কোর্ট ইনসাইড

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি জঘন্য অপরাধ : হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০২:৩৫ পিএম, ১৩ Jun, ২০২২


Thumbnail প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি জঘন্য অপরাধ : হাইকোর্ট

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি করা জঘন্য অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। যারা একাজে জড়িত তাদের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও জানান হাইকোর্ট।

সোমবার (১৩ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

আদালত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের জামিন দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না। তাদের জেলে থাকতে হবে।

আদালতে ফাতেমার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোমতাজ উদ্দিন মেহেদী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদের জন্য ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এনামুল হক, বুয়েটের পুরঃকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফ ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নাম প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নথি পাঠানো হয়। সেই নথি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হলে তিনি অধ্যাপক ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন।

পরে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি পর্বে নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমার কাছে গেলে তিনি ফোনে ছাত্রলীগের নেতা তরিকুলকে জানান যে এম আবদুস সালাম আজাদ কোষাধ্যক্ষ হিসেবে অনুমোদন পাননি।

এরপর তরিকুলের পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশলে নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বের করে ফরহাদ নামে একজনের হাতে তুলে দেন ফাতেমা। সেই নথিতে ড. এম এনামুল হকের নামে পাশে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া টিক চিহ্নটি ‘টেম্পারিং’ করে সেখানে ক্রস চিহ্ন দেন তরিকুল। একইভাবে অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফের নামের পাশে ক্রস চিহ্ন দিয়ে এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নামে পাশে টিক চিহ্ন দেন তিনি। পরে নথিটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

ওই নথি হস্তান্তরের আগে ফাতেমা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন এবং হস্তান্তরের পর আরেক দফায় তার ছেলের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা নেন বলে মামলায় বলা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ রফিকুল আলম বাদী হয়ে ২০২০ সালের ৫ মে এ বিষয়ে মামলা করেন।

এ মামলায় ফাতেমা হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত তার জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন। ওই রুলের শুনানি শেষে আজ রুলটি খারিজ করে আদেশ দেন।


স্বাক্ষর   জালিয়াতি  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ঈদুল আযহার উপলক্ষ্যে রোববার থেকে সুপ্রিমকোর্টের ছুটি

প্রকাশ: ০৭:২৫ পিএম, ০২ Jul, ২০২২


Thumbnail ঈদুল আযহার উপলক্ষ্যে রোববার থেকে সুপ্রিমকোর্টের ছুটি

ঈদুল আযহার উপলক্ষ্যে আগামীকাল রোববার (৩ জুলাই) থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত সরকার ঘোষিত ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি ও কোর্টে অবকাশ মিলিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

এ সময়ের মধ্যে সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য ৯টি অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে গঠিত এসব বেঞ্চের বিস্তারিত সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে।

বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে দেওয়ানি সংক্রান্ত বিষয়াদী, বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেন এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি সরদার মো. রাসেদ জাহাঙ্গীর সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে ভ্যাট, কাস্টমস, ট্যাক্সসহ সকল প্রকার রিট সংক্রান্ত মোকদ্দমা, বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি খিজির হায়াত, বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানি লন্ডারিং আইনের অধীন বিষয়াদীসহ জরুরি ফৌজদারি সংক্রান্ত বিষয়াদি, বিচারপতি আহমেদ সোহেলের একক বেঞ্চে আধিম অধিক্ষেত্রাধীন বিষয়, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের একক বেঞ্চে দেওয়ানি সংক্রান্ত বিষয়াদি, বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের একক বেঞ্চে ফৌজদারি সংক্রান্ত বিষয়াদি শুনানি হবে।

ঈদুল আযহার   সুপ্রিমকোর্ট ছুটি  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: ৫ দিনের রিমান্ডে জিতু

প্রকাশ: ০৮:২৪ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: ৫ দিনের রিমান্ডে জিতু

সাভারের আশুলিয়ায় হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার প্রধান আসামি আশরাফুল ইসলাম জিতু ওরফে জিতু দাদার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসান রিমান্ডের এই আদেশ দেন।

এ দিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক জিতুকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ারুল কবির বাবুল এই তথ্য জানান।

বুধবার রাতে শিক্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি জিতুকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। পরে আজ সকালে র‌্যাব আসামিকে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে।

গত ২৫ জুন দুপুরে হাজী ইউনুস আলী কলেজে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলার সময় পেছন থেকে শিক্ষক উৎপলকে কাঠের স্টাম্প দিয়ে হামলা করে জিতু দাদা নামের এক ছাত্র।

পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে একদিন পর রোববার (২৬ জুন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় রোববারই নিহতের ভাই অসীম কুমার সরকার বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় জিতুর নামে একটি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার চারদিন পর জিতুর বাবাকে কুষ্টিয়া থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে ও জিতুকে গাজীপুর থেকে র‌্যাব গ্রেফতার করে। আদালত জিতুর বাবাকেও ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের তালিকা দাখিলে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রকাশ: ১২:৫০ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের তালিকা দাখিলের নির্দেশ

গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের কে কত টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছে তার তালিকা দাখিল করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে এ সংক্রান্ত নথিও দাখিল করতে বলা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক কোম্পানি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। শ্রমিকদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী।

তিনি আদালতকে জানান, শ্রমিকরা এ পর্যন্ত গ্রামীণ টেলিকম থেকে ৩৮০ কোটি টাকা পেয়েছেন। বাকি টাকা এখনও পরিশোধ করা হয়নি।

মামলা প্রত্যাহারের শর্তে গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুত ১৭৬ জন শ্রমিকের পাওনা বাবদ ৪৩৭ কোটি টাকায় সমঝোতা করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ টেলিকমের অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষে এ আবেদন দায়ের করা হয়।

আবেদনকারী সংগঠনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গ্রামীণ টেলিকমের কাছে শ্রমিকদের পাওনা আড়াইশ কোটি টাকার বেশি। এই পাওনা টাকার দাবিতে কোম্পানিটির অবসায়ন চাওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে শ্রমিক অসন্তোষ চলে আসছে। শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-২১৯৪) সিবিএর সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশে ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করে গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষ। গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে এ ছাঁটাই করা হয়। এরপর সেই নোটিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন ২৮ জন কর্মী। এই ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে ড. ইউনূসকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। ২০২১ সালের ০৪ এপ্রিল দিয়েছিলেন শ্রমিকদের পুনর্বহালের নির্দেশ।

এছাড়া গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করে ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর। ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে এ মামলা করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান। বিবাদীদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন আদালত।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুর জাহান বেগম ও শাহজাহান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তারা শ্রম আইনের কিছু লঙ্ঘন দেখতে পান। এর মধ্যে ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকলেও তাদের স্থায়ী করা হয়নি। শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এছাড়া কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা থাকলেও তা তাদের দেওয়া হয়নি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে এ মামলা করা হয়।

গ্রামীণ টেলিকম   চাকরিচ্যুত শ্রমিক  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

শিক্ষককে জুতার মালা পরানোর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট

প্রকাশ: ১২:৩১ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail শিক্ষককে জুতার মালা পরানোর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট

নড়াইলে কলেজ শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট দায়ের করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা জাহান এ রিট দায়ের করেন।

এর আগে গত ২৮ জুন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে নড়াইলের কলেজ শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনায় রিট আবেদন নিয়ে আসতে বলেছিলেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনলে আদালত এ পরামর্শ দেন।

আদালতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আনেন আইনজীবী পূর্ণিমা জাহান। তখন হাইকোর্ট বলেন, আপনারা রিট আবেদন নিয়ে আসুন। আমরা শুনব।

জানা গেছে, ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সাময়িক বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মার ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নড়াইল সদরের এক কলেজ ছাত্রের পোস্টকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে গত ১৮ জুন কলেজের অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় ব্যক্তিদের ভাষ্য, নড়াইল সদরের মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের ওই ছাত্র ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পরদিন কলেজে গেলে কিছু মুসলমান ছাত্র তাকে ওই পোস্ট মুছে ফেলতে বলেন। ওই সময় অধ্যক্ষ ওই ছাত্রের ‘পক্ষ নিয়েছেন’ এমন রটনা ছড়িয়ে পড়লে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। 

এ সময় উত্তেজিত ছাত্ররা অধ্যক্ষ ও দুজন শিক্ষকের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদেরও সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে কলেজের কিছু ছাত্র ও স্থানীয় ব্যক্তিরা পুলিশের উপস্থিতিতে স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন।

শিক্ষককে   জুতার মালা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

যুদ্ধাপরাধ দায়ে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১২:২২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail যুদ্ধাপরাধ দায়ে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মাওলানা শফি উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ সময় সাব্বির আহমেদকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যদের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া তিন আসামি হলেন- মো. তাজুল ইসলাম (৮০), মো. জাহেদ মিয়া (৬২) ও ছালেক মিয়া।

আদালত রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আব্দুস সাত্তার পালোয়ান, গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত ২৮ জুন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মাওলানা শফি উদ্দিনসহ পাঁচজনের রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

২০১৮ সালের ২১ মার্চ এ মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করে তদন্ত সংস্থা। পরে তারা প্রসিকিউটর বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রসিকিউশন এ আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে গত ১৭ মে রায়ের জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

আসামিদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন