কোর্ট ইনসাইড

দুই মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন

প্রকাশ: ০৩:৪৪ পিএম, ১৬ জুন, ২০২২


Thumbnail

মানহানি ও ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টির অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি সাহেদ নূর উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর আদালতে নালিশি মামলা করেন। পুরান ঢাকায় দর্জিকর্মী বিশ্বজিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে বেগম খালেদার জিয়ার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি হতে পারে- এমন অভিযোগে দণ্ডবিধির ১৫৩ (ক) ও ২৯৫ (ক) ধারায় মামলাটি করা হয়।

এরপর ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন এ বি সিদ্দিকী। ওই মামলায় বঙ্গবন্ধুর মানহানি করার অভিযোগ আনা হয়।

২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর মানহানি করেন বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী। 

ওই অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রিত্ব। জেনারেল জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ায় এ দেশের জনগণ যুদ্ধে নেমেছিল।’

দুই মামলায় হাইকোর্ট বেগম খালেদা জিয়াকে জামিনসহ রুল দিয়েছিলেন। আজ ওই দুই মামলাতেই স্থায়ী জামিন দিলেন আদালত।

খালেদা জিয়া   বিএনপি   জামিন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে নবনিযুক্ত ১১ বিচারপতির শ্রদ্ধা

প্রকাশ: ০৩:৩৯ পিএম, ০৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে নবনিযুক্ত ১১ বিচারপতির শ্রদ্ধা

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নবনিযুক্ত ১১ বিচারপতি।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে তারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং কবর জিয়ারত করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মুহাম্মদ সাইফুর রহমান।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ১১ জন অতিরিক্ত বিচারপতি শপথ নেন। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

নতুন নিয়োগ পাওয়া অতিরিক্ত বিচারপতিরা হলেন, পিআরএলে থাকা জেলা ও দায়রা জজ শওকত আলী চৌধুরী, জেলা ও দায়রা জজ আতাবুল্লাহ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুল ইসলাম, আইনজীবী আলী রেজা, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বজলুর রহমান, মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ, টাঙ্গাইলের জেলা জজ ফাহমিদা কাদের, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির উল্লাহ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস এম মাসুদ হোসেন দোলন এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ কে এম রবিউল হাসান।

বঙ্গবন্ধুর সমাধি   ফুল দিয়ে   নবনিযুক্ত   ১১ বিচারপতির   শ্রদ্ধা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

অস্ত্র মামলায় নূর হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশ: ০২:১১ পিএম, ০৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail অস্ত্র মামলায় নূর হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনকে অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালত।

বৃহস্পতিবার (০৪ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১২টা দিকে বিচারক সাবিনা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা ও দায়রা জজ কোর্টের অতিরিক্ত কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. সালাহ উদ্দীন সুইট বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেছেন।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, একটি অস্ত্র মামলায় নূর হোসেনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছে আদালত। রায় ঘোষণার আগে তাকে কড়া নিরাপত্তায় কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে তাকে আবার কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে ২০১৪ সালে নূর হোসেনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজন অপহৃত হন। ৩০ ও ৩১ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার মামলায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

মামলা   নূর হোসেন   যাবজ্জীবন   কারাদণ্ড  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা হাইকোর্টের

প্রকাশ: ০১:৩৪ পিএম, ০৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষিকা সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে সব সুযোগ-সুবিধাসহ পদ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 


এর আগে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এ শিক্ষককে সহযোগী অধ্যাপক থেকে এক ধাপ নামিয়ে সহকারী অধ্যাপক করে দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।


আদালতে সামিয়া রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।


এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের হাইকোট বেঞ্চ এ রায় দেন। 


এর আগে গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সামিয়া রহমানের গবেষণা জালিয়াতি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট, গঠিত ট্রাইব্যুনালের নথিসহ সব কাগজপত্র আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।


গত বছরের ৩১ আগস্ট পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সামিয়া রহমান। একই বছরের ২৮ জানুয়ারি গবেষণায় জালিয়াতির শাস্তি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিয়া রহমানের পদাবনতি ঘটে।


২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্ট্যাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়।


পরে গত ৩১ আগস্ট পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সামিয়া রহমান। 


এটি ১৯৮২ সালের শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’তে প্রকাশিত ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোর ‘দ্য সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধ থেকে প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল বলে অভিযোগ ওঠে।


২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এক লিখিত অভিযোগে মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ চুরির কথা জানিয়েছিল ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।


শুধু মিশেল ফুকোই নন, বুদ্ধিজীবী এডওয়ার্ড সাঈদের ‘কালচার অ্যান্ড ইমপেরিয়ালিজম’ গ্রন্থের পাতার পর পাতাও সামিয়া ও মারজান হুবহু নকল করেন বলে অভিযোগ ওঠে। তার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে গতবছর ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর তাদের একাডেমিক অপরাধের শাস্তির সুপারিশ করতে আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে শাস্তির বিষয়ে সুপারিশ জমা দিলে সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।



সামিয়া রহমান   হাইকোর্ট   পদাবনতি  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

খালাস পাওয়া আসামী এখনো কনডেম সেলে, বিষয়টি নজরে এসেছে হাইকোর্টের

প্রকাশ: ১২:৩৭ পিএম, ০৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail খালাস পাওয়া আসামী এখনো কনডেম সেলে, বিষয়টি নজরে এসেছে হাইকোর্টের

গতকাল ৩ আগস্ট ‘বিনা দোষে কারাগারে কনডেম সেলে ৭ বছর!’ এ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে একটি সংবাদ মাধ্যম।


প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, লোহাগাড়া থানার জানে আলম হত্যা মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তার খালাস পাওয়ার আদেশ যথাসময়েই উচ্চ আদালত থেকে পৌঁছেছে অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে।  


কিন্তু আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেনি ৭ বছর ৩ মাস ১১ দিনও। একটি মামলায় ২০১৫ সালের ১৪ এপ্রিল অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত হাজিরা দিতে এলে আবুল কাশেমকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে কারাগারে পাঠায়। সেই দিন থেকে কারাগারের কনডেম সেলে আছেন আবুল কাশেম। 


আবুল কাশেম, লোহাগাড়া থানার আমিরাবাদ ইউনিয়নের রাজঘাটা আমিরখান চৌধুরী পাড়ার বেলায়েত আলীর ছেলে। 


এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।


আদালত আইনজীবীকে বলেন, আপনি আবেদন নিয়ে আসুন আমরা বিষয়টি দেখব। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।


আদালত সূত্র জানা যায়, ২০০২ সালের ৩০ মার্চ রাজঘাটা আমিরখান চৌধুরী পাড়ায় জানে আলেম হত্যা মামলার আসামি ছিলেন আবুল কাশেম। লোহাগাড়া থানার মামলা নম্বর ২১ (৩১.০৩.২০০২) ও দায়রা নম্বর ৩০৮/২০০৪। ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই আবুল কাশেমসহ ১২ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ৮ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আবুল কাশেম রায়ের সময় পলাতক ছিলেন। হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স নম্বর ৫৪/২০০৭। গত ২০১৩ সালের ১১ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও শহীদুল করিমের বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স শুনানিতে আসামি আবুল কাশেমকে খালাস দেন।  



হাইকোর্ট   খালাস  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে শুক্রবার টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন ১১ বিচারপতি

প্রকাশ: ০৭:৩৫ পিএম, ০৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে শুক্রবার টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন ১১ বিচারপতি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে সদ্য নিয়োগ পাওয়া ১১ অতিরিক্ত বিচারপতি। শুক্রবার বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তারা।

বুধবার (৩ আগস্ট) হাইকোর্টের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রটোকল) মো. আব্দুছ সালাম ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে সুপ্রিমকোর্টের পতাকাবাহী নিজ নিজ সরকারি গাড়িতে পদ্মা সেতু দিয়ে ভাঙ্গা হয়ে গোপালগঞ্জে পৌঁছাবেন বিচারপতিরা। এরপর দুপুর ১২টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তারা। দুপুর ২টায় গোপালগঞ্জের সার্কিট হাউজে মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকেল সাড়ে তিনটায় তারা একইপথে ঢাকায় ফিরবেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ১১ জন অতিরিক্ত বিচারপতি শপথ নেন। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

বঙ্গবন্ধু   শ্রদ্ধা জানাতে   টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন   বিচারপতি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন