। রিটে জরুরি আইন ও এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন।   

এরপর রিট মামলাগুলো মঙ্গলবার কার্যতালিকায় আসে। এরপর রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

এদিকে একই মামলার বৈধতা নিয়ে আরেকটি ফৌজদারি আবেদন করেছিলেন ডা. জোবায়দা। ওই সময় ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।  

ওই রুলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে জোবায়দা রহমানকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন।  

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জোবায়দা রহমান। যা গত ১৩ এপ্রিল খারিজ করেন আপিল বিভাগ।

তারেক রহমান  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

দুই মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন

প্রকাশ: ০৩:৪৪ পিএম, ১৬ Jun, ২০২২


Thumbnail

মানহানি ও ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টির অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি সাহেদ নূর উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর আদালতে নালিশি মামলা করেন। পুরান ঢাকায় দর্জিকর্মী বিশ্বজিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে বেগম খালেদার জিয়ার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি হতে পারে- এমন অভিযোগে দণ্ডবিধির ১৫৩ (ক) ও ২৯৫ (ক) ধারায় মামলাটি করা হয়।

এরপর ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন এ বি সিদ্দিকী। ওই মামলায় বঙ্গবন্ধুর মানহানি করার অভিযোগ আনা হয়।

২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর মানহানি করেন বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী। 

ওই অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রিত্ব। জেনারেল জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ায় এ দেশের জনগণ যুদ্ধে নেমেছিল।’

দুই মামলায় হাইকোর্ট বেগম খালেদা জিয়াকে জামিনসহ রুল দিয়েছিলেন। আজ ওই দুই মামলাতেই স্থায়ী জামিন দিলেন আদালত।

খালেদা জিয়া   বিএনপি   জামিন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন